মেঘালয় ভ্রমন বিস্তারিত

মেঘালয় ভ্রমন বিস্তারিত

মেঘালয় উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি স্থলবেষ্টিত রাজ্য।মেঘালয়কে তার উচ্চভূমি, কুয়াশা এবং প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য স্কটল্যান্ডের সাথে তুলনা করা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃস্টি হয় মেঘালয় এর ড রাজধানী চেরাপুঞ্জিতে। মেঘালয় জুড়ে অনেক গুলো ছোট বড় অপূর্ব সুন্দর ঝর্ণা রয়েছে। বৃস্টিতে তাদের প্রাণ যেনো আরো বেশি করে ফিরে পায়। মেঘালয়ে সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল এর জন্য বিখ্যাত। মেঘালয়ের উঁচু নিচু পাহাড়,ছোট বড় নদী,বিশাল আকৃতির সব ঝর্ণা ও ছবির মতো ছোট ছোট গ্রাম ভ্রমণ প্রেমীদের হাতছানি দিয়ে ডাকে তার কাছে। বাংলাদেশের সিলেট সীমান্তের কাছাকাছি ও কম খরচে মেঘালয় ভ্রমণ করা যায়।

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ প্রেমিদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর স্পোর্টস ট্যুরিজম বাংলাদেশ চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

 

গন্তব্য : মেঘালয় এর শিলং ও চেরাপুঞ্জী ভ্রমণ 

মেঘালয় অসম্ভব সুন্দর একটি জায়গা।সৃস্টি কর্তার অপূর্ব সৃস্টি। মেঘালয়ে ঘুরে দেখার অনেক জায়গা রয়েছে ,তবে বাংলাদেশী পর্যটকদের কাছে ডাউকি,শিলং ও চেরাপুঞ্জি বেশি পছন্দের জায়গা।

💠ভ্রমনের স্থান সমূহ :

🍁 শিলং 🍁উমগট রিভার 🍁চেরাপুঞ্জি 🍁বোরহিল ওয়াটারফলস  🍁উমক্রেম ওয়াটারফলস 🍁এলিফেন্ট ওয়াটারফলস  🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস 🍁ওয়াকাবা ওয়াটারফল 🍁নোহকালাইকাই ওয়াটারফল 🍁এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিংনং🍁লিভিং রুট ব্রীজ 🍁আরোয়া কেইভ এন্ড ভিউ প​য়েন্ট  🍁ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস 🍁শ্যুটিং ব্রীজ 

🍁 শিলং:প্রাচ্যের স্কটল্যান্ড বলা হয় শিলং কে । সবুজে ঘেরা পাহাড়, আকা-বাঁকা উঁচু-নিচু পথ, সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে যেতে পারেন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে।চায়ের চুমোকে গা ভাসাতে পারেন সাদা শুভ্র মেঘের ভেলায়। এখানে প্রচুর বৃস্টি হয়। তাই প্রকৃতি ও বর্ষার এই অপরূপ সৌন্দর্যে দেখতে পর্যটক দের ভিড় জমে শিলং এ।

🍁উমগট রিভার:

উমঙ্গোট নদী , ডাউকি নদী এবং বাহ উমঙ্গোট নামেও পরিচিত এই উমগট রিভার।এই যদি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম জৈন্তিয়া জেলার জয়ন্তিয়া পাহাড়ের নীচে অবস্থিত একটি ছোট শহর ডাউকির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় । এই নদীটির পানি খুবই স্বচ্ছ কাচের মতো। এই নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক পথ হিসেবে কাজ করে।

 

 

🍁চেরাপুঞ্জি: চেরাপুঞ্জি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার একটি শহর। চেরাপুঞ্জিকে বাংলায় বলা যায় কমলা দ্বীপ, কারণ এখানে প্রচুর পরিমানে কমলা গাছ ও কমলা পাওয়া যায় । কমলা ছাড়া এখানে আর আছে প্রচুর পান-সুপারির গাছ। তবে চেরাপুঞ্জি বিখ্যাত তার বর্ষণের জন্য। শুধু বৃস্টি নয় এখানে রয়েছে চোখ জড়ানো ঝর্ণা ও রহস্যময় গুহা। চেরাপুঞ্জিতেই রয়েছে বোরহিল ওয়াটারফলস ,উমক্রেম ওয়াটারফলস,এলিফেন্ট ওয়াটারফলস,সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস,ওয়াকাবা ওয়াটারফল,নোহকালাইকাই ওয়াটারফল সহ আরোয়া কেইভ এন্ড ভিউ প​য়েন্ট দেখার জন্য মাউন্টেইন ভিউ। 

