বান্দরবান ভ্রমণ বিস্তারিত

বান্দরবান এর এই  সুন্দর ছবিটি  সংগ্রহকৃত

বান্দরবান ভ্রমণ বিস্তারিত

বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের প্রচলিত রূপকথায় আছে, এ এলাকায় একসময় অসংখ্য বানর বাস করত। আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশমুখে ছড়ার পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পার হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে এই জায়গাটির পরিচিতি লাভ করে ম্যাঅকছি ছড়া নামে। অর্থাৎ মারমা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ বানর আর ছি অর্থ বাঁধ। কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রুপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে। বর্তমানে সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রূপ লাভ করেছে। তবে মারমা ভাষায় বান্দরবানের নাম রদ ক্যওচি ম্রো।

বান্দরবান কে বলা হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রাজধানী।অপার প্রাকতিক পাহাড়ি  সৌন্দর্যের লীলাভূমি হলো বান্দরবান। অসংখ্য পাহাড়,ঝিরি, পাহাড়ি নদী,মেঘের জীবন্ত ক্যানভাস যেন এই বান্দরবান।দেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান বান্দরবান ভ্রমণ প্যাকেজ অফার করছে।

কিন্ত স্পোর্টস ট্যুরিজম বাংলাদেশ চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : বান্দরবান  ভ্রমণ 

 

💠বান্দরবান ভ্রমনের স্থান সমূহ :

বান্দরবান জেলার অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে ,এগুলোর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য রয়েছে:

🍁নীলগিরি 🍁নীলাচল 🍁 চিম্বুক পাহাড়🍁 শৈল প্রপাত 🍁 মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র🍁 স্বর্ণ মন্দির(অনুমতি সাপেক্ষে ) 🍁সাঙ্গু নদী ভ্রমন 🍁

🍁নীলগিরি:বাংলাদেশের দার্জিলিং খ্যাত নীলগিরি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড় এবং পর্যটন কেন্দ্র।এটি বাংলাদেশের সর্ব উঁচুতে অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র।নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণ হলো এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২০০ ফুট উচ্চে অবস্থানের কারণে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র সর্বদা মেঘমণ্ডিত থাকে। এই পুরো পর্যটন কেন্দ্রটিই প্রতিষ্ঠা করেছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং তারাই এর পরিচালনা করে থাকেন। নীলগিরি থেকে হাত দিয়ে মেঘ ছুঁতে পারার অনুভূতি অন্যরকম সুন্দর।

🍁নীলাচল:নীলাচল বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এখানে নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলা প্রশাসনের তত্তাবধানে বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে টাইগারপাড়ার পাহাড়চূড়ায় গড়ে তোলা হয়েছে আকর্ষণীয় এই পর্যটন কেন্দ্র। নীলাচল থেকে পুরো বান্দরবান জেলা কে দেখা যায়। আকাশ,পাহাড়,আর মেঘের অভূতপূর্ব মিলনে ভরপুর এই নীলাচল। সকালে ও বিকালে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মেঘের সাথে অপূর্ব কিছু ল্যান্ডস্কেপ তৈরী করে। এ প্রকল্পে রয়েছে শুভ্রনীলা,‘ঝুলন্ত নীলা’, ‘নীহারিকা’ এবং ‘ভ্যালেন্টাইন পয়েন্ট’ নামে পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় বিশ্রামাগার।মেঘমুক্ত আকাশে কক্সবাজারর সমুদ্রসৈকতের অপুর্ব দৃশ্য নীলাচল থেকে উপভোগ করা যায় ।

🍁 চিম্বুক পাহাড়:দেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড় এবং ঐতিহাসিক স্থান হলো চিম্বুক পাহাড়।এই পাহাড়কে চিম্বুক পাহাড় বা চিম্বুক হিল বা কালা পাহাড় ও বলা হয়। এটি গড় সমুদ্র পৃষ্ট হতে প্রায় ২৫০০ ফুট উঁচু। এই পাহাড়কে বাংলাদেশের পাহাড়ী সৌন্দর্যের রানী বলা হয়। চিম্বুক পাহাড় এর চূড়া থেকে বর্ষাকালে মেঘের উড়াউড়ি দেখা যায়। এখানকার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত যেকোনো পর্যটককে আকর্ষিত করে খুব সহজেই।

🍁 শৈল প্রপাত:শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবান জেলা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-থানচি রোডের পাশে অবস্থিত। পর্যটন নগরী বান্দরবানের কাছে হওয়ায় সারা বছরই পর্যটক সমাগমে মুখরিত থাকে স্বচ্ছ ও ঠান্ডা পানির এই ঝর্ণাটি। শৈল প্রপাত ঝর্ণাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব এক সৃস্টি। এখানে বম উপজাতিদের কঠিনতম জীবন পরিচালনা লক্ষ্য করা যায়। রাস্তার পাশ ঘেঁষে ঝর্ণাটির অবস্থান হওয়ায় এখানে প্রচুর পর্যটকের আনাগুনা থাকে।

🍁 মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র: বান্দরবান শহর থেকে মেঘলার দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার। বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স। চিত্ত বিনোদনের জন্য বান্দরবানের অন্যতম একটি জায়গা হলো মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স।এখানে রয়েছে রয়েছে সাফারি পার্ক, শিশুপার্ক, চিড়িয়াখানা, উন্মুক্ত মঞ্চ, চা বাগান, কেবল কার ও প্যাডেল বোট। লেকের উপর আছে ২ টি ঝুলন্ত সেতু।

🍁 স্বর্ণ মন্দির:পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত সুদৃশ্য প্যাগোডা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থ স্থান হলো স্বর্ণ মন্দির। যদি ও এখানে কোনো স্থাপনায় স্বর্ণের তৈরী নয় তবে এই মন্দিরে সোনালী রঙের আধিক্যের কারণে এটিকে স্বর্ণ মন্দির নাম দেয়া হয়। এই মন্দিরটি মহাসুখ মন্দির বা বুদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির নামেও পরিচিত। বান্দরবানে বসবাসরত মারমা জাতিগোষ্ঠী হীনযান তথা থেরবাদ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। ২০০০ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশীয় ধাঁচে বার্মার স্থাপত্যবিদের তত্ত্বাবধানে জাদিটি নির্মিত হয়।

🍁সাঙ্গু নদী ভ্রমন:সাঙ্গু নদী বা শঙ্খ নদী, বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১৯ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। এই নদীটি সাপের মতো আঁকাবাঁকা ভাবে বান্দরবানের গহীনে বয়ে চলছে। বাংলাদেশের প্রধান কয়েকটি পাহাড়ি নদীর মধ্যে সাঙ্গু নদী অন্যতম। থানচি থেকে দক্ষিণের এলাকাগুলোতে যেতে হলে সাংগু নদীই একমাত্র ভরসা। পাহাড়ি উপজাতিদের কাছে এই সাঙ্গু নদী ঈশ্বর প্রদত্ত্ব আশীর্বাদ স্বরূপ।মারমা সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ এই নদীর উপর ই নির্ভরশীল। বান্দরবানের শঙ্খ-তীরবর্তী লোকজনের ৯০ শতাংশই মারমা। জীবন-জীবিকাসহ দৈনন্দিন কাজে এরা নদীটির ওপর নির্ভরশীল।

ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার জন্য সায়েদাবাদ,আরামবাগ,আব্দুল্লাহপুর ,কলাবাগান,কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে অনেক বাস সরাসরি বান্দরবান এর উদ্দেশে ছেড়ে যায়।ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।
ট্রেনে করেও বান্দরবান যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ঢাকা কমলাপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন এ উঠে সকালে চট্টগ্রাম নেমে ,সেখান থেকে বান্দরবানের জন্য বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়।

বান্দরবান এ থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা

বান্দরবানে অনেকগুলো রিসোর্ট,হোটেল,মোটেল ও রেস্ট হাউস রয়েছে। বিভিন্ন ম্যান ও দামের হয়ে থাকে সেগুলো। আপনার বাজেট মতো ও পছন্দ মতো যেকোনো টাতেই থাকতে পারেন। বান্দরবান শহরে খাবারের জন্য বেশ কিছু মাঝারি মানের খাবার হোটেল রয়েছে। সেখান থেকে নিজের পছন্দ মতো ৩ বেলায় খাবার খেতে পারেন। বাংলা খাবারের পাশাপাশি বিভিন্ন পাহাড়ি খাবারের ও অপসন থাকে। আবার চাইলে হোটেলে ও খাবারের ব্যবস্থা থাকে,তবে আগে থেকে জানিয়ে রাখতে হয়।

💠বান্দরবান ভ্রমণের পরিকল্পনা  :

০দিনে রাতে কলাবাগান থেকে বাসে উঠে রওনা হবো বান্দরবানের উদ্দেশ্যে।

প্রথম দিন সকালে বান্দরবানে বাস থেকে নেমে হোটেলে চেক ইন।ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নিয়ে সকালের নাস্তা করে নিবো।এরপর রিজার্ভ জীপে করে মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে চলে যাবো।কমপ্লেক্স পুরোটা ঘুরে দেখবো।দুপুরের খাবারের পর স্বর্ণ মন্দির পরিদর্শন শেষে বিকেলে মেঘ দেখতে আর বার্ডস আই ভিউতে বান্দরবান দেখতে   রওনা দিবো নীলাচলে। সন্ধ্যায় ফিরে আসবো হোটেলে।  সন্ধ্যার পর ব্যক্তিগত শপিং টাইম।

দ্বিতীয় দিন সকালে মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যেতে আমরা চলে যাবো নীলগিরি। সেখান থেকে চলে যাবো চিম্বুক পাহাড়। দুপুরের খাবার শেষে বিকেলটা কাটিয়ে দেবো সাঙ্গু নদীতে নৌকা ভ্রমন করে। 

সন্ধায় গ্রুপ ভিত্তিক রুমে ফ্রেশ হয়ে আমরা রাতের খাবার খাবো রাত ৮টায়। রাতের খাবার খেয়ে বাস স্ট্যান্ডে এসে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিবো ।

তৃতীয় দিন খুব সকালে আমরা ঢাকা থাকবো

 

বান্দরবান ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠বান্দরবান ভ্রমন খরচ:

জনপ্রতি ৬৮০০টাকা(নন এসি বাস, রুম)

 জনপ্রতি ৯১০০টাকা (এসি রুম,বাস)

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ১২,৬০০টাকা

(নন এসিবাস,রুম)

প্রতি কাপল: ১৫৬০০ টাকা (এসি বাস,রুম)

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : সিট খালি থাকা সাপেক্ষে।

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ৫,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

খাবার:

১ম দিন 

সকালের নাস্তা: খিচুরি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম,চা 

দুপুরের খাবার : চিকেন, ডাল,সালাদ, ভাত

রাতের খাবার :বারবিকিউ /গ্রিলড চিকেন,পরোটা,সফট ড্রিংকস।

দ্বিতীয় দিন 

সকালের নাস্তা :খিচুড়ি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম, চা

দুপুরের খাবার : চিকেন বিরিয়ানি 

রাতের খাবার : চিকেন ঝাল ফ্রাই, ডাল, সালাদ,ভাত

বিঃদ্রঃ অবশ্যই খাবারের মান মেইনটেইন করা হবে।

বান্দরবান  ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -বান্দরবান  -ঢাকা বাস।

💠দুই দিনের রিজার্ভ জীপ

💠 হোটেল 

💠বান্দরবান পৌছানোর পর থেকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

⛔বান্দরবান  ট্যুর প্যাকেজে বান্দরবান যা থাকছে না

💠ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার

💠এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না এমন কোন খরচ।

 

কনফার্ম করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে –

 

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ  থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।

৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।

৫.নিজের ব্যাগ নিজের বয়ে নিতে হবে। কেউ ব্যাগ টেনে নিবে এরকম মন মানসিকতা রাখা যাবেনা৷

 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

 

থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া লাউস ভিয়েতনাম ভ্রমণ বিস্তারিত

থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম ভ্রমণ বিস্তারিত

থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া লাউস ভিয়েতনাম

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়ার অন্যতম দেশ থাইল্যান্ড,ভিয়েতনাম,লাওস,কম্বোডিয়া। অসম্ভব সব প্রাকৃতিক নিদর্শনে ভরপুর এই দেশ গুলো কাছাকাছি থাকায় এক ভ্রমণ পরিকল্পনাতেই এই চারটি দেশে খুব সহজে ভ্রমণ করা যায় এবং স্বল্প খরচের মধ্যে। প্রতিটা ভ্রমণপ্রেমীর স্বপ্ন থাকে একবার হলেও থাইল্যান্ড ভ্রমণ করার।

থাইল্যান্ড,ভিয়েতনাম,কম্বোডিয়া,লাউস ভ্রমণ এর জন্য প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে ভিসা। তবে প্রথমেই আপনাকে নিতে হবে থাইল্যান্ড এর ভিসা যেটা বাংলাদেশ থেকেই নেয়া যাবে ,এবং একই ডকুমেন্ট দিয়ে দেশ থেকেই অনলাইন আবেদন করে ভিয়েতনাম এর ভিসা এপ্রোভাল নেয়া যাবে। থাইল্যান্ড গিয়ে কম্বোডিয়ার ভিসা এপ্লাই করে একদিনেই ভিসা হাতে পেয়ে যাবেন। এবং কম্বোডিয়া থেকে লাউসের ভিসা পেয়ে যাবেন মাত্র ২ দিনে ।

গন্তব্য :থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম

দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে চাইলে ভ্রমণ পরিকল্পনা একটু সময় নিয়ে করা উত্তম। এতে করে ভ্রমণ খরচ অনেকাংশে কমে যায়।

থাইল্যান্ড

প্রাকৃতিক রূপ লাবণ্যে ঘেরা দক্ষিণ এশিয়ার ভ্রমণ বান্ধব একটি দেশ হলো থাইল্যান্ড। থাইল্যান্ডকে ভ্রমণের স্বর্গরাজ্য ও বলা হয়ে থাকে। থাইল্যান্ড এর উল্ল্যেখযোগ্য কিছু ভ্রমণ সাথে হলো – ফোকেট,ক্রাবি,পাতায়া,ব্যাংকক। থাইল্যান্ড এর ব্যাংকক থেকে প্রায় ৮৪৫ কিমি দূরে নীলাভ পানির বিচ ফুকেট। অসম্ভব সুন্দর এই বিচ পর্যটকদের তার দিকে আকর্ষিত করে। কিন্তু ফুকেটে খরচ অতিরিক্ত হয়।
থাইল্যান্ড এর পশ্চিম উপকূলে ফাঙ্গা ও ট্রাং আইল্যান্ডের মাঝে ক্রাবি নদীর তীরে অবস্থিত এই ক্রাবি শহর ,যা ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে খুবই পছন্দের একটি জায়গা।
থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য সাধারণত ২থেকে ৩ দিন ই যথেষ্ট। বাংলাদেশিদের জন্য সুকুম্বির এলাকায় থাকায় ভালো ,কারণ এখানে বাংলা খাবার ও বাঙালি মানুষ দুই ই পাওয়া যায়। ভ্রমণের শুরুটা করতে পারেনা শহরের প্রধান হাইলাইট বা অবশ্যই দেখার মতো একটি জায়গা যা হলো ১৭৮২ সালে নির্মিত হওয়া গ্রান্ড প্যালেস ,যা ১৫০ বছরের ও বেশি থাই কিংয়ের বাড়ি ছিল। প্রাসাদ কমপ্লেক্সে পান্না বুদ্ধের মন্দিরের মতো বেশ কয়েকটি মনোরম ভবন রয়েছে। এই বিস্তৃত অঞ্চলটিকে ঘুরে দেখাই আপনাকে দর্শনীয় থাই আর্কিটেকচার এবং প্রাণবন্ত রঙের ধারণা দেবে।

আরেকটি অবশ্যই দর্শনীয় স্থান হলো ওয়াট ফো মন্দির, যেখানে চিত্তাকর্ষক পুনর্বিবেচনা বুদ্ধ রয়েছে । এটি বুদ্ধের অবস্থান নির্বান এবং পুনর্জন্মের সমাপ্তির প্রতিনিধিত্ব করে এবং থাই মানুষের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
আপনি চাইলে ব্যাংককের সবচেয়ে বড় বাজার এবং যা বিশ্বের বৃহত্তম মার্কেট হিসেবে খ্যাত বিখ্যাত চতুচাক উইকেন্ড মার্কেটেও ঘুরতে পারেন। এখানে অসংখ্য দোকান এবং পণ্য সামগ্রী পেয়ে যাবেন।

তারপর চলে যেতে পারেন ব্যাংককের পাতায়া। ব্যাংকক থেকে পাতায়ার দূরত্ব প্রায় ১০০ কিমি। এখানে যাওয়ার জন্য বাস বাবা মাইক্রো পেয়ে যাবেন তবে বাস এ সময় এবং অর্থ ২ ই বাঁচবে। পাতায়া তে অনেক আকর্ষণের স্থান ও জিনিসপত্র আছে ,যা ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের খুব সহজেই আকর্ষিত করে। পাতায়াতে অনেক বীচ এক্টিভিটিস ও আছে।

ভিয়েতনাম

থাইল্যান্ড ঘুরে শেষে ২য় দেশ ভিয়েতনাম যাবেন। ভিয়েতনামের মানুষ ইংলিশ খুবই কম জানে। তাই ভিয়েতনাম ভ্রমণ সহজ ও সুন্দর করতে এজেন্সির মাদ্ধমে ভিয়েতনাম ভ্রমণ পরিকল্পনা করা উচিত। ভিয়েতনামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য,এর সুসংহত পর্যটন ব্যবস্থা এবং এর আবহাওয়া পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ভিয়েতনামে পৌঁছানোর পর রাতে হোটেলে রেস্ট নিয়ে পরের দিনটি ডে ট্যুরের জন্য বরাদ্দ রাখতে পারেন। ঘুরে দেখতে পারেন বেশ কিছু লাইমস্টোন পাহাড়,কেভ সহ আরো অনেক কিছু। ৫০০ সিঁড়ি বেয়ে ৩৯৭ফিট উঁচুতে উঠে ড্রাগন এর দেখা পেতে পারেন ড্রাগন পাহাড়ে। পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে গিয়ে প্রতিটা স্টোরে পেয়ে যাবেন অসম্ভব সুন্দর সব ভিউ। ড্রাগন পাহাড়ের চূড়া থেকে চারপাশের ভিউ টা অসাধারণ। সেখান থেকে এসে পরিকল্পনায় রাখতে পারেন সাইক্লিং একটিভিটিস।সাইক্লিং করেই চলে যেতে পারেন কিংকং এর এলাকা এনশিয়েন্ট ক্যাপিটাল হুয়া এর মধ্যে। সেখান থেকে চলে যেতে পারেন ট্রাং এন বোট ট্যুরে ,যেখানে ব্যাম্বো বোটে কায়াকিং করতে পারবেন।
ভিয়েতনাম অবশ্যই ভ্রমণ জায়গা হলো হালং বে। হালং বে তে সাধারণত ক্রুজ ভ্রমণ হয়ে থাকে। সেজন্য আপনাকে একটি ক্রুজ এর প্যাকেজে বুকিং করতে হবে। ক্রুজ প্যাকেজে গুলো সাধারণত ২ দিন ১ রাতের হয়ে থাকে আবার ডে টুর ও হয়ে থাকে। ক্রুজে ভ্রমণকালীন সময় বিভিন্ন এক্টিভিটিস যেমনঃ হাইকিং,ডাইভিং কায়াকিং থেকে শুরু করে আরো অনেক একটিভিটিস।
এছাড়াও ভিয়েতনামে আরো অসংখ্য ভ্রমণ স্থান রয়েছে। ভিয়েতনাম নিতান্তই অসম্ভব সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর ভ্রমণ স্থান। ভিয়েতনাম কে বিশ্ব ঐতিহাসিক ভ্রমণ স্থান হিসেবে ঘোষণা দেয়া হইয়েছে। ভিয়েতনাম ভ্রমণের জন্য সর্বনিম্ন ৫/৭ দিন সময় রাখা উচিত।

কম্বোডিয়া

ভিয়েতনাম ভ্রমনের পর চলে আসুন কম্বোডিয়া। কম্বোডিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি দেশ। তবে কম্বোডিয়া ঢুকতে হলে আপনাকে অবশ্যই ১০০০ ডলার দেখাতে হবে ক্যাশ । নয়তো কোনো ভাবেই আপনাকে কম্বোডিয়ার প্লেনে উঠতে দিবেনা।বোর্ডিং পাশের আগেই হোটেল বুকিং ,এয়ার টিকেট এছাড়া ১০০০ ডলার আছে কিনা সমস্ত কিছু চেক করা হবে।
আংকর ওয়ত কম্বোডিয়ার গৌরবময় ইতিহাসের স্মৃতি ধারন করে আছে, দেশটি ঔপনিবেশিকতা, ইন্দোচীন যুদ্ধ এবং খেমাররুজ শাসন দ্বারা বিধ্বস্ত হয়েছে এবং বর্তমানে এশিয়ার দরিদ্রতম দেশগুলির মধ্যে একটি। দরিদ্রতম দেশ হলেও পর্যটনের জন্য বিখ্যাত। এখানে অনেক গুলো ঐতিহাসিক ও অনেক পুরোনো ওয়াট বা মন্দির রয়েছে। সেই মন্দির গুলো দেখতে সুন্দর ও সেগুলো ঘিরে রয়েছে অনেক ইতিহাস ঐতিহ্য। কাম্বোডিয়া তে ঘুরার জন্য ২/৩ দিন সময় যথেষ্ট।কম্বোডিয়ার রাজধানী নেমপেন এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে রিভার সাইড। এছাড়াও রয়েছে ন্যাশনাল মিউজিয়াম , Wat phonm Historical Side , গ্রীন টেম্পল,মাঙ্কি টেম্পল এছাড়াও রয়েছে Siem Reap এর Angkor Wat ,পাব স্ট্রিট ,নাইট মার্কেট ,ফ্লোটিং ভিলেজ।

লাওস

লাওস দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার চারপাশে ঘিরে আছে থাইল্যান্ড ,কম্বোডিয়া,চীন,মিয়ানমার এবং ভিয়েতনাম ।লাওস প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা একটি দেশ। থাইল্যান্ড ভিয়েতনাম ঘুরার পর লাওস ভ্রমন না করলে অনেক কিছু বাকি থেকে যাওয়ার মতো হয়ে যায়। লাওসে রয়েছে মেকং ভ্যালির অনেক উপরে বোলাভেন প্লাটো। উদ্ভিত ও প্রাণীর দেশ হওয়ায় চারদিক জুড়ে সবুজের অস্তিত্ব। রয়েছে অনেক গুলো বিশেষ বিশেষ ওয়াটারফল। কফি চাষের জন্য লাওস বিখ্যাত। রোবাস্তা এবং এরাবিকা এর কফি চাষের প্লান্টেশন এখন থেকে ই।
কম্বোডিয়া থেকে খুব সহজেই বায় রোডে লাওস ভ্রমন করা যায়।

 

থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম ভ্রমণ এর জন্য আমাদের প্রথম গন্তব্য হবে থাইল্যান্ড। কারণ থাইল্যান্ড থেকে যেহেতু কম্বোডিয়ার ভিসা করতে হবে তাই ভ্রমণের শুরু টা থাইল্যান্ড থেকে ই করা ভালো। ব্যাংককে নেমে প্রথম দিনে তেমন কোনো একটিভিটিস নেই তবে চাইলে আপনি নিজ খরচে আশেপাশের ঘুরে দেখতে পারেন। ব্যাংককে নেমেই একটা ট্যাক্সি নিয়ে চলে যেতে পারেন রয়েল এম্বাসি অফ কম্বোডিয়ারতে। সেখানে গিয়ে আপনি কম্বোডিয়ার ভিসা এপ্লাই করে নিবেন ,সর্বোচ্চ ৬ ঘন্টার মধ্যে ই হাতে ভিসা পেয়ে যাবেন।

পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শুরু হবে ভ্রমণ। ফোকেট(ফোকেট ভ্রমণের জন্য আলাদা খরচ লাগবে যা প্যাকেজের সাথে সংযোক্ত না ),ক্রাবি,পাতায়া,ব্যাংকক সব গুলো জায়গা আমরা একে একে ঘুরে দেখবো।

থাইল্যান্ড ২থেকে ৩ দিন ঘুরা শেষে আমরা চলে যাবো ভিয়েতনাম। ভিয়েতনামে আমাদের প্রায় ৬-৭ দিনের ট্যুর থাকবে।হ্যানয়,হালং বে সহ আরো অনেকগুলো ভ্রমণ স্থান পর্যায়ক্রমে ঘুরে দেখবো।

ভিয়েতনাম থেকে আমরা চলে যাবো কম্বোডিয়া।এবং কম্বোডিয়া তে আমরা ২/৩ দিনের মধ্যে ঐতিহাসিক ভ্রমণ স্থান গুলো ঘুরে দেখবো।
এবং কম্বোডিয়া থেকে লাওস ভ্রমণ সহজ হয়। তাই এই ভ্রমণের আমাদের সর্বশেষ গন্তব্য হবে লাওস। লাওসে আমরা ২ দিন থেকে আবার ব্যাংকক ফায়ার এসে ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাই করবো।

থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া লাউস ভিয়েতনাম ট্যুর প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে :

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

মেঘালয় ভ্রমন বিস্তারিত

মেঘালয় ভ্রমন বিস্তারিত

মেঘালয় উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি স্থলবেষ্টিত রাজ্য।মেঘালয়কে তার উচ্চভূমি, কুয়াশা এবং প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য স্কটল্যান্ডের সাথে তুলনা করা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃস্টি হয় মেঘালয় এর ড রাজধানী চেরাপুঞ্জিতে। মেঘালয় জুড়ে অনেক গুলো ছোট বড় অপূর্ব সুন্দর ঝর্ণা রয়েছে। বৃস্টিতে তাদের প্রাণ যেনো আরো বেশি করে ফিরে পায়। মেঘালয়ে সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল এর জন্য বিখ্যাত। মেঘালয়ের উঁচু নিচু পাহাড়,ছোট বড় নদী,বিশাল আকৃতির সব ঝর্ণা ও ছবির মতো ছোট ছোট গ্রাম ভ্রমণ প্রেমীদের হাতছানি দিয়ে ডাকে তার কাছে। বাংলাদেশের সিলেট সীমান্তের কাছাকাছি ও কম খরচে মেঘালয় ভ্রমণ করা যায়।

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ প্রেমিদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর স্পোর্টস ট্যুরিজম বাংলাদেশ চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

 

গন্তব্য : মেঘালয় এর শিলং ও চেরাপুঞ্জী ভ্রমণ 

মেঘালয় অসম্ভব সুন্দর একটি জায়গা।সৃস্টি কর্তার অপূর্ব সৃস্টি। মেঘালয়ে ঘুরে দেখার অনেক জায়গা রয়েছে ,তবে বাংলাদেশী পর্যটকদের কাছে ডাউকি,শিলং ও চেরাপুঞ্জি বেশি পছন্দের জায়গা।

💠ভ্রমনের স্থান সমূহ :

🍁 শিলং 🍁উমগট রিভার 🍁চেরাপুঞ্জি 🍁বোরহিল ওয়াটারফলস  🍁উমক্রেম ওয়াটারফলস 🍁এলিফেন্ট ওয়াটারফলস  🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস 🍁ওয়াকাবা ওয়াটারফল 🍁নোহকালাইকাই ওয়াটারফল 🍁এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিংনং🍁লিভিং রুট ব্রীজ 🍁আরোয়া কেইভ এন্ড ভিউ প​য়েন্ট  🍁ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস 🍁শ্যুটিং ব্রীজ 

🍁 শিলং:প্রাচ্যের স্কটল্যান্ড বলা হয় শিলং কে । সবুজে ঘেরা পাহাড়, আকা-বাঁকা উঁচু-নিচু পথ, সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে যেতে পারেন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে।চায়ের চুমোকে গা ভাসাতে পারেন সাদা শুভ্র মেঘের ভেলায়। এখানে প্রচুর বৃস্টি হয়। তাই প্রকৃতি ও বর্ষার এই অপরূপ সৌন্দর্যে দেখতে পর্যটক দের ভিড় জমে শিলং এ।

🍁উমগট রিভার:

উমঙ্গোট নদী , ডাউকি নদী এবং বাহ উমঙ্গোট নামেও পরিচিত এই উমগট রিভার।এই যদি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম জৈন্তিয়া জেলার জয়ন্তিয়া পাহাড়ের নীচে অবস্থিত একটি ছোট শহর ডাউকির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় । এই নদীটির পানি খুবই স্বচ্ছ কাচের মতো। এই নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক পথ হিসেবে কাজ করে।

 

 

🍁চেরাপুঞ্জি: চেরাপুঞ্জি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার একটি শহর। চেরাপুঞ্জিকে বাংলায় বলা যায় কমলা দ্বীপ, কারণ এখানে প্রচুর পরিমানে কমলা গাছ ও কমলা পাওয়া যায় । কমলা ছাড়া এখানে আর আছে প্রচুর পান-সুপারির গাছ। তবে চেরাপুঞ্জি বিখ্যাত তার বর্ষণের জন্য। শুধু বৃস্টি নয় এখানে রয়েছে চোখ জড়ানো ঝর্ণা ও রহস্যময় গুহা। চেরাপুঞ্জিতেই রয়েছে বোরহিল ওয়াটারফলস ,উমক্রেম ওয়াটারফলস,এলিফেন্ট ওয়াটারফলস,সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস,ওয়াকাবা ওয়াটারফল,নোহকালাইকাই ওয়াটারফল সহ আরোয়া কেইভ এন্ড ভিউ প​য়েন্ট দেখার জন্য মাউন্টেইন ভিউ। 

🍁এলিফেন্ট ওয়াটারফলস: এলিফেন্ট ওয়াটারফলস বা হস্তী ওয়াটার ফলস মেঘালয়ের একটি বিখ্যাত আকর্ষণ গুলোর একটি। জলপ্রপাতের কাছে হাতির মতোই দেখতে একটি পাথর থাকার কারণে এই জলপ্রপাতের নাম এলিফেন্ট ওয়াটারফলস হয়। দুঃখজনক বিষয় হলো একটি বড় ভুমিকম্পের কারণে এই পাথরটি এখন র দেখা যাই না। কিন্তু এই জলপ্রপাত তার নিজস্ব সৌন্দর্যে পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস: নোহসনিথিয়াং জলপ্রপাত বা মাওসমাই জলপ্রপাত নামেও পরিচিত।সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস হল ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার মাওসমাই গ্রামের 1 কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সাত-স্তরের জলপ্রপাত । জলটি 315 মিটার (1,033 ফুট) উচ্চতা থেকে পড়ে এবং এর গড় প্রস্থ 70 মিটার (230 ফুট)।
এই জলপ্রপাতটি সাতটি ভাগে অপূর্ব ভাবে পরে বলে মূলত এটিকে সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল বলে। এর এই নিদর্শন দেখতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষ অনেক দুরদূরান্ত থেকে ছুটে যায়।

🍁এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিংনং: এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গ্রাম” হিসেবে পরিচিত মাওলাইনং গ্রাম। World Cleanest Village বলা হয় এই গ্রাম কে। পর পর ২ বার এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন গ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ম্যাগাজিন থেকে। এখানকার গ্রাম গুলো খুবই সুন্দর ও গুছানো ,এবং এখানকার ডাস্টবিনগুলো ও খুব অদ্ভুত সুন্দর। ঘন নীল আকাশ,সবুজ গাছগাছালি ,হরেক রকম ফুল ও প্রজাপতির উড়াউড়ি এই গ্রামের প্রতি মানুষকে আকর্ষিত করে।

🍁লিভিং রুট ব্রীজ:

লিভিং রুট ব্রিজগুলি হল এক ধরনের গাছের আকৃতি যেখানে নদীগুলি ফিকাস উদ্ভিদের শিকড় থেকে গঠিত স্থাপত্য দ্বারা বিস্তৃত । জীবন্ত গাছের মাদ্ধমেই সাধারণত এই ব্রিজ গুলি তৈরী হৈয়ে থাকে। খাসিয়ারা জানে না কবে বা কিভাবে জীবন্ত রুট ব্রিজের ঐতিহ্য শুরু হয়েছিল । খাসি পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত , তাদের পূর্বপুরুষরা একটি জীবন্ত শিকড় থেকে নেমে এসেছেন যা স্বর্গ ও পৃথিবীকে সংযুক্ত করেছে। ব্রিজ গুলো যেহেতু প্রাকৃতিক ভাবে ও জীবন্ত গাছের মাদ্ধমে তৈরী তাই এটি খুব সহজেই পর্যটক দের অত্যাশ্চর্য করতে সহযোগিতা করে।

 

মেঘালয় ভ্রমণের সময়

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে। আর এই বৃষ্টিতে মেঘালয়ের ঝর্ণাগুলো ও দারুন রূপে নিজেদের প্রকাশ করে। তাই এখানে উঁচু পাহাড়ের বুকে ঝর্ণার শব্দ শুনার জন্য বর্ষাকাল শ্রেষ্ঠ সময়। তাই মে থেকে অক্টোবর সাধারণত পর্যটক রা এখানে ভিড় করে। তবে এখানে শীত বর্ষা যেকোনো সিজনেই মেঘালয়ের ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

মেঘালয় কীভাবে যাবেন?

সড়ক পথে মেঘালয় ভ্রমণ তুলনামূলক কম খরচ হয়। বাসে করে সরাসরি শিলং যাওয়া যায়. আবার চাইলে ট্রেন,বিমানে করে সিলেট গিয়ে সেখান থেকে সিএনজি করে তামাবিল গিয়ে ইমিগ্র্যাশন শেষ করে ডাউকি থেকে ট্যাক্সি বা লোকাল গাড়িতে শিলং যাওয়া যায়।

মেঘালয় কোথায় থাকবেন

মেঘালয়ে পর্যটকদের বিপুল পরিমানে আনাগুনা থাকে। আর এই জন্যে এখানে অনেক ধরণের থাকার হোটেল ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে আপনি বিভিন্ন মানের ও দামের হোটেল পেয়ে যাবেন। পুলিশ বাজার এ অসংখ্য হোটেল পাওয়া যায় ,থ্রি ষ্টার ,ফোর ষ্টার মানের হোটেল থেকে সুর করে ব্যাগ প্যাকার্স দের জন্য বাজেট ফ্রেন্ডলি হোটেল সব কিছুর ই ব্যবস্থা আছে।

মেঘালয় খাবার ব্যবস্থা

হিন্দু রাষ্ট্র হওয়ায় এখানে তেমন একটাগরুর গোস্ত দেখা যায় না বললেই চলে। শিলং এর রেস্তোরা গুলোতে শুকরের গোস্ত ও মুরগির গোস্ত বেশি পাওয়া যায়। পুলিশ বাজার জামে মসজিদের পাশে একটি মুসলিম রেস্তোরা রয়েছে যেখানে হালাল গরুর গোস্ত পাওয়া যায়। তবে এখানে ভিন্ন কিছু ট্রাই করতে উপজাতিদের খাবার গুলো দেখতে পারেন। এখানে বিভিন্ন ধরণের রেস্টুরেন্ট ও এভেইলেবল রয়েছে।

💠মেঘালয় ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

প্রথম দিন  রাতের বাসে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্য রওনা করবো।

  দ্বিতীয় দিন ভোরে সিলেট নেমে ফ্রেশ হয়ে চলে যাব তামাবিল বর্ডারে।এরপর কাস্টমস ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে সকাল সাড়ে ১০ টা ১১ টার মধ্যে বর্ডার ক্রস করে চলে যাব ডাউকি।এরপর একে একে বোরহিল ওয়াটারফলস,এলিফেন্ট ওয়াটারফলস ঘুরে শিলং চলে আসবো।রাতে শিলং থাকবো।

তৃতীয় দিন এর গন্তব্য মেঘাল​য়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান চেরাপুঞ্জি।যাওয়ার পথে আমরা দেখব  মেঘাল​য়ের অন্যতম আকর্ষণ সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস,ওয়াকাবা ওয়াটারফল,নোহকালাইকাই ওয়াটারফল সহ আরো অনেক গুলো ঝর্ণা ও ভিউ প​য়েন্ট​।এদিন রাত টা চেরাপুঞ্জিতে কাটিয়ে দিবো।

চতুর্থ দিন সকালের নাস্তা করে হোটেল থেকে চেক আউট করে আমরা রওনা করবো শিলং এর উদ্দেশ্যে।পথে গাড়ি থামিয়ে আমরা দেখে নিবো লিভিং রুট ব্রীজ,এশিয়ার সব থেকে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিং ভিলেজ ,ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস সহ  আরো অনেক গুলো ভিউ প​য়েন্ট​। এদিন রাতে শিলং থাকবো।

পঞ্চম দিন ব্রেকফাস্ট করে স্বচ্ছপানির উমঘট রিভার ঘুরে  চলে আসবো বাংলাদেশ বর্ডারে।ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে দুপুরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করবো।এরপর সিলেট থেকে বিকেলের বাসে রওনা দিয়ে রাত ১০ টার মধ্যে ঢাকা থাকবো ইনশাআল্লাহ্।

 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠ভ্রমন খরচ:

 

জনপ্রতি ১৫,৫০০টাকা(নন এসি বাস +শেয়ারিং ।ফ্যামিলি রুম)

 জনপ্রতি ১৭,০০০টাকা(এসি বাস +শেয়ারিং ।ফ্যামিলি রুম)

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৩২,৫০০টাকা(ঢাকা-সিলেট নন এসি বাস​)

প্রতি কাপল: ৩৫,০০০টাকা(ঢাকা-সিলেট এসি বাস​)

 

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

মেঘালয়   ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -সিলেট -ঢাকা বাস টিকিট,বাংলাদেশ ভারত অভ্যন্তরিন ট্রান্সপোর্ট সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত বাস​,সিলেট থেকে বর্ডার পর্যন্ত লেগুনা এবং ইন্ডিয়ান অংশে সুমো বা সেভেন সিস্টার কার​।

