কানাডা ভিসা এপ্লিকেশন প্রসেস

কানাডা ভিসা

কানাডা ভিসা

উন্নত জীবনযাপন, চাকরি বা পড়াশুনার জন্য কানাডা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় দেশ। জীবন মানের বিবেচনায় কানাডা অবস্থান শীর্ষ তিনে। কানাডা বিশ্বের অভিবাসিদের এক নম্বর পছন্দনীয় দেশ হিসেবে এরই মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। আয়তনের তুলনায় দেশটিতে জনসংখ্যা কম এবং রাজনৈতিক বন্ধুত্বপূর্ণ সংস্কৃতির কারণে সেখানে বসবাসকারীরা নিরাপদ ও সুখী জীবনযাপন করেন। এজন্য পৃথিবীর বহু দেশ থেকে মানুষ কানাডা যাওয়ার চেষ্টা করে।উন্নত বিশ্বের দেশ থেকেও অনেক মানুষ কানাডায় অভিবাসী হওয়ার স্বপ্ন দেখে

কানাডা ভিসা এপ্লিকেশন প্রসেস করার সঠিক পদ্ধতি।

কানাডা ভিসা এপ্লিকেশন করতে প্রথমে আপনি যে কোনো একটি ব্রাউজার (Chrome, Firefox, Safari…) ওপেন করবেন। তারপর সার্চ বারে IRCC লিখে সার্চ করেন। আপনাকে IRCC (Immigration Refugees and Citizenship Canada) ওয়েবসাইটে গিয়ে GCKey বাটনে ক্লিক করে GCKey একাউন্ট খুলতে হবে। একাউন্ট খোলার সময় অনেকগুলো সিকিউরিটি কোশ্চেন আসবে। ইমেইল এড্রেস এবং পাসওয়ার্ড ও সিকিউরিটি কোশ্চিন এর আনসার সেভ করে রাখবেন। একাউন্ট ক্রিয়েট করার পর আইআরসিসি একাউন্টে লগইন করার জন্য তথ্যগুলো প্রয়োজন হবে। এবার আপনার GCKey একাউন্টে লগইন করুন। তারপর আপনি আপনার একাউন্টে প্রবেশ করে Start an application বাটনে ক্লিক করুন। তারপর Apply to come to Canada ক্লিক করবেন। ভিসা ক্যাটাগরি অপশন দেখাবে। যেমনঃ

কানাডা ভিসা ক্যাটাগরি অপশন

1) Visitor Visa, Study and Work Permit
2) Express Entry (EE)
3) International Experience Canada (IEC)
আপনি ক্যাটাগরি থেকে প্রথম অপশনটি সিলেক্ট করবেন। তারপর যে প্রশ্নটি আসবে
What is your current country/territory of residence?
এখানে Bangladesh সিলেক্ট করবেন।
সেম ওয়েতে বাকি সবগুলো প্রশ্নের আনসার সিলেক্ট করবেন।
সবগুলো অপশন কমপ্লিট করার পর আপনাকে একটা ডকুমেন্টস রিকোয়ারমেন্ট এর তালিকা দেওয়া হবে। সবগুলো ডকুমেন্ট আপনাকে আপলোড করতে হবে।
নিচের তিনটা পিডিএফ ফর্ম সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে আপনাকে ফিলআপ করতেই হবে।
1) Application Form (IMM5257)
2) Family Information (IMM5245)
3) Schedule 1(IMM5227)

Upload Required Documents for visit visa

1) Application Form
2) Travel history visa and Immigration entry exit seal
3) Passport copy
4) Bank statement bank solvency
5) Recent Photo
6) Purpose of Travel/ Flight Booking/ Hotel Reservation/ Travel Itinerary/ Invitation/ Sponsorship
7) Family Information
😎 Schedule1 Form
9) Client Information/Cover Lettter
Certificate of Employee/ Office ID Card/ NOC
সবগুলো অরজিনাল ডকুমেন্টস স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। আপলোড করার পর পেমেন্ট অপশন আসবে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড অথবা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।
Application fee: 100 CAD & Biometrics fee 85 CAD. Total = 185 CAD
পেমেন্ট করার পর বায়োমেট্রিক রিকোয়েস্ট email আসবে। বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য বিএফএস গ্লোবাল থেকে আপনাকে এপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। এপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী VFS আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি তুলে রাখবে। বায়োমেট্রিক এর কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথে আপনাকে পাসপোর্ট ফেরত দিবে।
রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা করুন। আপনার ইমেইলে নোটিশ আসলে IRCC Portal থেকে GCKey একাউন্ট চেক করুন। আপনার ভিসা রিকুয়েস্ট ডাউনলোড করে পুনরায় বিএফএস এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট সাবমিট করুন।  ২ সপ্তাহের মধ্যে ভিসাসহ পাসপোর্ট ফেরত পাবেন।
বাংলাদেশ থেকে আবেদন করলে সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন অথবা ইন্ডিয়া থেকে ভিসা ইস্যু হয়। যদি কোন কারণে ভিসা রিজেক্ট হয় তাহলে GCKey একাউন্টে রিজেকশন লেটার আসবে।
একবার বায়োমেট্রিক দিলে তা ১০ বছর মেয়াদে রিজার্ভ থাকে। কোন কারণে যদি ভিসা রিজেক্ট হয় তাহলে দ্বিতীয়বার অর্থাৎ Reapply এর সময় বায়োমেট্রিক্স ফি দিতে হবে না। শুধু মাত্র 100 CAD ভিসা ফি দিয়ে আবার এপ্লাই করতে পারবেন।

বিস্তারিত জানতে

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

ইনটারন্যাশনাল ও ডোমেস্টিক যেকোনো ধরণের ভ্রমণ প্যাকেজ পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে।

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৯)

কিরগিজস্তান ভিসা বিস্তারিত

কিরগিজস্তান ভিসা

কিরগিজস্তান ভিসা বিস্তারিত

কিরগিজস্তান মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত একটি রাষ্ট্র। এর উত্তরে কাজাখস্তান, পূর্বে চীন, দক্ষিণে চীন ও তাজিকিস্তান এবং পশ্চিমে উজবেকিস্তান।দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো বিশকেক। কিরগিস্তান এর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। কিরগিজস্তানের পাহাড় এবং হ্রদ একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য। 2018 সালে, ব্রিটিশ ব্যাকপ্যাকার সোসাইটি কিরগিজস্তানকে পৃথিবীর পঞ্চম সেরা অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে স্থান দিয়েছে , “এই বলে যে দেশটি একটি অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল সিক্রেট যা “শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে বাধ্য।” কিরগিজস্তানের শহরগুলিতে সোভিয়েত-শৈলীর অনেক ভবন, প্রশস্ত বাজার এবং রঙিন মসজিদ রয়েছে।

আপনি যদি কিরগিজস্তান যেতে চান আপনাকে অবশ্যই কিরগিজস্তানের একটি ভিসার প্রয়োজন হবে। কিরগিজস্তানে ভ্রমণের জন্য অনেক দেশের নাগরিকদের ই ভিসার প্রয়োজন হয় না আবার অনেকের ই ভিসা প্রয়োজন হয়। দেশ ভেদে ভিসার ধরণ ও ভিন্ন হয়।

কিরগিজস্তান এর ভিসার ধরণ ও প্রকারভেদ

কিরগিজস্তান এ ভিসা কয়েক ধরণের হয়ে থাকে। কিরগিজস্তানের জন্য সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ভিসা হল:

🍁ট্যুরিস্ট ভিসা: যারা পর্যটনের উদ্দেশ্যে অন্য কোনো দেশ থেকে অল্প সময়ের জন্য কিরগিজস্তান ভ্রমণে যেতে চান ট্যুরিস্ট ভিসা সাধারণত তাদেরকেই জারি করা হয় ।

🍁বিজনেস ভিসা: যারা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কিরগিজস্তানে প্রবেশ করতে চান, যেমন আলোচনার জন্য, একটি সম্মেলনে যোগদানের জন্য, বা কিরগিজ সংস্থা বা একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান দ্বারা আয়োজিত একটি ক্রীড়া ইভেন্টে তাদের জন্যই এই বিজনেস ভিসা জারি করা হয় ,এই ভিসা টি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।

🍁স্টাডি ভিসা: অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা কিরগিজস্তানে পড়াশুনা করার জন্য যেতে চায়। স্টাডি ভিসা একজন শিক্ষার্থীকে কিরগিজস্তানে থাকার অনুমতি দেয় যদি তারা কিরগিজ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নথিভুক্ত হয়।

🍁কাজের ভিসা: কিরগিজস্তানের কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিরগিজস্থানে কোনো চাকরি পেতে হবে বা ওয়ার্ক পারমিট পেতে হবে।আপনি যে কোম্পানিতে নিয়োগ নিবেন সেই কোম্পানির নিয়োগকর্তা আপনার জন্য এটির ব্যবস্থা করে দিবেন ।

🍁প্রাইভেট ভিসা : কিরগিজস্তানের জন্য একটি প্রাইভেট ভিসা বিদেশীদের জন্য জারি করা হয় যারা স্বল্পমেয়াদী উদ্দেশ্যে দেশে প্রবেশ করবে, যেমন আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে, চিকিৎসা নেওয়ার জন্য, এমনকি একজন কিরগিজ নাগরিককে বিয়ে করতে বা পারিবারিক পুনর্মিলনের জন্য। এই ধরনের ভিসা ধারককে কিরগিজস্তানে কাজ করার অনুমতি দেয় না।

কিরগিজস্তান ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

কিরগিজস্তানে ভিসার আবেদন এর ধরণ সাধারণত ৩টি।

১. অন এরাইভাল : এই ভিসার আপনাকে মানস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেই দিবে। তবে এই ভিসাটি কিছু সংখক দেশের জন্য বরাদ্য।
২. অনলাইন :এই ভিসার জন্য আপনাকে সরকারী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
৩. বিদেশে কিরগিজস্তানের দূতাবাস বা কনস্যুলেটগুলির একটিতে

কিরগিজস্তান ভিসার জন্য অনলাইনে ইভিসা আবেদন করার নিয়ম

ই-ভিসা আবেদনের জন্য কিরগিজস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে হবে। নিচে প্রক্রিয়াটি উল্লেখ করা হলো:

১. কিরগিজস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করুন

২.আপনি কিরগিজস্তান ইভিসার জন্য আবেদন করার যোগ্য কিনা তা পরীক্ষা করুন। তথ্য ট্যাবের অধীনে একটি “আমার কি ভিসা দরকার” বিভাগ রয়েছে। সাধারণত, আপনি যদি ভিসা-মুক্ত হন বা আগমনের ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে আপনি ইভিসার জন্যও আবেদন করতে পারেন।

৩.অ্যাপ্লিকেশন শুরু করুন। হোমপেজে “ভিসার জন্য আবেদন করুন” বোতামে ক্লিক করুন।
৪.আপনার পাসপোর্টের স্ক্যান কপি এবং একটি পাসপোর্ট আকারের ছবি সংযুক্ত করুন।
৫.আপনার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড দিয়ে eVisa ফি প্রদান করুন।
৬.ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি প্রায় এক সপ্তাহ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যে, আপনি আপনার ইমেলে একটি নিশ্চিতকরণ পাবেন, এবং আপনি আপনার ভিসা আবেদনের অবস্থাও পরীক্ষা করতে পারেন।

কিরগিজস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

কিরগিজস্তানের ভিসার প্রয়োজনীয়তাগুলি হল:

🍁পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পত্র।*
🍁পূরণকৃত ভিসা আবেদনপত্র।
🍁নিজের একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি যেটি ভিসা আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত থাকবে।
🍁 পাসপোর্ট : কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট যার ২ টি পৃষ্ঠা ফাঁকা থাকবে।
🍁কিরগিজস্তানের ভিসা ফি প্রদান: আপনার দেশ, আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং এটি একটি একক-প্রবেশ বা বহু-প্রবেশ ভিসা কিনা তার উপর নির্ভর করে ভিসা ফি পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, কিরগিজস্তানের ভিসা ফি হল:
এক মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য USD 40।
এক মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ব্যবসা, ব্যক্তিগত বা স্টাডি ভিসার জন্য USD 60।
এক মাসের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার জন্য USD 70।

🍁ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রমাণ: কিরগিজস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য ডকুমেন্ট হিসেবে আপনার ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রমান ,যেমন আপনার ফ্লাইটের টিকিট এবং বাসস্থানের প্রমাণ দিতে হবে।

🍁আপনি যদি ডাকযোগে আবেদন করেন: একটি প্রি-পেইড স্ব-ঠিকানাযুক্ত খাম, যাতে দূতাবাস আপনার নথি ফেরত দিতে পারে।

*যারা ভিসার প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা আগমনের ভিসার জন্য যোগ্য তাদের ভিসা অনুমোদন পত্রের প্রয়োজন নেই।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

তাজিকিস্তান ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান ভিসা

তাজিকিস্তান ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান দক্ষিণ-পূর্ব মধ্য এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত প্রজাতন্ত্র। এর উত্তরে কিরগিজস্তান, উত্তরে ও পশ্চিমে উজবেকিস্তান, পূর্বে চীন এবং দক্ষিণে আফগানিস্তান।তাজিকিস্তান স্থলবেষ্টিত এবং আয়তনে মধ্য এশিয়ার সবচেয়ে ক্ষুদ্রত্তম রাষ্ট্র।তাজিকিস্তানের প্রায় ৯০% এর বেশি এলাকা প্রবতময়। পৃথিবীর ছাদ খ্যাত পামির মালভূমির অংশ ও এখানেই অবস্থিত। প্রতি বছর প্রায় অনেক পর্যটক এই দেশে ভ্রমণ করে থাকে। তাদের বিশেষ আকর্ষণ এই পামির মালভূমি সহ আরো কিছু পর্বতমালা রয়েছে যা তাজিকিস্তানে বা এর সংলগ্নে অবস্থান করে।
এই দেশে ভ্রমণের জন্য ভিসা অত্যন্ত জরুরি। কিছু সংখক দেশ বাদে বাকি দেশেরই ভিসা প্রয়োজন। বাংলাদেশিদের জন্য ও ভিসা আবশ্যক।

তাজিকিস্তান এর ভিসার ধরণ ও প্রকারভেদ

তাজিকিস্তান এর কয়েক ধরণের ভিসা দিয়ে থাকে। ভিসার প্রকারভেদ গুলো হলো :

🍁ট্যুরিস্ট ভিসা : ট্যুরিস্ট ভিসা সাধারণত ভ্রমণ পর্যটন বা চিত্ত বিনোদনের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করা বিদেশী নাগরিকদের দেয়া হয়ে থাকে। তাজিকিস্তানের ট্যুরিস্ট ভিসা অনলাইনে আবেদন করা যায় কোনো ধরণের আমন্ত্রণ পত্র ছাড়াই।

🍁স্টাডি/একাডেমিক ভিসা: এই ভিসাটি সাধারণত বিদেশী নাগরিক যারা তাজিকিস্তানের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা অর্থাৎ স্নাতকোত্তর, ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে চাই তাদের জন্য।

🍁বিজনেস ভিসা: ব্যবসা পরিচালনার উদ্দেশে বিদেশী নাগরিক যারা তাজিকিস্তান ভ্রমণ করতে চায় তাদের জন্য বিজনেস ভিসা জারি করা হয়। যেমন মিটিং, সম্মেলন, একটি সিম্পোজিয়াম, চুক্তি সমাপ্ত করা ইত্যাদি। তবে এই ক্ষেত্রে এই দেশের হোস্টিং কোম্পানি থেকে আমন্ত্রণ পত্র প্রয়োজন হয়।

🍁প্রাইভেট ভিসা:তাজিকিস্তানে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে দেখা করা বিদেশী নাগরিকদের জন্য ইস্যু করা, চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করা বা অন্যান্য স্বল্পমেয়াদী উদ্দেশ্যে এই প্রাইভেট ভিসা টি দেয়া হয়।

🍁ইনভেস্টমেন্ট ভিসা: ইনভেস্টমেন্ট ভিসাটি হলো এই দেশের কোনো সংস্থার বড় বিনিয়োগ কারী কোম্পানি বা সংস্থার প্রতিনিধি বা ওই সংস্থানের প্রধানদের পাশাপাশি প্রধান আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যদের কাছে ইস্যু করা হয়।

🍁কাজের ভিসা: তাজিকিস্তানে কাজের ভিসা চালু করা হয়েছে বিদেশী নাগরিকদের এই দেশ ভিত্তিক কর্মস্থল বা কোম্পানিতে চাকরি করার সুবিদার্থে।

তাজিকিস্তান ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তানে মূলত ২ ধরণের ভিসা আবেদন করা যায়। যেমন :
১. অনলাইন: অফিসিয়াল তাজিকিস্তান ইভিসা পোর্টালের মাধ্যমে
২. দূতাবাস বা কনস্যুলেটে: আপনি যদি ইভিসার জন্য যোগ্য না হন

তাজিকিস্তান ইভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান সাধারণত ই-ভিসা ইস্যু করে থাকে। এই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাজিকিস্তান ইভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
এই ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া টি খুবই সহজ। এর জন্য আপনাকে নিম্ন বর্ণিত কাজ গুলো করতে হবে। যেমন:
🍁অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে।
🍁তাজিকিস্তান ইভিসা ফি প্রদান করতে হবে। (ফি অফেরতযোগ্য)
🍁ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি প্রায় দুই কার্যদিবস সময় নেয়। তাজিকিস্তান এর ই-ভিসাটি আপনি আপনার ইমেলে পাবেন।
🍁ভিসার প্রিন্ট আউট করুন এবং ভ্রমণের সময় এটি আপনার সাথে রাখতে হবে।

বিঃদ্রঃ এই ভিসা টি শুধু ট্যুরিস্ট বা পর্যটনের জন্য জারি করা হয়।

তাজিকিস্তান ট্যুরিস্ট ভিসা/ই-ভিসা ফি

তাজিকিস্তান ইভিসা ফি হল USD 50। যদি GBAO পারমিটের জন্য আবেদন করেন, তাহলে খরচ প্রায় USD 70। GBAO পারমিট ধারককে গর্নো-বাদাখশান স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে প্রবেশের অনুমতি দেয়।

ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

১. কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট
২. ভিসা ফি প্রদানের জন্য অবশ্যই একটি বৈধ ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে।
৩.অবশ্যই ই-ভিসার জন্য যোগ্য দেশ গুলোর মধ্যে একটি হতে হবে।
৪. NID কার্ডের কপি।

দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

আপনি যদি অনলাইন ভিসার জন্য যোগ্য না হোন তখন এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আপনি যে দেশে আবেদন করছেন তার উপর নির্ভর করে। আপনার একটি আমন্ত্রণ পত্রের প্রয়োজন হবে যা ঐ দেশের একটি ট্যুর এজেন্সি, একজন ব্যক্তি বা একটি হোস্ট কোম্পানি/সংস্থা থেকে নিতে হবে।দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসার আবেদনের জন্য একটি অনলাইন আবেদন করতে হবে। প্রক্রিয়া টি হলো :

🍁MFA এর তাজিকিস্তান ভিসা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করুন। এটি ইভিসার মত নয়!
🍁আপনার জাতীয়তা  এবং কোন দূতাবাসে আপনি আপনার ভিসা পাবেন নির্বাচন করুন। তাজিকিস্তানের কোনো কূটনৈতিক মিশন না থাকলে,             আপনার কাছে আগমনের ভিসা পাওয়ার বিকল্প রয়েছে।
🍁ভিসা ফর্মটি পূরণ করুন।
🍁প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আপনার পাসপোর্টের একটি স্ক্যান কপি, তাজিকিস্তানের একটি ট্যুর কোম্পানির একটি আমন্ত্রণপত্র এবং নিজের একটি 5×6 ছবি প্রয়োজন৷ ব্যবসার জন্য ভ্রমণ করলে, আপনাকে হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে আমন্ত্রণের একটি চিঠির প্রয়োজন।
🍁ভিসার জন্য অর্থ প্রদান: তাজিকিস্তান ভিসার জন্য ফি আপনার জাতীয়তার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
🍁ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। এটি সাধারণত প্রায় 5 কার্যদিবস সময় নেয়।
🍁আপনার ইমেল নিশ্চিতকরণ পাবেন।
🍁মুদ্রিত নিশ্চিতকরণ চিঠিটি তাজিকিস্তান দূতাবাসে নিয়ে যান যা আপনি আপনার ভিসা পাওয়ার জন্য নির্বাচন করেছেন বা আপনার নির্বাচনের          উপর নির্ভর করে আগমনের সময় আবেদন করতে আপনার সাথে নিয়ে যান।

তাজিকিস্তান ভিসার মেয়াদ

তাজিকিস্তানের সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ভিসা (ইভিসা) ইস্যু হওয়ার পর থেকে সর্বাধিক 90 দিনের জন্য বৈধ। এটি আপনাকে তাজিকিস্তানে এর বৈধতার মেয়াদের মধ্যে 60 দিন পর্যন্ত থাকতে দেয়।
আপনি নিকটস্থ তাজিকিস্তান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ভিন্ন মেয়াদের বা ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে পারেন।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রসেসসিং

উজবেকিস্তান এর এই সুন্দর ছবিটি সংগৃহিত

বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রসেসসিং

মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র হলো উজবেকিস্তান।দেশটির রাজধানী তাশখন্দ।উজবেকিস্তান সীমান্তে পাঁচটি স্থলবেষ্টিত দেশ রয়েছে: উত্তরে কাজাখস্তান; উত্তরপূর্ব কিরগিজস্তান; দক্ষিণপূর্ব তাজিকিস্তান, দক্ষিণ আফগানিস্তান; এবং দক্ষিণ পশ্চিমে তুর্কমেনিস্তান।উজবেকিস্তান এর ২য় বৃহত্তম শহর সমরকন্দ রেশম পথের মধ্যস্থলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি। সমরকন্দের প্রধান আকর্ষণ রেগিস্তান নামের এলাকা, যার চারপাশ ঘিরে আছে অনেকগুলি প্রাচীন মাদ্রাসা।উজবেকিস্তান এর এ সকল সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর অনেক পর্যটন সেখানে ভ্রমণে যায়।

উজবেকিস্তান ভ্রমণের জন্য একটি ভিসা অবশ্যয় জরুরি। বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কোনো দূতাবাস না থাকাই আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নয়া দিল্লি থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রক্রিয়া করতে হয়।

উজবেকিস্তান  ভিসা আবেদন এর প্রক্রিয়া

আপনার দেশটি যদি ভিসা-মুক্ত না হয়, তাহলে আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলির মধ্যে একটিতে উজবেকিস্তানের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন:

অনলাইন: উজবেকিস্তান ই ভিসা সিস্টেমের মাধ্যমে 50 টিরও বেশি দেশের নাগরিকরা একটি ইভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।

একটি উজবেক দূতাবাস বা কনস্যুলেটে: আপনি যদি ইভিসার জন্য যোগ্য না হন বা আপনি 30 দিনের বেশি থাকতে চান তবে আপনাকে উজবেকিস্তানের একটি কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।উজবেকিস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য প্রথমে অনলাইন এ একটি ফরম ফিলাপ করতে হবে। সেখানে সমস্ত সঠিক তথ্য দিয়ে অবদান ফরমটি পূরণ করতে হবে। আবেদন ফর্মের হার্ড কপি ভারতের নয়াদিল্লির উজবেকিস্তান দূতাবাসে পাঠাতে হবে।

উজবেকিস্তান এর ভিসার ধরণ

উজবেকিস্তান সাধারণত ২ ধরণের ভিসা ইস্যু করে।  যেমন :
১. বিজনেস ভিসা
২. ট্যুরিস্ট ভিসা

🍁. বিজনেস ভিসা : বিজনেস ভিসা টি মূলত যারা ব্যবসা বা ব্যবসা সংক্রান্ত কাজের যেতে চায় তাদের জন্য এই বিজনেস ভিসা।
🍁. ট্যুরিস্ট ভিসা: সাধারণত যারা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে উজবেকিস্তান যেতে চাই তাদের জন্য ই হলো ট্যুরিস্ট ভিসা।

উজবেকিস্তান ভিসা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

ই-ভিসার ক্ষেত্রে :

🍁আপনার পাসপোর্টের ব্যক্তিগত ডেটা পৃষ্ঠার একটি স্ক্যান কপি
🍁একটি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সহ একটি ছবি প্রয়োজন৷ ছবিটি .JPEG ফরম্যাটে হতে হবে।
🍁আপনাকে ইভিসা ওয়েবসাইটে এগুলি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁খরচ: ইভিসার সিঙ্গেল এন্ট্রির জন্য ভিসা ফী $20,ডাবল এন্ট্রি:$৩৫ এবং মাল্টিপল এন্ট্রি:$৫০। যা আপনাকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করতে হবে।
🍁ভিসার বৈধতা: উজবেক ইভিসা জারি হওয়ার পর থেকে 90 দিনের জন্য এই ভিসা বৈধ। আপনি সেই সময়সীমার মধ্যে দেশে প্রবেশ করতে পারেন এবং সর্বোচ্চ 30 দিন থাকতে পারেন।
আপনি একটি একক-প্রবেশ ভিসা বা একাধিক-প্রবেশ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

দূতাবাসে উজবেকিস্তান এর ভিসার জন্য আবেদন করা

দূতাবাস/কনস্যুলেটে উজবেক ভিসার জন্য আবেদন দুটি অংশে রয়েছে:

🍁1.এই ভিসাটির জন্য উজবেকিস্তানে একজন স্পনসরের প্রয়োজন যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আপনার পক্ষ থেকে ভিসা নিশ্চিতকরণ করবে। নিশ্চিতকরণের চিঠিটি আবেদন প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার স্পন্সর হতে পারে সেই ব্যক্তি/সংস্থা/কোম্পানী যারা আপনাকে উজবেকিস্তানে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বা একটি সরকার অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি।
🍁2.নিশ্চিতকরণের চিঠি পাওয়ার পর, আপনি দূতাবাস/কনস্যুলেটে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। নির্দিষ্ট কনস্যুলার অফিসের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনি ব্যক্তিগতভাবে বা ডাকযোগে আবেদন করতে পারেন।

উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র

আপনার স্পনসর ভিসা নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন করে নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস গুলো জমা দিতে হবে:

🍁উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র । পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে উপলব্ধ।
🍁যদি কোনো সংস্থা/কোম্পানী আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়, ফর্মটি অবশ্যই কোম্পানির লেটারহেডে প্রিন্ট করতে হবে।
🍁সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ভিসা ফর্ম। এটি ইভিসার মতো নয়।
🍁আপনার পাসপোর্টের কপি।
🍁আপনার এয়ারলাইন টিকিটের কপি (যদি তাসখন্দ বিমানবন্দরে পৌঁছান)

স্পনসর যদি একজন ব্যক্তি হয়:
🍁হোস্টের পাসপোর্টের কপি।
🍁অতিথির সাথে সম্পর্কের প্রমাণ।

স্পনসর যদি একটি কোম্পানি/সংস্থা হয়:
🍁কোম্পানীর প্রধানের পাসপোর্টের অনুলিপি বা আবেদন জমা দেওয়ার অনুমোদিত ব্যক্তির।
🍁কোম্পানি/সংস্থার লাইসেন্স এবং সার্টিফিকেট।
🍁অনুমোদিত ব্যক্তির জন্য “পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি” এর একটি অনুলিপি।
🍁অতিথির চাকরির শংসাপত্র।

উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা নিশ্চিতকরণ জারি করার পরে, আপনাকে নিম্নলিখিত নথিগুলি নিকটস্থ উজবেক দূতাবাস/কনস্যুলেটে জমা দিতে হবে:

🍁আপনার পাসপোর্ট(আগের পাসপোর্ট থাকলে সেগুলো সহ )
🍁দুটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ৩.৫*৪.৫ সেমি সাইজের)
🍁দুটি সম্পূর্ণ উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র
🍁ডকুমেন্টসের ভাষা: সবগুলো ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজিতে সাবমিট করতে হবে। যে ডকুমেন্টগুলো বাংলায় রয়েছে সেগুলো ট্রান্সলেট করে নোটারি করে ইংরেজিতে করতে হবে।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

পর্তুগাল দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রটি আইবেরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম অংশে, স্পেনের দক্ষিণে ও পশ্চিমে অবস্থিত।পর্তুগালের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর লিসবন।পর্তুগাল বিশেষ করে দোউরু নদীর উপত্যকা আঙুরক্ষেতের জন্য বিখ্যাত। এখান থেকে পর্তুগালের বিখ্যাত পোর্ট ওয়াইনের জন্য আঙুর উৎপাদিত হয়। ১৯৮৬ থেকে পর্তুগাল তৎকালীন ইউরোপীয় ইকনমিক কমিউনিটি, বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
পর্তুগাল বহুজাতিক অভিবাসী ও পর্যটনভিত্তিক দেশ। ভ্রমণ ও দূরবর্তী কাজ করার (রিমোর্ট ওর্য়াক) জন্য বিশ্বের সেরা দেশ হিসাবে পর্তুগালকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা শেনজেন ভিসার একটি প্রকার।

পর্তুগালের টুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

পর্তুগাল একটি শেনজেন অধিভুক্ত দেশ। শেনজেন অধিভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ভিসা পেলে খুব সহজেই শেনজেন অধিভুক্ত বাকি দেশ গুলোতে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
পর্তুগালের তথা শেঞ্জেন টুরিস্ট ভিসা পেতে যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়, তার সম্পূর্ণ তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেয়া হলো। এই নির্দেশিকাটি আপনাকে সহজে এবং সঠিকভাবে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য আপনার প্রয়োজনীয় নথিগুলি হল:

🍁১.পাসপোর্ট:পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য প্রথমেই লাগবে কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট। পাসপোর্টে কমপক্ষে দুটি খালি পাতা থাকতে হবে। এবং পূর্বের শেঞ্জেন বা অন্য দেশের ভিসা থাকলে তার কপি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁২. পর্তুগাল ভিসা আবেদন পত্র :
পর্তুগিজ MFA ওয়েবসাইট থেকে আবেদন এর ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে সেখানে স্বাক্ষর করতে হবে। যদি আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের কম হয়, সেক্ষেত্রে অভিবাবকের সাইন প্রয়োজন।

🍁৩.ছবি
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য অবশ্যই সদ্য তোলা ভালো কোয়ালিটির ছবি, ৩৫x৪৫ মিমি সাইজ লাগবে ।এবং ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে হবে সাদা।

🍁৪. ট্রাভেল হেলথ ইন্সুরেন্স
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য একটি ট্রাভেল হেলথ ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক। সেজন্য কমপক্ষে ৩০,০০০ ইউরো সমপরিমাণ মেডিকেল এবং ইমারজেন্সি সিচুয়েশন কাভার করবে।শেঞ্জেনভুক্ত সব দেশে কাভার হবে এবং ভ্রমণের জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময়ের জন্য ভ্যালিড থাকবে।

🍁৫. পেমেন্ট
পর্তুগাল ভিসা আবেদন ফি আশি ইউরো (প্রায় ১০,৪০০ টাকা)। ভিসা আবেদন কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী পেমেন্ট করতে হবে।

🍁৬. রিটার্ন এয়ার টিকেট
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য রিটার্ন এয়ার টিকেটের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁৭. পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা কাভার লেটার
ভ্রমণের জন্য কাভার লেটার ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাভার লেটারে অবশ্যই যেই তথ্য গুলো দিতে হবে –
🍁ব্যক্তিগত তথ্য: আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হবে।(নাম, জাতীয়তা, কর্মসংস্থান অবস্থা)
🍁ভ্রমণের কারণ: পর্তুগাল ভ্রমণের কারণ উল্লেখ করতে হবে।
🍁 ভ্রমণের সময়সূচি: কোন তারিখে ভ্রমণ করবেন এবং কত তারিখে ফিরে আসবেন তা উল্লেখ করতে হবে।
🍁অন্য দেশ ভ্রমণ: পর্তুগাল ছাড়াও শেঞ্জেনের অন্য কোন দেশ ভ্রমণ করবেন কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।
🍁পর্যটন পরিকল্পনা: পর্তুগালে কোথায় কোথায় ভ্রমণ করবেন তার তথ্য প্রদান করতে হবে।

🍁৮. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্টঅতীব জরুরি। সাম্প্রতিক কমপক্ষে ৩-৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদান করতে হবে।

🍁৯. হোটেল রিজার্ভেশন বা টুরিস্ট অ্যাপার্টমেন্ট বুকিং কপি
পর্তুগালে থাকার ব্যবস্থা প্রমাণ করার জন্য হোটেল বা অ্যাপার্টমেন্ট বুকিংয়ের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁১০. পেশাগত প্রমাণ সম্পর্কিত তথ্য
আপনার বর্তমান পেশা সম্পর্কিত সকল তথ্য প্রদান করতে হবে। যেমনঃ চাকরির সার্টিফিকেট, ব্যবসা হলে ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স,শিক্ষার্থী হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আইডি কার্ডের কপি ।

ডকুমেন্টসের ভাষা

সবগুলো ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজিতে সাবমিট করতে হবে। যে ডকুমেন্টগুলো বাংলায় রয়েছে সেগুলো ট্রান্সলেট করে ইংরেজিতে করতে হবে।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করার জন্য, আপনার কাছের পর্তুগিজ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

🍁পর্তুগাল ভিসা আবেদনপত্র ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। পর্তুগাল/শেনজেন ভিসার আবেদনপত্রটি পর্তুগিজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পেতে পারেন।

🍁প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন।

🍁পর্তুগিজ দূতাবাসে নথি জমা দেওয়ার জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট করুন।

🍁পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন ফি প্রদান করুন।

🍁আপনার নথি সহ আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন দেখান। আপনাকে ভিসা ইন্টারভিউ দিতে হতে পারে।

🍁ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি কয়েক সপ্তাহ সময় নিতে পারে – কখনও কখনও আরও বেশি।

🍁পর্তুগিজ দূতাবাস আপনাকে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করবে। যদি এটি ইতিবাচক হয়, আপনি ভিসা নিতে যেতে পারেন।

🍁ভিসায় উল্লেখিত তারিখের মধ্যে পর্তুগাল ভ্রমণ করুন।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা ফি

পর্তুগাল শেনজেন/পর্যটন ভিসার জন্য ফি হল:

🍁প্রাপ্তবয়স্ক এবং 12 বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য পর্তুগাল শেনজেন/পর্যটন ভিসার ফি হল: €80
🍁6 থেকে 12-এর মধ্যে শিশুদের জন্য ভিসার ফি হল: €40
🍁6 বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য – বিনামূল্যে

এগুলো ছাড়াও… আপনার ভিসা প্রসেসিং খরচ আছে।

আমাদের শেনজেন ভিসা প্রসেসিং সার্ভিস চার্জ 12,000 টাকা। ডকুমেন্ট অনুবাদ এবং প্রস্তুতির জন্য আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হবে। যেহেতু Schengen-এর জন্য আপনাকে বাধ্যতামূলক ভ্রমণ বীমা ক্রয় করতে হবে, সেহেতু আপনি Schengen সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে কত দিন থাকতে চান তার উপর নির্ভর করে আপনার অতিরিক্ত BDT 1700-3000 খরচ হবে।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার প্রকারভেদ

বৈধতার উপর নির্ভর করে দুই ধরনের পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা হয়ে থাকে :

🍁সিঙ্গেল-এন্ট্রি পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা: এটি পর্তুগাল এবং শেনজেন এলাকায় শুধুমাত্র একটি প্রবেশের জন্য বৈধ। একবার আপনি চলে গেলে, ভিসা বৈধ থাকলেও আপনি পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

🍁মাল্টিপল-এন্ট্রি পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা: যতদিন ভিসা বৈধ থাকবে ততদিন আপনি পর্তুগাল এবং শেনজেন জোনের অন্যান্য দেশে একাধিকবার প্রবেশ করতে পারবেন। তবে পর্তুগাল/শেনজেনে আপনি সর্বোচ্চ 90 দিনের বেশি থাকতে পারবেন না।

পর্তুগালের টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এই ডকুমেন্টগুলি সঠিকভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সাথে অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট সঠিকভাবে জমা দিন। এতে আপনার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ এবং সফল হবে।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

বাংলাদেশিদের জন্য UAE ভিসা/সংযুক্ত আরব আমিরাতের টুরিস্ট ভিসা

বাংলাদেশিদের জন্য UAE ভিসা /সংযুক্ত আরব আমিরাতের টুরিস্ট ভিসা 

UAE ভিসা

ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের একবার হলেও আরব আমিরাতে ভ্রমণের স্বপ্ন বা ইচ্ছে থাকে। টুইন টাওয়ার , পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উঁচু দালান বুর্জ খলিফা ,অপূর্ব সুন্দর কৃত্রিম দ্বীপ ,উন্নত মানের সিটি কি নেই এখানে। সংযুক্ত আরব আমিরাত হলো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় অবস্থিত সাতটি স্বাধীন রাষ্ট্রের একটি ফেডারেশন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাতটি আমিরাতের নাম হল আবু ধাবি, আজমান, দুবাই, আল ফুজাইরাহ, রাআস আল খাইমাহ, আশ শারজাহ্ এবং উম্ম আল ক্বাইওয়াইন। আবু ধাবি শহর ফেডারেশনের রাজধানী ও দুবাই দেশের বৃহত্তম শহর।আমিরাতের শাসনকর্তার পদবী আমির।আরব আমিরাতে প্রাকৃতিক খনিজ তেল এর কারণে এখানকার অর্থনীতি স্থিতিশীল এবং জীবনযাত্রার মান বিশ্বের সর্বোচ্চগুলির একটি।মুসলিম বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথম শীর্ষ দেশ। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩১তম দেশ।

তাই একবার হলেও আরব আমিরাতে ঘুরার ইচ্ছে সবার ই মনের সুপ্ত ইচ্ছে। কিভাবে UAE ভিসা  পাওয়া যাবে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে এখানে সবটাই জানানোর চেষ্টা করবো। 

UAE ভিসার প্রকারভেদ 

সাধারণত সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা কয়েক ধরণের হয়ে থাকে।সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো। 

ট্রানজিট ভিসা-৪৮ ঘন্টা: ট্রানজিট ভিসায় সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেকোনো দেশে থাকতে পারবে। এই ভিসার সময় সম্প্রসারণযোগ্য নয়। ট্রানজিট ভিসার জন্য কোনো ফী প্রযোজ্য নয়। তবে এই ভিসা শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক এয়ারলাইন্স ইস্যু করতে পারে।

ট্রানজিট ভিসা-৯৬ ঘন্টা: এই ট্রানজিট ভিসায় সর্বোচ্চ ৯৬ ঘন্টা থাকতে পারবে। এবং এই ভিসার মেয়াদ বা সময় সম্প্রসারণযোগ্য নয়। এই ভিসার ক্ষেত্রে 50 AED বা প্রায় ১৬০০ টাকা ভিসা ফী দিতে হবে। এই ভিসা শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক এয়ারলাইন্স ইস্যু করতে পারে।

ট্রানজিট ভিসা-সিঙ্গেল এন্ট্রি : এই ভিসায় আগমনের তারিখ থেকে 30 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবে। সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসায় এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব। ভিসা ফী 20,000 টাকা (বীমা সহ) 

ট্যুরিস্ট ভিসা-মাল্টিপল এন্ট্রি : এই ভিসায় প্রথম প্রবেশ থেকে 30 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবে।ট্যুরিস্ট ভিসা মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব।ভিসা ফী ৩৫,000 টাকা (বীমা সহ)

ট্যুরিস্ট ভিসা-সিঙ্গেল এন্ট্রি : ট্যুরিস্ট ভিসা সিঙ্গেল এন্ট্রি  তে আগমনের তারিখ থেকে 60 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। ভিসা এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব। ভিসা ফী 20,000 টাকা (বীমা সহ)

ট্যুরিস্ট ভিসা-মাল্টিপল এন্ট্রি : এই ভিসায়  প্রথম এন্ট্রি থেকে 60 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। এই ভিসা এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব।ভিসা ফী 40,000 টাকা (বীমা সহ) 

5 বছরের ভিসা – মাল্টিপল এন্ট্রি: এই ভিসায় প্রতি বছর 90 দিন থাকতে পারবেন। এটি এক্সটেন্ডেবল নয়। এই ভিসা ফী পরিবর্তনশীল। তাই সঠিক তথ্যের জন্য এবং মূল্যের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। 

বাংলাদেশ থেকে দুবাই, UAE ভিসা কিভাবে আবেদন করবেন?

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বল্পমেয়াদী ভিসার জন্য আবেদন করতে, বাংলাদেশ থেকে দুবাই ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট কি কি লাগবে তা এখানে রয়েছে।

    ১.আপনার পাসপোর্ট তথ্য পৃষ্ঠার একটি স্ক্যান কপি। আপনার ভ্রমণের সময় থেকে পাসপোর্টের বৈধতা অবশ্যই 6 মাস থাকতে হবে।

     ২.আপনার ভ্রমণ/ভিসার স্ক্যান করা পৃষ্ঠা

     ৩.একটি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ডিজিটাল ছবি। পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড  সাদা হতে হবে।

    ৪. বিজনেস কার্ড/ ভিজিটিং কার্ড

    ৫.দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য (যেমন, একটি 5 বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি UAE ভিসা), আপনাকে অবশ্যই আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ দেখাতে হবে ($4000-এর বেশি) এবং স্বাস্থ্য বীমা। আপনার কাছে না থাকলে আমরা স্বাস্থ্য বীমার ব্যবস্থা করতে পারি।

ভিসা 5 কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া করা হয়। যাইহোক, যদি আপনার জরুরী উদ্দেশ্য থাকে, আমরা আপনাকে জরুরি ফি দিয়ে 1-2 কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা ইস্যু করতে পারি।

বাংলাদেশ থেকে UAE ট্রানজিট ভিসা

দুবাই একটি ‘ট্রানজিট’ হাব!

বাংলাদেশী নাগরিকরা ট্রানজিট হাব হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে ভ্রমণ করতে পারেন এবং দেশে প্রবেশের জন্য ফ্লাইটের আগে ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত দুটি ভিন্ন ট্রানজিট ভিসা ইস্যু করে:

   * 48 ঘন্টা ট্রানজিট ভিসা

   * 96-ঘন্টা ট্রানজিট ভিসা

যদিও 48 ঘন্টার ট্রানজিট ভিসা বিনামূল্যে, 96 ঘন্টার ট্রানজিট ভিসার একটি ইস্যু ফি 50 AED রয়েছে৷ অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন, একবার 48 ঘন্টার ভিসা ইস্যু করা হলে, আপনি আর আপনার ভিসাকে 96 ঘন্টা পর্যন্ত বাড়াতে/পরিবর্তন করতে পারবেন না। সুতরাং, ভিসার জন্য আবেদন করার আগে আপনার পরিকল্পনা ঠিক করুন।

শুধুমাত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক এয়ারলাইন্স যাদের সাথে আপনি ভ্রমণ করেন তারাই ট্রানজিট ভিসার ব্যবস্থা করতে পারে। থার্ড-পার্টি এজেন্সিগুলিও ভিসা ইস্যু পরিচালনা করতে পারে, তবে এটি অবশ্যই একই এয়ারলাইনগুলির মাধ্যমে প্রক্রিয়া করা হবে যার সাথে আপনি ফ্লাইট করছেন৷

UAE ট্রানজিট ভিসা পেতে, আপনার নিম্নলিখিত ডকুমেন্ট গুলির প্রয়োজন:

 

     ১.কমপক্ষে 3 মাসের মেয়াদ সহ একটি বৈধ পাসপোর্ট (96 ঘন্টা ভিসার জন্য 6 মাস)

     ২.সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সহ একটি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট ছবি

     ৩.পরবর্তী গন্তব্যের জন্য অগ্রিম টিকিট। টিকিট নিশ্চিত করতে হবে এবং অর্থ প্রদান করতে হবে।

দুবাই ভিসার জন্য ফেরতযোগ্য আমানত

UAE ভিসার সবচেয়ে বড় বোঝা হল ফেরতযোগ্য জমার টাকা, যা ভিসার ধরনের উপর নির্ভর করে। পরিমাণ আনুমানিক. 3000 দিরহাম।

কিন্তু আপনি একবার সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে ফিরে গেলে, আপনি আপনার জমার টাকা ফেরত পাবেন।

এ ব্যপারে কোন সন্দেহ নেই.

এটি সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের নিয়ম যে কেউ আপনার পক্ষে বা স্পনসরদের জন্য ভিসার জন্য আবেদন করবে তাকে অবশ্যই একটি আমানত রাখতে হবে। আপনি যখন দেশ থেকে ফিরে আসবেন তখনই আপনি জমার টাকা ফেরত পেতে পারেন।

 

আপনি কি দুবাই ভিজিটর ভিসা নিয়ে কাজ করতে পারবেন?

আমরা ভিজিটর ভিসায় কাজ করার পরামর্শ দিই না।

যাইহোক, আপনি একজন পরিদর্শক হিসাবে আপনার থাকার সময় একটি কাজ খুঁজে পেতে পারেন। আপনি এমনকি ব্যবসার সুযোগ সন্ধান করতে পারেন। পরবর্তীতে আপনি বর্তমান ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সহজেই ভিসার ক্যাটাগরি কনভার্ট করতে পারবেন। আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে কাজ শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই একটি উপযুক্ত ভিসা এবং ওয়ার্ক পারমিট পেতে হবে।

তবে প্রথম সতর্কতা:

যদি বিনা অনুমতিতে কাজ করা হয়, তাহলে আপনাকে জরিমানা বা এমনকি নির্বাসনও দেওয়া হতে পারে।

ভিসা অনুমোদনের পর আপনি কখন সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করতে পারবেন ?

ভিসা অনুমোদনের পরের মুহুর্তে আপনি সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু প্রবেশের শেষ দিন হল অনুমোদনের 58 তম দিন (ভিসার অনুলিপিতে মুদ্রিত। আপনার প্রবেশের পরে, আপনার ভিসার ধরন বৈধ থাকার সময়কাল নির্ধারণ করবে।

এটি 30 দিনের জন্য বৈধ হলে, আপনাকে অবশ্যই 30 তম দিন বা তার আগে দেশ থেকে প্রস্থান করতে হবে।

ভ্রমণকারীরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেকোনো বন্দর/সীমান্ত থেকে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানের সময়, আপনি 7টি আমিরাতের যে কোনওটিতে থাকতে পারেন। কোন প্রকার সীমাবদ্ধতা নেই।

 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা

একজন ভ্রমণ প্রেমীর কাছে ভারত একটি অন্যতম ভ্রমণ গন্তব্য ,বিশেষ করে বাংলাদেশিদের জন্য। বাংলাদেশের প্রতিবেশী এলাকা হচ্ছে সৌন্দর্যে মন্ডিত ভারত। অপরূপ রূপে রূপান্তিত ভারত রাজ্য। ভারতের প্রতিটি প্রান্তর ই অন্যরকম সুন্দর। তাই বাংলাদেশিদের কাছে ভারত সব থেকে প্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। আর এই বিষয়টি ই মাথায় রেখে ভারত সরকার অনলাইনে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন করার সুযোগ রেখেছে। বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে কিছু নিয়ম কানুন ও ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়। 

বাংলাদেশে IVAC (Indian Visa Application Center) 

 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য  IVAC (Indian Visa Application Center) রয়েছে ৫ টি। সেগুলো হলো :

১.বাংলাদেশ-চট্টগ্রাম 

২.বাংলাদেশ-ঢাকা 

৩. বাংলাদেশ-খুলনা 

৪.বাংলাদেশ-রাজশাহী 

৫. বাংলাদেশ-সিলেট 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য  আপনি আপনার এরিয়ার IVAC সেন্টার এ গিয়ে ভিসা ফ্রম ও ডকুমেন্ট জমা দিতে পারেন। 

ভারতীয় ভিসার প্রকারভেদ 

সাধারণত ভারতীয় ভিসা কয়েক ধরণের হয়ে থাকে।যেমন :

১.ট্যুরিস্ট ভিসা 

২. মেডিকেল ভিসা 

৩. বিজনেস ভিসা 

৪.সাংবাদিক ভিসা 

৫.মিশনারী ভিসা 

৬.অফিসিয়াল ভিসা 

৭.ট্রানজিট ভিসা 

৮.ডিপ্লোম্যাটিক ভিসা 

ইত্যাদি। 

সাধারণত বেশির ভাগ মানুষ ৩ ধরণের ভিসা ই বেশি করে থাকে। 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য ৩ ধরণের ভিসা সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো :

১.ট্যুরিস্ট ভিসা :ভারতের সাংস্কৃতিক ,ঐতিহাসিক এবং প্রাকৃতিক আকর্ষণ পর্যবেক্ষণ ও উপভোগ এর জন্যই সাধারণত এই  ভিসা টি প্রদান করা হয়।  এই ভিসার মাদ্ধমে আপনি ভারতের যেকোনো পর্যটন স্থানে ভ্রমণ করতে পারবেন।

২. বিজনেস ভিসা :ব্যবসায়িক ভিসা ব্যবসা-সম্পর্কিত উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করা ব্যক্তিদের জন্য, যেমন সভা, সম্মেলন বা ব্যবসায়ের সুযোগ অন্বেষণের জন্য উদ্দেশ্যযুক্ত।

৩. মেডিকেল ভিসা: অনেকেই উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য ভারতের কিছু জায়গায়  ভ্রমণ করে থাকেন ,যার জন্য তাদের একটি মেডিকেল ভিসার প্রয়োজন হয়। মেডিকেল ভিসায় রোগীর সমস্ত ডিটেল ,হসপিটালের ডিটেলস এইসব কিছু ইনক্লুড করতে হয় এবং সাথে একজন আটেন্ডেন্স ও নিতে হয়। 

 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া:

অনলাইনে সাধারণত ভারতীয় ট্যুরিস্ট ই-ভিসা, ভারতীয় বিজনেস ই-ভিসা, ভারতীয় মেডিকেল ই-ভিসা এবং ভারতীয় মেডিকেল অ্যাটেন্ডেন্ট ই-ভিসার জন্য নিবন্ধন করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা  অনলাইনে আবেদনের জন্য আপনাকে ভিসা আবেদনের একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে যার জন্য আপনার  কিছু কোয়ালিটি থাকতে হবে।  ইন্ডিয়ান ভিসা  আবেদন বা প্রসেসসিং এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের ফেসবুক পেজ : https://www.facebook.com/sportstourismbd

কল করতে : ০১৮২০-১০৯ ১০৯

অথবা আপনি নিজেই আবেদন ফরম টি পূরণ করতে পারেন। আবেদন করতে প্রবেশ করুন http://www.ivacbd.com/ এখানে। নির্ধারিত তথ্য পূরণ সাপেক্ষে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট 

১। মূল পাসপোর্ট: ভিসার আবেদন জমা করার তারিখের আগ থেকে সর্বনিন্ম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে। পাসপোর্টে অন্তত দু’টি সাদা পাতা থাকতে হবে। পাসপোর্টের অনুলিপি (দ্বিতীয় পৃষ্ঠা এবং তৃতীয় পৃষ্ঠা এবং বৈধতার মেয়াদ বাড়ানোর এনডোর্সমেন্ট, যদি থাকে) সংযুক্ত করতে হবে।

২। আবেদনপত্রের সঙ্গে সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।(যদি থাকে/হারিয়ে গেলে জিডি রিপোর্টসহ জমা দিতে হবে)

৩। একটি সদ্য তোলা (৩ মাসের বেশি পুরোনো নয়) ২x২ (৩৫০x৩৫০ পিক্সেল) সাইজের রঙিন ছবি যেনো পুরো মুখমন্ডল দেখা যায় এবং ছবির পিছনের অংশ সাদা হতে হবে।(অবশ্যই সাদা পোশাক পরিহিত ছবি দেয়া যাবে না)

৪। আবাসস্থলের প্রমাণপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি।

৫। পেশার প্রমাণপত্র : চাকরিজীবি হলে চাকরিদাতার কাছ থেকে সনদ (NOC )। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের অনুলিপি এবং ছুটির ছাড়পত্র সংযুক্ত করতে হবে, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবসরপ্রাপ্ত কাগজপত্র, বিজনেস ব্যক্তির বাণিজ্য সনদপত্র লাগবে এবং ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। 

৬। আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড অথবা সর্বশেষ ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের অনুলিপি দিতে হবে(৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট হলে বেশি ভালো হয় )যেখানে লাস্ট ব্যালান্স মিনিমাম ২০,০০০ টাকা থাকতে হবে। 

৭। আবেদনকারীকে অনলাইন এপ্লিকেশন ফরম এ দেওয়া নির্ধারিত স্থানে ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

৮। সাক্ষাতের দিন আবেদনপত্রের সঙ্গে অবশ্যই সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে; সব পুরোনো পাসপোর্ট ছাড়া আবেদনপত্র অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে।

৯। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে সব ধরনের ভারতীয় ভিসার সাক্ষাৎ ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হয়। তাই সরাসরি IVAC এ গিয়ে সাক্ষাৎ কার্য সম্পন্ন করতে হবে। 

অনলাইন নিবন্ধনের পর স্ব-শরীরে IVAC এ সাক্ষাৎ এর মাদ্ধমে ভিসা আবেদন ও ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আসতে হবে। 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা ফি

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে কোন ভিসা ফি লাগবে না। তবে ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) হিসেবে ৮০০ টাকা প্রদান করতে হবে। যেটি অনলাইনে করা যায়। 

ভিসা ফী প্রদান করার জন্য  https://payment.ivacbd.com এই লিংকে প্রবেশ করবেন। এখানে প্রবেশ করে আপনি যে হাইকমিশন এ ভিসা আবেদন করেছেন সেটি নির্বাচন করুন। এখানে ওয়েবফাইল নাম্বার দিতে হবে। এরপর আবেদনের জন্য নির্ধারিত আইভ্যাক নির্বাচন করুন। আপনার ভিসা আবেদনের টাইপ নির্বাচন করুন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিন (যেমনঃ নাম, নাম্বার, ইমেইল আইডি)।