🍁এলিফেন্ট ওয়াটারফলস: এলিফেন্ট ওয়াটারফলস বা হস্তী ওয়াটার ফলস মেঘালয়ের একটি বিখ্যাত আকর্ষণ গুলোর একটি। জলপ্রপাতের কাছে হাতির মতোই দেখতে একটি পাথর থাকার কারণে এই জলপ্রপাতের নাম এলিফেন্ট ওয়াটারফলস হয়। দুঃখজনক বিষয় হলো একটি বড় ভুমিকম্পের কারণে এই পাথরটি এখন র দেখা যাই না। কিন্তু এই জলপ্রপাত তার নিজস্ব সৌন্দর্যে পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস: নোহসনিথিয়াং জলপ্রপাত বা মাওসমাই জলপ্রপাত নামেও পরিচিত।সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস হল ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার মাওসমাই গ্রামের 1 কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সাত-স্তরের জলপ্রপাত । জলটি 315 মিটার (1,033 ফুট) উচ্চতা থেকে পড়ে এবং এর গড় প্রস্থ 70 মিটার (230 ফুট)।
এই জলপ্রপাতটি সাতটি ভাগে অপূর্ব ভাবে পরে বলে মূলত এটিকে সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল বলে। এর এই নিদর্শন দেখতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষ অনেক দুরদূরান্ত থেকে ছুটে যায়।

🍁এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিংনং: এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গ্রাম” হিসেবে পরিচিত মাওলাইনং গ্রাম। World Cleanest Village বলা হয় এই গ্রাম কে। পর পর ২ বার এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন গ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ম্যাগাজিন থেকে। এখানকার গ্রাম গুলো খুবই সুন্দর ও গুছানো ,এবং এখানকার ডাস্টবিনগুলো ও খুব অদ্ভুত সুন্দর। ঘন নীল আকাশ,সবুজ গাছগাছালি ,হরেক রকম ফুল ও প্রজাপতির উড়াউড়ি এই গ্রামের প্রতি মানুষকে আকর্ষিত করে।

🍁লিভিং রুট ব্রীজ:

লিভিং রুট ব্রিজগুলি হল এক ধরনের গাছের আকৃতি যেখানে নদীগুলি ফিকাস উদ্ভিদের শিকড় থেকে গঠিত স্থাপত্য দ্বারা বিস্তৃত । জীবন্ত গাছের মাদ্ধমেই সাধারণত এই ব্রিজ গুলি তৈরী হৈয়ে থাকে। খাসিয়ারা জানে না কবে বা কিভাবে জীবন্ত রুট ব্রিজের ঐতিহ্য শুরু হয়েছিল । খাসি পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত , তাদের পূর্বপুরুষরা একটি জীবন্ত শিকড় থেকে নেমে এসেছেন যা স্বর্গ ও পৃথিবীকে সংযুক্ত করেছে। ব্রিজ গুলো যেহেতু প্রাকৃতিক ভাবে ও জীবন্ত গাছের মাদ্ধমে তৈরী তাই এটি খুব সহজেই পর্যটক দের অত্যাশ্চর্য করতে সহযোগিতা করে।

 

মেঘালয় ভ্রমণের সময়

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে। আর এই বৃষ্টিতে মেঘালয়ের ঝর্ণাগুলো ও দারুন রূপে নিজেদের প্রকাশ করে। তাই এখানে উঁচু পাহাড়ের বুকে ঝর্ণার শব্দ শুনার জন্য বর্ষাকাল শ্রেষ্ঠ সময়। তাই মে থেকে অক্টোবর সাধারণত পর্যটক রা এখানে ভিড় করে। তবে এখানে শীত বর্ষা যেকোনো সিজনেই মেঘালয়ের ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

মেঘালয় কীভাবে যাবেন?