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠ভারত থাকাকালীন প্রতিদিন ব্রেকফাস্ট 

💠সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔মেঘালয়   ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে না

 

💠ভ্রমণ চলাকালীন কোনো লাঞ্চ বা ডিনার​

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

 

কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠ভিসায় পোর্ট ডাউকি হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় ডাউকি না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

 

রাঙ্গামাটি ভ্রমণ বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

রাঙ্গামাটি ভ্রমণ বিস্তারিত

রাঙ্গামাটি

আঁকা বাঁকা পথের সাথে সুউচ্চ পাহাড় আর সুবিশাল জলরাশি যেনো চোখ ফেরাতে দেয়না রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে। নিস্তব্ধতার এক পাহাড় আর পানি অবারিত নীল জলের কাপ্তাই লেক যেনো রাঙ্গামাটিকে দিয়েছে অপরূপ এক রূপ। স্বচ্ছ জলের বুকে ভেসে পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে চলে যান রাঙ্গামাটির পথে। চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রাঙ্গামাটি জেলা।এই রূপে মুগ্ধ হতে এবারে Sports Tourism Bangladesh যাবে প্রকৃতির রানী রাঙ্গামাটি তে।

 

💠রাঙ্গামাটি যেসব জায়গা আপনাকে মুগ্ধ করবে

রূপের রানী রাঙামাটির প্রতিটি জায়গা ই আপনাকে মুগ্ধ করবে তার সৌন্দর্যে।

-কাপ্তাই লেক: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত কাপ্তাই লেক বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃত্রিম লেক। এই লেক টি তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যে রাঙামাটির অনেকাংশ কে আবির্ভুত করে রেখেছে। কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ১৯৫৬ সালে কর্ণফুলি নদীর উপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হলে রাঙামাটি জেলার ৫৪ হাজার একর কৃষি জমি ডুবে যায় এবং এ হ্রদের সৃষ্টি হয়।
এই কাপ্তাই লেক কে ঘিরেই মূলত রাঙামাটির পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে। রাঙামাটির ঝুলন্ত ব্রিজ থেকে শুরু করে রাজবন বিহার ,শুভলং ঝর্ণা সবটায় কাপ্তাই লেক কে ঘিরে। কাপ্তাই লেক এ বোটে করে রাঙামাটির সবগুলো পর্যটন এলাকায় ঘুরে যায়।

 

-শুভলং ঝর্ণা:শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত উঁচু পাহাড়ি ঝর্ণা।এই ঝর্ণা বর্ষায় তার আসল রূপ ফিরে পায়। শুভলং ঝর্ণাটি কাপ্তাই লেকের কোল ঘেঁষে অবস্থা করে। বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আঁছড়ে পড়ে কাপ্তাই হ্রদের জলে গিয়ে মিশে যায়। শুভলং ঝর্ণায় পর্যটক দেড় টিকেট কেটে প্রবেশ করতে হয়।

–  ঝুলন্ত ব্রিজ: 

PC:VromonBuzz

ছোট বেলা থেকেই ক্যালেন্ডারের পাতায় ঝুলন্ত সেতুর ছবি দেখেননি খুব কম মানুষ ই আছে। রাঙামাটি জেলার ল্যান্ডমার্ক আইকন হচ্ছে ঝুলন্ত সেতু। কাপ্তাই হ্রদের উপর নির্মিত এই ৩৩৫ ফুট লম্বা ঝুলন্ত ব্রিজ ‘সিম্বল অফ রাঙ্গামাটি’ হিসাবে খ্যাত।পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স এর পাশেই এই সেতুর অবস্থান। ২ দিকের ২ টি নয়ানিভিরাম পাহাড়কে জুড়ে দিয়েছে এই ঝুলন্ত সেতু। ঝুলন্ত সেতুর ওপারে পাহাড়িদের গ্রাম রয়েছে যেখানে তারা খুব সুন্দর পাহাড়ি বাজার নিয়ে বসে। সেখানে পাহাড়িদের নিজেদের ঐতিহ্য বাহী অনেক জিনিস পাওয়া যায়।

 

নেভী ক্যাম্প: কাপ্তাই নেভী ক্যাম্প খুব ই সুন্দর ও সবুজে ঘেরা একটি পর্যটন স্থান যা নৌবাহিনীদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরী করা। অসম্ভব সুন্দর ও মনোরম এই নেভি ক্যাম্পটি। এখানে নৌ যুগে অথবা গাড়িতে করেও যাওয়া যায়। পাহাড়ের উঁচু নিচু রাস্তা র কাপ্তাই লেক এর সৌন্দর্যে মন্ডিত এই নেভি ক্যাম্প। 

পলওয়েল পার্ক:রাঙামাটি জেলা পুলিশ এর তত্ত্বাবধানে কাপ্তাই লেকের কোল ঘেঁষে পলওয়েল পার্ক টি তৈরী করা। এখানে রয়েছে খুবই সুন্দর একটি পার্ক, একটু ছোট ঝুলন্ত ব্রিজ , পলওয়েল রিসোর্ট,লাভ লক পয়েন্ট এবং পিকনিক স্পট সহ আরো অনেক বিনোদন এর ব্যবস্থা । পলওয়েল এ বসে সোন্দর সূর্যোদয় দেখতে অনেক ভালো লাগে।  

-রাজবন বিহার: রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত।প্রতিবছর পূর্ণিমা তিথিতে রাজবন বিহারে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এখানে প্রতিবছর অনেক বোরো করে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উৎসব পালন করা হয়। রাজবন বিহার বাংলাদেশের অন্যতম বৌদ্ধ তীর্থ স্থান। পর্যটকদের বিহার চত্ত্বরে মাথায় টুপি, বোরকা কিংবা ঘোমটা এবং পায়ে সেন্ডেল, জুতা ইত্যাদি পরে প্রবেশ নিষেধ।

 

রাঙ্গামাটি কীভাবে যাবেন?

ঢাকা সায়েদাবাদ, কলাবাগান, ফকিরাপুল অথবা গাবতলি থেকে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহনের বাসে করে যেতে পারবেন রাঙ্গামাটি। সাধারণত সকাল ৭টা থেকে ৯টা এবং রাত ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে ঢাকা থেকে বিভিন্ন কোম্পানির বাস ছাড়ে।

রাঙ্গামাটি নৌ-ভ্রমণে যেতে চাইলে

সারাদিনের জন্য ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করতে হয়। নৌকার চালকই আপনাকে বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখাবে। চাইলে আলাদাভাবেও যেতে পারেন। খুব সকালে যাত্রা শুরু করাই ভালো। রাঙ্গামাটি রিজার্ভ বাজার এলাকা থেকে অথবা পর্যটন এলাকা থেকে ট্রলার রিজার্ভ করা যায়। এগুলোর ভাড়া আকার অনুযায়ী বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

রাঙ্গামাটি কোথায় থাকবেন

রাঙ্গামাটি বেশ কিছু হোটেল মোটেল এবং হ্রদে ভাসমান হাউজ বোটে আপনি থাকতে পারেন।

রাঙ্গামাটি খাবার ব্যবস্থা 

রাঙামাটি জেলার প্রধান খাবার হলো পাহাড়ি মুরগির মাংস, গুই সাপের মাংস, পুঁইশাক,বুঝা শাখ, বাশ কোড়াল, ও ইত্যাদী এই খাবারগুলো এখানকার খুব জনপ্রিয় খাবার। এবং রাঙ্গামাটির সব থেকে বিখ্যাত খাবার হলো বাশ ভাত।
কাপ্তাই লেকের মাঝে অনেক গুলো পাহাড়ি রেস্টুরেন্ট আছে ,সেগুলো তে পাহাড়ি খাবার সহ বাঙালি খাবার ও পাওয়া যায়। তবে এই রেস্টুরেন্ট গুলো তে অবশ্যই নৌকা যুগে যেতে হয়।

💠রাঙ্গামাটি ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা:

রাঙ্গামাটি তে সাধারণত ডে ট্যুরে ও যাওয়া যায় আবার চাইলে ২/৩ দিন হোটেলে বা হাউসবোটে ও থেকে রাঙামাটির অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।এখানে আমাদের একটি ডে ট্যুরের ভ্রমণ বিস্তারিত দেয়া হলো:

প্রথম দিন  রাতের বাসে করে রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

দ্বিতীয় দিন ভোরেই রাঙ্গামাটি পৌঁছে যাবো। আমরা গাড়ী থেকে নেমে নাস্তা করে বোটে উঠে যাবো। সকাল দুপুর পুরোটাই আমরা লেকে সহ শুভলং ঝর্ণা, ঝুলন্ত ব্রীজ এভাবে একে একে উল্লেখিত সবগুলো স্পট ঘুরবো। লেকে এবং ঝর্ণাতে ঝাপাঝাপি হবে ইচ্ছামত। পলওয়েল পার্কে কায়াকিং করবো। সন্ধ্যায় কাপ্তাই লেকে সূর্য ডুবা দেখতে দেখতে কাপ্তাইয়ের বুকে কিছুক্ষণ ভেসে থাকবো। নৌকা থেকে নেমে কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি ও কেনাকাটা করে রাতের খাবার খেয়ে উঠে পড়বো বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে।

পরেরদিন সকালে ঢাকা থাকবো।

রাঙ্গামাটি ইভেন্ট খরচে যা যা অন্তর্ভুক্ত:

💠ঢাকা – রাঙ্গামাটি – ঢাকা বাস (নন এসি)

💠৩ বেলা খাবার

💠লেকে ঘুরার নৌকা ভাড়া

যা যা থাকছে না:

⭕ইভেন্ট খরচ ব্যতীত নিজের ব্যক্তিগত খরচ

⭕যেকোন এন্ট্রি ফি

⭕কায়াকিং ফি

⭕হাইওয়ে হোটেলের খাবার খরচ।

⭕কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে-

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

 

বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত 

বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ পিপাসুদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর Sports Tourism Bangladesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

দার্জিলিং হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি শহর ও পৌরসভা। দার্জিলিং হিমালয়ের শিবালিক পর্বতশ্রেণিতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬,৭০০ ফু (২,০৪২.২ মি) উচ্চতায় অবস্থিত।সুন্দর এই শহরের চারদিকে সবুজ চা বাগানে আবৃত পাহাড়। বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য ও ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের জন্য খ্যাত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।ঘুম রেলওয়ে স্টেশন দার্জিলিং এ অবস্থিত। দার্জিলিং হিমালয়ান রেল এই শহরকে সমতলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ভারতের যে অল্প কয়েকটি বাষ্পচালিত ইঞ্জিন এখনও কার্যকরী, তার মধ্যে কয়েকটি এই রেলের অন্তর্গত।বিশেষ করে একজন পাহাড় প্রেমীর কাছে দার্জিলিং ভ্রমন  সব থেকে প্রিয় ভ্রমন গল্প হতে পারে।

আমাদের আজকের বিষয় হলো বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত সম্পর্কে।

 

গন্তব্য :বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন 

যাত্রার তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত  খরচ:

জনপ্রতি ১৪,৯৯৯টাকা(ট্রেন +শেয়ারিং /ফ্যামিলি রুম)

 💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৩৫,০০০টাকা

 

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর স্থান সমূহ :

অপূর্ব সুন্দর ভ্রমণ স্থান হলো দার্জিলিং ভ্রমন। দার্জিলিং শহরের পুরোটাই ঘুরার জন্য উপযোক্ত। এর মধ্যে কিছু বিশেষ জায়গা রয়েছে। যেমনঃ

🍁দার্জিলিং 🍁টাইগার হিল 🍁ঘুম মনেস্ট্রি 🍁রক গার্ডেন 🍁রোপওয়ে 🍁মিরিক 🍁টি গার্ডেন /মল রোড 🍁হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট 🍁তেনজিং রক 🍁জাপানিজ টেম্পল 🍁জুওলজিক্যাল পার্ক

🍁দার্জিলিং: দার্জিলিংকে“পাহাড়ের রানী” নামে অভিহিত করা হয়। কেনোইবা করা হবে না ,এতো সুন্দর র বড় বড় পাহাড়ের অবস্থান এখানে। আকাশের উপরে চকচকে মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা ঘূর্ণায়মান পাহাড়গুলির মধ্যে অবস্থিত। যারা প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে চায় তাদের জন্য একটি নিখুঁত প্রবেশদ্বার হলো এই দার্জিলিং। অপূর্ব রূপের মহিমা নিয়ে এই দার্জিলিং।যে কেউ এর প্রেমে পড়তে বাধ্য।

🍁টাইগার হিল:টাইগার হিল জায়গাটি দার্জিলিং শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দার্জিলিং শহর থেকে এখানে জীপে করে যাওয়া যায়। এই জায়গাটি হল ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের উচ্চতম স্টেশন ঘুম শহরের সর্বোচ্চ বিন্দু। এখান থেকে মাউন্ট এভারেস্ট ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত-এর বিস্তারিত দৃশ্যপট খুব সহজেই উপভোগ করা যায়।টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়ের অপূর্ব দৃশ্য অবলোকন করা যায়।

🍁ঘুম মনেস্ট্রি: ওল্ড ঘূম মনাস্ট্রি ইগা চোয়েলিংয়ের জনপ্রিয় নাম। মঠটি গেলুকপা বা হলুদ হাট সম্প্রদায়ের অন্তর্গত এবং এটি মৈত্রেয় বুদ্ধের 15 ফুট (4.6 মিটার)-উচ্চ মূর্তির জন্য পরিচিত। ভবনটির বাহ্যিক কাঠামো 1850 সালে মঙ্গোলিয়ান জ্যোতিষী এবং সন্ন্যাসী সোকপো শেরাব গিয়াতসো দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যিনি 1905 সাল পর্যন্ত মঠের প্রধান ছিলেন।

🍁রক গার্ডেন:দার্জিলিং থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬.২ মা) দূরে রক গার্ডেন অবস্থিত।এটি দার্জিলিং এর অন্যতম একটি পর্যটন স্থান। ঘুম স্টেশনের পূর্বে ডানদিকে মোড় নিয়ে রক গার্ডেন যাওয়া যায়। রক গার্ডেনে অন্যতম বৈশিষ্ট্য পথের পার্শ্ববর্তী সৌন্দর্যস্থল যা কীনা বেশ খানিকটা কংক্রিট দিয়ে নির্মিত এবং চার দিকে অনেক ফুলের বাগান।

🍁রোপওয়ে: দার্জিলিং রোপওয়ে হল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং-এর একটি রোপওয়ে পরিবহন ব্যবস্থা। এটি দার্জিলিং ও সিংলাবাজার এর মধ্যে পরিসেবা প্রদান করে। এই রোপওয়ে পরিবহন দার্জিলিং-এর পর্যটন ক্ষেত্রে এক অন্যতম আকর্ষণ।দার্জিলিং ভ্রমণের পর্যটকগণ অবশ্যই এই রোপওয়ে তে ভ্রমণ করে থাকে। রোপওয়েতে যাত্রা দার্জিলিং এর চারপাশের পাহাড় এবং উপত্যকার সুন্দর দৃশ্য গুলো দেখায়।

🍁মিরিক:মিরিক দার্জিলিং এ অবস্থিত ছবির মতো সুন্দর একটি পর্যটন স্থান । মিরিক নামটি এসেছে লেপচা কথা মির-ইওক থেকে যার অর্থ “অগ্নিদগ্ধ স্থান”।মিরিক তার নিজস্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আবহাওয়ার দ্বারা পর্যটকদের তার নিজের কাছে টানে। সুমেন্দু লেক মিরিকের প্রধান আকর্ষণ এর একদিক বাগান এবং অন্যদিক পাইন জঙ্গল দিয়ে ঘেরা। পায়ে হাঁটা খিলান সাঁকো ইন্দ্রেনি পুল এদের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরী করেছে। লেকটিকে ঘিরে থাকা সাড়ে তিন কিমি লম্বা রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে সূদূর দিগন্তে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ ভ্রমণার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। লেকের জলে নৌকাবিহার এবং টাট্টু ঘোড়ায় চেপে লেকের চারপাশ প্রদক্ষিণ করায় আছে এক অনাবিল আনন্দ।

🍁হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট: পর্বতারোহণকে প্রোৎসাহন দেবার জন্য মূলত হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহ্‌রুর উদ্দীপনায় তৈরী করা হয়। এই ইনস্টিটিউটে নিয়মিত এডভেঞ্চার , বেসিক এবং উন্নত মাউন্টেনিয়ারিং কোর্সগুলি সঞ্চালন করা হয়।

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর প্রথম দিন  রাতে  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে ট্রেনে উঠে রওনা দিবো।  দ্বিতীয় দিন ভোরে স্টেশন পৌঁছে জীপে দার্জিলিং উদ্দেশ্যে রওনা করবো।এবং হোটেলে উঠে রেস্ট নিবো 

তৃতীয় দিন: সকালে নাস্তা শেষে রিজার্ভ জীপে আমরা একে এক করে হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, রক গার্ডেন, জুওলজিক্যাল পার্ক, রোপওয়ে,তেনজিং রক,চা বাগান, জাপানিজ টেম্পল ঘুরে দেখবো।

চতুর্থ দিন: ভোর চারটায় হোটেল থেকে বের হয়ে চলে যাবো টাইগার হিল। ওখান থেকে দেখবো পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘার গায়ে সূর্যোদয়। তারপর একে একে বাতাসিয়া লুপ,ঘুম মনেস্ট্রি, ঘুম ইস্টিশন দেখব।১০ টার মধ্যে আমাদের ঘুরাঘুরি শেষ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। এরপর দিনের বাকিটা সময় পার্সোনাল টাইম।কেউ চাইলে শপিং করতে পারেন। 

পঞ্চম দিন: ব্রেকফাস্ট শেষে রওনা করবো মিরিক এর উদ্দেশ্যে।হিমালয় কোল ঘেঁষে পাহাড়ি শহর মিরিক এর সৌন্দর্য উপভোগ করে আমরা দুপুরের মধ্যে চলে আসবো শিলিগুড়ি।  শিলিগুড়ি তে লাঞ্চ শেষে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

ষষ্ঠ দিন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশে থাকবো।

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর কনফার্ম করার ডেডলাইন :

যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

দার্জিলিং ভ্রমন প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -দার্জিলিং -ঢাকা ট্রেন টিকিট,জীপ সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠দার্জিলিং পৌছানোর পর প্রথম দিন রাতের খাবার থেকে শুরু করে আসার দিন দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠দার্জিলিং ভ্রমণ এর সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔দার্জিলিং ভ্রমন এ যা থাকছে না

 

💠ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার 

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর জন্য ভিসায় পোর্ট চ্যাংড়াবান্দা হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় চ্যাংড়াবান্দা না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে করা যাবে।

 

যোগাযোগ :  01820-109 109

 

সাজেক ভ্রমণ  বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

সাজেক ভ্রমণ  প্যাকেজ

মেঘের রাজ্য সাজেক।সাজেক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। চারপাশে মনোরম পাহাড় সারি,সাদা তুলোর মতো মেঘের ভ্যালি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। সাজেক এমনই আশ্চর্য্যজনক  জায়গা যেখানে  একই দিনের প্রকৃতির তিন রকম রূপের সান্নিধ্য পাবেন।কখনো খুব গরম,তারপর হয়তো হটাৎ বৃষ্টি তে ভিজে যাবেন কিংবা চোখের পলকেই মেঘের ঘন কুয়াশা চাদরে ঢেকে যাবে আপনার চারপাশ। প্রাকৃতিক নিসর্গ আর তুলোর মত মেঘের পাহাড় থেকে পাহাড়ে উড়াউড়ির খেলা দেখতে সাজেক আদর্শ জায়গা। আর Sports Tourism Bangladesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : সাজেক ভ্রমণ 

 

💠আমাদের কোন হিডেন চার্জ নেই। 

                                                                                                 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠সাজেক ভ্রমণ খরচ:

 

জনপ্রতি ৭০০০টাকা(নন এসি বাস, স্ট্যান্ডার্ড রুম)

 জনপ্রতি ৮৫০০টাকা (এসি বাস,প্রিমিয়াম রুম)

 

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ১৫,০০০টাকা (নন এসিবাস,স্ট্যান্ডার্ড কাপল রুম)

প্রতি কাপল:  ১৭৫০০ টাকা (এসি বাস,প্রিমিয়াম কাপল রুম)

💠সাজেক ভ্রমণ এর স্থান সমূহ :

🍁সাজেক ভ্যালি 🍁রিসাং ঝর্ণা  🍁 তারেং🍁 রুইলুই পাড়া🍁 কংলাক পাহাড়🍁 স্টোন গার্ডেন🍁 হ্যালিপেড🍁আলুটিলা গুহা 🍁ঝুলন্ত ব্রীজ 🍁আলুটিলা পাহাড়

🍁সাজেক ভ্যালি: সাজেক রুইলুইপাড়া, হামারিপাড়া এবং কংলাক পাড়া, এই তিনটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।সাজেক ভ্যালিকে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়। কারণ সাজেক ভ্যালি থেকে রাঙা,মাটির অনেকটা অংশই স্পষ্ট দেখা যাই। কর্ণফুলী নদী থেকে উদ্ভূত সাজেক নদী থেকে সাজেক ভ্যালির নাম এসেছে।সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া হচ্ছে কংলাক।

🍁রিসাং ঝর্ণা: রিসাং ঝর্ণা টি খাগড়াছড়ি জেলায় মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা গ্রামে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ঝর্ণা। তাই এই ঝর্ণা কে অনেকে সাপমারা ঝর্ণা ও বলে থাকে। ১০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে নিচে গড়িয়ে পড়ে ঝর্ণার জলধারা। পানির গতিপথ ঢালু হওয়ায় প্রাকৃতিক ওয়াটার স্লাইডিং-এর সৃষ্টি হয়েছে, যা এই ঝর্ণার প্রধান আর্কষণ।

 

🍁 তারেং:  ত্রিপুরা ভাষায় ‘তারেং’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘উঁচু পাহাড়’। তারেং একটি পর্যটন কেন্দ্র। তারেং এ বসে থেকেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন সারি সারি পাহাড় আর খাগড়াছড়ির বিকে বয়ে চলা চেঙ্গী নদী।

 

🍁 রুইলুই পাড়া:  রুইলুই পাড়ায় জুড়ে মেঘের আনাগুনা। ভোরবেলায় রুইলুই পাড়াময় মেঘ ভাসে। সড়ক থেকে ফাঁক গলিয়ে মেঘ দেখাটা আসলেই মজাদার। মেঘবালিকারা মাঝরাত থেকে দুপুরের আগ পর্যন্ত প্রচণ্ড রকমের খেলা খেলে। রুইলুই পাড়ায় রিসোর্ট এর ফাঁকে ফাঁকে লাল সাদা ফুলের মাঝে মধ্যে ই মেঘ দেখা যাই

 

🍁 কংলাক পাহাড়:কংলাক পাহাড় বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি সাজেক ভ্যালির সর্বোচ্চ চূড়া। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা প্রায় ১৮০০ ফুট।চারদিকে সবুজ পাহাড় আর পাহাড়ের সঙ্গে মেঘের লুকোচুরি, কংলাক পাহাড়কে সাজেকের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করেছে।

 

🍁 স্টোন গার্ডেন:স্টোন গার্ডেন সাজেক ভ্যালির অন্যতম সুন্দর একটি জায়গা ।এখান থেকে দাড়িয়ে পর্যটকরা নিচে তাকালে পাহাড়ের অসাধারণ ভয়ংকর সৌন্দর্য উপভোগ করে।ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য মনে হয় একেই বলে।

 

🍁 হ্যালিপেড: সাজেকের হ্যালিপেড থেকে পুরো সাজেকের অসম্ভব সুন্দর ভিউ দেখা যায়। আপনারা চাইলে সাজেক কম সময়ে হেলিকপ্টারে করেও যেতে পারবেন সহজে। এখানে এসে সূর্যাস্ত দেখতে কিন্তু ভালোই লাগে

 

🍁আলুটিলা গুহা: এই গুহাটি খুবই অন্ধকার ও শীতল। কোন প্রকার সূর্যের আলো প্রবেশ করে না বলে টর্চের আলো বা মশাল নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়। সুড়ঙ্গের তলদেশ পিচ্ছিল এবং পাথুরে ও এর তলদেশে একটি ঝর্ণা প্রবহমান যেখানে অনেক শীতল পানি প্রবাহিত হয় । গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূ-গর্ভস্থ টানেলের মত যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট।মাঝে মধ্যে এর ভেতরে বাদুড়ের দেখা ও পাওয়া যায়।

 

🍁ঝুলন্ত ব্রীজ: আলুটিলা গুহা ছিল আলুটিলা পাহাড়ের একমাত্র সৌন্দর্য। কিন্তু বর্তমানে ঝুলন্ত সেতু, গোলচত্বর, নয়নাভিরাম হাঁটাপথ আর পাহাড়ে ধাপ কেটে তৈরি করা সিঁড়ি নিয়ে নতুন সাজে সেজেছে খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র। সেতু থেকে এখন পাহাড়ের অবিরাম সৌন্দর্য ও উপবাগ করা যাই।

 

🍁আলুটিলা পাহাড়: আলুটিলার পূর্বের নাম আরবারী পর্বত। এই পাহাড়ে অনেক বুনো আলু পাওয়া যেত এবং সেই আলু খেয়ে স্থানীয় মানুষ নিজেদের জীবন বাঁচিয়ে ছিল বলেই এই পাহাড়ের নাম আলুটিলা। আলুটিলা পাহাড় থেকে খাগড়াছড়ির গ্রামের দৃশ্য গুলো দেখতে খুবই সুন্দর। পাহাড়ে দাঁড়িয়ে মেঘের ছায়া পড়া সবুজ গ্রাম আর অভয়ারণ্য পর্যালোকন করা যায়। মনে অসম্ভব এক প্রশান্তি কাজ করে।

💠সাজেক ভ্রমণ এর পরিকল্পনা  :

সাজেক ভ্রমণ এর  জন্য

০দিনে রাতে কলাবাগান থেকে বাসে উঠে রওনা হবো খাগড়াছরির উদ্দেশ্যে।

 

প্রথম দিন সকালে খাগড়াছরিতে  বাস থেকে নেমে সকালের নাস্তা করে রিজার্ভ  চান্দের গাড়িতে করে রওনা করবো সাজেকের উদ্দেশ্যে।যাত্রাপথে পাহাড়ি রাস্তা ও জনপদের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পরিলোকন করতে করতে আমরা পৌঁছে যাবো আমাদের কাঙ্খিত গন্তব্য সাজেক ভ্যালি তে।দুপুরের মধ্যে সাজেক রিসোর্টে চেক ইন।

তারপর সারাদিন সাজেক আর তার আশেপাশের স্পট ভ্রমন এবং রাতে সাজেকে বার-বি-কিউ  ডিনার।

 দ্বিতীয় দিন সকালে নাস্তা শেষ করে মেঘের রাজ্য সাজেক থেকে রওনা করবো খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে।দুপুরের খাওয়ার শেষে,আমরা ঘুরে বেড়াবো রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, তারেং ও ঝুলন্ত ব্রিজ। সারাদিনের ভ্রমণ শেষে  সন্ধ্যায় খাগড়াছরিতে গ্রুপ ভিত্তিক রুমে ফ্রেশ হয়ে আমরা রাতের খাবার খাবো রাত ৮টায়। রাতের খাবার খেয়ে বাস স্ট্যান্ডে এসে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিবো ।

তৃতীয় দিন খুব সকালে আমরা ঢাকা থাকবো

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : সিট খালি থাকা সাপেক্ষে।

 

 🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ৫,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

খাবার:

সাজেক ভ্রমণ এর ১ম দিন 

সকালের নাস্তা: খিচুরি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম,চা 

দুপুরের খাবার : চিকেন, ভর্তা,ডাল,সবজি, ভাত

রাতের খাবার :বারবিকিউ /গ্রিলড চিকেন,পরোটা,সফট ড্রিংকস।

সাজেক ভ্রমণ এর দ্বিতীয় দিন 

সকালের নাস্তা :খিচুড়ি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম, চা

দুপুরের খাবার : সাজেকের ফেমাস ব্যাম্বু বিরিয়ানি

রাতের খাবার : খাগড়াছড়ির বিখয়াত মনটানায়

বিঃদ্রঃ অবশ্যই খাবারের মান মেইনটেইন করা হবে।

সাজেক ভ্রমণ প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -খাগড়াছড়ি   -ঢাকা বাস।

💠দুই দিনের রিজার্ভ জীপ

💠 সাজেক ভ্যালী রাত্রি যাপনের জন্য কটেজ

💠খাগড়াছড়ি পৌছানোর পর থেকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠খাগড়াছড়িতে ফ্রেশ হওয়ার জন্য হোটেল

⛔সাজেক ভ্রমণ প্যাকেজে যা থাকছে না

💠ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িতে যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার

💠এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না এমন কোন খরচ।

 

কনফার্ম করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে –

 

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ  থাকবে। 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে করা যাবে।সেক্ষেত্রে খরচ সহ পাঠাতে হবে 

যোগাযোগ :  01820-109 109

সাজেক ভ্রমণ ছাড়া আরো অনেক ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য পেতে আমাদের পেজ ও ভিজিট করতে পারেন। পেজ লিংক : https://www.facebook.com/sportstourismbd
অথবা কল করুন : 01820-109 109

টাঙ্গুয়ার হাওড় 

টাঙ্গুয়ার হাওড় 

টাঙ্গুয়ার হাওড় বাংলাদেশের সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় ১২৬ বর্গ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে বিস্তৃত। এই হাওড় টি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। যত দূর চোখ যায় শুধু পানি আর পানি যেন এক বিশাল সমুদ্র আর মাঝে ডুবে থাকা গ্রামগুলো যেন সমুদ্রের মাঝে ছোট্ট ছোট্ট দ্বীপ। স্থানীয় লোকজনের কাছে টাঙ্গুয়ার হাওড় টি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত।বর্ষায় এখানে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে নৌকার প্রয়োজন হয়। 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এর অবস্থান ও পরিচিতি

টাঙ্গুয়ার হাওড় সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে প্রায় ৩০টির ও বেশি ঝর্ণা এসে মিশেছে টাঙ্গুয়ার হাওড়ে। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান হিসাবে পরিচয়, প্রথমটি সুন্দরবন।২০০০ সালে এটিকে প্রথম রামসার স্থান  হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওড়ের সমন্বয়ে ১২,৬৬৫ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি। পানিবহুল মূল হাওর ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকি অংশ বসতি ও কৃষিজমি। হাওর এলাকার ভেতরে ও তীরে ৮৮টি গ্রাম আছে।

টাঙ্গুয়ার হাওড় পর্যটকদের কাছে অবশ্যয় দর্শনীয় একটি স্থান 

টাঙ্গুয়ার হাওড় ভ্রমণের উপযুক্ত সময় 

টাঙ্গুয়ার হাওড় বর্তমানে ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের কাছে সব থেকে পছন্দের একটি জায়গা। টাঙ্গুয়ার হাওড়ে ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে বর্ষাকাল। বর্ষাকালে হাওড়ের পানি বেড়ে ৩ গুন হয়ে যায় ,তাই এই সময় হাওড়ে নৌকা নিয়ে ঘুরতে অন্যরকম প্রশান্তি মেলে।তাই জুলাই থেকে অক্টোবর একদম উপযুক্ত সময় টাঙ্গুয়ার হাওড় ভ্রমণের। তবে শীত কালেও টাঙ্গুয়ার হাওড় এর ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ মিলে। শীতের অতিথি পাখিদের দেখার উদ্দেশ্যে মানুষজন টাঙ্গুয়ার হাওড় এ ভ্রমণে যায়। 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এর দর্শনীয় স্থানসমূহ 

 

একজন প্রকৃতি প্রেমী ও ভ্রমণপ্রেমীর জন্য পুরো টাঙ্গুয়ার হাওড়ই দর্শনীয় স্থান। চারদিকে এতো সৌন্দর্যে ভরপুর টাঙ্গুয়ার হাওড়।যেমন :

১.নীলাদ্রি লেক 

২.বারিক্কা টিলা 

৩.ওয়াচ টাওয়ার 

৪.শিমুল বাগান 

৫.সোয়াম্প ফরেস্ট 

৬.লাকমাছরা 

৭.জাদুকাটা নদী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

 

১.নীলাদ্রি লেক :শহীদ সিরাজ লেক (“নীলাদ্রি হ্রদ” বা “নীলাদ্রি লেক” নামেও পরিচিত) ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা বাংলাদেশের উপজেলা তাহিরপুরে অবস্থিত একটি হ্রদ।মুক্তিযুদ্ধের একজন শহীদ সিরাজুল ইসলামের নামানুসারে এই হ্রদের নামকরণ করা হয় শহীদ সিরাজ হ্রদ।

২.বারিক্কা টিলা : বারেক টিলা মূলত বড়গোপ টিলা হিসেবে পরিচিত। একপাশে বাংলাদেশের সীমান্ত অন্যপাশে ভারতের মেঘালয়,খাসিয়া পাহাড় 

৩.ওয়াচ টাওয়ার : ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুরো টাঙ্গুয়ার হাওড় এর দৃশ্য পর্যালোকন করা যায়। এতো সুন্দর মনোরম দৃশ্য -দূরদূরান্তে পানি র সবুজ হিজল গাছ। 

৪.শিমুল বাগান : শিমুল বাগানের দৃশ্য দেখা দেয় ভিন্ন সিজনে ভিন্ন রূপে। শীত এবং বসন্তে পুরো শিমুল বাগান রক্ত বর্ণ ধারণ করে.চারদিকে লাল আর লাল ফুলে ভরা। আর বর্ষায় সবুজ অভয়ারণ্য। সেখানে ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়ানো যায়। 

৫.সোয়াম্প ফরেস্ট :টাঙ্গুয়ার হাওড় এ ছোট ছোট অনেক গুলো সোয়াম্প ফরেস্ট দেখা যায়। ভ্রমণ পিপাসুরা সেখানে পানিতে নেমে গোসল ও করে ,ছোট ছোট নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। 

৬.লাকমাছরা :লাকমাছরা অত্যন্ত সুন্দর একটি ঝর্ণা। 

৭.জাদুকাটা নদী: বারিক্কা টিলার পাশ দিয়েই বয়ে চলেছে খাসিয়া পাহাড় থেকে উৎপন্ন মায়ার নদী যাদুকাটা। বর্ষায় ভারতের পাহাড় হতে এ নদী দিয়ে নেমে আসে পাথর, বালু, কয়লা

পূর্ণিমার রাতে হাউসবোটে শুয়ে পূর্ণিমা উপভোগ করা অন্যরকম প্রশান্তি দেয় ,এখন থেকে সূর্যাস্ত ও দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। পানির ওপরে পর্যন্ত সূর্য। 

কিভাবে আসবেন

ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ : ঢাকার সায়েদাবাদ ,মহাখালী ,ফকিরাপুল থেকে সিলেট গামী বা সুনামগঞ্জ গামী অনেক বাস পাওয়া যায় ,যেগুলো প্রতিদিন ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। যেমন :এনা ,শ্যামলী,হানিফ,মামুন ইত্যাদি। ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৮০০ টাকা নন এসি। 

সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ: যারা সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ যেতে চান তারা কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড থেকে যেতে পারবেন। 

সুনামগঞ্জ থেকে টাঙ্গুয়ার হাওড় : সুনামগঞ্জ নেমে টাঙ্গুয়ার হাওর যাওয়ার অনেক গাড়ি পেয়ে যাবেন। যেতে সময় লাগবে দেড় থেকে দুই ঘন্টা। তাহিরপুর থেকে ছোট বড় অনেক নৌকা ও হাউসবোট পেয়ে যাবেন। 

রাতে থাকবেন কোথায় 

টাঙ্গুয়ার হাওরে সাধারণত রাতে থাকার জন্য তেমন কোনো বেবস্থা নেই। হাওরের মাঝখানে হাওর বিলাস নাম একটি কটেজ রয়েছে ,এছাড়া টেকের ঘটে একটি বোর্ডিং আছে। সাধারণত টাঙ্গুয়ার হাওরে সবাই হাউসবোট গুলোতেই থাকে। 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এর নৌকা ভাড়া 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এ নৌকা ভাড়া অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। এবং সেখানে অনেক ধরণের নৌকা আছে ভ্রমণ প্রেমীদের সুবিধার জন্য ,সাধারণ নৌকা থেকে শুরু করে হাউসবোট সব ই আছে। আবার এসব নৌকার ও কিছু বিষয় যেমন নৌকার সুযোগ সুবিধা ,কতদিনের জন্য ভাড়া নেয়া হবে, কি কি বেবস্থা থাকবে,খাওয়া দাবার কেমন বেবস্থা ,রুম এর সুবিধা কেমন ,ওয়াশরুম সুবিধা কেমন আরো অনেক কিছু। শুক্র শনিবার বাদের অন্যান্য দিনে এ সকল বোট এর খরচ অনেকটাই কম থাকে।  সাধারণত একেকটা বোটে ২ দিনের জন্য জনপ্রতি ৬০০০ থেকে শুরু করে ২০০০০ ও আছে। 

খাবার ব্যবস্থা 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এ খাবার ব্যবস্থা খুবই ভালো। তাহিরপুরে কিছু  খাবারের দোকান আছে যেখানে খুবই স্বল্প টাকায় অনেক ভালো মানের খাবার পাওয়া যায়। হাওড়ের টাটকা মাছ ,শাক-সবজি,ভর্তা ,হাঁস ,মুরগি ইত্যাদি। আবার নৌকাতেও রান্নার ব্যবস্থা করা যায়। 

 

সর্বোপরি টাঙ্গুয়ার হাওর একটি অসম্ভব সুন্দর জায়গা। ভ্রমণের রস গ্রহণের জন্য ভ্রমণপ্রেমী হিসেবে আমাদের সকলের উচিত দর্শনীয় স্থান গুলো সবসময় পরিষ্কার পরিছন্ন রাখা। এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করা।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109