পাসপোর্ট করার প্রক্রিয়া

বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার পুরো প্রক্রিয়া

পাসপোর্ট একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বস্তু বা ডকুমেন্ট যা নাগরিক হিসেবে আমাদের পরিচয় বহন করে। দেশের বাইরে অন্য যেকোনো দেশে ভ্রমণ বা কাজের প্রয়োজনে অবশ্যই পাসপোর্টের প্রয়োজন হয়।বাংলাদেশি পাস পোর্ট হল একটি আইসিএও অনুগামী, মেশিন রিডেবল এবং বায়োমেট্রিক ই-পাসপোর্ট পাসপোর্টধারীর দ্বারা বিদেশে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে জারি করা হয় এমন পরিচয়পত্র । বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ যে দেশ সমস্ত যোগ্য নাগরিকের জন্য ইপাসপোর্ট ইস্যু করেছে। বাংলাদেশ সরকার তিনটি বিভিন্ন ধরনের পাসপোর্টের ইস্যু করে। এগুলি হল কূটনৈতিক, দাপ্তরিক এবং নিয়মিত বা সাধারণ পাসপোর্ট। সাধারণ পাসপোর্টটি সবুজ মলাট )এটা আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশের সাধারণ নিয়মিত নাগরিকদের জন্য জারি করা হয়। যেমন ছুটি, অধ্যয়ন, ব্যবসা ভ্রমণ ইত্যাদি।

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই প্রথম ই-পাসপোর্টটি চালু হচ্ছে। অন্যদিকে, এ পাসপোর্টটি চালুর ক্ষেত্রে বিশ্বে ১১৯তম দেশ।

পাসপোর্ট এর প্রকার

বাংলাদেশ সরকার তিনটি বিভিন্ন ধরনের পাসপোর্টের ইস্যু করে। এগুলি হল কূটনৈতিক, দাপ্তরিক এবং নিয়মিত বা সাধারণ ।

💠সাধারণ পাসপোর্টটি     সবুজ মলাট:এটা আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশের সাধারণ নিয়মিত নাগরিকদের জন্য জারি করা হয়। যেমন ছুটি, অধ্যয়ন, ব্যবসা ভ্রমণ ইত্যাদি।
💠দাপ্তরিক পাসপোর্টটি    নীল মলাট: সরকারী কর্মচারী, সরকারি কর্মকর্তা ও সরকারী ব্যবসায়ের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তিদের জারি করা হয়েছে।
💠কূটনৈতিক পাসপোর্টটি     লাল মলাট : বাংলাদেশি কূটনীতিকদের শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনৈতিক কুরিয়ার জারি করা হয়।
💠বিশেষ পাসপোর্টটি     (স্পেশাল পাসপোর্ট, মেরুন মলাট): ভারত-বাংলাদেশ বিশেষ পাসপোর্ট নামেও পরিচিত, বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারতীয় নাগরিকদের জন্য জারি করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলি কেবল. এটি শুধুমাত্র ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভ্রমণের জন্য বৈধ ছিল। ICAO প্রবিধানে পরিবর্তনের কারণে এই পাসপোর্টের ইস্যু 2013 সালে শেষ হয়েছিল।

পাসপোর্ট করার পুরো প্রক্রিয়া

অনেকেই পাসপোর্ট করার সঠিক প্রক্রিয়া জানেন না। তাদের জন্যই –
বাংলাদেশে পাসপোর্টটি করার পুরো প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

➤১.পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন ফরম পূরণ ✍️

💠অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ: প্রথমে পাসপোর্ট বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (e-passport.gov.bd) গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
💠আবেদন ফরম প্রিন্ট: ফরম পূরণের পর আবেদন ফরম প্রিন্ট করতে হবে।

➤২.পাসপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র 📄

💠জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি: ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি।
💠জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি: জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি।
💠পাসপোর্ট সাইজ ছবি: ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
💠পূর্বের পাসপোর্টের ফটোকপি(যদি থাকে)।
💠অন্যান্য ডকুমেন্ট: যদি আবেদনকারী সরকারী চাকুরিজীবী হন, তবে এনওসি (NOC) প্রয়োজন হতে পারে।

➤৩. ফি জমা 💰

💠ফি: পাসপোর্টের ফি অনলাইনে বা নির্দিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
💠ফি রসিদ: ফি জমা দেওয়ার পর রসিদটি সংরক্ষণ করতে হবে।

➤৪. আবেদন জমা 📬

💠আবেদন জমা: নিকটস্থ পাসপোর্টের অফিসে নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে আবেদন ফরম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

➤ ৫. বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান 🖐️

💠ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি: পাসপোর্টের অফিসে গিয়ে আঙ্গুলের ছাপ এবং ছবি তোলা হবে।

➤৬. পাসপোর্ট সংগ্রহ 🛂

💠এসএমএস বা ইমেইল: আবেদন গৃহীত হলে এবং পাসপোর্টটি প্রস্তুত হলে এসএমএস বা ইমেইল পাওয়া যাবে।
💠সংগ্রহ: নির্দিষ্ট পাসপোর্টের অফিস থেকে পাসপোর্টটি সংগ্রহ করতে হবে।
এছাড়া আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য পাসপোর্টের অফিসের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন অথবা সরাসরি পাসপোর্টের অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

 

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *