
বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮ দেশে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন
আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশ ঘুরা একটু কঠিন। অনেক জায়গায় আমাদের ভিসা নেয়া লাগে।অনেক সময় দেখা যায় এই ভিসা নেয়ার ঝামেলা ঘুরার ঝামেলা থেকেও বেশি হয়। যেমন আপনি ভ্রমণে যাবেন ১/২ সপ্তাহের জন্য কিন্তু ভিসার জন্যই লেগে যাই ১ সপ্তাহ বা ১ মাসের ও বেশি সময় অনেক ক্ষেত্রে। তবে অনেকেই যেটা জানেনা বা অবগত না ,সেটা হচ্ছে বিশ্বের অনেক গুলো দেশ আছে যেখানে যেতে বাংলাদেশিদের ভিসা লাগে না ,বা On -Arrival ভিসা দিয়ে দেয়, অথবা আগে থেকে অনলাইনে ভিসা নেয়া যায় যেটা কে e-visa বলে। বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮ দেশে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন করা যায়
আমাদের আজকের টপিকে খুব সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দেয়া হবে আপনি বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে কোন কোন দেশে যেতে পারবেন এবং কোন কোন দেশে যেতে পারবেন না। আজকের টপিক টি ৩ টি ভাগে লেখা হবে।
১. কোন কোন দেশে On -Arrival ভিসা দেয়া হয়
২.কোন কোন দেশে E -visa দেয়া হয়
৩. এমন অনেক দেশ আছে যেমন আমেরিকান ,ইউরোপিয়ান বা কানাডিয়ান (শেনজেন)ভিসা ইউজ করে ঐসব দেশ On -Arrival ভিসা পাবেন।
১. বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ কোন কোন দেশে On -Arrival ভিসা দেয়া হয়
আপনি যেই দেশে ভ্রমণ করবেন সেই দেশ গিয়ে আপনাকে দেখাতে হবে আপনার ফেরত যাওয়ার রিটার্ন টিকেট আছে ,আপনি ওই দেশে ফ্রট করে থাকতে যান নি ,আপনি নিজের দেশে আবার ব্যাক করবেন। আপনার ঐখানের হোটেল বুকিং ও দেখতে পারে।
বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ এদের মধ্যে বেশির ভাগ এ হচ্ছে এশিয়া ও ওশেনিয়া কন্টিনেন্ট।
১. নেপাল
২.ভুটান
৩.মালদ্বীপ
৪ শ্রীলংকা
৫. ইন্দোনেশিয়া
৬.টিমোর-লেস্তে
৭.ফিজি
৮.মাইক্রোনেশিয়া
৯.সামোয়া
১০. টুভালু
১১. ভানুয়াটু
১২. ক্যারিবিয়ান
বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ -দক্ষিণ আমেরিকা
১.জ্যামাইকা
২.বাহামাস
৩.হেইটি
৪.গ্রেনাদা
৫. সেন্ট কেট্স এন্ড নেভিস
৬.সেইন্ট ভিন্সেন্ট এন্ড গ্রেনেডাইন্স
৭. বার্বাডোস
৮. ডোমেনিকা
৯. ট্রিনিডাড এন্ড টোবাগো
বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ – আফ্রিকান
১. রুয়ান্ডা
২. উগান্ডা
৩. মোরেতানিয়া
৪. গাম্বিয়া
৫. কোমোরোস
৬. ম্যাডাগ্যাস্কার
৭. সেচেলেস
৮. কেপ ভার্দেস
৯. মোজাম্বিক
১০. গিনি বিসাও
১১. টোগো
২.বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ কোন কোন দেশে E -visa দেয়া হয় –
E -visa এর জন্য আপনাকে আম্বাসি তে দৌড়াদৌড়ির ঝামেলা লাগবে না , শুধু অনলাইন এ একটি ফ্রম ফিলাপ করতে হবে। কিছু ডকুমেন্টস আপলোড করা লাগবে।
তবে E-Visa এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন রকম রিকোয়ার্মেন্টস আছে। কিছু কিছু দেশে হয়তোবা অনলাইনে আপনার ডাইরেক্ট একটা পেমেন্ট করা লাগে। আপনার পাসপোর্ট এর ছবি আপলোড করা লাগবে ,যা সব জায়গাতেই প্রয়োজন হয়। আরো কিছু ইনফরমেশন দেয়া লাগবে। যেমন :
আপনি ওই দেশে কবে যাচ্ছেন ,কেন যাচ্ছেন ,কি করছেন ,আইটিনারি কি ?সাধারণত দেয়া লাগে। কিন্তু এতো কিছু দেয়া লাগলেও এটি একটি এম্বাসি যাওয়ার ঝামেলা থেকে অনেক সহজ। আপনার যদি এখন ৫দিন আপনার ইন্ডিয়া এম্বাসিতে যাওয়া লাগে ইন্ডিয়া যাওয়ার জন্য ,তার চেয়ে মালয়েশিয়া অনলাইন আবেদন করা অনেক সহজ।
E-Visa যেই যেই দেশে দেয়া হয় :
১.কেনিয়া
২.লেসোথো
৩.জিবুতি
৪.আইভরি কোস্ট
৫. ইথোপিয়া
৬. গ্যাবন
৭. জাম্বিয়া
৮. জিম্বাবুয়ে
৯. সাও তোমে প্রিন্সেপে
১০. বেনিন
১১. এন্টিগুয়া এন্ড বার্বাডোস
১২. কাতার
১৩. কিরগিস্তান
১৪.উজবেকিস্তান
১৫. মায়ানমার
১৬. মালয়েশিয়া
১৭. টার্কি
৩. এমন অনেক দেশ আছে যেমন আমেরিকান ,ইউরোপিয়ান বা কানাডিয়ান (শেনজেন)ভিসা ইউজ করে ঐসব দেশ On -Arrival ভিসা পাবেন:
অনেকেই আছে বাংলাদেশী -যারা আমেরিকায় ,কানাডা ,ইউরোপিয়ান কোনো দেশে ,অস্ট্রেলিয়া,নিউজিল্যান্ড এমন উন্নত দেশের ভিসা নিয়ে অনেক দেশেই অন-এরাইভাল ভিসা পেয়ে যেতে পারেন ।
কোন কোন দেশে যেতে পারবেন :
১.মেক্সিকো
২.কোস্টারিকা
৩. পেনামা
৪. বেলি
৫. ডোমিনিকান রিপাবলিক
৬. আরুবা
৭.আলবেনিয়া
৮.বসনিয়া এন্ড হারযেকবিনা
৯. মন্টেনিগ্রো
১০. সার্বিয়া এন্ড মেকেডোনিয়া বা মেসিডোনিয়া
শেনজেন মাল্টিপল ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন :
১. ক্রোয়েশিয়া
২. কসোভো
৩. রোমানিয়া
৪. বুলগেরিয়া
৫. সাইপ্রাস
আরো কয়েকটি টেরিটরি আছে যেগুলো আমাদের নিজেদের দেশ না যেখানে আপনি ইউএস ভিসা কিংবা শেনজেন ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন। সেগুলো হচ্ছে :
১.বারমুডা
২.ব্রিটিশ ভার্জিং আইল্যান্ড
৩.টার্কস এন্ড কাইকুস
চাইনা তে যদি ২৪ ঘন্টার কম একটি লে -ওভার থাকে তাহলে আপনার ভিসা লাগবে না ট্রানসিট ভিসা দিয়ে ও আপনি ২৪ ঘন্টা ঘুরে বেড়াতে পারবেন। বেজিংয়ে