সব তথ্য পূরণ শেষে অনলাইনেই পেমেন্ট করা যাবে। পেমেন্ট করা যাবে ডেবিট, ক্রেডিট, ভিসা, মাস্টার্স কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস ডিবিএল নেক্সাস, কিউ ক্যাশ, ফাস্ট ক্যাশ, সিটি টাচ, ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, এসএমএস ব্যাংকিং, রকেট, বিকাশ, মাইক্যাশ, এমক্যাশ ও এবি থেকে টাকা প্রদান করা হবে।

 

আপনার ভিসা আবেদন ট্র্যাকিং

অনলাইন ট্র্যাকিং পোর্টাল অ্যাক্সেস

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য আপনার আবেদন জমা দেয়ার পর আপনি এর অগ্রগতি ট্র্যাকিং করতে পারবেন। এর অগ্রগতি ট্র্যাকিং করতে বা একসেস পেতে আপনি  প্রথমে IVAC ওয়েবসাইটে গিয়ে “ভিসা স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং” বিভাগে নেভিগেট করুন।আপনার অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বর লিখুন। “ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন” বোতামটি ক্লিক করুন।

 

যেকোনো ধরণের ভ্রমণ সংক্রান্ত বিষয় ও ভিসা,এয়ার টিকেট এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে এবং ভিসিট করতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইট। সর্বোচ্চ সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে সেই প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ

বাংলাদেশী পাসপোর্টে শেনজেন ভিসা

বাংলাদেশী পাসপোর্টে শেনজেন ভিসায় ২৭+ দেশে ভিসা ফ্রি ভ্রমণ

শেঙ্গেন ভিসা বা শেনজেন ভিসা হলো সোনার হরিনের মতো।
শেঙ্গেন বা শেনজেন এর একটি ভিসা পাওয়া মানে ২৭+ দেশে ভিসা ফ্রি ভ্রমণ। প্রতিটি ভ্রমণ পিপাসু মানুষের স্বপ্ন থাকে একটি Shengen ভিসার। বাংলাদেশী পাসপোর্টে কিভাবে শেঙেন ভিসা বা শেনজেন ভিসা পাওয়া যাই তাই আজকের আলোচনা।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক শেনজেন এলাকা কী । Shengen এলাকা হল ইউরোপীয় দেশগুলির একটি গোষ্ঠী যার মধ্যে ভ্রমণকারীদের জন্য কোনও পাসপোর্ট বা ভিসার প্রয়োজনীয়তা নেই৷ অর্থাৎ শেনজেন তালিকা ভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ভিসা আপনি পেয়ে গেলে বাকি দেশ গুলোতে ও ভিসা ছাড়াই ঘুরতে পারবেন। তার মানে বুঝতেই পারছেন একটি Shengen ভিসা পাওয়া মানে আপনার হাতে সোনার হরিণ পেয়ে যাওয়ার মতো।

তবে শেঙ্গেন ভিসা বা শেনজেন ভিসা পাওয়া টা একটু কঠিন ,তবে সব নিয়ম ও কাগজপত্র সঠিক থাকলে এই সোনার হরিণটি হতে পারে আপনার।

শেনজেন সদস্য রাষ্ট্র

শেনজেন দেশগুলির তালিকা হল : অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম , চেক প্রজাতন্ত্র , ডেনমার্ক , এস্তোনিয়া , ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স , জার্মানি , গ্রীস , হাঙ্গেরি , আইসল্যান্ড , ইতালি , লাটভিয়া, লিচেনস্টাইন, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা , নেদারল্যান্ডস , নরওয়ে পোর্টাল্যান্ড , পোর্টাকল্যান্ড , স্লোভেনিয়া, স্পেন , সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ড ।
ক্রোয়েশিয়া শেনজেন তালিকায় একটি নতুন দেশ ।

50,000 কিমি দৈর্ঘ্য এবং 4,312,099 বর্গ কিমি ভূমি বেষ্টিত 419 মিলিয়ন নাগরিকের সাথে – সেনজেন জোন 80% জলাশয় এবং 20% ভূমি এলাকা নিয়ে গঠিত। এটি শত শত বিমানবন্দর এবং মেরিনা বন্দর এবং অনেক গ্রাউন্ড ক্রসিং নিয়ে গঠিত।
বর্তমানে শেনজেন এর 27টি দেশ রয়েছে এবং আরও অনেকগুলি শেনজেন সদস্য অঞ্চলের অনুমোদনের জন্য তালিকায় রয়েছে।

উপরন্তু, ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের বাইরে তাদের দূরবর্তী অবস্থান সত্ত্বেও আজোরস, মাদেইরা এবং ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ইইউ এবং শেনজেন জোনের অংশ।
রোমানিয়া, এবং বুলগেরিয়া -শীঘ্রই যোগ দিতে চাইছে।

মনে রাখবেন: মোনাকো, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি ভিসা-মুক্ত অঞ্চলের অংশ নয়। যাইহোক, তাদের সীমানা Schengen ভিসাধারীদের জন্য উন্মুক্ত।

সুতরাং, একবার আপনার শেনজেন ভিসা অনুমোদিত হলে আপনি এই দেশগুলিতে যেতে পারেন।

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার প্রকারভেদ

শেঙেন বা শেনজেন ভিসা সাধারণত অনেক ধরণের হয়ে থাকে। বাংলাদেশ থেকে শেনজেন এলাকা পরিদর্শনের কারণের উপর নির্ভর করে, আপনি এই ধরনের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন:

➣ট্রানজিট ভিসা
➣ট্রাভেল ভিসা
➣ভিসিট ভিসা
➣ব্যবসা ভিসা
➣সাংবাদিকদের জন্য ভিসা
➣সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য ভিসা
➣অফিসিয়াল ভিজিটের জন্য ভিসা
➣স্টাডি ভিসা
➣চিকিৎসার কারণে ভিসা

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসা ডকুমেন্টের প্রয়োজনীয়তা

প্রথমেই আমরা দেখে নিবো বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার জন্য আমাদের কি কি ডকুমেন্ট লাগবে ?ডকুমেন্টগুলোকে ২ টি ভাগে ভাগ করবো।
*Compulsory Documents (যেটি অবশ্যই প্রয়োজনীয়)
*Supporting Documents(যেটি আপনার ফাইলটিকে শক্তিশালী করবে)

Compulsory Documents:

1.শেনজেন ভিসা আবেদনপত্র
2.পাসপোর্ট (নূন্যতম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে,২ টি পেজ ফাঁকা থাকতে হবে)
3.পূর্বের কোনো পাসপোর্ট থাকলে সেটাও জমা দিতে হবে
4.শেনজেন ফটোগ্রাফ(সাইজ:৩৫mm*৪৫mm ১কপি)
5.কভার লেটার
6.ভ্রমণ ভ্রমণসূচী
7.ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স (৩০হাজার ইউরো)
8.অনুমোদিত বীমা কোম্পানি থেকে Schengen ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা।
9.ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট
10.এয়ারলাইন টিকিট যাত্রাপথ। প্রাথমিক বুকিং। একটি নিশ্চিত ক্রয় বাধ্যতামূলক নয়.
11.সিভিল ডকুমেন্টস (বিয়ের সার্টিফিকেট/শিশুর জন্ম সনদ/পাসপোর্ট কপি)
12.পুরো সময়ের জন্য হোটেল রিজার্ভেশন.
13.নিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য কর্মসংস্থান প্ৰশংসাপত্র
14.অনাপত্তি সার্টিফিকেট (এনওসি)
15.ব্যবসার মালিকদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স এবং অন্যান্য ব্যবসার নথি
16.ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন সার্টিফিকেট/স্বীকৃতি কপি এবং গত 3 বছরের সার্টিফাইড অ্যাসেসমেন্ট কপি।
17.ব্যবসার মালিকদের জন্য কোম্পানির ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট

*Supporting Documents

১.এসোসিয়েশন মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট (ব্যবসায়ী হয়ে থাকলে এই সার্টিফিকেটটি খুবই কাজে দিবে )
২.TIN ,ইনকাম টেক্স সার্টিফিকেট ,রিটার্ন কপি / রিসিপ্টস (ট্রান্সলেটেড & নোটারিজড )
৩. FDR কপি
৪. ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট
৫.অ্যাসেট ভ্যালুয়েশন এফিডেভিট
৬.কার ওনারশিপ কপি
৭.মেম্বারশিপ অফ এনি রেনোয়ানড ক্লাব
৮.বেবি ,স্ত্রী NID ,প্যারেন্টস NID (ট্রান্সলেটেড & নোটারিজড )
৯.অন্নান্য ডকুমেন্ট

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসা প্রসেসিং ফি সম্পর্কে

শেনজেন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ খরচ একাধিক কারণের উপর নির্ভর করে।

একটি সর্বজনীন শেনজেন ভিসা ফি 80 ইউরো। আপনি যদি এটিকে BDT-তে রূপান্তর করেন, বিনিময় হারের উপর নির্ভর করে, প্রায় 9500 BDT।

নাবালকদেরক্ষেত্রে :

ছয় থেকে বারো বছরের মধ্যে ছোট বাচ্চারা 40 ইউরোর একটি বিবেচিত ভিসা খরচ পাবে। ছয় বছরের কম বয়সীরা ভিসা ফি প্রদান থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত।