সড়ক পথে মেঘালয় ভ্রমণ তুলনামূলক কম খরচ হয়। বাসে করে সরাসরি শিলং যাওয়া যায়. আবার চাইলে ট্রেন,বিমানে করে সিলেট গিয়ে সেখান থেকে সিএনজি করে তামাবিল গিয়ে ইমিগ্র্যাশন শেষ করে ডাউকি থেকে ট্যাক্সি বা লোকাল গাড়িতে শিলং যাওয়া যায়।

মেঘালয় কোথায় থাকবেন

মেঘালয়ে পর্যটকদের বিপুল পরিমানে আনাগুনা থাকে। আর এই জন্যে এখানে অনেক ধরণের থাকার হোটেল ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে আপনি বিভিন্ন মানের ও দামের হোটেল পেয়ে যাবেন। পুলিশ বাজার এ অসংখ্য হোটেল পাওয়া যায় ,থ্রি ষ্টার ,ফোর ষ্টার মানের হোটেল থেকে সুর করে ব্যাগ প্যাকার্স দের জন্য বাজেট ফ্রেন্ডলি হোটেল সব কিছুর ই ব্যবস্থা আছে।

মেঘালয় খাবার ব্যবস্থা

হিন্দু রাষ্ট্র হওয়ায় এখানে তেমন একটাগরুর গোস্ত দেখা যায় না বললেই চলে। শিলং এর রেস্তোরা গুলোতে শুকরের গোস্ত ও মুরগির গোস্ত বেশি পাওয়া যায়। পুলিশ বাজার জামে মসজিদের পাশে একটি মুসলিম রেস্তোরা রয়েছে যেখানে হালাল গরুর গোস্ত পাওয়া যায়। তবে এখানে ভিন্ন কিছু ট্রাই করতে উপজাতিদের খাবার গুলো দেখতে পারেন। এখানে বিভিন্ন ধরণের রেস্টুরেন্ট ও এভেইলেবল রয়েছে।

💠মেঘালয় ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

প্রথম দিন  রাতের বাসে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্য রওনা করবো।

  দ্বিতীয় দিন ভোরে সিলেট নেমে ফ্রেশ হয়ে চলে যাব তামাবিল বর্ডারে।এরপর কাস্টমস ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে সকাল সাড়ে ১০ টা ১১ টার মধ্যে বর্ডার ক্রস করে চলে যাব ডাউকি।এরপর একে একে বোরহিল ওয়াটারফলস,এলিফেন্ট ওয়াটারফলস ঘুরে শিলং চলে আসবো।রাতে শিলং থাকবো।

তৃতীয় দিন এর গন্তব্য মেঘাল​য়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান চেরাপুঞ্জি।যাওয়ার পথে আমরা দেখব  মেঘাল​য়ের অন্যতম আকর্ষণ সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস,ওয়াকাবা ওয়াটারফল,নোহকালাইকাই ওয়াটারফল সহ আরো অনেক গুলো ঝর্ণা ও ভিউ প​য়েন্ট​।এদিন রাত টা চেরাপুঞ্জিতে কাটিয়ে দিবো।

চতুর্থ দিন সকালের নাস্তা করে হোটেল থেকে চেক আউট করে আমরা রওনা করবো শিলং এর উদ্দেশ্যে।পথে গাড়ি থামিয়ে আমরা দেখে নিবো লিভিং রুট ব্রীজ,এশিয়ার সব থেকে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিং ভিলেজ ,ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস সহ  আরো অনেক গুলো ভিউ প​য়েন্ট​। এদিন রাতে শিলং থাকবো।

পঞ্চম দিন ব্রেকফাস্ট করে স্বচ্ছপানির উমঘট রিভার ঘুরে  চলে আসবো বাংলাদেশ বর্ডারে।ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে দুপুরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করবো।এরপর সিলেট থেকে বিকেলের বাসে রওনা দিয়ে রাত ১০ টার মধ্যে ঢাকা থাকবো ইনশাআল্লাহ্।

 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠ভ্রমন খরচ:

 

জনপ্রতি ১৫,৫০০টাকা(নন এসি বাস +শেয়ারিং ।ফ্যামিলি রুম)

 জনপ্রতি ১৭,০০০টাকা(এসি বাস +শেয়ারিং ।ফ্যামিলি রুম)

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৩২,৫০০টাকা(ঢাকা-সিলেট নন এসি বাস​)

প্রতি কাপল: ৩৫,০০০টাকা(ঢাকা-সিলেট এসি বাস​)

 

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

মেঘালয়   ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -সিলেট -ঢাকা বাস টিকিট,বাংলাদেশ ভারত অভ্যন্তরিন ট্রান্সপোর্ট সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত বাস​,সিলেট থেকে বর্ডার পর্যন্ত লেগুনা এবং ইন্ডিয়ান অংশে সুমো বা সেভেন সিস্টার কার​।

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠ভারত থাকাকালীন প্রতিদিন ব্রেকফাস্ট 

💠সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔মেঘালয়   ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে না

 

💠ভ্রমণ চলাকালীন কোনো লাঞ্চ বা ডিনার​

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

 

কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠ভিসায় পোর্ট ডাউকি হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় ডাউকি না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *