কিরগিজস্তান ভিসা বিস্তারিত

কিরগিজস্তান ভিসা

কিরগিজস্তান ভিসা বিস্তারিত

কিরগিজস্তান মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত একটি রাষ্ট্র। এর উত্তরে কাজাখস্তান, পূর্বে চীন, দক্ষিণে চীন ও তাজিকিস্তান এবং পশ্চিমে উজবেকিস্তান।দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো বিশকেক। কিরগিস্তান এর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। কিরগিজস্তানের পাহাড় এবং হ্রদ একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য। 2018 সালে, ব্রিটিশ ব্যাকপ্যাকার সোসাইটি কিরগিজস্তানকে পৃথিবীর পঞ্চম সেরা অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে স্থান দিয়েছে , “এই বলে যে দেশটি একটি অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল সিক্রেট যা “শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে বাধ্য।” কিরগিজস্তানের শহরগুলিতে সোভিয়েত-শৈলীর অনেক ভবন, প্রশস্ত বাজার এবং রঙিন মসজিদ রয়েছে।

আপনি যদি কিরগিজস্তান যেতে চান আপনাকে অবশ্যই কিরগিজস্তানের একটি ভিসার প্রয়োজন হবে। কিরগিজস্তানে ভ্রমণের জন্য অনেক দেশের নাগরিকদের ই ভিসার প্রয়োজন হয় না আবার অনেকের ই ভিসা প্রয়োজন হয়। দেশ ভেদে ভিসার ধরণ ও ভিন্ন হয়।

কিরগিজস্তান এর ভিসার ধরণ ও প্রকারভেদ

কিরগিজস্তান এ ভিসা কয়েক ধরণের হয়ে থাকে। কিরগিজস্তানের জন্য সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ভিসা হল:

🍁ট্যুরিস্ট ভিসা: যারা পর্যটনের উদ্দেশ্যে অন্য কোনো দেশ থেকে অল্প সময়ের জন্য কিরগিজস্তান ভ্রমণে যেতে চান ট্যুরিস্ট ভিসা সাধারণত তাদেরকেই জারি করা হয় ।

🍁বিজনেস ভিসা: যারা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কিরগিজস্তানে প্রবেশ করতে চান, যেমন আলোচনার জন্য, একটি সম্মেলনে যোগদানের জন্য, বা কিরগিজ সংস্থা বা একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান দ্বারা আয়োজিত একটি ক্রীড়া ইভেন্টে তাদের জন্যই এই বিজনেস ভিসা জারি করা হয় ,এই ভিসা টি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।

🍁স্টাডি ভিসা: অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা কিরগিজস্তানে পড়াশুনা করার জন্য যেতে চায়। স্টাডি ভিসা একজন শিক্ষার্থীকে কিরগিজস্তানে থাকার অনুমতি দেয় যদি তারা কিরগিজ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নথিভুক্ত হয়।

🍁কাজের ভিসা: কিরগিজস্তানের কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিরগিজস্থানে কোনো চাকরি পেতে হবে বা ওয়ার্ক পারমিট পেতে হবে।আপনি যে কোম্পানিতে নিয়োগ নিবেন সেই কোম্পানির নিয়োগকর্তা আপনার জন্য এটির ব্যবস্থা করে দিবেন ।

🍁প্রাইভেট ভিসা : কিরগিজস্তানের জন্য একটি প্রাইভেট ভিসা বিদেশীদের জন্য জারি করা হয় যারা স্বল্পমেয়াদী উদ্দেশ্যে দেশে প্রবেশ করবে, যেমন আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে, চিকিৎসা নেওয়ার জন্য, এমনকি একজন কিরগিজ নাগরিককে বিয়ে করতে বা পারিবারিক পুনর্মিলনের জন্য। এই ধরনের ভিসা ধারককে কিরগিজস্তানে কাজ করার অনুমতি দেয় না।

কিরগিজস্তান ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

কিরগিজস্তানে ভিসার আবেদন এর ধরণ সাধারণত ৩টি।

১. অন এরাইভাল : এই ভিসার আপনাকে মানস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেই দিবে। তবে এই ভিসাটি কিছু সংখক দেশের জন্য বরাদ্য।
২. অনলাইন :এই ভিসার জন্য আপনাকে সরকারী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
৩. বিদেশে কিরগিজস্তানের দূতাবাস বা কনস্যুলেটগুলির একটিতে

কিরগিজস্তান ভিসার জন্য অনলাইনে ইভিসা আবেদন করার নিয়ম

ই-ভিসা আবেদনের জন্য কিরগিজস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে হবে। নিচে প্রক্রিয়াটি উল্লেখ করা হলো:

১. কিরগিজস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করুন

২.আপনি কিরগিজস্তান ইভিসার জন্য আবেদন করার যোগ্য কিনা তা পরীক্ষা করুন। তথ্য ট্যাবের অধীনে একটি “আমার কি ভিসা দরকার” বিভাগ রয়েছে। সাধারণত, আপনি যদি ভিসা-মুক্ত হন বা আগমনের ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে আপনি ইভিসার জন্যও আবেদন করতে পারেন।

৩.অ্যাপ্লিকেশন শুরু করুন। হোমপেজে “ভিসার জন্য আবেদন করুন” বোতামে ক্লিক করুন।
৪.আপনার পাসপোর্টের স্ক্যান কপি এবং একটি পাসপোর্ট আকারের ছবি সংযুক্ত করুন।
৫.আপনার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড দিয়ে eVisa ফি প্রদান করুন।
৬.ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি প্রায় এক সপ্তাহ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যে, আপনি আপনার ইমেলে একটি নিশ্চিতকরণ পাবেন, এবং আপনি আপনার ভিসা আবেদনের অবস্থাও পরীক্ষা করতে পারেন।

কিরগিজস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

কিরগিজস্তানের ভিসার প্রয়োজনীয়তাগুলি হল:

🍁পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পত্র।*
🍁পূরণকৃত ভিসা আবেদনপত্র।
🍁নিজের একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি যেটি ভিসা আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত থাকবে।
🍁 পাসপোর্ট : কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট যার ২ টি পৃষ্ঠা ফাঁকা থাকবে।
🍁কিরগিজস্তানের ভিসা ফি প্রদান: আপনার দেশ, আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং এটি একটি একক-প্রবেশ বা বহু-প্রবেশ ভিসা কিনা তার উপর নির্ভর করে ভিসা ফি পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, কিরগিজস্তানের ভিসা ফি হল:
এক মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য USD 40।
এক মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ব্যবসা, ব্যক্তিগত বা স্টাডি ভিসার জন্য USD 60।
এক মাসের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার জন্য USD 70।

🍁ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রমাণ: কিরগিজস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য ডকুমেন্ট হিসেবে আপনার ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রমান ,যেমন আপনার ফ্লাইটের টিকিট এবং বাসস্থানের প্রমাণ দিতে হবে।

🍁আপনি যদি ডাকযোগে আবেদন করেন: একটি প্রি-পেইড স্ব-ঠিকানাযুক্ত খাম, যাতে দূতাবাস আপনার নথি ফেরত দিতে পারে।

*যারা ভিসার প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা আগমনের ভিসার জন্য যোগ্য তাদের ভিসা অনুমোদন পত্রের প্রয়োজন নেই।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ভ্রমন

চাঁদপুরে এই সুন্দর ছবিটি সংগ্রহীত

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ভ্রমন

চাঁদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। উপজেলার সংখ্যানুসারে চাঁদপুর বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত জেলা। ইলিশ উদ্পাদনে ব্যাপকভাবে সমাদৃত চাঁদপুর জেলা। এজন্য এই জেলাকে “ইলিশের বাড়ি” বলা হয়ে থাকে। ইলিশ ছাড়াও চাঁদপুরে আছে পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিন নদীর মোহনা। চাঁদপুরে অনেক মানুষ ভ্রমণে যায় যারা এই মোহনা থেকে নৌকা নিয়ে পারি দেয় মেঘনা ও পদ্মার চর।তবে ইলিশের জন্য ই এখনো চাঁদপুর তার সুদীর্ঘ ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এই ইলিশের জন্যই চাঁদপুরে গড়ে উঠেছে তিন ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা।

💠চাঁদপুরে ভ্রমনের স্থান সমূহ

🔸 তিন নদীর মোহনা 🔸ইলিশ চত্বর  🔸রক্তধারা 🔸কালীবাড়ির “ওয়ান মিনিট আইসক্রিম ” 🔸বড় স্টেশন (মাছের আড়ত) 🔸মিনি কক্সবাজার বা মেঘনা পদ্মার চড়

🔸 তিন নদীর মোহনা ও মোলহেড:দৃষ্টিনন্দন এবং ঘুরে বেড়ানোর মতো আকর্ষণীয় একটি জায়গা হলো চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনা। এই জায়গাটি খুবই সুন্দর ও মনোরম। এখানে পদ্মা,মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিনটি নদী একসাথে মিলিত হয়।

🔸ইলিশ চত্বর :ইলিশ চত্বর হল চাঁদপুর জেলার চাঁদপুর শহরে সড়কের মাঝখানে ইলিশ আকৃতির তৈরিকৃত একটি চত্বর।সুস্বাদু ইলিশ মাছের জন্য বিখ্যাত চাঁদপুর জেলা। যার কারণেই ইলিশের বাড়ি বলা হয় চাঁদপুর জেলাকে।আর এই খ্যাতি ধরে রাখতে চাঁদপুর জেলার বাস স্ট্যান্ড এবং স্টেডিয়ামের সামনে সড়কের মাঝখানে তৈরি করা হয়েছে ইলিশ চত্বর নামের এই ভাস্কর্য। বর্ষা মৌসুমে চাঁদপুরের ইলিশ খাওয়ার জন্য এবং তাজা রূপালী ইলিশ একনজর দেখার জন্য দেশি বিদেশী পর্যটকদের ভিড় জমে চাঁদপুরে।

🔸রক্তধারা:রক্তধারা স্মৃতিসৌধ হলো বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে তৈরি করা একটি স্থাপনা বা স্মৃতিসৌধ। মুক্তিযুদ্ধে চাঁদপুরে অনেক স্বাধীনতাকামী গণহত্যার শিকার হন। তাদের স্মরণে ২০১১ সালে নির্মিত হয় এ স্মৃতিসৌধ।পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়ার মিলনস্থল চাঁদপুর বড় স্টেশনের মোলহেডে বধ্যভূমিতে অবস্থান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ’রক্তধারা’।রক্তধারা এক স্তম্ভ বিশিষ্ট এতে ৩টি রক্তের ফোঁটার প্রতিকৃতি দিয়ে বোঝানো হয়েছে রক্তের ধারা। টেরাকোটার মুর‍্যালে আঁকা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণসহ মুক্তিযুদ্ধের কয়েকটি ঘটনাবলীর চিত্র।

🔸কালীবাড়ির “ওয়ান মিনিট আইসক্রিম ” :কালীবাড়ির “ওয়ান মিনিট আইসক্রিম ” একটি ঐতিহ্যবাহী আইসক্রিম। এখানে ১মিনিটে আইসক্রিম তৈরি দেয় বলে এর নাম এ হয়ে যায় ওয়ান মিনিট আইসক্রিম। চাঁদপুরের কালীবাড়ির এই মিষ্টির দুকান টি অনেক পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী। চাঁদপুরে ভ্রমণকারী পর্যটকটরা এর আইসক্রিম এবং মিস্টি খেতে সেখানে যায়।

🔸বড় স্টেশন (মাছের আড়ত):চাঁদপুরে ইলিশ মাছের সবচেয়ে বড় আড়ত হলো বড় স্টেশন ইলিশঘাট। চাঁদপুরের মিঠাপানির রুপালি ইলিশ স্বাদ আর সুঘ্রানের জন্য সারাদেশ জুড়ে বিখ্যাত। এখানে বড় বড় ট্রলার নৌকা করে এখানে প্রতিদিন অনেক অনেক মাছ আসে। বর্ষার শুরুতে ইলিশের চাহিদায় অনেক মানুষ চাঁদপুরে ভ্রমণ আসে। আর এখন থেকে মাছ কিনে নিয়ে যায়।

🔸মিনি কক্সবাজার বা মেঘনা পদ্মার চড় :মিনি কক্সবাজার বা মেঘনা পদ্মার চড়ে যেতে হলে মোলহেড বা বড় স্টেশন থেকে নৌকা নিয়ে নদীতে নৌভ্রমণ করতে হবে। পদ্মা,মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিন নদীর মোহনা পার করে চড়ে যেতে হয়। চড়ের পুরোটা জায়গা বালি ও অনেক ধরনের উদ্ভিদ থাকে। ভ্রমণ পিপাসুরা এখানে গিয়ে নদীতে নেমে গোসল ও খেলা ধুলা করে। এই চর দেখতে অনেকটা কক্সবাজারের বিচ এর মতো মনে হওয়ায় অনেকে এটিকে মিনি কক্সবাজার ও বলে।

💠 চাঁদপুরে যাওয়ার উপায়

ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন সকাল ৭ তা থেকে ১ ঘন্টা পর পর চাঁদপুরের উদ্দেশে লঞ্চ ছেড়ে যায়। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এম ভি সোনারতরী ,এম ভি বোগদাদিয়া ,এম ভি আল বোরাক ,এম ভি ঈগল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে ও চাঁদপুরের উদ্দেশে সকাল থেকে ই বাস ছেড়ে যাই। এছাড়াও ঢাকার কমলাপুর থেকে ট্রেনে করেও চাঁদপুরে যাওয়া যাই। এক্ষেত্রে ঢাকা থেকে লাকসাম ট্রেনে করে এবং সেখান থেকে সিএনজি বা অটো করে চাঁদপুর।

চাঁদপুরে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা

চাঁদপুরে থাকার জন্য মোটামোটি ধরণের কিছু হোটেল পাওযা যায়।
খাবারের জন্য চাঁদপুরে বেশ কিছু খাবার হোটেল পাওয়া যাই ,সেখানে ইলিশ কিনে এনে দিলে তাদের কাছ থেকে বাকি খাবার নিলে তারা ইলিশ ভেজে রানা করে খাওয়াই। বা তাদের কাছেও ইলিশ সহ বিভিন্ন ধরণের খাবার মেন্যু পাওয়া যায় সুলভ মূল্যে।

চাঁদপুরে ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা 

সকাল ৭ টায় ঢাকা থেকে লঞ্চে রওনা চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে। সকাল ১০:২০ এর মধ্যে চাঁদপুর নেমে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করেনা নিতে পারবেন
এরপর চলে যাবেন ইলিশ চত্বরে, ইলিশ চত্বর ঘুরে ওখান থেকে চলে যাবেন রক্তধারা, রক্তধারা ঘুরে রিজার্ভ বোটে করে চলে যাবেন মিনি কক্সবাজার। ওখান থেকে দুপুরে ব্যাক করে মিয়াজি বাড়ি মসজিদে নামাজ পরে গরম গরম ভাত, ইলিশ ভাজা, লেজ ভর্তা, মরিচ ভর্তা😋 দিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে তিন নদীর মোহনায় বসতে পারেন সূর্যাস্তের সৌন্দর্য উপভোগ করতে । চাইলে বিকালে ওয়ান মিনিট আইসক্রিম খেয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন ।আবার ও লঞ্চে করে রওনা দিয়ে রাত ৮ টার মধ্যে ঢাকাই থাকতে পারবেন।

💠চাঁদপুরে ভ্রমন খরচ ও ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে :

 

 ৭৯৯ টাকা (প্রতি জন) ,{চেয়ার কোচ নিলে আসা যাওয়া আরো ৩০০ টাকা যোগ করতে হবে}

🍁ঢাকা-চাঁদপুর -ঢাকা লঞ্চ এর ডেক ভাড়া

🍁ট্রলারের যাবতীয় খরচ (মিনি কক্সবাজার)

🍁সকালের নাস্তা

🍁দুপুরের খাবার (ইলিশের ভুরিভোজ)

🍁সকল ধরনের লোকাল ট্রান্সপোর্ট।

 

কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে-

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে, স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।

৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

ইনটারন্যাশনাল ও ডোমেস্টিক যেকোনো ধরণের ভ্রমণ প্যাকেজ পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে।

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

তাজিকিস্তান ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান ভিসা

তাজিকিস্তান ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান দক্ষিণ-পূর্ব মধ্য এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত প্রজাতন্ত্র। এর উত্তরে কিরগিজস্তান, উত্তরে ও পশ্চিমে উজবেকিস্তান, পূর্বে চীন এবং দক্ষিণে আফগানিস্তান।তাজিকিস্তান স্থলবেষ্টিত এবং আয়তনে মধ্য এশিয়ার সবচেয়ে ক্ষুদ্রত্তম রাষ্ট্র।তাজিকিস্তানের প্রায় ৯০% এর বেশি এলাকা প্রবতময়। পৃথিবীর ছাদ খ্যাত পামির মালভূমির অংশ ও এখানেই অবস্থিত। প্রতি বছর প্রায় অনেক পর্যটক এই দেশে ভ্রমণ করে থাকে। তাদের বিশেষ আকর্ষণ এই পামির মালভূমি সহ আরো কিছু পর্বতমালা রয়েছে যা তাজিকিস্তানে বা এর সংলগ্নে অবস্থান করে।
এই দেশে ভ্রমণের জন্য ভিসা অত্যন্ত জরুরি। কিছু সংখক দেশ বাদে বাকি দেশেরই ভিসা প্রয়োজন। বাংলাদেশিদের জন্য ও ভিসা আবশ্যক।

তাজিকিস্তান এর ভিসার ধরণ ও প্রকারভেদ

তাজিকিস্তান এর কয়েক ধরণের ভিসা দিয়ে থাকে। ভিসার প্রকারভেদ গুলো হলো :

🍁ট্যুরিস্ট ভিসা : ট্যুরিস্ট ভিসা সাধারণত ভ্রমণ পর্যটন বা চিত্ত বিনোদনের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করা বিদেশী নাগরিকদের দেয়া হয়ে থাকে। তাজিকিস্তানের ট্যুরিস্ট ভিসা অনলাইনে আবেদন করা যায় কোনো ধরণের আমন্ত্রণ পত্র ছাড়াই।

🍁স্টাডি/একাডেমিক ভিসা: এই ভিসাটি সাধারণত বিদেশী নাগরিক যারা তাজিকিস্তানের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা অর্থাৎ স্নাতকোত্তর, ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে চাই তাদের জন্য।

🍁বিজনেস ভিসা: ব্যবসা পরিচালনার উদ্দেশে বিদেশী নাগরিক যারা তাজিকিস্তান ভ্রমণ করতে চায় তাদের জন্য বিজনেস ভিসা জারি করা হয়। যেমন মিটিং, সম্মেলন, একটি সিম্পোজিয়াম, চুক্তি সমাপ্ত করা ইত্যাদি। তবে এই ক্ষেত্রে এই দেশের হোস্টিং কোম্পানি থেকে আমন্ত্রণ পত্র প্রয়োজন হয়।

🍁প্রাইভেট ভিসা:তাজিকিস্তানে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে দেখা করা বিদেশী নাগরিকদের জন্য ইস্যু করা, চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করা বা অন্যান্য স্বল্পমেয়াদী উদ্দেশ্যে এই প্রাইভেট ভিসা টি দেয়া হয়।

🍁ইনভেস্টমেন্ট ভিসা: ইনভেস্টমেন্ট ভিসাটি হলো এই দেশের কোনো সংস্থার বড় বিনিয়োগ কারী কোম্পানি বা সংস্থার প্রতিনিধি বা ওই সংস্থানের প্রধানদের পাশাপাশি প্রধান আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যদের কাছে ইস্যু করা হয়।

🍁কাজের ভিসা: তাজিকিস্তানে কাজের ভিসা চালু করা হয়েছে বিদেশী নাগরিকদের এই দেশ ভিত্তিক কর্মস্থল বা কোম্পানিতে চাকরি করার সুবিদার্থে।

তাজিকিস্তান ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তানে মূলত ২ ধরণের ভিসা আবেদন করা যায়। যেমন :
১. অনলাইন: অফিসিয়াল তাজিকিস্তান ইভিসা পোর্টালের মাধ্যমে
২. দূতাবাস বা কনস্যুলেটে: আপনি যদি ইভিসার জন্য যোগ্য না হন

তাজিকিস্তান ইভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান সাধারণত ই-ভিসা ইস্যু করে থাকে। এই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাজিকিস্তান ইভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
এই ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া টি খুবই সহজ। এর জন্য আপনাকে নিম্ন বর্ণিত কাজ গুলো করতে হবে। যেমন:
🍁অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে।
🍁তাজিকিস্তান ইভিসা ফি প্রদান করতে হবে। (ফি অফেরতযোগ্য)
🍁ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি প্রায় দুই কার্যদিবস সময় নেয়। তাজিকিস্তান এর ই-ভিসাটি আপনি আপনার ইমেলে পাবেন।
🍁ভিসার প্রিন্ট আউট করুন এবং ভ্রমণের সময় এটি আপনার সাথে রাখতে হবে।

বিঃদ্রঃ এই ভিসা টি শুধু ট্যুরিস্ট বা পর্যটনের জন্য জারি করা হয়।

তাজিকিস্তান ট্যুরিস্ট ভিসা/ই-ভিসা ফি

তাজিকিস্তান ইভিসা ফি হল USD 50। যদি GBAO পারমিটের জন্য আবেদন করেন, তাহলে খরচ প্রায় USD 70। GBAO পারমিট ধারককে গর্নো-বাদাখশান স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে প্রবেশের অনুমতি দেয়।

ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

১. কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট
২. ভিসা ফি প্রদানের জন্য অবশ্যই একটি বৈধ ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে।
৩.অবশ্যই ই-ভিসার জন্য যোগ্য দেশ গুলোর মধ্যে একটি হতে হবে।
৪. NID কার্ডের কপি।

দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

আপনি যদি অনলাইন ভিসার জন্য যোগ্য না হোন তখন এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আপনি যে দেশে আবেদন করছেন তার উপর নির্ভর করে। আপনার একটি আমন্ত্রণ পত্রের প্রয়োজন হবে যা ঐ দেশের একটি ট্যুর এজেন্সি, একজন ব্যক্তি বা একটি হোস্ট কোম্পানি/সংস্থা থেকে নিতে হবে।দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসার আবেদনের জন্য একটি অনলাইন আবেদন করতে হবে। প্রক্রিয়া টি হলো :

🍁MFA এর তাজিকিস্তান ভিসা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করুন। এটি ইভিসার মত নয়!
🍁আপনার জাতীয়তা  এবং কোন দূতাবাসে আপনি আপনার ভিসা পাবেন নির্বাচন করুন। তাজিকিস্তানের কোনো কূটনৈতিক মিশন না থাকলে,             আপনার কাছে আগমনের ভিসা পাওয়ার বিকল্প রয়েছে।
🍁ভিসা ফর্মটি পূরণ করুন।
🍁প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আপনার পাসপোর্টের একটি স্ক্যান কপি, তাজিকিস্তানের একটি ট্যুর কোম্পানির একটি আমন্ত্রণপত্র এবং নিজের একটি 5×6 ছবি প্রয়োজন৷ ব্যবসার জন্য ভ্রমণ করলে, আপনাকে হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে আমন্ত্রণের একটি চিঠির প্রয়োজন।
🍁ভিসার জন্য অর্থ প্রদান: তাজিকিস্তান ভিসার জন্য ফি আপনার জাতীয়তার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
🍁ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। এটি সাধারণত প্রায় 5 কার্যদিবস সময় নেয়।
🍁আপনার ইমেল নিশ্চিতকরণ পাবেন।
🍁মুদ্রিত নিশ্চিতকরণ চিঠিটি তাজিকিস্তান দূতাবাসে নিয়ে যান যা আপনি আপনার ভিসা পাওয়ার জন্য নির্বাচন করেছেন বা আপনার নির্বাচনের          উপর নির্ভর করে আগমনের সময় আবেদন করতে আপনার সাথে নিয়ে যান।

তাজিকিস্তান ভিসার মেয়াদ

তাজিকিস্তানের সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ভিসা (ইভিসা) ইস্যু হওয়ার পর থেকে সর্বাধিক 90 দিনের জন্য বৈধ। এটি আপনাকে তাজিকিস্তানে এর বৈধতার মেয়াদের মধ্যে 60 দিন পর্যন্ত থাকতে দেয়।
আপনি নিকটস্থ তাজিকিস্তান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ভিন্ন মেয়াদের বা ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে পারেন।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রসেসসিং

উজবেকিস্তান এর এই সুন্দর ছবিটি সংগৃহিত

বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রসেসসিং

মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র হলো উজবেকিস্তান।দেশটির রাজধানী তাশখন্দ।উজবেকিস্তান সীমান্তে পাঁচটি স্থলবেষ্টিত দেশ রয়েছে: উত্তরে কাজাখস্তান; উত্তরপূর্ব কিরগিজস্তান; দক্ষিণপূর্ব তাজিকিস্তান, দক্ষিণ আফগানিস্তান; এবং দক্ষিণ পশ্চিমে তুর্কমেনিস্তান।উজবেকিস্তান এর ২য় বৃহত্তম শহর সমরকন্দ রেশম পথের মধ্যস্থলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি। সমরকন্দের প্রধান আকর্ষণ রেগিস্তান নামের এলাকা, যার চারপাশ ঘিরে আছে অনেকগুলি প্রাচীন মাদ্রাসা।উজবেকিস্তান এর এ সকল সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর অনেক পর্যটন সেখানে ভ্রমণে যায়।

উজবেকিস্তান ভ্রমণের জন্য একটি ভিসা অবশ্যয় জরুরি। বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কোনো দূতাবাস না থাকাই আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নয়া দিল্লি থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রক্রিয়া করতে হয়।

উজবেকিস্তান  ভিসা আবেদন এর প্রক্রিয়া

আপনার দেশটি যদি ভিসা-মুক্ত না হয়, তাহলে আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলির মধ্যে একটিতে উজবেকিস্তানের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন:

অনলাইন: উজবেকিস্তান ই ভিসা সিস্টেমের মাধ্যমে 50 টিরও বেশি দেশের নাগরিকরা একটি ইভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।

একটি উজবেক দূতাবাস বা কনস্যুলেটে: আপনি যদি ইভিসার জন্য যোগ্য না হন বা আপনি 30 দিনের বেশি থাকতে চান তবে আপনাকে উজবেকিস্তানের একটি কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।উজবেকিস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য প্রথমে অনলাইন এ একটি ফরম ফিলাপ করতে হবে। সেখানে সমস্ত সঠিক তথ্য দিয়ে অবদান ফরমটি পূরণ করতে হবে। আবেদন ফর্মের হার্ড কপি ভারতের নয়াদিল্লির উজবেকিস্তান দূতাবাসে পাঠাতে হবে।

উজবেকিস্তান এর ভিসার ধরণ

উজবেকিস্তান সাধারণত ২ ধরণের ভিসা ইস্যু করে।  যেমন :
১. বিজনেস ভিসা
২. ট্যুরিস্ট ভিসা

🍁. বিজনেস ভিসা : বিজনেস ভিসা টি মূলত যারা ব্যবসা বা ব্যবসা সংক্রান্ত কাজের যেতে চায় তাদের জন্য এই বিজনেস ভিসা।
🍁. ট্যুরিস্ট ভিসা: সাধারণত যারা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে উজবেকিস্তান যেতে চাই তাদের জন্য ই হলো ট্যুরিস্ট ভিসা।

উজবেকিস্তান ভিসা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

ই-ভিসার ক্ষেত্রে :

🍁আপনার পাসপোর্টের ব্যক্তিগত ডেটা পৃষ্ঠার একটি স্ক্যান কপি
🍁একটি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সহ একটি ছবি প্রয়োজন৷ ছবিটি .JPEG ফরম্যাটে হতে হবে।
🍁আপনাকে ইভিসা ওয়েবসাইটে এগুলি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁খরচ: ইভিসার সিঙ্গেল এন্ট্রির জন্য ভিসা ফী $20,ডাবল এন্ট্রি:$৩৫ এবং মাল্টিপল এন্ট্রি:$৫০। যা আপনাকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করতে হবে।
🍁ভিসার বৈধতা: উজবেক ইভিসা জারি হওয়ার পর থেকে 90 দিনের জন্য এই ভিসা বৈধ। আপনি সেই সময়সীমার মধ্যে দেশে প্রবেশ করতে পারেন এবং সর্বোচ্চ 30 দিন থাকতে পারেন।
আপনি একটি একক-প্রবেশ ভিসা বা একাধিক-প্রবেশ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

দূতাবাসে উজবেকিস্তান এর ভিসার জন্য আবেদন করা

দূতাবাস/কনস্যুলেটে উজবেক ভিসার জন্য আবেদন দুটি অংশে রয়েছে:

🍁1.এই ভিসাটির জন্য উজবেকিস্তানে একজন স্পনসরের প্রয়োজন যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আপনার পক্ষ থেকে ভিসা নিশ্চিতকরণ করবে। নিশ্চিতকরণের চিঠিটি আবেদন প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার স্পন্সর হতে পারে সেই ব্যক্তি/সংস্থা/কোম্পানী যারা আপনাকে উজবেকিস্তানে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বা একটি সরকার অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি।
🍁2.নিশ্চিতকরণের চিঠি পাওয়ার পর, আপনি দূতাবাস/কনস্যুলেটে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। নির্দিষ্ট কনস্যুলার অফিসের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনি ব্যক্তিগতভাবে বা ডাকযোগে আবেদন করতে পারেন।

উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র

আপনার স্পনসর ভিসা নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন করে নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস গুলো জমা দিতে হবে:

🍁উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র । পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে উপলব্ধ।
🍁যদি কোনো সংস্থা/কোম্পানী আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়, ফর্মটি অবশ্যই কোম্পানির লেটারহেডে প্রিন্ট করতে হবে।
🍁সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ভিসা ফর্ম। এটি ইভিসার মতো নয়।
🍁আপনার পাসপোর্টের কপি।
🍁আপনার এয়ারলাইন টিকিটের কপি (যদি তাসখন্দ বিমানবন্দরে পৌঁছান)

স্পনসর যদি একজন ব্যক্তি হয়:
🍁হোস্টের পাসপোর্টের কপি।
🍁অতিথির সাথে সম্পর্কের প্রমাণ।

স্পনসর যদি একটি কোম্পানি/সংস্থা হয়:
🍁কোম্পানীর প্রধানের পাসপোর্টের অনুলিপি বা আবেদন জমা দেওয়ার অনুমোদিত ব্যক্তির।
🍁কোম্পানি/সংস্থার লাইসেন্স এবং সার্টিফিকেট।
🍁অনুমোদিত ব্যক্তির জন্য “পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি” এর একটি অনুলিপি।
🍁অতিথির চাকরির শংসাপত্র।

উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা নিশ্চিতকরণ জারি করার পরে, আপনাকে নিম্নলিখিত নথিগুলি নিকটস্থ উজবেক দূতাবাস/কনস্যুলেটে জমা দিতে হবে:

🍁আপনার পাসপোর্ট(আগের পাসপোর্ট থাকলে সেগুলো সহ )
🍁দুটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ৩.৫*৪.৫ সেমি সাইজের)
🍁দুটি সম্পূর্ণ উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র
🍁ডকুমেন্টসের ভাষা: সবগুলো ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজিতে সাবমিট করতে হবে। যে ডকুমেন্টগুলো বাংলায় রয়েছে সেগুলো ট্রান্সলেট করে নোটারি করে ইংরেজিতে করতে হবে।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণ বিস্তারিত

সেন্টমার্টিন দ্বীপ এর সুন্দর এই ছবিটি সংগ্রকৃত

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ বিস্তারিত

সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত মাত্র ৮ বর্গকিলোমিটার এর  একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ । এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সমুদ্রপ্রেমীদের কাছে এটি ব্যাপক পরিচিত একটি নাম।চারদিকে রয়েছে কেয়া গাছ আর প্রবাল এর অপূর্ব সৌন্দর্য । বিখ্যাত লেখক, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দারুচিনি দ্বীপ নামের পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবির মাধ্যমে এই দ্বীপটির পরিচিতি আরো বেড়ে যায়।

একটি সুন্দর ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর Sports Tourism Bangladesh  চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণ 

💠ভ্রমনের স্থান সমূহ :

সেন্টমার্টিনে বেশ কিছু ভ্রমণ স্থান রয়েছে।যেখানে ভ্রমণ পিপাসুরা নিজেদের প্রকৃতি ও সমুদ্রের সৌন্দর্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু জায়গা হলো:

🍁টেকনাফ 🍁সেন্ট মার্টিন 🍁ছেড়া দীপ 🍁মিনি সুন্দরবন  🍁নারিকেল জিঞ্জিরা

🍁টেকনাফ :টেকনাফ বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা।মূলত টেকনাফ হয়েই সেন্টমার্টিন দ্বীপে যেতে হয়। টেকনাফ থেকে জাহাজে করে অথবা স্পীড বোট ,ট্রলারে করেও সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়। তবে টেকনাফে ও অনেক পর্যটন এলাকা রয়েছে। যেমন রয়েছে কুদুম গুহা যেখানে বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ বন্য হাতির বসবাস। আরো রয়েছে শাহপরীর দ্বীপ।এখান থেকে ও সেন্টমার্টিন দ্বীপ দেখা যায়। এছাড়াও আরো অনেক ঐতিহাসিক ও দার্শনিকস্থান আছে টেকনাফে।

🍁সেন্ট মার্টিন: বিশ্বের বৃহৎ বদ্বীপ রয়েছে বাংলাদেশে । বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে টেকনাফ থেকে ৯ কিলোমিটার দূরত্বে মায়ানমার উপকুল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ “সেন্টমার্টিন দ্বীপ”। সেন্টমাটিন দ্বীপ কে দারচিনির দ্বীপ ও প্রবাল দ্বীপ ও বলা হয়। দেশের মূল ভূখণ্ডের অংশ হয়েও এটি একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।অসংখ্য নারিকেল গাছের সমাহারের কারণে এ দ্বীপ কে নারিকেল জিঞ্জিরা ও বলা হয়ে থাকে। অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মন্ডিত এ দ্বীপটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি পর্যটন স্থান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। অসীম আকাশ এর নিচে সমুদ্রের নীল জল সারি সারি নারিকেল ও কেয়া গাছ দ্বীপটিকে এক স্বর্গীয় সৌন্দর্য রূপান্তিত করেছে। এই দ্বীপ থেকে সাগরের এক পাশে সূর্যোদয় ও অন্য পাশে সূর্যাস্ত ২ ই উপভোগ করা যায়। সেন্টমার্টিন দ্বীপ তার এই অপার সৌন্দর্যে মোহিত করেই পর্যটকদের নিজের কাছে টানে।

🍁ছেড়া দীপ:ছেড়া দীপ হলো বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের ভুখন্ড। একমাত্র প্রবল দ্বীপ সেন্টমাটিন থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে এই চেরা দ্বীপ এর অবস্থান। সিক্সহেরা দ্বীপকে সম্পূর্ণ একটি প্রাকৃতিক দ্বীপ ও বলা যায়। কারণ এই দ্বীপটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পাথর,প্রবাল,নারিকেল গাছ দিয়ে পরিপূর্ণ।স্থানীয়দের কাছে এটি ছেঁড়াদিয়া বা সিরাদিয়া নামেই পরিচিত। জোয়ারের সময় এ দ্বীপটির এক তৃতীয়াংশ পানির নিচে থাকে। সেন্টমার্টিন থেকে চেরা দ্বীপ বোট,ভ্যান বা সাইকেলের মাদ্ধমে যাওয়া যাই। আবার চাইলে হেটেও যাওয়া যায় তবে পানি থাকে মাঝেমধ্যে তখন পার হতে সমস্যা হয়। তবে ছেড়া দ্বীপে সাইকেলে করে যেতে বেশি মজাদার। পূর্ণিমা তে ছেড়া দ্বীপ ক্যাম্পিং এর জন্য বেশি উপযোগী।

সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায়

সেন্টমার্টিন এ যাওয়ার জাহাজ গুলো সাধারণত টেকনাফ থেকেই ছাড়ে। তাই সেন্টমার্টিন যেতে চাইলে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ যাওয়া ই সুবিধাজনক।সেখান থেকে জাহাজে,ট্রলারে বা স্পিড বোটে করে সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়। যারা ঢাকা বা অন্যান্য জায়গা থেকে আসবেন তারা চাইলে সরাসরি টেকনাফ এসে জেডি ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন যেতে পারেন আবার চাইলে কক্সবাজার এসে ২/১ দিন থেকে সেখান থেকে টেকনাফ এসে সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। ঢাকা থেকে অনেক বাস আছে কক্সবাজার ও টেকনাফের। বর্তমানে টেকনাফ ছাড়াও সরাসরি কক্সবাজার ও ইনানী থেকেও সেন্টমার্টিন এর উদ্দেশে জাহাজ ছেড়ে যায়।

সেন্টমার্টিন এ থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা

সেন্টমার্টিনে রাতে থাকার জন্য নানান মানের ও দামের হোটেল,রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। তবে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পূর্বেই রিসোর্ট বুকিং করে যাওয়া ভালো। অন্যথায় রিসোর্ট বা হোটেল পেতে খানিক ভুগান্তির স্বীকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সেন্টমার্টিন এ সাধারণত হোটেল ও রিসোর্ট গুলো থেকেই খাবার এর ব্যবস্থা করা হয়। রিসোর্ট গুলোতেই বাংলা খাবারের পাশাপাশি সামুদ্রিক মাছের ও বেবস্থা থাকে।আবার বারবিকিউ এর ও ব্যবস্থা করে থাকে তারা। আপনি আগে রিসোর্টে বা হোটেলে আপনি যেখানে থাকবেন সেখানে জিজ্ঞেস করে নিবেন খাবারের ব্যবস্থা আছে কিনা। তবে আপনি চাইলে সেন্টমার্টিন বাজারে বেশ কিছু খাবার হোটেল আছে সেখান থেকেও খেতে পারেন। সেন্টমার্টিন এর প্রসিদ্ধ খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো ডাব। এখানকার ডাবের পানি খুবই মিস্টি ও সুস্বাদু হয়। অবশ্যই একটি ডাব খাওয়া উচিত। এরপর এখানকার সামুদ্রিক ইলিশ ,কুরাল ,সুন্দরী পোয়া ,লবস্টার এই গুলো ট্রাই করতে পারেন।

💠সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

🍁প্রথম দিন  রাতে  সায়েদাবাদ থেকে বাসে উঠে রওনা দিবো টেকনাফের উদ্দেশ্যে। 

🍁দ্বিতীয় দিন ভোরে টেকনাফ পৌঁছে সকালের নাস্তা সেরে ট্রলারে\জাহাজে করে সেন্ট মার্টিন উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো। বিশাল সমুদ্রে থাকা জেলী ফিশ, গাংচিল আর নীল আকাশের বিশালতা উপভোগ করতে করতে গন্তব্যে পৌঁছাবো আনুমানিক সকাল ১০-১১ টার মধ্যে। পৌঁছে হোটেলে চেকইন করে দুপুরে খাবার সেরে ইচ্ছে মতো ঝাঁপাঝাপি হবে সমুদ্রে। ইচ্ছে হলে সাইকেলে করে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণ করে সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত উপভোগ করে রাতে ডিনার করে নিবো। এরপর সমুদ্র পারে জোছনায় ভিজে ইতি করবো দিনটি।

🍁তৃতীয় দিন সকালে নাস্তা শেষে ট্রলার বা অটোরিকশা করে চলে যাবো ছেঁড়া দ্বীপ। ছেঁড়া দ্বীপ ঘুরে এসে দুপুরের খাবার সেরে আবার যাবো সমুদ্রের বিশালতা উপভোগ করতে। হাতে সময় থাকলে এই দিনটিতে হবে শাড়ি-পাঞ্জাবী পড়ে সমুদ্রে ফটোসেশন। সন্ধ্যায় থাকবে ক্যাম্প ফায়ার আর রাতে থাকবে বারবিকিউ ডিনারের আয়োজন।

🍁চতুর্থ দিন সকালের নাস্তা করে হোটেল থেকে চেক আউট করে রওনা দিবো টেকনাফের উদ্দেশ্যে। টেকনাফ পৌঁছানোর পর দুপুরের খাবার খেয়ে টেকনাফ এর আশেপাশে ঘুরে আমরা এসি বাসে উঠে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো। 

🍁পঞ্চম দিন খুব সকালে ঢাকায় থাকবো।

সেন্টমার্টিন ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠সেন্টমার্টিন ভ্রমন খরচ:

 

জনপ্রতি ৬৫০০টাকা(এসি বাস হলে আরো ১৫০০ টাকা যোগ করতে হবে)(এক রুমে ৪ জন)

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৮,০০০টাকা(এক রুমে ২ জন)

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : ??

 🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ৪,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি 

সেন্ট মার্টিন ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -সেন্ট মার্টিন -ঢাকা বাস টিকিট,জীপ সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠২রাত হোটেল একোমডেশন

💠টেকনাফ পৌছানোর পর প্রথম দিন সকালের খাবার থেকে শুরু করে আসার দিন দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

💠জাহাজের ডেকের টিকেট আসা যাওয়া(কেবিন বা সিট নিতে চাইলে বুকিং মানির সাথে আর ও ৯০০ টাকা যোগ করতে হবে)

💠লোকাল ট্রান্সপোর্ট​

 

⛔সেন্ট মার্টিন ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে না

 

💠ঢাকা থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার 

💠কোনো পার্সোনাল খরচ​।

💠ফেরার দিন রাতের খাবারের খরচ। 

💠প্যাকেজ বহির্ভূত যে কোনো খরচ।  

 

কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

সাথে যা যা নিতে পারেন :

NID কার্ড/জন্ম নিবন্ধনের কপি। (নিরাপত্তার সার্থে সবসময়ই সাথে রাখা উচিৎ)

মোবাইলের চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংক (সেন্ট মার্টিনে রাতে জেনারেটর বন্ধ থাকে।)

ভাল মানের সানস্ক্রিন/ সানব্লক।

হ্যাট/ক্যাপ/গামছা/ওড়না ছাতা (মাথা ঢাকার জন্য)

সানগ্লাস

ক্যামেরা+ ব্যাটারি

টর্চ

স্যালাইন/ গ্লুকোজ

বেসিক কিছু ঔষধ। ওখানে সব কিছু এভেইলেবল না। যেগুলো এভেইলেবল তার দাম বেশি।)

ওডোমস

 

কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে-

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে, স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।

৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

ইনটারন্যাশনাল ও ডোমেস্টিক যেকোনো ধরণের ভ্রমণ প্যাকেজ পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে।

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

 

পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া

পর্তুগাল দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রটি আইবেরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম অংশে, স্পেনের দক্ষিণে ও পশ্চিমে অবস্থিত।পর্তুগালের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর লিসবন।পর্তুগাল বিশেষ করে দোউরু নদীর উপত্যকা আঙুরক্ষেতের জন্য বিখ্যাত। এখান থেকে পর্তুগালের বিখ্যাত পোর্ট ওয়াইনের জন্য আঙুর উৎপাদিত হয়। ১৯৮৬ থেকে পর্তুগাল তৎকালীন ইউরোপীয় ইকনমিক কমিউনিটি, বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
পর্তুগাল বহুজাতিক অভিবাসী ও পর্যটনভিত্তিক দেশ। ভ্রমণ ও দূরবর্তী কাজ করার (রিমোর্ট ওর্য়াক) জন্য বিশ্বের সেরা দেশ হিসাবে পর্তুগালকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা শেনজেন ভিসার একটি প্রকার।

পর্তুগালের টুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

পর্তুগাল একটি শেনজেন অধিভুক্ত দেশ। শেনজেন অধিভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ভিসা পেলে খুব সহজেই শেনজেন অধিভুক্ত বাকি দেশ গুলোতে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।
পর্তুগালের তথা শেঞ্জেন টুরিস্ট ভিসা পেতে যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়, তার সম্পূর্ণ তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেয়া হলো। এই নির্দেশিকাটি আপনাকে সহজে এবং সঠিকভাবে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য আপনার প্রয়োজনীয় নথিগুলি হল:

🍁১.পাসপোর্ট:পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য প্রথমেই লাগবে কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট। পাসপোর্টে কমপক্ষে দুটি খালি পাতা থাকতে হবে। এবং পূর্বের শেঞ্জেন বা অন্য দেশের ভিসা থাকলে তার কপি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁২. পর্তুগাল ভিসা আবেদন পত্র :
পর্তুগিজ MFA ওয়েবসাইট থেকে আবেদন এর ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে সেখানে স্বাক্ষর করতে হবে। যদি আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের কম হয়, সেক্ষেত্রে অভিবাবকের সাইন প্রয়োজন।

🍁৩.ছবি
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য অবশ্যই সদ্য তোলা ভালো কোয়ালিটির ছবি, ৩৫x৪৫ মিমি সাইজ লাগবে ।এবং ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে হবে সাদা।

🍁৪. ট্রাভেল হেলথ ইন্সুরেন্স
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য একটি ট্রাভেল হেলথ ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক। সেজন্য কমপক্ষে ৩০,০০০ ইউরো সমপরিমাণ মেডিকেল এবং ইমারজেন্সি সিচুয়েশন কাভার করবে।শেঞ্জেনভুক্ত সব দেশে কাভার হবে এবং ভ্রমণের জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময়ের জন্য ভ্যালিড থাকবে।

🍁৫. পেমেন্ট
পর্তুগাল ভিসা আবেদন ফি আশি ইউরো (প্রায় ১০,৪০০ টাকা)। ভিসা আবেদন কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী পেমেন্ট করতে হবে।

🍁৬. রিটার্ন এয়ার টিকেট
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য রিটার্ন এয়ার টিকেটের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁৭. পর্তুগাল টুরিস্ট ভিসা কাভার লেটার
ভ্রমণের জন্য কাভার লেটার ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাভার লেটারে অবশ্যই যেই তথ্য গুলো দিতে হবে –
🍁ব্যক্তিগত তথ্য: আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হবে।(নাম, জাতীয়তা, কর্মসংস্থান অবস্থা)
🍁ভ্রমণের কারণ: পর্তুগাল ভ্রমণের কারণ উল্লেখ করতে হবে।
🍁 ভ্রমণের সময়সূচি: কোন তারিখে ভ্রমণ করবেন এবং কত তারিখে ফিরে আসবেন তা উল্লেখ করতে হবে।
🍁অন্য দেশ ভ্রমণ: পর্তুগাল ছাড়াও শেঞ্জেনের অন্য কোন দেশ ভ্রমণ করবেন কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।
🍁পর্যটন পরিকল্পনা: পর্তুগালে কোথায় কোথায় ভ্রমণ করবেন তার তথ্য প্রদান করতে হবে।

🍁৮. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
পর্তুগাল ভিসা আবেদন এর জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্টঅতীব জরুরি। সাম্প্রতিক কমপক্ষে ৩-৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদান করতে হবে।

🍁৯. হোটেল রিজার্ভেশন বা টুরিস্ট অ্যাপার্টমেন্ট বুকিং কপি
পর্তুগালে থাকার ব্যবস্থা প্রমাণ করার জন্য হোটেল বা অ্যাপার্টমেন্ট বুকিংয়ের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁১০. পেশাগত প্রমাণ সম্পর্কিত তথ্য
আপনার বর্তমান পেশা সম্পর্কিত সকল তথ্য প্রদান করতে হবে। যেমনঃ চাকরির সার্টিফিকেট, ব্যবসা হলে ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স,শিক্ষার্থী হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আইডি কার্ডের কপি ।

ডকুমেন্টসের ভাষা

সবগুলো ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজিতে সাবমিট করতে হবে। যে ডকুমেন্টগুলো বাংলায় রয়েছে সেগুলো ট্রান্সলেট করে ইংরেজিতে করতে হবে।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করার জন্য, আপনার কাছের পর্তুগিজ দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

🍁পর্তুগাল ভিসা আবেদনপত্র ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। পর্তুগাল/শেনজেন ভিসার আবেদনপত্রটি পর্তুগিজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পেতে পারেন।

🍁প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন।

🍁পর্তুগিজ দূতাবাসে নথি জমা দেওয়ার জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট করুন।

🍁পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন ফি প্রদান করুন।

🍁আপনার নথি সহ আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন দেখান। আপনাকে ভিসা ইন্টারভিউ দিতে হতে পারে।

🍁ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি কয়েক সপ্তাহ সময় নিতে পারে – কখনও কখনও আরও বেশি।

🍁পর্তুগিজ দূতাবাস আপনাকে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করবে। যদি এটি ইতিবাচক হয়, আপনি ভিসা নিতে যেতে পারেন।

🍁ভিসায় উল্লেখিত তারিখের মধ্যে পর্তুগাল ভ্রমণ করুন।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা ফি

পর্তুগাল শেনজেন/পর্যটন ভিসার জন্য ফি হল:

🍁প্রাপ্তবয়স্ক এবং 12 বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য পর্তুগাল শেনজেন/পর্যটন ভিসার ফি হল: €80
🍁6 থেকে 12-এর মধ্যে শিশুদের জন্য ভিসার ফি হল: €40
🍁6 বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য – বিনামূল্যে

এগুলো ছাড়াও… আপনার ভিসা প্রসেসিং খরচ আছে।

আমাদের শেনজেন ভিসা প্রসেসিং সার্ভিস চার্জ 12,000 টাকা। ডকুমেন্ট অনুবাদ এবং প্রস্তুতির জন্য আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হবে। যেহেতু Schengen-এর জন্য আপনাকে বাধ্যতামূলক ভ্রমণ বীমা ক্রয় করতে হবে, সেহেতু আপনি Schengen সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে কত দিন থাকতে চান তার উপর নির্ভর করে আপনার অতিরিক্ত BDT 1700-3000 খরচ হবে।

পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসার প্রকারভেদ

বৈধতার উপর নির্ভর করে দুই ধরনের পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা হয়ে থাকে :

🍁সিঙ্গেল-এন্ট্রি পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা: এটি পর্তুগাল এবং শেনজেন এলাকায় শুধুমাত্র একটি প্রবেশের জন্য বৈধ। একবার আপনি চলে গেলে, ভিসা বৈধ থাকলেও আপনি পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

🍁মাল্টিপল-এন্ট্রি পর্তুগাল ট্যুরিস্ট ভিসা: যতদিন ভিসা বৈধ থাকবে ততদিন আপনি পর্তুগাল এবং শেনজেন জোনের অন্যান্য দেশে একাধিকবার প্রবেশ করতে পারবেন। তবে পর্তুগাল/শেনজেনে আপনি সর্বোচ্চ 90 দিনের বেশি থাকতে পারবেন না।

পর্তুগালের টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এই ডকুমেন্টগুলি সঠিকভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সাথে অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট সঠিকভাবে জমা দিন। এতে আপনার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ এবং সফল হবে।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

বান্দরবান ভ্রমণ বিস্তারিত

বান্দরবান এর এই  সুন্দর ছবিটি  সংগ্রহকৃত

বান্দরবান ভ্রমণ বিস্তারিত

বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের প্রচলিত রূপকথায় আছে, এ এলাকায় একসময় অসংখ্য বানর বাস করত। আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশমুখে ছড়ার পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পার হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে এই জায়গাটির পরিচিতি লাভ করে ম্যাঅকছি ছড়া নামে। অর্থাৎ মারমা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ বানর আর ছি অর্থ বাঁধ। কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রুপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে। বর্তমানে সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রূপ লাভ করেছে। তবে মারমা ভাষায় বান্দরবানের নাম রদ ক্যওচি ম্রো।

বান্দরবান কে বলা হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রাজধানী।অপার প্রাকতিক পাহাড়ি  সৌন্দর্যের লীলাভূমি হলো বান্দরবান। অসংখ্য পাহাড়,ঝিরি, পাহাড়ি নদী,মেঘের জীবন্ত ক্যানভাস যেন এই বান্দরবান।দেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান বান্দরবান ভ্রমণ প্যাকেজ অফার করছে।

কিন্ত স্পোর্টস ট্যুরিজম বাংলাদেশ চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : বান্দরবান  ভ্রমণ 

 

💠বান্দরবান ভ্রমনের স্থান সমূহ :

বান্দরবান জেলার অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে ,এগুলোর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য রয়েছে:

🍁নীলগিরি 🍁নীলাচল 🍁 চিম্বুক পাহাড়🍁 শৈল প্রপাত 🍁 মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র🍁 স্বর্ণ মন্দির(অনুমতি সাপেক্ষে ) 🍁সাঙ্গু নদী ভ্রমন 🍁

🍁নীলগিরি:বাংলাদেশের দার্জিলিং খ্যাত নীলগিরি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড় এবং পর্যটন কেন্দ্র।এটি বাংলাদেশের সর্ব উঁচুতে অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র।নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণ হলো এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২০০ ফুট উচ্চে অবস্থানের কারণে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র সর্বদা মেঘমণ্ডিত থাকে। এই পুরো পর্যটন কেন্দ্রটিই প্রতিষ্ঠা করেছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং তারাই এর পরিচালনা করে থাকেন। নীলগিরি থেকে হাত দিয়ে মেঘ ছুঁতে পারার অনুভূতি অন্যরকম সুন্দর।

🍁নীলাচল:নীলাচল বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এখানে নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলা প্রশাসনের তত্তাবধানে বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে টাইগারপাড়ার পাহাড়চূড়ায় গড়ে তোলা হয়েছে আকর্ষণীয় এই পর্যটন কেন্দ্র। নীলাচল থেকে পুরো বান্দরবান জেলা কে দেখা যায়। আকাশ,পাহাড়,আর মেঘের অভূতপূর্ব মিলনে ভরপুর এই নীলাচল। সকালে ও বিকালে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মেঘের সাথে অপূর্ব কিছু ল্যান্ডস্কেপ তৈরী করে। এ প্রকল্পে রয়েছে শুভ্রনীলা,‘ঝুলন্ত নীলা’, ‘নীহারিকা’ এবং ‘ভ্যালেন্টাইন পয়েন্ট’ নামে পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় বিশ্রামাগার।মেঘমুক্ত আকাশে কক্সবাজারর সমুদ্রসৈকতের অপুর্ব দৃশ্য নীলাচল থেকে উপভোগ করা যায় ।

🍁 চিম্বুক পাহাড়:দেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড় এবং ঐতিহাসিক স্থান হলো চিম্বুক পাহাড়।এই পাহাড়কে চিম্বুক পাহাড় বা চিম্বুক হিল বা কালা পাহাড় ও বলা হয়। এটি গড় সমুদ্র পৃষ্ট হতে প্রায় ২৫০০ ফুট উঁচু। এই পাহাড়কে বাংলাদেশের পাহাড়ী সৌন্দর্যের রানী বলা হয়। চিম্বুক পাহাড় এর চূড়া থেকে বর্ষাকালে মেঘের উড়াউড়ি দেখা যায়। এখানকার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত যেকোনো পর্যটককে আকর্ষিত করে খুব সহজেই।

🍁 শৈল প্রপাত:শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবান জেলা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-থানচি রোডের পাশে অবস্থিত। পর্যটন নগরী বান্দরবানের কাছে হওয়ায় সারা বছরই পর্যটক সমাগমে মুখরিত থাকে স্বচ্ছ ও ঠান্ডা পানির এই ঝর্ণাটি। শৈল প্রপাত ঝর্ণাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব এক সৃস্টি। এখানে বম উপজাতিদের কঠিনতম জীবন পরিচালনা লক্ষ্য করা যায়। রাস্তার পাশ ঘেঁষে ঝর্ণাটির অবস্থান হওয়ায় এখানে প্রচুর পর্যটকের আনাগুনা থাকে।

🍁 মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র: বান্দরবান শহর থেকে মেঘলার দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার। বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স। চিত্ত বিনোদনের জন্য বান্দরবানের অন্যতম একটি জায়গা হলো মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স।এখানে রয়েছে রয়েছে সাফারি পার্ক, শিশুপার্ক, চিড়িয়াখানা, উন্মুক্ত মঞ্চ, চা বাগান, কেবল কার ও প্যাডেল বোট। লেকের উপর আছে ২ টি ঝুলন্ত সেতু।

🍁 স্বর্ণ মন্দির:পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত সুদৃশ্য প্যাগোডা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থ স্থান হলো স্বর্ণ মন্দির। যদি ও এখানে কোনো স্থাপনায় স্বর্ণের তৈরী নয় তবে এই মন্দিরে সোনালী রঙের আধিক্যের কারণে এটিকে স্বর্ণ মন্দির নাম দেয়া হয়। এই মন্দিরটি মহাসুখ মন্দির বা বুদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির নামেও পরিচিত। বান্দরবানে বসবাসরত মারমা জাতিগোষ্ঠী হীনযান তথা থেরবাদ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। ২০০০ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশীয় ধাঁচে বার্মার স্থাপত্যবিদের তত্ত্বাবধানে জাদিটি নির্মিত হয়।

🍁সাঙ্গু নদী ভ্রমন:সাঙ্গু নদী বা শঙ্খ নদী, বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১৯ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। এই নদীটি সাপের মতো আঁকাবাঁকা ভাবে বান্দরবানের গহীনে বয়ে চলছে। বাংলাদেশের প্রধান কয়েকটি পাহাড়ি নদীর মধ্যে সাঙ্গু নদী অন্যতম। থানচি থেকে দক্ষিণের এলাকাগুলোতে যেতে হলে সাংগু নদীই একমাত্র ভরসা। পাহাড়ি উপজাতিদের কাছে এই সাঙ্গু নদী ঈশ্বর প্রদত্ত্ব আশীর্বাদ স্বরূপ।মারমা সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ এই নদীর উপর ই নির্ভরশীল। বান্দরবানের শঙ্খ-তীরবর্তী লোকজনের ৯০ শতাংশই মারমা। জীবন-জীবিকাসহ দৈনন্দিন কাজে এরা নদীটির ওপর নির্ভরশীল।

ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার উপায়

ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার জন্য সায়েদাবাদ,আরামবাগ,আব্দুল্লাহপুর ,কলাবাগান,কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে অনেক বাস সরাসরি বান্দরবান এর উদ্দেশে ছেড়ে যায়।ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।
ট্রেনে করেও বান্দরবান যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ঢাকা কমলাপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন এ উঠে সকালে চট্টগ্রাম নেমে ,সেখান থেকে বান্দরবানের জন্য বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়।

বান্দরবান এ থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা

বান্দরবানে অনেকগুলো রিসোর্ট,হোটেল,মোটেল ও রেস্ট হাউস রয়েছে। বিভিন্ন ম্যান ও দামের হয়ে থাকে সেগুলো। আপনার বাজেট মতো ও পছন্দ মতো যেকোনো টাতেই থাকতে পারেন। বান্দরবান শহরে খাবারের জন্য বেশ কিছু মাঝারি মানের খাবার হোটেল রয়েছে। সেখান থেকে নিজের পছন্দ মতো ৩ বেলায় খাবার খেতে পারেন। বাংলা খাবারের পাশাপাশি বিভিন্ন পাহাড়ি খাবারের ও অপসন থাকে। আবার চাইলে হোটেলে ও খাবারের ব্যবস্থা থাকে,তবে আগে থেকে জানিয়ে রাখতে হয়।

💠বান্দরবান ভ্রমণের পরিকল্পনা  :

০দিনে রাতে কলাবাগান থেকে বাসে উঠে রওনা হবো বান্দরবানের উদ্দেশ্যে।

প্রথম দিন সকালে বান্দরবানে বাস থেকে নেমে হোটেলে চেক ইন।ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নিয়ে সকালের নাস্তা করে নিবো।এরপর রিজার্ভ জীপে করে মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে চলে যাবো।কমপ্লেক্স পুরোটা ঘুরে দেখবো।দুপুরের খাবারের পর স্বর্ণ মন্দির পরিদর্শন শেষে বিকেলে মেঘ দেখতে আর বার্ডস আই ভিউতে বান্দরবান দেখতে   রওনা দিবো নীলাচলে। সন্ধ্যায় ফিরে আসবো হোটেলে।  সন্ধ্যার পর ব্যক্তিগত শপিং টাইম।

দ্বিতীয় দিন সকালে মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যেতে আমরা চলে যাবো নীলগিরি। সেখান থেকে চলে যাবো চিম্বুক পাহাড়। দুপুরের খাবার শেষে বিকেলটা কাটিয়ে দেবো সাঙ্গু নদীতে নৌকা ভ্রমন করে। 

সন্ধায় গ্রুপ ভিত্তিক রুমে ফ্রেশ হয়ে আমরা রাতের খাবার খাবো রাত ৮টায়। রাতের খাবার খেয়ে বাস স্ট্যান্ডে এসে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিবো ।

তৃতীয় দিন খুব সকালে আমরা ঢাকা থাকবো

 

বান্দরবান ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠বান্দরবান ভ্রমন খরচ:

জনপ্রতি ৬৮০০টাকা(নন এসি বাস, রুম)

 জনপ্রতি ৯১০০টাকা (এসি রুম,বাস)

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ১২,৬০০টাকা

(নন এসিবাস,রুম)

প্রতি কাপল: ১৫৬০০ টাকা (এসি বাস,রুম)

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : সিট খালি থাকা সাপেক্ষে।

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ৫,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

খাবার:

১ম দিন 

সকালের নাস্তা: খিচুরি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম,চা 

দুপুরের খাবার : চিকেন, ডাল,সালাদ, ভাত

রাতের খাবার :বারবিকিউ /গ্রিলড চিকেন,পরোটা,সফট ড্রিংকস।

দ্বিতীয় দিন 

সকালের নাস্তা :খিচুড়ি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম, চা

দুপুরের খাবার : চিকেন বিরিয়ানি 

রাতের খাবার : চিকেন ঝাল ফ্রাই, ডাল, সালাদ,ভাত

বিঃদ্রঃ অবশ্যই খাবারের মান মেইনটেইন করা হবে।

বান্দরবান  ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -বান্দরবান  -ঢাকা বাস।

💠দুই দিনের রিজার্ভ জীপ

💠 হোটেল 

💠বান্দরবান পৌছানোর পর থেকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

⛔বান্দরবান  ট্যুর প্যাকেজে বান্দরবান যা থাকছে না

💠ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার

💠এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না এমন কোন খরচ।

 

কনফার্ম করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে –

 

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ  থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।

৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।

৫.নিজের ব্যাগ নিজের বয়ে নিতে হবে। কেউ ব্যাগ টেনে নিবে এরকম মন মানসিকতা রাখা যাবেনা৷

 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

 

থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া লাউস ভিয়েতনাম ভ্রমণ বিস্তারিত

থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম ভ্রমণ বিস্তারিত

থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া লাউস ভিয়েতনাম

দক্ষিণ-পূর্ব এশীয়ার অন্যতম দেশ থাইল্যান্ড,ভিয়েতনাম,লাওস,কম্বোডিয়া। অসম্ভব সব প্রাকৃতিক নিদর্শনে ভরপুর এই দেশ গুলো কাছাকাছি থাকায় এক ভ্রমণ পরিকল্পনাতেই এই চারটি দেশে খুব সহজে ভ্রমণ করা যায় এবং স্বল্প খরচের মধ্যে। প্রতিটা ভ্রমণপ্রেমীর স্বপ্ন থাকে একবার হলেও থাইল্যান্ড ভ্রমণ করার।

থাইল্যান্ড,ভিয়েতনাম,কম্বোডিয়া,লাউস ভ্রমণ এর জন্য প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে ভিসা। তবে প্রথমেই আপনাকে নিতে হবে থাইল্যান্ড এর ভিসা যেটা বাংলাদেশ থেকেই নেয়া যাবে ,এবং একই ডকুমেন্ট দিয়ে দেশ থেকেই অনলাইন আবেদন করে ভিয়েতনাম এর ভিসা এপ্রোভাল নেয়া যাবে। থাইল্যান্ড গিয়ে কম্বোডিয়ার ভিসা এপ্লাই করে একদিনেই ভিসা হাতে পেয়ে যাবেন। এবং কম্বোডিয়া থেকে লাউসের ভিসা পেয়ে যাবেন মাত্র ২ দিনে ।

গন্তব্য :থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম

দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে চাইলে ভ্রমণ পরিকল্পনা একটু সময় নিয়ে করা উত্তম। এতে করে ভ্রমণ খরচ অনেকাংশে কমে যায়।

থাইল্যান্ড

প্রাকৃতিক রূপ লাবণ্যে ঘেরা দক্ষিণ এশিয়ার ভ্রমণ বান্ধব একটি দেশ হলো থাইল্যান্ড। থাইল্যান্ডকে ভ্রমণের স্বর্গরাজ্য ও বলা হয়ে থাকে। থাইল্যান্ড এর উল্ল্যেখযোগ্য কিছু ভ্রমণ সাথে হলো – ফোকেট,ক্রাবি,পাতায়া,ব্যাংকক। থাইল্যান্ড এর ব্যাংকক থেকে প্রায় ৮৪৫ কিমি দূরে নীলাভ পানির বিচ ফুকেট। অসম্ভব সুন্দর এই বিচ পর্যটকদের তার দিকে আকর্ষিত করে। কিন্তু ফুকেটে খরচ অতিরিক্ত হয়।
থাইল্যান্ড এর পশ্চিম উপকূলে ফাঙ্গা ও ট্রাং আইল্যান্ডের মাঝে ক্রাবি নদীর তীরে অবস্থিত এই ক্রাবি শহর ,যা ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে খুবই পছন্দের একটি জায়গা।
থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য সাধারণত ২থেকে ৩ দিন ই যথেষ্ট। বাংলাদেশিদের জন্য সুকুম্বির এলাকায় থাকায় ভালো ,কারণ এখানে বাংলা খাবার ও বাঙালি মানুষ দুই ই পাওয়া যায়। ভ্রমণের শুরুটা করতে পারেনা শহরের প্রধান হাইলাইট বা অবশ্যই দেখার মতো একটি জায়গা যা হলো ১৭৮২ সালে নির্মিত হওয়া গ্রান্ড প্যালেস ,যা ১৫০ বছরের ও বেশি থাই কিংয়ের বাড়ি ছিল। প্রাসাদ কমপ্লেক্সে পান্না বুদ্ধের মন্দিরের মতো বেশ কয়েকটি মনোরম ভবন রয়েছে। এই বিস্তৃত অঞ্চলটিকে ঘুরে দেখাই আপনাকে দর্শনীয় থাই আর্কিটেকচার এবং প্রাণবন্ত রঙের ধারণা দেবে।

আরেকটি অবশ্যই দর্শনীয় স্থান হলো ওয়াট ফো মন্দির, যেখানে চিত্তাকর্ষক পুনর্বিবেচনা বুদ্ধ রয়েছে । এটি বুদ্ধের অবস্থান নির্বান এবং পুনর্জন্মের সমাপ্তির প্রতিনিধিত্ব করে এবং থাই মানুষের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
আপনি চাইলে ব্যাংককের সবচেয়ে বড় বাজার এবং যা বিশ্বের বৃহত্তম মার্কেট হিসেবে খ্যাত বিখ্যাত চতুচাক উইকেন্ড মার্কেটেও ঘুরতে পারেন। এখানে অসংখ্য দোকান এবং পণ্য সামগ্রী পেয়ে যাবেন।

তারপর চলে যেতে পারেন ব্যাংককের পাতায়া। ব্যাংকক থেকে পাতায়ার দূরত্ব প্রায় ১০০ কিমি। এখানে যাওয়ার জন্য বাস বাবা মাইক্রো পেয়ে যাবেন তবে বাস এ সময় এবং অর্থ ২ ই বাঁচবে। পাতায়া তে অনেক আকর্ষণের স্থান ও জিনিসপত্র আছে ,যা ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের খুব সহজেই আকর্ষিত করে। পাতায়াতে অনেক বীচ এক্টিভিটিস ও আছে।

ভিয়েতনাম

থাইল্যান্ড ঘুরে শেষে ২য় দেশ ভিয়েতনাম যাবেন। ভিয়েতনামের মানুষ ইংলিশ খুবই কম জানে। তাই ভিয়েতনাম ভ্রমণ সহজ ও সুন্দর করতে এজেন্সির মাদ্ধমে ভিয়েতনাম ভ্রমণ পরিকল্পনা করা উচিত। ভিয়েতনামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য,এর সুসংহত পর্যটন ব্যবস্থা এবং এর আবহাওয়া পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ভিয়েতনামে পৌঁছানোর পর রাতে হোটেলে রেস্ট নিয়ে পরের দিনটি ডে ট্যুরের জন্য বরাদ্দ রাখতে পারেন। ঘুরে দেখতে পারেন বেশ কিছু লাইমস্টোন পাহাড়,কেভ সহ আরো অনেক কিছু। ৫০০ সিঁড়ি বেয়ে ৩৯৭ফিট উঁচুতে উঠে ড্রাগন এর দেখা পেতে পারেন ড্রাগন পাহাড়ে। পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে গিয়ে প্রতিটা স্টোরে পেয়ে যাবেন অসম্ভব সুন্দর সব ভিউ। ড্রাগন পাহাড়ের চূড়া থেকে চারপাশের ভিউ টা অসাধারণ। সেখান থেকে এসে পরিকল্পনায় রাখতে পারেন সাইক্লিং একটিভিটিস।সাইক্লিং করেই চলে যেতে পারেন কিংকং এর এলাকা এনশিয়েন্ট ক্যাপিটাল হুয়া এর মধ্যে। সেখান থেকে চলে যেতে পারেন ট্রাং এন বোট ট্যুরে ,যেখানে ব্যাম্বো বোটে কায়াকিং করতে পারবেন।
ভিয়েতনাম অবশ্যই ভ্রমণ জায়গা হলো হালং বে। হালং বে তে সাধারণত ক্রুজ ভ্রমণ হয়ে থাকে। সেজন্য আপনাকে একটি ক্রুজ এর প্যাকেজে বুকিং করতে হবে। ক্রুজ প্যাকেজে গুলো সাধারণত ২ দিন ১ রাতের হয়ে থাকে আবার ডে টুর ও হয়ে থাকে। ক্রুজে ভ্রমণকালীন সময় বিভিন্ন এক্টিভিটিস যেমনঃ হাইকিং,ডাইভিং কায়াকিং থেকে শুরু করে আরো অনেক একটিভিটিস।
এছাড়াও ভিয়েতনামে আরো অসংখ্য ভ্রমণ স্থান রয়েছে। ভিয়েতনাম নিতান্তই অসম্ভব সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর ভ্রমণ স্থান। ভিয়েতনাম কে বিশ্ব ঐতিহাসিক ভ্রমণ স্থান হিসেবে ঘোষণা দেয়া হইয়েছে। ভিয়েতনাম ভ্রমণের জন্য সর্বনিম্ন ৫/৭ দিন সময় রাখা উচিত।

কম্বোডিয়া

ভিয়েতনাম ভ্রমনের পর চলে আসুন কম্বোডিয়া। কম্বোডিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি দেশ। তবে কম্বোডিয়া ঢুকতে হলে আপনাকে অবশ্যই ১০০০ ডলার দেখাতে হবে ক্যাশ । নয়তো কোনো ভাবেই আপনাকে কম্বোডিয়ার প্লেনে উঠতে দিবেনা।বোর্ডিং পাশের আগেই হোটেল বুকিং ,এয়ার টিকেট এছাড়া ১০০০ ডলার আছে কিনা সমস্ত কিছু চেক করা হবে।
আংকর ওয়ত কম্বোডিয়ার গৌরবময় ইতিহাসের স্মৃতি ধারন করে আছে, দেশটি ঔপনিবেশিকতা, ইন্দোচীন যুদ্ধ এবং খেমাররুজ শাসন দ্বারা বিধ্বস্ত হয়েছে এবং বর্তমানে এশিয়ার দরিদ্রতম দেশগুলির মধ্যে একটি। দরিদ্রতম দেশ হলেও পর্যটনের জন্য বিখ্যাত। এখানে অনেক গুলো ঐতিহাসিক ও অনেক পুরোনো ওয়াট বা মন্দির রয়েছে। সেই মন্দির গুলো দেখতে সুন্দর ও সেগুলো ঘিরে রয়েছে অনেক ইতিহাস ঐতিহ্য। কাম্বোডিয়া তে ঘুরার জন্য ২/৩ দিন সময় যথেষ্ট।কম্বোডিয়ার রাজধানী নেমপেন এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে রিভার সাইড। এছাড়াও রয়েছে ন্যাশনাল মিউজিয়াম , Wat phonm Historical Side , গ্রীন টেম্পল,মাঙ্কি টেম্পল এছাড়াও রয়েছে Siem Reap এর Angkor Wat ,পাব স্ট্রিট ,নাইট মার্কেট ,ফ্লোটিং ভিলেজ।

লাওস

লাওস দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র যার চারপাশে ঘিরে আছে থাইল্যান্ড ,কম্বোডিয়া,চীন,মিয়ানমার এবং ভিয়েতনাম ।লাওস প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা একটি দেশ। থাইল্যান্ড ভিয়েতনাম ঘুরার পর লাওস ভ্রমন না করলে অনেক কিছু বাকি থেকে যাওয়ার মতো হয়ে যায়। লাওসে রয়েছে মেকং ভ্যালির অনেক উপরে বোলাভেন প্লাটো। উদ্ভিত ও প্রাণীর দেশ হওয়ায় চারদিক জুড়ে সবুজের অস্তিত্ব। রয়েছে অনেক গুলো বিশেষ বিশেষ ওয়াটারফল। কফি চাষের জন্য লাওস বিখ্যাত। রোবাস্তা এবং এরাবিকা এর কফি চাষের প্লান্টেশন এখন থেকে ই।
কম্বোডিয়া থেকে খুব সহজেই বায় রোডে লাওস ভ্রমন করা যায়।

 

থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

থাইল্যান্ড,কম্বোডিয়া,লাউস,ভিয়েতনাম ভ্রমণ এর জন্য আমাদের প্রথম গন্তব্য হবে থাইল্যান্ড। কারণ থাইল্যান্ড থেকে যেহেতু কম্বোডিয়ার ভিসা করতে হবে তাই ভ্রমণের শুরু টা থাইল্যান্ড থেকে ই করা ভালো। ব্যাংককে নেমে প্রথম দিনে তেমন কোনো একটিভিটিস নেই তবে চাইলে আপনি নিজ খরচে আশেপাশের ঘুরে দেখতে পারেন। ব্যাংককে নেমেই একটা ট্যাক্সি নিয়ে চলে যেতে পারেন রয়েল এম্বাসি অফ কম্বোডিয়ারতে। সেখানে গিয়ে আপনি কম্বোডিয়ার ভিসা এপ্লাই করে নিবেন ,সর্বোচ্চ ৬ ঘন্টার মধ্যে ই হাতে ভিসা পেয়ে যাবেন।

পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শুরু হবে ভ্রমণ। ফোকেট(ফোকেট ভ্রমণের জন্য আলাদা খরচ লাগবে যা প্যাকেজের সাথে সংযোক্ত না ),ক্রাবি,পাতায়া,ব্যাংকক সব গুলো জায়গা আমরা একে একে ঘুরে দেখবো।

থাইল্যান্ড ২থেকে ৩ দিন ঘুরা শেষে আমরা চলে যাবো ভিয়েতনাম। ভিয়েতনামে আমাদের প্রায় ৬-৭ দিনের ট্যুর থাকবে।হ্যানয়,হালং বে সহ আরো অনেকগুলো ভ্রমণ স্থান পর্যায়ক্রমে ঘুরে দেখবো।

ভিয়েতনাম থেকে আমরা চলে যাবো কম্বোডিয়া।এবং কম্বোডিয়া তে আমরা ২/৩ দিনের মধ্যে ঐতিহাসিক ভ্রমণ স্থান গুলো ঘুরে দেখবো।
এবং কম্বোডিয়া থেকে লাওস ভ্রমণ সহজ হয়। তাই এই ভ্রমণের আমাদের সর্বশেষ গন্তব্য হবে লাওস। লাওসে আমরা ২ দিন থেকে আবার ব্যাংকক ফায়ার এসে ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাই করবো।

থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া লাউস ভিয়েতনাম ট্যুর প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে :

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

সিকিম ভ্রমণ বিস্তারিত

সিকিম এর  সুন্দর ছবিটি কালেক্ট করা

সিকিম ভ্রমণ বিস্তারিত

বাংলাদেশে যখন উত্তপ্ত গরমে টেকা দায় ,তখন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য সিকিম সাদা তুলোর মতো বরফে ঢাকা। সাথে স্নোফল তো আছেই। সিকিম এর রাজধানী শহর গ্যাংটক ,সিকিম আয়তনে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম প্রদেশ। পূর্ব হিমালয় অঞ্চলের একটি অংশ সিকিম, আল্পাইন ও উপক্রান্তীয় জলবায়ুসহ সেখানকার জীব বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত সিকিম।এখানেই অবস্থিত কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত। ভারতের সর্বোচ্চ ও পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শিখর এটি। সিকিম রাজ্যের প্রায় ৩৫% এলাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা জাতীয় উদ্যান দ্বারা আচ্ছাদিত।প্রতি বছর সিক্কিমে প্রচুর মানুষ ভ্রমণে আসে।

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ প্রেমিদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর Sports Tourism Bangadesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : সিকিম ভ্রমণ 

সিকিম প্রতিটি ভ্রমণ স্থান ই খুবই সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর। বাংলাদেশ থেকে সহজে ও কম খরচে ভ্রমণ করা যায় বলে সিকিম পর্যটকদের ভ্রমণের শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করে।

💠সিকিম ভ্রমনের স্থান সমূহ :

🍁সিকিম 🍁গ্যাংটক 🍁ইয়ামথাং ভ্যালি 🍁নামনাং ভিউ পয়েন্ট  🍁তাশি ভিউ পয়েন্ট 🍁ইঞ্চে মনেস্ট্রি  🍁টিবেটলজি 🍁বানজাগ্রি ওয়াটারফল 🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল 🍁নাগা ওয়াটারফল

 

🍁সিকিম:সিকিম আয়তনের দিক থেকে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য হলেও ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি জায়গা। ভারতের পূর্বে অবস্থিত সিকিমকে ঘিরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ,নেপাল,ভুটান,তিব্বত।সিকিমের সৌন্দর্যকে বলা যায় স্বর্গীয় সৌন্দর্য্য।

🍁গ্যাংটক:গ্যাংটক সিকিম রাজ্যের রাজধানী এবং সব থেকে বড় শহর। গ্যাংটক এর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তাশি ভিউ পয়েন্ট থেকে কাঞ্চনঝঙ্গা ও আশেপাশের পাহাড় দেখা যায়। গ্যাংটক শহরটি পূর্ব হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত।হিমালয়ের উচ্চ শিখরের মধ্যে অবস্থিত হওয়ার পাশাপাশি সারা বছর ধরে মৃদু নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু থাকায় গ্যাংটক সিকিমের পর্যটন শিল্পের কেন্দ্রে রয়েছে।সিকিমে ঘুরার সব থেকে সহজ উপায় হলো গ্যাংটক কে কেন্দ্র করে ঘুরা।গ্যাংটক ও এর আশেপাশের পুরোটাই সুবিশাল ও দৃস্টিনন্দন পাহাড়ে ঘেরা। সহজভাবেই একজন প্রকৃতি প্রেমীর কাছে এটি স্বর্গরাজ্য।

🍁ইয়ামথাং ভ্যালি: ইয়ামথাং ভ্যালি সাধারণত ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ারস নামেও পরিচিত। ইয়ুমথাং উপত্যকা বা সিকিম ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ারস অভয়ারণ্য হল একটি প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য যেখানে নদী, উষ্ণ প্রস্রবণ, ইয়াক এবং ভারতের সিকিম রাজ্যের মাঙ্গান জেলার ইউমথাং – এর হিমালয় পর্বত দ্বারা বেষ্টিত ঘূর্ণায়মান তৃণভূমিতে চারণভূমি রয়েছে ।ফেব্রুয়ারী মাসের শেষ থেকে জুনের মধ্যে পর্যন্ত বিভিন্ন রঙের ফুলে পুরো ভ্যালি ঢেকে থাকে। এটি শিংবা রডোডেনড্রন অভয়ারণ্যের আবাসস্থল , যেখানে রাজ্যের ফুল রডোডেনড্রনের চব্বিশ প্রজাতি রয়েছে ।

🍁তাশি ভিউ পয়েন্ট:বিখ্যাত পর্যটক ভ্রমণ স্থান তাশি ভিউ পয়েন্ট গ্যাংটকের প্রধান শহর থেকে 10 কিমি দূরে অবস্থিত। এটি বেশিরভাগ সেরা সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্যের পাশাপাশি প্যানোরামিক মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং অন্যান্য তুষার আচ্ছাদিত চূড়াগুলির জন্য পরিচিত।এখান থেকে সূর্যোদয়ের রং বেরঙের দৃশ্য অবলোকন করা যায়।

🍁ইঞ্চে মনেস্ট্রি: উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের উপরে 1909 সালে এনচে মঠ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । এটি বজ্রযান বৌদ্ধধর্মের নিংমা আদেশের অন্তর্গত ।এখানকার জনগণ মনে করেন দেবতারা সর্বদা এখানে ভক্তদের ইচ্ছা পূরণ করেন।ইঞ্চে মনেস্ট্রি খুবই সুন্দর একটি জায়গা। সিকিম ভ্রমণের পর্যটক গণ এখানে এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন।

🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল: সেভেন সিস্টার হল একটি জনপ্রিয় জলপ্রপাত যা গ্যাংটক-লাচুং হাইওয়েতে অবস্থিত, গ্যাংটক থেকে প্রায় 32 কিলোমিটার দূরে। নাম থেকে বোঝা যায়, একটি বিস্তীর্ণ খাড়া পাহাড়ের পাশে সুরেলাভাবে সাজানো সাতটি ভিন্ন জলপ্রপাত দূর থেকে দেখলে স্বতন্ত্র বলে মনে হয়। বৃষ্টির পরে এটি গ্যাংটকের একটি দর্শনীয় স্থান হয়ে ওঠে, যখন জলপ্রপাতগুলি একটি ভয়ঙ্কর জীবনকে বিস্ময়কর দৃশ্য প্রদান করে। ঝরনার ঝরঝর জল ঝরঝরে সবুজ গাছপালা থেকে ছিটকে পড়ে, এবড়ো-খেবড়ো পাহাড়ের চূড়ার উপর দিয়ে গড়িয়ে পড়ে বজ্রধ্বনি।

🍁লাচুং:লাচুং হল ভারতের সিকিম প্রদেশে অবস্থিত একটি ছোট শহর এবং পাহাড়ি স্টেশন। লাচুং লাচেন নদী এবং লাচুং নদী থেকে প্রায় ৯,৬০০ ফুট (২,৯০০ মি) উচ্চতায় অবস্থিত। লাচেন ও লাচুং উভয় নদীই তিস্তা নদীতে গিয়ে পড়েছে। প্রকৃতির বুকে ছবির মতো মিশে আছে এই লাচুং গ্রাম। লাচুং থেকে ইয়ামথাং ভ্যালি যাওয়ার পথে পর্বে তিস্তার নীল জল,অপরূপ সব ঝর্ণা। সিক্কিমের সুইজারল্যান্ড খ্যাত কাটাও মিডেল পয়েন্ট থেকে সাদা বরফে ঢাকা পাহাড়ের সুন্দর ভিউ দেখা যায়।

🍁সাঙ্গু লেক:সাঙ্গু লেকটা হলো সিকিমের অন্যতম জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট স্পট । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২,৮০০ ফিট উপরে তাপমাত্রা ০৪ থেকে ০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস,চায়না বর্ডার ( নাথুলা ) এখান থেকে ১৬ কিঃমিঃ পূর্বে এবং নাথুলা পাশের উচ্চতা ১৭,৬০০। পূর্ব সিকিমে অবস্থিত সাঙ্গু লেক “Tsomgo Lake ” নামেও পরিচিত। সাঙ্গু লেকের প্রকৃত সৌন্দর্য্য কখনোই ভাষায় বা লিখে প্রকাশ করা যায় না। যত উপরে ওঠা হয় আবহাওয়া তত ই ঠান্ডা হতে থাকে। স্নো-ফল ও বরফ দিয়ে খেলার মজাও আলাদা।

সিকিম ভ্রমণের সেরা সময়

ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মে এবং সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সিকিম ভ্রমণের আদর্শ সময়। যেহেতু সিকিম একটি পাহাড়ি এলাকা এবং এখানে প্রায় সারা বছর ই ধস নামে। শীতকালে সিকিমে অনেক সময় রাস্তা বরফে বন্ধ থাকার সম্ভাবনা থাকে।বর্ষায় সিক্কিমের অনেক জায়গায়ই যাওয়া যায় না।

সিকিম যাওয়ার উপায়

সিকিম যাওয়ার জন্য ঢাকা ট্রেন ও বাস দুইভাবেই যাওয়া যায়। তবে সব থেকে সহজ র সময়সাধ্য উপায় হচ্ছে ট্রেন এ করে যাওয়া। ট্রেন এ বর্ডারের ইমিগ্র্যাশন ঝামেলা পোহাতে হয়না। খুব সহজভাবেই ক্যান্টনমেন্ট থেকে নিউ জলপাইগুড়ির উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া মিতালী এক্সপ্রেসে করে NJP তে যাওয়া যায়। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা বাস এ করে গ্যাংটক।
বাসে করে যেতে ঢাকা থেকে চেংড়াবান্ধা হয়ে শিলিগুড়ি যেতে হবে। চেংড়াবান্ধায় ইমিগ্র্যাশন শেষ করে বর্ডার ক্রস করে শিলিগুড়ি যেতে হবে। শিলিগুড়ি থেকে ট্যাক্সি করে অথবা বাস এ গ্যাংটক যাওয়া যাবে। গ্যাংটক পৌঁছাতে রাত হবে। রাতেই গ্যাংটক থেকে সিকিমের জন্য অনুমতি ,গাইড ও গাড়ি ভাড়া করে নিতে হবে। সেই গাড়িতে করেই সিকিম ভ্রমণ করা যাবে। তবে সাঙ্গু লেক জিরো পয়েন্ট এর জন্য আলাদা গাড়ি ভাড়া করতে হবে। গ্যাংটকের গাড়ি ঐদিকে যাওয়ার অনুমতি নেই বা অনেকে যেতে চাই না।

 

💠সিকিম ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

প্রথম দিন  রাতে  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে ট্রেনে উঠে রওনা দিবো। 

দ্বিতীয় দিন ভোরে স্টেশন পৌঁছে জীপে সিকিমের  উদ্দেশ্যে রওনা করবো। সন্ধ্যার আগেই গ্যাংটকে হোটেলে চেক ইন।

তৃতীয় দিন সকালে নাস্তা শেষে রিজার্ভ জীপে আমরা সাইট সিন এর উদ্দেশ্যে বের হবো।এদিন আমরা গ্যাংটক ও এর চারপাশের দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখবো।

চতুর্থ দিন সকালের নাস্তা করে হোটেল থেকে চেক আউট করে আমরা রওনা করবো সিকিমের মূল আকর্ষণ লাচুং এর উদ্দেশ্যে।পথে গাড়ি থামিয়ে আমরা দেখে নিবো বরফ জমে যাওয়া একাধিক ঝর্ণা। বিকেলের মধ্যে লাচুং এর হোটেলে চেক ইন। দিনের বাকিটা সময় হোটেলের আশেপাশে বরফের রাজ্যে নিজেদের মতো সময় কাটাবো।

পঞ্চম দিন ব্রেকফাস্টের পর চলে যাবো ইয়ামথাং ভ্যালি ও জিরো পয়েন্টের উদ্দেশ্যে।সেখানে বরফের রাজ্যে দুই ঘন্টা কাটিয়ে আমরা আবার লাচুং ফিরে আসবো।এরপর দুপুরের  খাবার শেষে গ্যাংটকের উদ্দেশ্যে রওনা করবো।  রাতে গ্যাংটকে অবস্থান। 

ষষ্ঠ দিন ব্রেকফাস্টের পর শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করবো। শিলিগুড়ি হয়ে বাংলাদেশ বর্ডারে চলে আসবো। এরপর বর্ডার ক্রস করে বীর সিরাজুল ইসলাম স্টেশন থেকে ঢাকার ট্রেনে করে রওনা দিবো।  ইনশাআল্লাহ পরদিন ঢাকায় থাকবো।

 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠ভ্রমন খরচ:

 

জনপ্রতি ১৯,৯৯৯টাকা(ট্রেন +শেয়ারিং /ফ্যামিলি রুম)

 💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৫০,০০০টাকা

 

 

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

সিকিম  ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -সিকিম -ঢাকা ট্রেন টিকিট,জীপ সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠ভারত পৌছানোর পর প্রথম দিন রাতের খাবার থেকে শুরু করে আসার দিন দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔সিকিম  ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে না

 

💠ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার 

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

💠লাচুং থেকে জিরো পয়েন্ট যাওয়ার খরচ, এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না।জিরো পয়েন্ট যাওয়ার পারমিশন আগে থেকে পাওয়া যায় না।লাচুংয়ে উপস্থিত হয়ে পারমিশন নিতে হয়।পারমিশন পাওয়া আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। পারমিশন পাওয়া গেলে জিরো পয়েন্ট যাওয়ার খরচ জীপের সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে। প্রতি জীপ সম্ভাব্য ৩০০০ রুপি।

 

কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠ভিসায় পোর্ট চ্যাংড়াবান্দা হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় চ্যাংড়াবান্দা না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

সিকিম  ট্যুর প্যাকেজে বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

নিঝুম দ্বীপ ভ্রমন বিস্তারিত

Collected picture

নিঝুম দ্বীপ ভ্রমন বিস্তারিত

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের দক্ষিণে একটি ছোট্ট দ্বীপ। নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত নিঝুম দ্বীপ ক্যাম্পিং এর জন্য সেরা। একপাশে সমুদ্র সৈকত আর অন্যপাশে প্যারাবন ভর্তি এই দ্বীপে প্রতিটি কদমেই রোমাঞ্চকর অনুভূতি মেলে।বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এই চরটি হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। চর ওসমান, বাউল্লারচর, কামলার চর, ও মৌলভির চর- এই চার চর নিয়ে পুরো নিঝুম দ্বীপ।

জনবসতি গড়ে উঠার একদম শুরুর দিকে এই দ্বীপের নাম ছিল চর ওসমান ও বাউল্লার চর।
লোকমুখে শোনা যায়, ওসমান নাম একজন প্রথম এখানে বসতি গড়ে । তিনি ছিলেন একজন বাথানিয়া; আর তখন তার নামানুসারেই দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছিল। নিঝুম দ্বীপ এর শুধু সৈকতই নয়, দ্বীপের মাটিও বালুতে চিকচিক করতো। দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে দেখা যেতো বালুর ঢিবি বা টিলার মতো জায়গা।
আর এই কারণেই বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর নামে ও এই দ্বীপ কে ডাকা হয় । এমনকি এখনও নিঝুম দ্বীপ এর অবস্থান জানার জন্য স্থানীয়দেরকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতে হয়। এখানে প্রচুর পরিমানে ইছা মাছ (আঞ্চলিক ভাষায় )/চিংড়ি মাছ পাওয়া যেত তাই এই দ্বীপ ইছামতির দ্বীপ নামেও পরিচিত। হাতিয়ার সাংসদ আমিরুল ইসলাম কালাম এই নাম বদলে নিঝুম দ্বীপ নামকরণ করেন।

💠ভ্রমনের স্থান সমূহ :

নিঝুম দ্বীপের বিশেষত্ব হচ্ছে চিত্রা হরিণ ও শীতকালের অতিথি পাখি। একসঙ্গে এতো চিত্রা হরিণ দেশের আর কোথাও দেখা যায় না। বাজারে,ক্যাম্প সাইটে চিত্র হরিণ গুলো এমন ভাবে থাকে যেন গৃহপালিত পশু।

🍁 চৌধুরীর খাল 🍁 কমলার দ্বীপ 🍁 কবিরাজের চর 🍁 মনপুরা দ্বীপ 🍁 নিঝুম দ্বীপ 🍁 ছোঁয়াখালী  🍁নামা বাজার সৈকত  🍁ভার্জিন আইল্যান্ড

🍁 চৌধুরীর খাল: চৌধুরীর খাল মূলত বিকেলে সন্ধ্যার আগে যেতে হয়। চৌধুরীর খাল নেমে বনের মধ্যে ১০/১৫ মিনিট হাঁটলেই হরিনের দলের দেখা মিলবে। একটি রিজার্ভ ট্রলার নিলে মাঝিরায় দেখিয়ে আনবে।

🍁 কবিরাজের চর: চৌধুরীর খাল ঘুরে এসে কবিরাজের চর নেমে সেখান থেকে সূর্যাস্ত দেখতে পারেন। নিঝুম দ্বীপ ছাড়া পাখিদের মেলা বসে পাশের দ্বীপ কবিরাজের চর। এই সময় হাজার হাজার মহিষের পাল ও একসাথে দেখা যায়।

🍁 কমলার দ্বীপ:তাজা ইলিশ খাওয়ার জন্য কমলার দ্বীপ সেরা জায়গা। সেখানে কমলার খালে অনেক ইলিশ পাওয়া যায়।

🍁 ছোঁয়াখালী: ছোঁয়াখালী তে খুব সকালে হরিণ দেখা যায়।খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে একটা বাইক নিয়ে চলে যেতে পারে  ছোঁয়াখালীতে।

🍁নামা বাজার সৈকত:সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য এখানকার সেরা জায়গা নামা বাজার সৈকত। নামা বাজার থেকে পায়ে হেটে ১০ মিনিটের মধ্যেই নামা বাজার সৈকতে পৌঁছানো যায়। রাতে বারবিকিউ করতে চাইলেও এখানে করতে পারেন। বারবিকিউ এর জন্যও এ জায়গাটি বেশ জনপ্রিয়।

🍁ভার্জিন আইল্যান্ড:শীতের অতিথি পাখি দেখার জন্য এখানকার আরো একটি দর্শনীয় জায়গা হচ্ছে ভার্জিন আইল্যান্ড বা কুমারী সী বিচ । দমার চরের দক্ষিণে নতুন সৈকতটিই ভার্জিন আইল্যান্ড। এই জায়গাটি সম্পর্কে খুব কম মানুষ ই জানে। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে যেতে পারলে এখানে অনেক ধরণের পাখির দেখা পাবেন।

🍁 মনপুরা দ্বীপ: মনপুরা দ্বীপ টি ও খুবই সুন্দর একটি দ্বীপ। নিঝুম দ্বীপে গেলে সময় পেলে এই মনপুরা দ্বীপ টিও ঘুরে আসতে পারেন।

নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণের সেরা সময়

নিঝুম দ্বীপ এ যাওয়ার সব থেকে উপযোক্ত সময় হচ্ছে শীত ও বসন্তকাল। এ সময় রাস্তাঘাট শুকনা থাকায় যাতায়াত বেবস্থা ভালো থাকে। অক্টোবর থেকে এপ্রিলের ঠিক মাঝামাঝি সময়টাই উপযুক্ত সময় নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণের। র এই সময় অতিথি পাখির আগমন ও ঘটে।
এছাড়া বছরের বাকিটা সময় মেঘনা নদী ও সাগর অনেক উত্তাল থাকে।

ঢাকা থেকে নিঝুম দ্বীপ যাওয়ার উপায়

নিঝুম দ্বীপ মূলত সাগরের মাঝখানের একটা দ্বীপ। ঢাকা থেকে নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার সহজ ও উপভোগ্য উপায় হচ্ছে নৌপথ। ঢাকা সদরঘাট থেকে হাতিয়া যাওয়ার অনেক লঞ্চ পাওয়া যায় যেগুলো বিকেল ৫ তার মধ্যে সদরঘাট ছেড়ে যায়। সারারাত চাঁদের আলো উপভোগ করতে করতে সকালে হাতিয়ার তমিরুদ্দিন ঘাট এ গিয়ে পৌঁছে।তমুরদ্দী ঘাট থেকে ঢাকার ফিরতি লঞ্চ ছাড়ে দুপুর সাড়ে ১২ টায়। তমরুদ্দি ঘাট থেকে কিছু মাছ ধরার ট্রলার সরাসরি নামার বাজার যায়। এই উপায়ে সহজেই নিঝুম দ্বীপ পৌঁছানো যায়। এছাড়াও ঢাকা থেকে স্থল পথেও যাওয়া যায় নিঝুম দ্বীপ। কিন্তু সেটি অনেক ব্যায়বহুল এবং অনেক সময়ের ব্যাপার।

নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা

নিঝুম দ্বীপের বন্দরটিলা ও নামার বাজার সৈকতের কাছেই ভালো মানের কয়েকটি রিসোর্ট আছে।আপনি চাইলে এই রিসোর্ট গুলোতেও অল্প টাকায় থাকতে পারেন। এগুলো ছাড়াও বোন বিভাগের গেস্ট হাউস আছে ,চাইলে সেখানেও রাতে থাকতে পারেন। তবে নিঝুম দ্বীপে সাধারণত সবাই তাঁবুতেই থাকে। শীতের নিঝুম দ্বীপ মানেই ক্যাম্পিং। দ্বীপে ক্যাম্পিংয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা হলো নামার বাজারের নিঝুম রিসোর্টের পাশের খালটি পেরিয়ে সৈকতের কাছে প্রায় ছয় মাইলের বিশাল খোলা মাঠটি। ক্যাম্পিংয়ে রীতিমত স্বয়ংসম্পূর্ণ নিঝুম দ্বীপ। এখানকার জাহাজমারা বাজারে ক্যাম্পিংয়ের প্রায় সব আইটেমই পাওয়া যায়। এ ছাড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায়ও তাঁবু ভাড়া পাওয়া যায়।

নিঝুম দ্বীপে খাবারের জন্য নামার বাজার ই সব থেকে ভালো। সেখানকার খাবার হোটেলগুলো সামুদ্রিক মাছ এবং চিংড়ি ভাজার জন্য বেশ জনপ্রিয়। তবে আপনি মাছ,মুরগি সব ধরণের খাবার ই পাবেন সেখানে। আবার আপনি চাইলে নিজেও ক্যাম্প এলাকাতেই রান্না করে খেতে পারেন। রাতে ক্যাম্পসাইটে বার-বি-কিউ পার্টি আরো বেশি জমজমাট করে নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণকে।

নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

সবাই টেন্ট এ থাকব। এক টেন্ট এ দুইজন শেয়ারিং করে। বালিশ ও স্লিপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। মোটামুটি ভালো মানের বাথরুম ও হবে ক্যাম্পসাইটে।

যাত্রার তারিখঃ ??

ফেরার তারিখঃ ??

ভ্রমণের সময়সীমাঃ ৪ রাত ৩ দিন

ভ্রমণ বৃত্যান্তঃ

ডে ০– আমরা সদরঘাট থেকে লঞ্চ এর ডেকে করে যাবো হাতিয়া।

ডে ১- সকালে হাতিয়া নেমে সেখান থেকে নেমে নাস্তা করে ট্রলারে করে নিঝুম দ্বীপ। গিয়ে টেন্ট এ ব্যাগ রেখে ফ্রেশ হয়ে নিব। খেয়ে ঘুরতে বের হব নৌকায় চৌধুরীর খাল, কমলার দ্বীপ, কবিরাজের চর। ঘুরে রাতে ডিনার আর গানবাজনা।

ডে ২- সকালে নাস্তা করবো। বীচ ঘুরে যাব নৌকায় মনপুরা দ্বীপ দেখতে। সেখানেই খাবার খাব দুপুরের। ঘুরে বিকেলে এসে পৌঁছব নিঝুম দ্বীপের নামার বাজারে আমাদের ক্যাম্প সাইট এ। রাতে থাকবে বার বি কিউ।

ডে ৩- ভোরে উঠে বাইকে করে যাব ছোঁয়াখালি। ফিরে নাস্তা সেরে ৯ টার মধ্যে নৌকায় করে যেতে হবে হাতিয়া।কারণ সেখান থেকে লঞ্চ ছাড়বে ১২ টায়৷ আসব লঞ্চ এর ডেক এ।

৪র্থ দিন সকালে ঢাকায় থাকব।

 

ইভেন্ট ফি : ৬৫০০ টাকা

বুকিং মানিঃ ৪০০০ টাকা (৪০৮০টাকা বিকাশ খরচ সহ)

ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ৪০৮০ টাকা বিকাশ করে, আপনার নাম,ফোন নাম্বার এবং বিকাশ নাম্বারের শেষ ৩ টি ডিজিট বিকাশ নাম্বারে মেসেজ দিয়ে আপনার সিট কনফার্ম করুন।

বিকাশ নাম্বার:

ইভেন্ট খরচে যা যা খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকছে:

⭕ ৩ দিনের ৯ বেলা মূল খাবার

⭕ লঞ্চের ডেকে যাওয়া ও আসা খরচ(চেয়ার কোচ নিতে চাইলে আরো ১০০০ টাকা যোগ করতে হবে)

⭕অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের খরচ ( নৌকা, ট্রলার ও বাইক)

⭕তাবু, স্লিপিং ব্যাগ ভাড়া ইত্যাদি

 

যা যা অন্তর্রভুক্ত নয়:

⭕কোনো ব্যক্তিগত খরচ

⭕যাওয়ার দিন রাতের খাবার

 

কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে-

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।

৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।

৫.নিজের ব্যাগ নিজের বয়ে নিতে হবে। কেউ ব্যাগ টেনে নিবে এরকম মন মানসিকতা রাখা যাবেনা৷

 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109