বায়োমেট্রিক এবং নথি প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রক্রিয়াকরণ/আবেদন কেন্দ্র (যেমন, ভিএফএস গ্লোবাল) থেকে অতিরিক্ত চার্জও রয়েছে। যার দাম 32000-42000 BDT এর মধ্যে। ভিএফএস গ্লোবাল সেন্টারে ভিআইপি পরিষেবাগুলি বেছে নেওয়ার জন্য আপনার আরও বেশি খরচ হবে, ভিএফএস গ্লোবাল সেন্টারের উপর নির্ভর করে।

এগুলো ছাড়াও… আপনার ভিসা প্রসেসিং খরচ আছে।

আমাদের শেনজেন ভিসা প্রসেসিং সার্ভিস চার্জ 12,000 টাকা। ডকুমেন্ট অনুবাদ এবং প্রস্তুতির জন্য আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হবে। যেহেতু Schengen-এর জন্য আপনাকে বাধ্যতামূলক ভ্রমণ বীমা ক্রয় করতে হবে, সেহেতু আপনি Schengen সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে কত দিন থাকতে চান তার উপর নির্ভর করে আপনার অতিরিক্ত BDT 1700-3000 খরচ হবে।

বাংলাদেশের সেরা শেনজেন ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভিসা ছাড়া বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮টি দেশে ভ্রমণ

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮ দেশে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন

আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন বাংলাদেশী পাসপোর্ট  নিয়ে বিদেশ ঘুরা একটু কঠিন। অনেক জায়গায় আমাদের ভিসা নেয়া লাগে।অনেক সময় দেখা যায় এই ভিসা নেয়ার ঝামেলা ঘুরার ঝামেলা থেকেও বেশি হয়। যেমন আপনি ভ্রমণে যাবেন ১/২ সপ্তাহের জন্য কিন্তু ভিসার জন্যই লেগে যাই ১ সপ্তাহ বা ১ মাসের ও বেশি সময় অনেক ক্ষেত্রে। তবে অনেকেই যেটা জানেনা বা অবগত না ,সেটা হচ্ছে বিশ্বের অনেক গুলো দেশ আছে যেখানে যেতে বাংলাদেশিদের ভিসা লাগে না ,বা On -Arrival ভিসা দিয়ে দেয়, অথবা আগে থেকে অনলাইনে ভিসা নেয়া যায় যেটা কে e-visa বলে। বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮ দেশে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন করা যায় 

 

আমাদের আজকের টপিকে খুব সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দেয়া হবে আপনি বাংলাদেশী পাসপোর্ট  নিয়ে কোন কোন দেশে যেতে পারবেন এবং কোন কোন দেশে যেতে পারবেন না। আজকের টপিক টি ৩ টি ভাগে লেখা হবে। 

১. কোন কোন দেশে  On -Arrival ভিসা  দেয়া হয় 

২.কোন কোন দেশে E -visa দেয়া হয়

৩. এমন অনেক দেশ আছে যেমন আমেরিকান ,ইউরোপিয়ান বা কানাডিয়ান (শেনজেন)ভিসা ইউজ করে ঐসব দেশ On -Arrival ভিসা  পাবেন। 

 

১. বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ কোন কোন দেশে  On -Arrival ভিসা  দেয়া হয়

আপনি যেই দেশে ভ্রমণ করবেন সেই দেশ গিয়ে আপনাকে দেখাতে হবে আপনার ফেরত যাওয়ার রিটার্ন টিকেট আছে ,আপনি ওই দেশে ফ্রট করে থাকতে যান নি ,আপনি নিজের দেশে আবার ব্যাক করবেন। আপনার ঐখানের হোটেল বুকিং ও দেখতে পারে। 

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ এদের মধ্যে বেশির ভাগ এ হচ্ছে এশিয়া ও ওশেনিয়া কন্টিনেন্ট। 

১. নেপাল 

২.ভুটান 

৩.মালদ্বীপ 

৪ শ্রীলংকা 

৫. ইন্দোনেশিয়া 

৬.টিমোর-লেস্তে 

৭.ফিজি 

৮.মাইক্রোনেশিয়া 

৯.সামোয়া 

১০. টুভালু 

১১. ভানুয়াটু

১২. ক্যারিবিয়ান 

 

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ -দক্ষিণ আমেরিকা  

১.জ্যামাইকা 

২.বাহামাস 

৩.হেইটি 

৪.গ্রেনাদা 

৫. সেন্ট কেট্স এন্ড  নেভিস 

৬.সেইন্ট ভিন্সেন্ট এন্ড গ্রেনেডাইন্স 

৭. বার্বাডোস 

৮. ডোমেনিকা 

৯. ট্রিনিডাড এন্ড টোবাগো 

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ – আফ্রিকান 

১. রুয়ান্ডা 

২. উগান্ডা 

৩. মোরেতানিয়া 

৪. গাম্বিয়া 

৫. কোমোরোস 

৬. ম্যাডাগ্যাস্কার 

৭. সেচেলেস 

৮. কেপ ভার্দেস 

৯. মোজাম্বিক 

১০. গিনি বিসাও 

১১. টোগো  

২.বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ কোন কোন দেশে E -visa দেয়া হয় –

  E -visa এর জন্য আপনাকে আম্বাসি তে দৌড়াদৌড়ির ঝামেলা লাগবে না , শুধু অনলাইন এ একটি ফ্রম ফিলাপ করতে হবে। কিছু ডকুমেন্টস আপলোড করা লাগবে। 

 

তবে E-Visa এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন রকম রিকোয়ার্মেন্টস আছে। কিছু কিছু দেশে হয়তোবা অনলাইনে আপনার ডাইরেক্ট একটা পেমেন্ট করা লাগে।  আপনার পাসপোর্ট এর ছবি আপলোড করা লাগবে ,যা সব জায়গাতেই প্রয়োজন হয়। আরো কিছু ইনফরমেশন দেয়া লাগবে।  যেমন : 

আপনি ওই দেশে কবে যাচ্ছেন ,কেন যাচ্ছেন ,কি করছেন ,আইটিনারি কি ?সাধারণত দেয়া লাগে।  কিন্তু এতো কিছু দেয়া লাগলেও এটি একটি এম্বাসি যাওয়ার ঝামেলা থেকে অনেক সহজ। আপনার যদি এখন ৫দিন আপনার ইন্ডিয়া এম্বাসিতে যাওয়া লাগে  ইন্ডিয়া যাওয়ার জন্য ,তার চেয়ে মালয়েশিয়া অনলাইন আবেদন করা অনেক সহজ। 

E-Visa যেই যেই দেশে দেয়া হয় :

১.কেনিয়া 

২.লেসোথো 

৩.জিবুতি 

৪.আইভরি কোস্ট 

৫. ইথোপিয়া 

৬. গ্যাবন 

৭. জাম্বিয়া 

৮. জিম্বাবুয়ে 

৯. সাও তোমে প্রিন্সেপে 

১০. বেনিন 

১১. এন্টিগুয়া এন্ড বার্বাডোস 

১২. কাতার 

১৩. কিরগিস্তান 

১৪.উজবেকিস্তান 

১৫. মায়ানমার 

১৬. মালয়েশিয়া 

১৭. টার্কি 

৩. এমন অনেক দেশ আছে যেমন আমেরিকান ,ইউরোপিয়ান বা কানাডিয়ান (শেনজেন)ভিসা ইউজ করে ঐসব দেশ On -Arrival ভিসা  পাবেন:

অনেকেই আছে বাংলাদেশী -যারা আমেরিকায় ,কানাডা ,ইউরোপিয়ান কোনো দেশে ,অস্ট্রেলিয়া,নিউজিল্যান্ড এমন উন্নত দেশের ভিসা নিয়ে অনেক দেশেই অন-এরাইভাল ভিসা পেয়ে যেতে পারেন । 

কোন কোন দেশে যেতে পারবেন :

১.মেক্সিকো 

২.কোস্টারিকা 

৩. পেনামা 

৪. বেলি

৫. ডোমিনিকান রিপাবলিক 

৬. আরুবা 

৭.আলবেনিয়া 

৮.বসনিয়া এন্ড হারযেকবিনা 

৯. মন্টেনিগ্রো 

১০. সার্বিয়া এন্ড মেকেডোনিয়া বা মেসিডোনিয়া 

 

শেনজেন মাল্টিপল ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন :

১. ক্রোয়েশিয়া 

২. কসোভো 

৩. রোমানিয়া 

৪. বুলগেরিয়া 

৫. সাইপ্রাস 

 

আরো কয়েকটি টেরিটরি আছে যেগুলো আমাদের নিজেদের দেশ না যেখানে আপনি ইউএস  ভিসা কিংবা শেনজেন ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন। সেগুলো হচ্ছে : 

১.বারমুডা 

২.ব্রিটিশ ভার্জিং আইল্যান্ড 

৩.টার্কস এন্ড কাইকুস 

 

চাইনা তে যদি ২৪ ঘন্টার কম একটি লে -ওভার থাকে তাহলে আপনার ভিসা লাগবে না ট্রানসিট ভিসা দিয়ে ও আপনি ২৪ ঘন্টা ঘুরে বেড়াতে পারবেন। বেজিংয়ে