মেঘালয় ভ্রমন বিস্তারিত

মেঘালয় ভ্রমন বিস্তারিত

মেঘালয় উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি স্থলবেষ্টিত রাজ্য।মেঘালয়কে তার উচ্চভূমি, কুয়াশা এবং প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য স্কটল্যান্ডের সাথে তুলনা করা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বৃস্টি হয় মেঘালয় এর ড রাজধানী চেরাপুঞ্জিতে। মেঘালয় জুড়ে অনেক গুলো ছোট বড় অপূর্ব সুন্দর ঝর্ণা রয়েছে। বৃস্টিতে তাদের প্রাণ যেনো আরো বেশি করে ফিরে পায়। মেঘালয়ে সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল এর জন্য বিখ্যাত। মেঘালয়ের উঁচু নিচু পাহাড়,ছোট বড় নদী,বিশাল আকৃতির সব ঝর্ণা ও ছবির মতো ছোট ছোট গ্রাম ভ্রমণ প্রেমীদের হাতছানি দিয়ে ডাকে তার কাছে। বাংলাদেশের সিলেট সীমান্তের কাছাকাছি ও কম খরচে মেঘালয় ভ্রমণ করা যায়।

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ প্রেমিদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর স্পোর্টস ট্যুরিজম বাংলাদেশ চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

 

গন্তব্য : মেঘালয় এর শিলং ও চেরাপুঞ্জী ভ্রমণ 

মেঘালয় অসম্ভব সুন্দর একটি জায়গা।সৃস্টি কর্তার অপূর্ব সৃস্টি। মেঘালয়ে ঘুরে দেখার অনেক জায়গা রয়েছে ,তবে বাংলাদেশী পর্যটকদের কাছে ডাউকি,শিলং ও চেরাপুঞ্জি বেশি পছন্দের জায়গা।

💠ভ্রমনের স্থান সমূহ :

🍁 শিলং 🍁উমগট রিভার 🍁চেরাপুঞ্জি 🍁বোরহিল ওয়াটারফলস  🍁উমক্রেম ওয়াটারফলস 🍁এলিফেন্ট ওয়াটারফলস  🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস 🍁ওয়াকাবা ওয়াটারফল 🍁নোহকালাইকাই ওয়াটারফল 🍁এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিংনং🍁লিভিং রুট ব্রীজ 🍁আরোয়া কেইভ এন্ড ভিউ প​য়েন্ট  🍁ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস 🍁শ্যুটিং ব্রীজ 

🍁 শিলং:প্রাচ্যের স্কটল্যান্ড বলা হয় শিলং কে । সবুজে ঘেরা পাহাড়, আকা-বাঁকা উঁচু-নিচু পথ, সাদা মেঘের ভেলায় ভেসে যেতে পারেন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে।চায়ের চুমোকে গা ভাসাতে পারেন সাদা শুভ্র মেঘের ভেলায়। এখানে প্রচুর বৃস্টি হয়। তাই প্রকৃতি ও বর্ষার এই অপরূপ সৌন্দর্যে দেখতে পর্যটক দের ভিড় জমে শিলং এ।

🍁উমগট রিভার:

উমঙ্গোট নদী , ডাউকি নদী এবং বাহ উমঙ্গোট নামেও পরিচিত এই উমগট রিভার।এই যদি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম জৈন্তিয়া জেলার জয়ন্তিয়া পাহাড়ের নীচে অবস্থিত একটি ছোট শহর ডাউকির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় । এই নদীটির পানি খুবই স্বচ্ছ কাচের মতো। এই নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক পথ হিসেবে কাজ করে।

 

 

🍁চেরাপুঞ্জি: চেরাপুঞ্জি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার একটি শহর। চেরাপুঞ্জিকে বাংলায় বলা যায় কমলা দ্বীপ, কারণ এখানে প্রচুর পরিমানে কমলা গাছ ও কমলা পাওয়া যায় । কমলা ছাড়া এখানে আর আছে প্রচুর পান-সুপারির গাছ। তবে চেরাপুঞ্জি বিখ্যাত তার বর্ষণের জন্য। শুধু বৃস্টি নয় এখানে রয়েছে চোখ জড়ানো ঝর্ণা ও রহস্যময় গুহা। চেরাপুঞ্জিতেই রয়েছে বোরহিল ওয়াটারফলস ,উমক্রেম ওয়াটারফলস,এলিফেন্ট ওয়াটারফলস,সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস,ওয়াকাবা ওয়াটারফল,নোহকালাইকাই ওয়াটারফল সহ আরোয়া কেইভ এন্ড ভিউ প​য়েন্ট দেখার জন্য মাউন্টেইন ভিউ। 

🍁এলিফেন্ট ওয়াটারফলস: এলিফেন্ট ওয়াটারফলস বা হস্তী ওয়াটার ফলস মেঘালয়ের একটি বিখ্যাত আকর্ষণ গুলোর একটি। জলপ্রপাতের কাছে হাতির মতোই দেখতে একটি পাথর থাকার কারণে এই জলপ্রপাতের নাম এলিফেন্ট ওয়াটারফলস হয়। দুঃখজনক বিষয় হলো একটি বড় ভুমিকম্পের কারণে এই পাথরটি এখন র দেখা যাই না। কিন্তু এই জলপ্রপাত তার নিজস্ব সৌন্দর্যে পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস: নোহসনিথিয়াং জলপ্রপাত বা মাওসমাই জলপ্রপাত নামেও পরিচিত।সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস হল ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পাহাড় জেলার মাওসমাই গ্রামের 1 কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সাত-স্তরের জলপ্রপাত । জলটি 315 মিটার (1,033 ফুট) উচ্চতা থেকে পড়ে এবং এর গড় প্রস্থ 70 মিটার (230 ফুট)।
এই জলপ্রপাতটি সাতটি ভাগে অপূর্ব ভাবে পরে বলে মূলত এটিকে সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল বলে। এর এই নিদর্শন দেখতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষ অনেক দুরদূরান্ত থেকে ছুটে যায়।

🍁এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিংনং: এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গ্রাম” হিসেবে পরিচিত মাওলাইনং গ্রাম। World Cleanest Village বলা হয় এই গ্রাম কে। পর পর ২ বার এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন গ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ম্যাগাজিন থেকে। এখানকার গ্রাম গুলো খুবই সুন্দর ও গুছানো ,এবং এখানকার ডাস্টবিনগুলো ও খুব অদ্ভুত সুন্দর। ঘন নীল আকাশ,সবুজ গাছগাছালি ,হরেক রকম ফুল ও প্রজাপতির উড়াউড়ি এই গ্রামের প্রতি মানুষকে আকর্ষিত করে।

🍁লিভিং রুট ব্রীজ:

লিভিং রুট ব্রিজগুলি হল এক ধরনের গাছের আকৃতি যেখানে নদীগুলি ফিকাস উদ্ভিদের শিকড় থেকে গঠিত স্থাপত্য দ্বারা বিস্তৃত । জীবন্ত গাছের মাদ্ধমেই সাধারণত এই ব্রিজ গুলি তৈরী হৈয়ে থাকে। খাসিয়ারা জানে না কবে বা কিভাবে জীবন্ত রুট ব্রিজের ঐতিহ্য শুরু হয়েছিল । খাসি পৌরাণিক কাহিনীতে বর্ণিত , তাদের পূর্বপুরুষরা একটি জীবন্ত শিকড় থেকে নেমে এসেছেন যা স্বর্গ ও পৃথিবীকে সংযুক্ত করেছে। ব্রিজ গুলো যেহেতু প্রাকৃতিক ভাবে ও জীবন্ত গাছের মাদ্ধমে তৈরী তাই এটি খুব সহজেই পর্যটক দের অত্যাশ্চর্য করতে সহযোগিতা করে।

 

মেঘালয় ভ্রমণের সময়

পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে। আর এই বৃষ্টিতে মেঘালয়ের ঝর্ণাগুলো ও দারুন রূপে নিজেদের প্রকাশ করে। তাই এখানে উঁচু পাহাড়ের বুকে ঝর্ণার শব্দ শুনার জন্য বর্ষাকাল শ্রেষ্ঠ সময়। তাই মে থেকে অক্টোবর সাধারণত পর্যটক রা এখানে ভিড় করে। তবে এখানে শীত বর্ষা যেকোনো সিজনেই মেঘালয়ের ভিন্ন ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।

মেঘালয় কীভাবে যাবেন?

সড়ক পথে মেঘালয় ভ্রমণ তুলনামূলক কম খরচ হয়। বাসে করে সরাসরি শিলং যাওয়া যায়. আবার চাইলে ট্রেন,বিমানে করে সিলেট গিয়ে সেখান থেকে সিএনজি করে তামাবিল গিয়ে ইমিগ্র্যাশন শেষ করে ডাউকি থেকে ট্যাক্সি বা লোকাল গাড়িতে শিলং যাওয়া যায়।

মেঘালয় কোথায় থাকবেন

মেঘালয়ে পর্যটকদের বিপুল পরিমানে আনাগুনা থাকে। আর এই জন্যে এখানে অনেক ধরণের থাকার হোটেল ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে আপনি বিভিন্ন মানের ও দামের হোটেল পেয়ে যাবেন। পুলিশ বাজার এ অসংখ্য হোটেল পাওয়া যায় ,থ্রি ষ্টার ,ফোর ষ্টার মানের হোটেল থেকে সুর করে ব্যাগ প্যাকার্স দের জন্য বাজেট ফ্রেন্ডলি হোটেল সব কিছুর ই ব্যবস্থা আছে।

মেঘালয় খাবার ব্যবস্থা

হিন্দু রাষ্ট্র হওয়ায় এখানে তেমন একটাগরুর গোস্ত দেখা যায় না বললেই চলে। শিলং এর রেস্তোরা গুলোতে শুকরের গোস্ত ও মুরগির গোস্ত বেশি পাওয়া যায়। পুলিশ বাজার জামে মসজিদের পাশে একটি মুসলিম রেস্তোরা রয়েছে যেখানে হালাল গরুর গোস্ত পাওয়া যায়। তবে এখানে ভিন্ন কিছু ট্রাই করতে উপজাতিদের খাবার গুলো দেখতে পারেন। এখানে বিভিন্ন ধরণের রেস্টুরেন্ট ও এভেইলেবল রয়েছে।

💠মেঘালয় ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

প্রথম দিন  রাতের বাসে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্য রওনা করবো।

  দ্বিতীয় দিন ভোরে সিলেট নেমে ফ্রেশ হয়ে চলে যাব তামাবিল বর্ডারে।এরপর কাস্টমস ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে সকাল সাড়ে ১০ টা ১১ টার মধ্যে বর্ডার ক্রস করে চলে যাব ডাউকি।এরপর একে একে বোরহিল ওয়াটারফলস,এলিফেন্ট ওয়াটারফলস ঘুরে শিলং চলে আসবো।রাতে শিলং থাকবো।

তৃতীয় দিন এর গন্তব্য মেঘাল​য়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান চেরাপুঞ্জি।যাওয়ার পথে আমরা দেখব  মেঘাল​য়ের অন্যতম আকর্ষণ সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলস,ওয়াকাবা ওয়াটারফল,নোহকালাইকাই ওয়াটারফল সহ আরো অনেক গুলো ঝর্ণা ও ভিউ প​য়েন্ট​।এদিন রাত টা চেরাপুঞ্জিতে কাটিয়ে দিবো।

চতুর্থ দিন সকালের নাস্তা করে হোটেল থেকে চেক আউট করে আমরা রওনা করবো শিলং এর উদ্দেশ্যে।পথে গাড়ি থামিয়ে আমরা দেখে নিবো লিভিং রুট ব্রীজ,এশিয়ার সব থেকে পরিষ্কার গ্রাম মাওলিং ভিলেজ ,ক্রাংসুরি ওয়াটারফলস সহ  আরো অনেক গুলো ভিউ প​য়েন্ট​। এদিন রাতে শিলং থাকবো।

পঞ্চম দিন ব্রেকফাস্ট করে স্বচ্ছপানির উমঘট রিভার ঘুরে  চলে আসবো বাংলাদেশ বর্ডারে।ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে দুপুরের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করবো।এরপর সিলেট থেকে বিকেলের বাসে রওনা দিয়ে রাত ১০ টার মধ্যে ঢাকা থাকবো ইনশাআল্লাহ্।

 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠ভ্রমন খরচ:

 

জনপ্রতি ১৫,৫০০টাকা(নন এসি বাস +শেয়ারিং ।ফ্যামিলি রুম)

 জনপ্রতি ১৭,০০০টাকা(এসি বাস +শেয়ারিং ।ফ্যামিলি রুম)

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৩২,৫০০টাকা(ঢাকা-সিলেট নন এসি বাস​)

প্রতি কাপল: ৩৫,০০০টাকা(ঢাকা-সিলেট এসি বাস​)

 

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

মেঘালয়   ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -সিলেট -ঢাকা বাস টিকিট,বাংলাদেশ ভারত অভ্যন্তরিন ট্রান্সপোর্ট সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত বাস​,সিলেট থেকে বর্ডার পর্যন্ত লেগুনা এবং ইন্ডিয়ান অংশে সুমো বা সেভেন সিস্টার কার​।

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠ভারত থাকাকালীন প্রতিদিন ব্রেকফাস্ট 

💠সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔মেঘালয়   ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে না

 

💠ভ্রমণ চলাকালীন কোনো লাঞ্চ বা ডিনার​

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

 

কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠ভিসায় পোর্ট ডাউকি হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় ডাউকি না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

 

রাঙ্গামাটি ভ্রমণ বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

রাঙ্গামাটি ভ্রমণ বিস্তারিত

রাঙ্গামাটি

আঁকা বাঁকা পথের সাথে সুউচ্চ পাহাড় আর সুবিশাল জলরাশি যেনো চোখ ফেরাতে দেয়না রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে। নিস্তব্ধতার এক পাহাড় আর পানি অবারিত নীল জলের কাপ্তাই লেক যেনো রাঙ্গামাটিকে দিয়েছে অপরূপ এক রূপ। স্বচ্ছ জলের বুকে ভেসে পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে চলে যান রাঙ্গামাটির পথে। চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রাঙ্গামাটি জেলা।এই রূপে মুগ্ধ হতে এবারে Sports Tourism Bangladesh যাবে প্রকৃতির রানী রাঙ্গামাটি তে।

 

💠রাঙ্গামাটি যেসব জায়গা আপনাকে মুগ্ধ করবে

রূপের রানী রাঙামাটির প্রতিটি জায়গা ই আপনাকে মুগ্ধ করবে তার সৌন্দর্যে।

-কাপ্তাই লেক: বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত কাপ্তাই লেক বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃত্রিম লেক। এই লেক টি তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যে রাঙামাটির অনেকাংশ কে আবির্ভুত করে রেখেছে। কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ১৯৫৬ সালে কর্ণফুলি নদীর উপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হলে রাঙামাটি জেলার ৫৪ হাজার একর কৃষি জমি ডুবে যায় এবং এ হ্রদের সৃষ্টি হয়।
এই কাপ্তাই লেক কে ঘিরেই মূলত রাঙামাটির পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছে। রাঙামাটির ঝুলন্ত ব্রিজ থেকে শুরু করে রাজবন বিহার ,শুভলং ঝর্ণা সবটায় কাপ্তাই লেক কে ঘিরে। কাপ্তাই লেক এ বোটে করে রাঙামাটির সবগুলো পর্যটন এলাকায় ঘুরে যায়।

 

-শুভলং ঝর্ণা:শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত উঁচু পাহাড়ি ঝর্ণা।এই ঝর্ণা বর্ষায় তার আসল রূপ ফিরে পায়। শুভলং ঝর্ণাটি কাপ্তাই লেকের কোল ঘেঁষে অবস্থা করে। বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আঁছড়ে পড়ে কাপ্তাই হ্রদের জলে গিয়ে মিশে যায়। শুভলং ঝর্ণায় পর্যটক দেড় টিকেট কেটে প্রবেশ করতে হয়।

–  ঝুলন্ত ব্রিজ: 

PC:VromonBuzz

ছোট বেলা থেকেই ক্যালেন্ডারের পাতায় ঝুলন্ত সেতুর ছবি দেখেননি খুব কম মানুষ ই আছে। রাঙামাটি জেলার ল্যান্ডমার্ক আইকন হচ্ছে ঝুলন্ত সেতু। কাপ্তাই হ্রদের উপর নির্মিত এই ৩৩৫ ফুট লম্বা ঝুলন্ত ব্রিজ ‘সিম্বল অফ রাঙ্গামাটি’ হিসাবে খ্যাত।পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স এর পাশেই এই সেতুর অবস্থান। ২ দিকের ২ টি নয়ানিভিরাম পাহাড়কে জুড়ে দিয়েছে এই ঝুলন্ত সেতু। ঝুলন্ত সেতুর ওপারে পাহাড়িদের গ্রাম রয়েছে যেখানে তারা খুব সুন্দর পাহাড়ি বাজার নিয়ে বসে। সেখানে পাহাড়িদের নিজেদের ঐতিহ্য বাহী অনেক জিনিস পাওয়া যায়।

 

নেভী ক্যাম্প: কাপ্তাই নেভী ক্যাম্প খুব ই সুন্দর ও সবুজে ঘেরা একটি পর্যটন স্থান যা নৌবাহিনীদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরী করা। অসম্ভব সুন্দর ও মনোরম এই নেভি ক্যাম্পটি। এখানে নৌ যুগে অথবা গাড়িতে করেও যাওয়া যায়। পাহাড়ের উঁচু নিচু রাস্তা র কাপ্তাই লেক এর সৌন্দর্যে মন্ডিত এই নেভি ক্যাম্প। 

পলওয়েল পার্ক:রাঙামাটি জেলা পুলিশ এর তত্ত্বাবধানে কাপ্তাই লেকের কোল ঘেঁষে পলওয়েল পার্ক টি তৈরী করা। এখানে রয়েছে খুবই সুন্দর একটি পার্ক, একটু ছোট ঝুলন্ত ব্রিজ , পলওয়েল রিসোর্ট,লাভ লক পয়েন্ট এবং পিকনিক স্পট সহ আরো অনেক বিনোদন এর ব্যবস্থা । পলওয়েল এ বসে সোন্দর সূর্যোদয় দেখতে অনেক ভালো লাগে।  

-রাজবন বিহার: রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত।প্রতিবছর পূর্ণিমা তিথিতে রাজবন বিহারে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এখানে প্রতিবছর অনেক বোরো করে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উৎসব পালন করা হয়। রাজবন বিহার বাংলাদেশের অন্যতম বৌদ্ধ তীর্থ স্থান। পর্যটকদের বিহার চত্ত্বরে মাথায় টুপি, বোরকা কিংবা ঘোমটা এবং পায়ে সেন্ডেল, জুতা ইত্যাদি পরে প্রবেশ নিষেধ।

 

রাঙ্গামাটি কীভাবে যাবেন?

ঢাকা সায়েদাবাদ, কলাবাগান, ফকিরাপুল অথবা গাবতলি থেকে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, সেন্টমার্টিন পরিবহনের বাসে করে যেতে পারবেন রাঙ্গামাটি। সাধারণত সকাল ৭টা থেকে ৯টা এবং রাত ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে ঢাকা থেকে বিভিন্ন কোম্পানির বাস ছাড়ে।

রাঙ্গামাটি নৌ-ভ্রমণে যেতে চাইলে

সারাদিনের জন্য ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করতে হয়। নৌকার চালকই আপনাকে বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখাবে। চাইলে আলাদাভাবেও যেতে পারেন। খুব সকালে যাত্রা শুরু করাই ভালো। রাঙ্গামাটি রিজার্ভ বাজার এলাকা থেকে অথবা পর্যটন এলাকা থেকে ট্রলার রিজার্ভ করা যায়। এগুলোর ভাড়া আকার অনুযায়ী বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।

রাঙ্গামাটি কোথায় থাকবেন

রাঙ্গামাটি বেশ কিছু হোটেল মোটেল এবং হ্রদে ভাসমান হাউজ বোটে আপনি থাকতে পারেন।

রাঙ্গামাটি খাবার ব্যবস্থা 

রাঙামাটি জেলার প্রধান খাবার হলো পাহাড়ি মুরগির মাংস, গুই সাপের মাংস, পুঁইশাক,বুঝা শাখ, বাশ কোড়াল, ও ইত্যাদী এই খাবারগুলো এখানকার খুব জনপ্রিয় খাবার। এবং রাঙ্গামাটির সব থেকে বিখ্যাত খাবার হলো বাশ ভাত।
কাপ্তাই লেকের মাঝে অনেক গুলো পাহাড়ি রেস্টুরেন্ট আছে ,সেগুলো তে পাহাড়ি খাবার সহ বাঙালি খাবার ও পাওয়া যায়। তবে এই রেস্টুরেন্ট গুলো তে অবশ্যই নৌকা যুগে যেতে হয়।

💠রাঙ্গামাটি ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা:

রাঙ্গামাটি তে সাধারণত ডে ট্যুরে ও যাওয়া যায় আবার চাইলে ২/৩ দিন হোটেলে বা হাউসবোটে ও থেকে রাঙামাটির অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।এখানে আমাদের একটি ডে ট্যুরের ভ্রমণ বিস্তারিত দেয়া হলো:

প্রথম দিন  রাতের বাসে করে রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

দ্বিতীয় দিন ভোরেই রাঙ্গামাটি পৌঁছে যাবো। আমরা গাড়ী থেকে নেমে নাস্তা করে বোটে উঠে যাবো। সকাল দুপুর পুরোটাই আমরা লেকে সহ শুভলং ঝর্ণা, ঝুলন্ত ব্রীজ এভাবে একে একে উল্লেখিত সবগুলো স্পট ঘুরবো। লেকে এবং ঝর্ণাতে ঝাপাঝাপি হবে ইচ্ছামত। পলওয়েল পার্কে কায়াকিং করবো। সন্ধ্যায় কাপ্তাই লেকে সূর্য ডুবা দেখতে দেখতে কাপ্তাইয়ের বুকে কিছুক্ষণ ভেসে থাকবো। নৌকা থেকে নেমে কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরি ও কেনাকাটা করে রাতের খাবার খেয়ে উঠে পড়বো বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে।

পরেরদিন সকালে ঢাকা থাকবো।

রাঙ্গামাটি ইভেন্ট খরচে যা যা অন্তর্ভুক্ত:

💠ঢাকা – রাঙ্গামাটি – ঢাকা বাস (নন এসি)

💠৩ বেলা খাবার

💠লেকে ঘুরার নৌকা ভাড়া

যা যা থাকছে না:

⭕ইভেন্ট খরচ ব্যতীত নিজের ব্যক্তিগত খরচ

⭕যেকোন এন্ট্রি ফি

⭕কায়াকিং ফি

⭕হাইওয়ে হোটেলের খাবার খরচ।

⭕কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে-

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

 

বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত 

বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ পিপাসুদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর Sports Tourism Bangladesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

দার্জিলিং হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি শহর ও পৌরসভা। দার্জিলিং হিমালয়ের শিবালিক পর্বতশ্রেণিতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬,৭০০ ফু (২,০৪২.২ মি) উচ্চতায় অবস্থিত।সুন্দর এই শহরের চারদিকে সবুজ চা বাগানে আবৃত পাহাড়। বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য ও ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের জন্য খ্যাত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।ঘুম রেলওয়ে স্টেশন দার্জিলিং এ অবস্থিত। দার্জিলিং হিমালয়ান রেল এই শহরকে সমতলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ভারতের যে অল্প কয়েকটি বাষ্পচালিত ইঞ্জিন এখনও কার্যকরী, তার মধ্যে কয়েকটি এই রেলের অন্তর্গত।বিশেষ করে একজন পাহাড় প্রেমীর কাছে দার্জিলিং ভ্রমন  সব থেকে প্রিয় ভ্রমন গল্প হতে পারে।

আমাদের আজকের বিষয় হলো বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত সম্পর্কে।

 

গন্তব্য :বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন 

যাত্রার তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত  খরচ:

জনপ্রতি ১৪,৯৯৯টাকা(ট্রেন +শেয়ারিং /ফ্যামিলি রুম)

 💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৩৫,০০০টাকা

 

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর স্থান সমূহ :

অপূর্ব সুন্দর ভ্রমণ স্থান হলো দার্জিলিং ভ্রমন। দার্জিলিং শহরের পুরোটাই ঘুরার জন্য উপযোক্ত। এর মধ্যে কিছু বিশেষ জায়গা রয়েছে। যেমনঃ

🍁দার্জিলিং 🍁টাইগার হিল 🍁ঘুম মনেস্ট্রি 🍁রক গার্ডেন 🍁রোপওয়ে 🍁মিরিক 🍁টি গার্ডেন /মল রোড 🍁হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট 🍁তেনজিং রক 🍁জাপানিজ টেম্পল 🍁জুওলজিক্যাল পার্ক

🍁দার্জিলিং: দার্জিলিংকে“পাহাড়ের রানী” নামে অভিহিত করা হয়। কেনোইবা করা হবে না ,এতো সুন্দর র বড় বড় পাহাড়ের অবস্থান এখানে। আকাশের উপরে চকচকে মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা ঘূর্ণায়মান পাহাড়গুলির মধ্যে অবস্থিত। যারা প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে চায় তাদের জন্য একটি নিখুঁত প্রবেশদ্বার হলো এই দার্জিলিং। অপূর্ব রূপের মহিমা নিয়ে এই দার্জিলিং।যে কেউ এর প্রেমে পড়তে বাধ্য।

🍁টাইগার হিল:টাইগার হিল জায়গাটি দার্জিলিং শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দার্জিলিং শহর থেকে এখানে জীপে করে যাওয়া যায়। এই জায়গাটি হল ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের উচ্চতম স্টেশন ঘুম শহরের সর্বোচ্চ বিন্দু। এখান থেকে মাউন্ট এভারেস্ট ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত-এর বিস্তারিত দৃশ্যপট খুব সহজেই উপভোগ করা যায়।টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়ের অপূর্ব দৃশ্য অবলোকন করা যায়।

🍁ঘুম মনেস্ট্রি: ওল্ড ঘূম মনাস্ট্রি ইগা চোয়েলিংয়ের জনপ্রিয় নাম। মঠটি গেলুকপা বা হলুদ হাট সম্প্রদায়ের অন্তর্গত এবং এটি মৈত্রেয় বুদ্ধের 15 ফুট (4.6 মিটার)-উচ্চ মূর্তির জন্য পরিচিত। ভবনটির বাহ্যিক কাঠামো 1850 সালে মঙ্গোলিয়ান জ্যোতিষী এবং সন্ন্যাসী সোকপো শেরাব গিয়াতসো দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যিনি 1905 সাল পর্যন্ত মঠের প্রধান ছিলেন।

🍁রক গার্ডেন:দার্জিলিং থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬.২ মা) দূরে রক গার্ডেন অবস্থিত।এটি দার্জিলিং এর অন্যতম একটি পর্যটন স্থান। ঘুম স্টেশনের পূর্বে ডানদিকে মোড় নিয়ে রক গার্ডেন যাওয়া যায়। রক গার্ডেনে অন্যতম বৈশিষ্ট্য পথের পার্শ্ববর্তী সৌন্দর্যস্থল যা কীনা বেশ খানিকটা কংক্রিট দিয়ে নির্মিত এবং চার দিকে অনেক ফুলের বাগান।

🍁রোপওয়ে: দার্জিলিং রোপওয়ে হল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং-এর একটি রোপওয়ে পরিবহন ব্যবস্থা। এটি দার্জিলিং ও সিংলাবাজার এর মধ্যে পরিসেবা প্রদান করে। এই রোপওয়ে পরিবহন দার্জিলিং-এর পর্যটন ক্ষেত্রে এক অন্যতম আকর্ষণ।দার্জিলিং ভ্রমণের পর্যটকগণ অবশ্যই এই রোপওয়ে তে ভ্রমণ করে থাকে। রোপওয়েতে যাত্রা দার্জিলিং এর চারপাশের পাহাড় এবং উপত্যকার সুন্দর দৃশ্য গুলো দেখায়।

🍁মিরিক:মিরিক দার্জিলিং এ অবস্থিত ছবির মতো সুন্দর একটি পর্যটন স্থান । মিরিক নামটি এসেছে লেপচা কথা মির-ইওক থেকে যার অর্থ “অগ্নিদগ্ধ স্থান”।মিরিক তার নিজস্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আবহাওয়ার দ্বারা পর্যটকদের তার নিজের কাছে টানে। সুমেন্দু লেক মিরিকের প্রধান আকর্ষণ এর একদিক বাগান এবং অন্যদিক পাইন জঙ্গল দিয়ে ঘেরা। পায়ে হাঁটা খিলান সাঁকো ইন্দ্রেনি পুল এদের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরী করেছে। লেকটিকে ঘিরে থাকা সাড়ে তিন কিমি লম্বা রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে সূদূর দিগন্তে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ ভ্রমণার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। লেকের জলে নৌকাবিহার এবং টাট্টু ঘোড়ায় চেপে লেকের চারপাশ প্রদক্ষিণ করায় আছে এক অনাবিল আনন্দ।

🍁হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট: পর্বতারোহণকে প্রোৎসাহন দেবার জন্য মূলত হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহ্‌রুর উদ্দীপনায় তৈরী করা হয়। এই ইনস্টিটিউটে নিয়মিত এডভেঞ্চার , বেসিক এবং উন্নত মাউন্টেনিয়ারিং কোর্সগুলি সঞ্চালন করা হয়।

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর প্রথম দিন  রাতে  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে ট্রেনে উঠে রওনা দিবো।  দ্বিতীয় দিন ভোরে স্টেশন পৌঁছে জীপে দার্জিলিং উদ্দেশ্যে রওনা করবো।এবং হোটেলে উঠে রেস্ট নিবো 

তৃতীয় দিন: সকালে নাস্তা শেষে রিজার্ভ জীপে আমরা একে এক করে হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, রক গার্ডেন, জুওলজিক্যাল পার্ক, রোপওয়ে,তেনজিং রক,চা বাগান, জাপানিজ টেম্পল ঘুরে দেখবো।

চতুর্থ দিন: ভোর চারটায় হোটেল থেকে বের হয়ে চলে যাবো টাইগার হিল। ওখান থেকে দেখবো পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘার গায়ে সূর্যোদয়। তারপর একে একে বাতাসিয়া লুপ,ঘুম মনেস্ট্রি, ঘুম ইস্টিশন দেখব।১০ টার মধ্যে আমাদের ঘুরাঘুরি শেষ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। এরপর দিনের বাকিটা সময় পার্সোনাল টাইম।কেউ চাইলে শপিং করতে পারেন। 

পঞ্চম দিন: ব্রেকফাস্ট শেষে রওনা করবো মিরিক এর উদ্দেশ্যে।হিমালয় কোল ঘেঁষে পাহাড়ি শহর মিরিক এর সৌন্দর্য উপভোগ করে আমরা দুপুরের মধ্যে চলে আসবো শিলিগুড়ি।  শিলিগুড়ি তে লাঞ্চ শেষে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

ষষ্ঠ দিন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশে থাকবো।

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর কনফার্ম করার ডেডলাইন :

যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

দার্জিলিং ভ্রমন প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -দার্জিলিং -ঢাকা ট্রেন টিকিট,জীপ সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠দার্জিলিং পৌছানোর পর প্রথম দিন রাতের খাবার থেকে শুরু করে আসার দিন দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠দার্জিলিং ভ্রমণ এর সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔দার্জিলিং ভ্রমন এ যা থাকছে না

 

💠ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার 

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর জন্য ভিসায় পোর্ট চ্যাংড়াবান্দা হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় চ্যাংড়াবান্দা না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে করা যাবে।

 

যোগাযোগ :  01820-109 109

 

সাজেক ভ্রমণ  বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

সাজেক ভ্রমণ  প্যাকেজ

মেঘের রাজ্য সাজেক।সাজেক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। চারপাশে মনোরম পাহাড় সারি,সাদা তুলোর মতো মেঘের ভ্যালি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। সাজেক এমনই আশ্চর্য্যজনক  জায়গা যেখানে  একই দিনের প্রকৃতির তিন রকম রূপের সান্নিধ্য পাবেন।কখনো খুব গরম,তারপর হয়তো হটাৎ বৃষ্টি তে ভিজে যাবেন কিংবা চোখের পলকেই মেঘের ঘন কুয়াশা চাদরে ঢেকে যাবে আপনার চারপাশ। প্রাকৃতিক নিসর্গ আর তুলোর মত মেঘের পাহাড় থেকে পাহাড়ে উড়াউড়ির খেলা দেখতে সাজেক আদর্শ জায়গা। আর Sports Tourism Bangladesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : সাজেক ভ্রমণ 

 

💠আমাদের কোন হিডেন চার্জ নেই। 

                                                                                                 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠সাজেক ভ্রমণ খরচ:

 

জনপ্রতি ৭০০০টাকা(নন এসি বাস, স্ট্যান্ডার্ড রুম)

 জনপ্রতি ৮৫০০টাকা (এসি বাস,প্রিমিয়াম রুম)

 

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ১৫,০০০টাকা (নন এসিবাস,স্ট্যান্ডার্ড কাপল রুম)

প্রতি কাপল:  ১৭৫০০ টাকা (এসি বাস,প্রিমিয়াম কাপল রুম)

💠সাজেক ভ্রমণ এর স্থান সমূহ :

🍁সাজেক ভ্যালি 🍁রিসাং ঝর্ণা  🍁 তারেং🍁 রুইলুই পাড়া🍁 কংলাক পাহাড়🍁 স্টোন গার্ডেন🍁 হ্যালিপেড🍁আলুটিলা গুহা 🍁ঝুলন্ত ব্রীজ 🍁আলুটিলা পাহাড়

🍁সাজেক ভ্যালি: সাজেক রুইলুইপাড়া, হামারিপাড়া এবং কংলাক পাড়া, এই তিনটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।সাজেক ভ্যালিকে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়। কারণ সাজেক ভ্যালি থেকে রাঙা,মাটির অনেকটা অংশই স্পষ্ট দেখা যাই। কর্ণফুলী নদী থেকে উদ্ভূত সাজেক নদী থেকে সাজেক ভ্যালির নাম এসেছে।সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া হচ্ছে কংলাক।

🍁রিসাং ঝর্ণা: রিসাং ঝর্ণা টি খাগড়াছড়ি জেলায় মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা গ্রামে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ঝর্ণা। তাই এই ঝর্ণা কে অনেকে সাপমারা ঝর্ণা ও বলে থাকে। ১০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে নিচে গড়িয়ে পড়ে ঝর্ণার জলধারা। পানির গতিপথ ঢালু হওয়ায় প্রাকৃতিক ওয়াটার স্লাইডিং-এর সৃষ্টি হয়েছে, যা এই ঝর্ণার প্রধান আর্কষণ।

 

🍁 তারেং:  ত্রিপুরা ভাষায় ‘তারেং’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘উঁচু পাহাড়’। তারেং একটি পর্যটন কেন্দ্র। তারেং এ বসে থেকেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন সারি সারি পাহাড় আর খাগড়াছড়ির বিকে বয়ে চলা চেঙ্গী নদী।

 

🍁 রুইলুই পাড়া:  রুইলুই পাড়ায় জুড়ে মেঘের আনাগুনা। ভোরবেলায় রুইলুই পাড়াময় মেঘ ভাসে। সড়ক থেকে ফাঁক গলিয়ে মেঘ দেখাটা আসলেই মজাদার। মেঘবালিকারা মাঝরাত থেকে দুপুরের আগ পর্যন্ত প্রচণ্ড রকমের খেলা খেলে। রুইলুই পাড়ায় রিসোর্ট এর ফাঁকে ফাঁকে লাল সাদা ফুলের মাঝে মধ্যে ই মেঘ দেখা যাই

 

🍁 কংলাক পাহাড়:কংলাক পাহাড় বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি সাজেক ভ্যালির সর্বোচ্চ চূড়া। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা প্রায় ১৮০০ ফুট।চারদিকে সবুজ পাহাড় আর পাহাড়ের সঙ্গে মেঘের লুকোচুরি, কংলাক পাহাড়কে সাজেকের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করেছে।

 

🍁 স্টোন গার্ডেন:স্টোন গার্ডেন সাজেক ভ্যালির অন্যতম সুন্দর একটি জায়গা ।এখান থেকে দাড়িয়ে পর্যটকরা নিচে তাকালে পাহাড়ের অসাধারণ ভয়ংকর সৌন্দর্য উপভোগ করে।ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য মনে হয় একেই বলে।

 

🍁 হ্যালিপেড: সাজেকের হ্যালিপেড থেকে পুরো সাজেকের অসম্ভব সুন্দর ভিউ দেখা যায়। আপনারা চাইলে সাজেক কম সময়ে হেলিকপ্টারে করেও যেতে পারবেন সহজে। এখানে এসে সূর্যাস্ত দেখতে কিন্তু ভালোই লাগে

 

🍁আলুটিলা গুহা: এই গুহাটি খুবই অন্ধকার ও শীতল। কোন প্রকার সূর্যের আলো প্রবেশ করে না বলে টর্চের আলো বা মশাল নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়। সুড়ঙ্গের তলদেশ পিচ্ছিল এবং পাথুরে ও এর তলদেশে একটি ঝর্ণা প্রবহমান যেখানে অনেক শীতল পানি প্রবাহিত হয় । গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূ-গর্ভস্থ টানেলের মত যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট।মাঝে মধ্যে এর ভেতরে বাদুড়ের দেখা ও পাওয়া যায়।

 

🍁ঝুলন্ত ব্রীজ: আলুটিলা গুহা ছিল আলুটিলা পাহাড়ের একমাত্র সৌন্দর্য। কিন্তু বর্তমানে ঝুলন্ত সেতু, গোলচত্বর, নয়নাভিরাম হাঁটাপথ আর পাহাড়ে ধাপ কেটে তৈরি করা সিঁড়ি নিয়ে নতুন সাজে সেজেছে খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র। সেতু থেকে এখন পাহাড়ের অবিরাম সৌন্দর্য ও উপবাগ করা যাই।

 

🍁আলুটিলা পাহাড়: আলুটিলার পূর্বের নাম আরবারী পর্বত। এই পাহাড়ে অনেক বুনো আলু পাওয়া যেত এবং সেই আলু খেয়ে স্থানীয় মানুষ নিজেদের জীবন বাঁচিয়ে ছিল বলেই এই পাহাড়ের নাম আলুটিলা। আলুটিলা পাহাড় থেকে খাগড়াছড়ির গ্রামের দৃশ্য গুলো দেখতে খুবই সুন্দর। পাহাড়ে দাঁড়িয়ে মেঘের ছায়া পড়া সবুজ গ্রাম আর অভয়ারণ্য পর্যালোকন করা যায়। মনে অসম্ভব এক প্রশান্তি কাজ করে।

💠সাজেক ভ্রমণ এর পরিকল্পনা  :

সাজেক ভ্রমণ এর  জন্য

০দিনে রাতে কলাবাগান থেকে বাসে উঠে রওনা হবো খাগড়াছরির উদ্দেশ্যে।

 

প্রথম দিন সকালে খাগড়াছরিতে  বাস থেকে নেমে সকালের নাস্তা করে রিজার্ভ  চান্দের গাড়িতে করে রওনা করবো সাজেকের উদ্দেশ্যে।যাত্রাপথে পাহাড়ি রাস্তা ও জনপদের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পরিলোকন করতে করতে আমরা পৌঁছে যাবো আমাদের কাঙ্খিত গন্তব্য সাজেক ভ্যালি তে।দুপুরের মধ্যে সাজেক রিসোর্টে চেক ইন।

তারপর সারাদিন সাজেক আর তার আশেপাশের স্পট ভ্রমন এবং রাতে সাজেকে বার-বি-কিউ  ডিনার।

 দ্বিতীয় দিন সকালে নাস্তা শেষ করে মেঘের রাজ্য সাজেক থেকে রওনা করবো খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে।দুপুরের খাওয়ার শেষে,আমরা ঘুরে বেড়াবো রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, তারেং ও ঝুলন্ত ব্রিজ। সারাদিনের ভ্রমণ শেষে  সন্ধ্যায় খাগড়াছরিতে গ্রুপ ভিত্তিক রুমে ফ্রেশ হয়ে আমরা রাতের খাবার খাবো রাত ৮টায়। রাতের খাবার খেয়ে বাস স্ট্যান্ডে এসে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিবো ।

তৃতীয় দিন খুব সকালে আমরা ঢাকা থাকবো

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : সিট খালি থাকা সাপেক্ষে।

 

 🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ৫,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

খাবার:

সাজেক ভ্রমণ এর ১ম দিন 

সকালের নাস্তা: খিচুরি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম,চা 

দুপুরের খাবার : চিকেন, ভর্তা,ডাল,সবজি, ভাত

রাতের খাবার :বারবিকিউ /গ্রিলড চিকেন,পরোটা,সফট ড্রিংকস।

সাজেক ভ্রমণ এর দ্বিতীয় দিন 

সকালের নাস্তা :খিচুড়ি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম, চা

দুপুরের খাবার : সাজেকের ফেমাস ব্যাম্বু বিরিয়ানি

রাতের খাবার : খাগড়াছড়ির বিখয়াত মনটানায়

বিঃদ্রঃ অবশ্যই খাবারের মান মেইনটেইন করা হবে।

সাজেক ভ্রমণ প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -খাগড়াছড়ি   -ঢাকা বাস।

💠দুই দিনের রিজার্ভ জীপ

💠 সাজেক ভ্যালী রাত্রি যাপনের জন্য কটেজ

💠খাগড়াছড়ি পৌছানোর পর থেকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠খাগড়াছড়িতে ফ্রেশ হওয়ার জন্য হোটেল

⛔সাজেক ভ্রমণ প্যাকেজে যা থাকছে না

💠ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িতে যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার

💠এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না এমন কোন খরচ।

 

কনফার্ম করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে –

 

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ  থাকবে। 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে করা যাবে।সেক্ষেত্রে খরচ সহ পাঠাতে হবে 

যোগাযোগ :  01820-109 109

সাজেক ভ্রমণ ছাড়া আরো অনেক ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য পেতে আমাদের পেজ ও ভিজিট করতে পারেন। পেজ লিংক : https://www.facebook.com/sportstourismbd
অথবা কল করুন : 01820-109 109

বাংলাদেশিদের জন্য UAE ভিসা/সংযুক্ত আরব আমিরাতের টুরিস্ট ভিসা

বাংলাদেশিদের জন্য UAE ভিসা /সংযুক্ত আরব আমিরাতের টুরিস্ট ভিসা 

UAE ভিসা

ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের একবার হলেও আরব আমিরাতে ভ্রমণের স্বপ্ন বা ইচ্ছে থাকে। টুইন টাওয়ার , পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উঁচু দালান বুর্জ খলিফা ,অপূর্ব সুন্দর কৃত্রিম দ্বীপ ,উন্নত মানের সিটি কি নেই এখানে। সংযুক্ত আরব আমিরাত হলো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় অবস্থিত সাতটি স্বাধীন রাষ্ট্রের একটি ফেডারেশন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাতটি আমিরাতের নাম হল আবু ধাবি, আজমান, দুবাই, আল ফুজাইরাহ, রাআস আল খাইমাহ, আশ শারজাহ্ এবং উম্ম আল ক্বাইওয়াইন। আবু ধাবি শহর ফেডারেশনের রাজধানী ও দুবাই দেশের বৃহত্তম শহর।আমিরাতের শাসনকর্তার পদবী আমির।আরব আমিরাতে প্রাকৃতিক খনিজ তেল এর কারণে এখানকার অর্থনীতি স্থিতিশীল এবং জীবনযাত্রার মান বিশ্বের সর্বোচ্চগুলির একটি।মুসলিম বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রথম শীর্ষ দেশ। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩১তম দেশ।

তাই একবার হলেও আরব আমিরাতে ঘুরার ইচ্ছে সবার ই মনের সুপ্ত ইচ্ছে। কিভাবে UAE ভিসা  পাওয়া যাবে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে এখানে সবটাই জানানোর চেষ্টা করবো। 

UAE ভিসার প্রকারভেদ 

সাধারণত সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা কয়েক ধরণের হয়ে থাকে।সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো। 

ট্রানজিট ভিসা-৪৮ ঘন্টা: ট্রানজিট ভিসায় সর্বোচ্চ ৪৮ ঘন্টা সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেকোনো দেশে থাকতে পারবে। এই ভিসার সময় সম্প্রসারণযোগ্য নয়। ট্রানজিট ভিসার জন্য কোনো ফী প্রযোজ্য নয়। তবে এই ভিসা শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক এয়ারলাইন্স ইস্যু করতে পারে।

ট্রানজিট ভিসা-৯৬ ঘন্টা: এই ট্রানজিট ভিসায় সর্বোচ্চ ৯৬ ঘন্টা থাকতে পারবে। এবং এই ভিসার মেয়াদ বা সময় সম্প্রসারণযোগ্য নয়। এই ভিসার ক্ষেত্রে 50 AED বা প্রায় ১৬০০ টাকা ভিসা ফী দিতে হবে। এই ভিসা শুধু সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক এয়ারলাইন্স ইস্যু করতে পারে।

ট্রানজিট ভিসা-সিঙ্গেল এন্ট্রি : এই ভিসায় আগমনের তারিখ থেকে 30 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবে। সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসায় এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব। ভিসা ফী 20,000 টাকা (বীমা সহ) 

ট্যুরিস্ট ভিসা-মাল্টিপল এন্ট্রি : এই ভিসায় প্রথম প্রবেশ থেকে 30 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবে।ট্যুরিস্ট ভিসা মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব।ভিসা ফী ৩৫,000 টাকা (বীমা সহ)

ট্যুরিস্ট ভিসা-সিঙ্গেল এন্ট্রি : ট্যুরিস্ট ভিসা সিঙ্গেল এন্ট্রি  তে আগমনের তারিখ থেকে 60 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। ভিসা এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব। ভিসা ফী 20,000 টাকা (বীমা সহ)

ট্যুরিস্ট ভিসা-মাল্টিপল এন্ট্রি : এই ভিসায়  প্রথম এন্ট্রি থেকে 60 দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। এই ভিসা এক্সটেন্ডেবল এবং ভিসা পরিবর্তন সম্ভব।ভিসা ফী 40,000 টাকা (বীমা সহ) 

5 বছরের ভিসা – মাল্টিপল এন্ট্রি: এই ভিসায় প্রতি বছর 90 দিন থাকতে পারবেন। এটি এক্সটেন্ডেবল নয়। এই ভিসা ফী পরিবর্তনশীল। তাই সঠিক তথ্যের জন্য এবং মূল্যের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। 

বাংলাদেশ থেকে দুবাই, UAE ভিসা কিভাবে আবেদন করবেন?

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বল্পমেয়াদী ভিসার জন্য আবেদন করতে, বাংলাদেশ থেকে দুবাই ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট কি কি লাগবে তা এখানে রয়েছে।

    ১.আপনার পাসপোর্ট তথ্য পৃষ্ঠার একটি স্ক্যান কপি। আপনার ভ্রমণের সময় থেকে পাসপোর্টের বৈধতা অবশ্যই 6 মাস থাকতে হবে।

     ২.আপনার ভ্রমণ/ভিসার স্ক্যান করা পৃষ্ঠা

     ৩.একটি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ডিজিটাল ছবি। পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড  সাদা হতে হবে।

    ৪. বিজনেস কার্ড/ ভিজিটিং কার্ড

    ৫.দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য (যেমন, একটি 5 বছরের মাল্টিপল-এন্ট্রি UAE ভিসা), আপনাকে অবশ্যই আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ দেখাতে হবে ($4000-এর বেশি) এবং স্বাস্থ্য বীমা। আপনার কাছে না থাকলে আমরা স্বাস্থ্য বীমার ব্যবস্থা করতে পারি।

ভিসা 5 কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া করা হয়। যাইহোক, যদি আপনার জরুরী উদ্দেশ্য থাকে, আমরা আপনাকে জরুরি ফি দিয়ে 1-2 কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা ইস্যু করতে পারি।

বাংলাদেশ থেকে UAE ট্রানজিট ভিসা

দুবাই একটি ‘ট্রানজিট’ হাব!

বাংলাদেশী নাগরিকরা ট্রানজিট হাব হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় কোনো দেশে ভ্রমণ করতে পারেন এবং দেশে প্রবেশের জন্য ফ্লাইটের আগে ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত দুটি ভিন্ন ট্রানজিট ভিসা ইস্যু করে:

   * 48 ঘন্টা ট্রানজিট ভিসা

   * 96-ঘন্টা ট্রানজিট ভিসা

যদিও 48 ঘন্টার ট্রানজিট ভিসা বিনামূল্যে, 96 ঘন্টার ট্রানজিট ভিসার একটি ইস্যু ফি 50 AED রয়েছে৷ অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন, একবার 48 ঘন্টার ভিসা ইস্যু করা হলে, আপনি আর আপনার ভিসাকে 96 ঘন্টা পর্যন্ত বাড়াতে/পরিবর্তন করতে পারবেন না। সুতরাং, ভিসার জন্য আবেদন করার আগে আপনার পরিকল্পনা ঠিক করুন।

শুধুমাত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক এয়ারলাইন্স যাদের সাথে আপনি ভ্রমণ করেন তারাই ট্রানজিট ভিসার ব্যবস্থা করতে পারে। থার্ড-পার্টি এজেন্সিগুলিও ভিসা ইস্যু পরিচালনা করতে পারে, তবে এটি অবশ্যই একই এয়ারলাইনগুলির মাধ্যমে প্রক্রিয়া করা হবে যার সাথে আপনি ফ্লাইট করছেন৷

UAE ট্রানজিট ভিসা পেতে, আপনার নিম্নলিখিত ডকুমেন্ট গুলির প্রয়োজন:

 

     ১.কমপক্ষে 3 মাসের মেয়াদ সহ একটি বৈধ পাসপোর্ট (96 ঘন্টা ভিসার জন্য 6 মাস)

     ২.সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সহ একটি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট ছবি

     ৩.পরবর্তী গন্তব্যের জন্য অগ্রিম টিকিট। টিকিট নিশ্চিত করতে হবে এবং অর্থ প্রদান করতে হবে।

দুবাই ভিসার জন্য ফেরতযোগ্য আমানত

UAE ভিসার সবচেয়ে বড় বোঝা হল ফেরতযোগ্য জমার টাকা, যা ভিসার ধরনের উপর নির্ভর করে। পরিমাণ আনুমানিক. 3000 দিরহাম।

কিন্তু আপনি একবার সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে ফিরে গেলে, আপনি আপনার জমার টাকা ফেরত পাবেন।

এ ব্যপারে কোন সন্দেহ নেই.

এটি সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের নিয়ম যে কেউ আপনার পক্ষে বা স্পনসরদের জন্য ভিসার জন্য আবেদন করবে তাকে অবশ্যই একটি আমানত রাখতে হবে। আপনি যখন দেশ থেকে ফিরে আসবেন তখনই আপনি জমার টাকা ফেরত পেতে পারেন।

 

আপনি কি দুবাই ভিজিটর ভিসা নিয়ে কাজ করতে পারবেন?

আমরা ভিজিটর ভিসায় কাজ করার পরামর্শ দিই না।

যাইহোক, আপনি একজন পরিদর্শক হিসাবে আপনার থাকার সময় একটি কাজ খুঁজে পেতে পারেন। আপনি এমনকি ব্যবসার সুযোগ সন্ধান করতে পারেন। পরবর্তীতে আপনি বর্তমান ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সহজেই ভিসার ক্যাটাগরি কনভার্ট করতে পারবেন। আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে কাজ শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই একটি উপযুক্ত ভিসা এবং ওয়ার্ক পারমিট পেতে হবে।

তবে প্রথম সতর্কতা:

যদি বিনা অনুমতিতে কাজ করা হয়, তাহলে আপনাকে জরিমানা বা এমনকি নির্বাসনও দেওয়া হতে পারে।

ভিসা অনুমোদনের পর আপনি কখন সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশ করতে পারবেন ?

ভিসা অনুমোদনের পরের মুহুর্তে আপনি সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু প্রবেশের শেষ দিন হল অনুমোদনের 58 তম দিন (ভিসার অনুলিপিতে মুদ্রিত। আপনার প্রবেশের পরে, আপনার ভিসার ধরন বৈধ থাকার সময়কাল নির্ধারণ করবে।

এটি 30 দিনের জন্য বৈধ হলে, আপনাকে অবশ্যই 30 তম দিন বা তার আগে দেশ থেকে প্রস্থান করতে হবে।

ভ্রমণকারীরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের যেকোনো বন্দর/সীমান্ত থেকে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানের সময়, আপনি 7টি আমিরাতের যে কোনওটিতে থাকতে পারেন। কোন প্রকার সীমাবদ্ধতা নেই।

 

টাঙ্গুয়ার হাওড় 

টাঙ্গুয়ার হাওড় 

টাঙ্গুয়ার হাওড় বাংলাদেশের সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় ১২৬ বর্গ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে বিস্তৃত। এই হাওড় টি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। যত দূর চোখ যায় শুধু পানি আর পানি যেন এক বিশাল সমুদ্র আর মাঝে ডুবে থাকা গ্রামগুলো যেন সমুদ্রের মাঝে ছোট্ট ছোট্ট দ্বীপ। স্থানীয় লোকজনের কাছে টাঙ্গুয়ার হাওড় টি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত।বর্ষায় এখানে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যেতে নৌকার প্রয়োজন হয়। 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এর অবস্থান ও পরিচিতি

টাঙ্গুয়ার হাওড় সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে প্রায় ৩০টির ও বেশি ঝর্ণা এসে মিশেছে টাঙ্গুয়ার হাওড়ে। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান হিসাবে পরিচয়, প্রথমটি সুন্দরবন।২০০০ সালে এটিকে প্রথম রামসার স্থান  হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওড়ের সমন্বয়ে ১২,৬৬৫ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি। পানিবহুল মূল হাওর ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকি অংশ বসতি ও কৃষিজমি। হাওর এলাকার ভেতরে ও তীরে ৮৮টি গ্রাম আছে।

টাঙ্গুয়ার হাওড় পর্যটকদের কাছে অবশ্যয় দর্শনীয় একটি স্থান 

টাঙ্গুয়ার হাওড় ভ্রমণের উপযুক্ত সময় 

টাঙ্গুয়ার হাওড় বর্তমানে ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের কাছে সব থেকে পছন্দের একটি জায়গা। টাঙ্গুয়ার হাওড়ে ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে বর্ষাকাল। বর্ষাকালে হাওড়ের পানি বেড়ে ৩ গুন হয়ে যায় ,তাই এই সময় হাওড়ে নৌকা নিয়ে ঘুরতে অন্যরকম প্রশান্তি মেলে।তাই জুলাই থেকে অক্টোবর একদম উপযুক্ত সময় টাঙ্গুয়ার হাওড় ভ্রমণের। তবে শীত কালেও টাঙ্গুয়ার হাওড় এর ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ মিলে। শীতের অতিথি পাখিদের দেখার উদ্দেশ্যে মানুষজন টাঙ্গুয়ার হাওড় এ ভ্রমণে যায়। 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এর দর্শনীয় স্থানসমূহ 

 

একজন প্রকৃতি প্রেমী ও ভ্রমণপ্রেমীর জন্য পুরো টাঙ্গুয়ার হাওড়ই দর্শনীয় স্থান। চারদিকে এতো সৌন্দর্যে ভরপুর টাঙ্গুয়ার হাওড়।যেমন :

১.নীলাদ্রি লেক 

২.বারিক্কা টিলা 

৩.ওয়াচ টাওয়ার 

৪.শিমুল বাগান 

৫.সোয়াম্প ফরেস্ট 

৬.লাকমাছরা 

৭.জাদুকাটা নদী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

 

১.নীলাদ্রি লেক :শহীদ সিরাজ লেক (“নীলাদ্রি হ্রদ” বা “নীলাদ্রি লেক” নামেও পরিচিত) ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা বাংলাদেশের উপজেলা তাহিরপুরে অবস্থিত একটি হ্রদ।মুক্তিযুদ্ধের একজন শহীদ সিরাজুল ইসলামের নামানুসারে এই হ্রদের নামকরণ করা হয় শহীদ সিরাজ হ্রদ।

২.বারিক্কা টিলা : বারেক টিলা মূলত বড়গোপ টিলা হিসেবে পরিচিত। একপাশে বাংলাদেশের সীমান্ত অন্যপাশে ভারতের মেঘালয়,খাসিয়া পাহাড় 

৩.ওয়াচ টাওয়ার : ওয়াচ টাওয়ার থেকে পুরো টাঙ্গুয়ার হাওড় এর দৃশ্য পর্যালোকন করা যায়। এতো সুন্দর মনোরম দৃশ্য -দূরদূরান্তে পানি র সবুজ হিজল গাছ। 

৪.শিমুল বাগান : শিমুল বাগানের দৃশ্য দেখা দেয় ভিন্ন সিজনে ভিন্ন রূপে। শীত এবং বসন্তে পুরো শিমুল বাগান রক্ত বর্ণ ধারণ করে.চারদিকে লাল আর লাল ফুলে ভরা। আর বর্ষায় সবুজ অভয়ারণ্য। সেখানে ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়ানো যায়। 

৫.সোয়াম্প ফরেস্ট :টাঙ্গুয়ার হাওড় এ ছোট ছোট অনেক গুলো সোয়াম্প ফরেস্ট দেখা যায়। ভ্রমণ পিপাসুরা সেখানে পানিতে নেমে গোসল ও করে ,ছোট ছোট নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। 

৬.লাকমাছরা :লাকমাছরা অত্যন্ত সুন্দর একটি ঝর্ণা। 

৭.জাদুকাটা নদী: বারিক্কা টিলার পাশ দিয়েই বয়ে চলেছে খাসিয়া পাহাড় থেকে উৎপন্ন মায়ার নদী যাদুকাটা। বর্ষায় ভারতের পাহাড় হতে এ নদী দিয়ে নেমে আসে পাথর, বালু, কয়লা

পূর্ণিমার রাতে হাউসবোটে শুয়ে পূর্ণিমা উপভোগ করা অন্যরকম প্রশান্তি দেয় ,এখন থেকে সূর্যাস্ত ও দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। পানির ওপরে পর্যন্ত সূর্য। 

কিভাবে আসবেন

ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ : ঢাকার সায়েদাবাদ ,মহাখালী ,ফকিরাপুল থেকে সিলেট গামী বা সুনামগঞ্জ গামী অনেক বাস পাওয়া যায় ,যেগুলো প্রতিদিন ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। যেমন :এনা ,শ্যামলী,হানিফ,মামুন ইত্যাদি। ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৮০০ টাকা নন এসি। 

সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ: যারা সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ যেতে চান তারা কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড থেকে যেতে পারবেন। 

সুনামগঞ্জ থেকে টাঙ্গুয়ার হাওড় : সুনামগঞ্জ নেমে টাঙ্গুয়ার হাওর যাওয়ার অনেক গাড়ি পেয়ে যাবেন। যেতে সময় লাগবে দেড় থেকে দুই ঘন্টা। তাহিরপুর থেকে ছোট বড় অনেক নৌকা ও হাউসবোট পেয়ে যাবেন। 

রাতে থাকবেন কোথায় 

টাঙ্গুয়ার হাওরে সাধারণত রাতে থাকার জন্য তেমন কোনো বেবস্থা নেই। হাওরের মাঝখানে হাওর বিলাস নাম একটি কটেজ রয়েছে ,এছাড়া টেকের ঘটে একটি বোর্ডিং আছে। সাধারণত টাঙ্গুয়ার হাওরে সবাই হাউসবোট গুলোতেই থাকে। 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এর নৌকা ভাড়া 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এ নৌকা ভাড়া অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। এবং সেখানে অনেক ধরণের নৌকা আছে ভ্রমণ প্রেমীদের সুবিধার জন্য ,সাধারণ নৌকা থেকে শুরু করে হাউসবোট সব ই আছে। আবার এসব নৌকার ও কিছু বিষয় যেমন নৌকার সুযোগ সুবিধা ,কতদিনের জন্য ভাড়া নেয়া হবে, কি কি বেবস্থা থাকবে,খাওয়া দাবার কেমন বেবস্থা ,রুম এর সুবিধা কেমন ,ওয়াশরুম সুবিধা কেমন আরো অনেক কিছু। শুক্র শনিবার বাদের অন্যান্য দিনে এ সকল বোট এর খরচ অনেকটাই কম থাকে।  সাধারণত একেকটা বোটে ২ দিনের জন্য জনপ্রতি ৬০০০ থেকে শুরু করে ২০০০০ ও আছে। 

খাবার ব্যবস্থা 

টাঙ্গুয়ার হাওড় এ খাবার ব্যবস্থা খুবই ভালো। তাহিরপুরে কিছু  খাবারের দোকান আছে যেখানে খুবই স্বল্প টাকায় অনেক ভালো মানের খাবার পাওয়া যায়। হাওড়ের টাটকা মাছ ,শাক-সবজি,ভর্তা ,হাঁস ,মুরগি ইত্যাদি। আবার নৌকাতেও রান্নার ব্যবস্থা করা যায়। 

 

সর্বোপরি টাঙ্গুয়ার হাওর একটি অসম্ভব সুন্দর জায়গা। ভ্রমণের রস গ্রহণের জন্য ভ্রমণপ্রেমী হিসেবে আমাদের সকলের উচিত দর্শনীয় স্থান গুলো সবসময় পরিষ্কার পরিছন্ন রাখা। এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করা।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা

একজন ভ্রমণ প্রেমীর কাছে ভারত একটি অন্যতম ভ্রমণ গন্তব্য ,বিশেষ করে বাংলাদেশিদের জন্য। বাংলাদেশের প্রতিবেশী এলাকা হচ্ছে সৌন্দর্যে মন্ডিত ভারত। অপরূপ রূপে রূপান্তিত ভারত রাজ্য। ভারতের প্রতিটি প্রান্তর ই অন্যরকম সুন্দর। তাই বাংলাদেশিদের কাছে ভারত সব থেকে প্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। আর এই বিষয়টি ই মাথায় রেখে ভারত সরকার অনলাইনে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন করার সুযোগ রেখেছে। বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে কিছু নিয়ম কানুন ও ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়। 

বাংলাদেশে IVAC (Indian Visa Application Center) 

 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য  IVAC (Indian Visa Application Center) রয়েছে ৫ টি। সেগুলো হলো :

১.বাংলাদেশ-চট্টগ্রাম 

২.বাংলাদেশ-ঢাকা 

৩. বাংলাদেশ-খুলনা 

৪.বাংলাদেশ-রাজশাহী 

৫. বাংলাদেশ-সিলেট 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য  আপনি আপনার এরিয়ার IVAC সেন্টার এ গিয়ে ভিসা ফ্রম ও ডকুমেন্ট জমা দিতে পারেন। 

ভারতীয় ভিসার প্রকারভেদ 

সাধারণত ভারতীয় ভিসা কয়েক ধরণের হয়ে থাকে।যেমন :

১.ট্যুরিস্ট ভিসা 

২. মেডিকেল ভিসা 

৩. বিজনেস ভিসা 

৪.সাংবাদিক ভিসা 

৫.মিশনারী ভিসা 

৬.অফিসিয়াল ভিসা 

৭.ট্রানজিট ভিসা 

৮.ডিপ্লোম্যাটিক ভিসা 

ইত্যাদি। 

সাধারণত বেশির ভাগ মানুষ ৩ ধরণের ভিসা ই বেশি করে থাকে। 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য ৩ ধরণের ভিসা সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত দেয়া হলো :

১.ট্যুরিস্ট ভিসা :ভারতের সাংস্কৃতিক ,ঐতিহাসিক এবং প্রাকৃতিক আকর্ষণ পর্যবেক্ষণ ও উপভোগ এর জন্যই সাধারণত এই  ভিসা টি প্রদান করা হয়।  এই ভিসার মাদ্ধমে আপনি ভারতের যেকোনো পর্যটন স্থানে ভ্রমণ করতে পারবেন।

২. বিজনেস ভিসা :ব্যবসায়িক ভিসা ব্যবসা-সম্পর্কিত উদ্দেশ্যে ভারতে ভ্রমণ করা ব্যক্তিদের জন্য, যেমন সভা, সম্মেলন বা ব্যবসায়ের সুযোগ অন্বেষণের জন্য উদ্দেশ্যযুক্ত।

৩. মেডিকেল ভিসা: অনেকেই উন্নত মানের চিকিৎসার জন্য ভারতের কিছু জায়গায়  ভ্রমণ করে থাকেন ,যার জন্য তাদের একটি মেডিকেল ভিসার প্রয়োজন হয়। মেডিকেল ভিসায় রোগীর সমস্ত ডিটেল ,হসপিটালের ডিটেলস এইসব কিছু ইনক্লুড করতে হয় এবং সাথে একজন আটেন্ডেন্স ও নিতে হয়। 

 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া:

অনলাইনে সাধারণত ভারতীয় ট্যুরিস্ট ই-ভিসা, ভারতীয় বিজনেস ই-ভিসা, ভারতীয় মেডিকেল ই-ভিসা এবং ভারতীয় মেডিকেল অ্যাটেন্ডেন্ট ই-ভিসার জন্য নিবন্ধন করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা  অনলাইনে আবেদনের জন্য আপনাকে ভিসা আবেদনের একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে যার জন্য আপনার  কিছু কোয়ালিটি থাকতে হবে।  ইন্ডিয়ান ভিসা  আবেদন বা প্রসেসসিং এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের ফেসবুক পেজ : https://www.facebook.com/sportstourismbd

কল করতে : ০১৮২০-১০৯ ১০৯

অথবা আপনি নিজেই আবেদন ফরম টি পূরণ করতে পারেন। আবেদন করতে প্রবেশ করুন http://www.ivacbd.com/ এখানে। নির্ধারিত তথ্য পূরণ সাপেক্ষে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট 

১। মূল পাসপোর্ট: ভিসার আবেদন জমা করার তারিখের আগ থেকে সর্বনিন্ম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে। পাসপোর্টে অন্তত দু’টি সাদা পাতা থাকতে হবে। পাসপোর্টের অনুলিপি (দ্বিতীয় পৃষ্ঠা এবং তৃতীয় পৃষ্ঠা এবং বৈধতার মেয়াদ বাড়ানোর এনডোর্সমেন্ট, যদি থাকে) সংযুক্ত করতে হবে।

২। আবেদনপত্রের সঙ্গে সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।(যদি থাকে/হারিয়ে গেলে জিডি রিপোর্টসহ জমা দিতে হবে)

৩। একটি সদ্য তোলা (৩ মাসের বেশি পুরোনো নয়) ২x২ (৩৫০x৩৫০ পিক্সেল) সাইজের রঙিন ছবি যেনো পুরো মুখমন্ডল দেখা যায় এবং ছবির পিছনের অংশ সাদা হতে হবে।(অবশ্যই সাদা পোশাক পরিহিত ছবি দেয়া যাবে না)

৪। আবাসস্থলের প্রমাণপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিলের অনুলিপি।

৫। পেশার প্রমাণপত্র : চাকরিজীবি হলে চাকরিদাতার কাছ থেকে সনদ (NOC )। শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের অনুলিপি এবং ছুটির ছাড়পত্র সংযুক্ত করতে হবে, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবসরপ্রাপ্ত কাগজপত্র, বিজনেস ব্যক্তির বাণিজ্য সনদপত্র লাগবে এবং ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। 

৬। আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র: আবেদনকারীদের জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড অথবা সর্বশেষ ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের অনুলিপি দিতে হবে(৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট হলে বেশি ভালো হয় )যেখানে লাস্ট ব্যালান্স মিনিমাম ২০,০০০ টাকা থাকতে হবে। 

৭। আবেদনকারীকে অনলাইন এপ্লিকেশন ফরম এ দেওয়া নির্ধারিত স্থানে ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

৮। সাক্ষাতের দিন আবেদনপত্রের সঙ্গে অবশ্যই সব পুরোনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে; সব পুরোনো পাসপোর্ট ছাড়া আবেদনপত্র অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে।

৯। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে সব ধরনের ভারতীয় ভিসার সাক্ষাৎ ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হয়। তাই সরাসরি IVAC এ গিয়ে সাক্ষাৎ কার্য সম্পন্ন করতে হবে। 

অনলাইন নিবন্ধনের পর স্ব-শরীরে IVAC এ সাক্ষাৎ এর মাদ্ধমে ভিসা আবেদন ও ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আসতে হবে। 

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা ফি

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে কোন ভিসা ফি লাগবে না। তবে ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) হিসেবে ৮০০ টাকা প্রদান করতে হবে। যেটি অনলাইনে করা যায়। 

ভিসা ফী প্রদান করার জন্য  https://payment.ivacbd.com এই লিংকে প্রবেশ করবেন। এখানে প্রবেশ করে আপনি যে হাইকমিশন এ ভিসা আবেদন করেছেন সেটি নির্বাচন করুন। এখানে ওয়েবফাইল নাম্বার দিতে হবে। এরপর আবেদনের জন্য নির্ধারিত আইভ্যাক নির্বাচন করুন। আপনার ভিসা আবেদনের টাইপ নির্বাচন করুন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিন (যেমনঃ নাম, নাম্বার, ইমেইল আইডি)।

সব তথ্য পূরণ শেষে অনলাইনেই পেমেন্ট করা যাবে। পেমেন্ট করা যাবে ডেবিট, ক্রেডিট, ভিসা, মাস্টার্স কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস ডিবিএল নেক্সাস, কিউ ক্যাশ, ফাস্ট ক্যাশ, সিটি টাচ, ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, এসএমএস ব্যাংকিং, রকেট, বিকাশ, মাইক্যাশ, এমক্যাশ ও এবি থেকে টাকা প্রদান করা হবে।

 

আপনার ভিসা আবেদন ট্র্যাকিং

অনলাইন ট্র্যাকিং পোর্টাল অ্যাক্সেস

বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভিসা আবেদনের জন্য আপনার আবেদন জমা দেয়ার পর আপনি এর অগ্রগতি ট্র্যাকিং করতে পারবেন। এর অগ্রগতি ট্র্যাকিং করতে বা একসেস পেতে আপনি  প্রথমে IVAC ওয়েবসাইটে গিয়ে “ভিসা স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং” বিভাগে নেভিগেট করুন।আপনার অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বর লিখুন। “ট্র্যাক অ্যাপ্লিকেশন” বোতামটি ক্লিক করুন।

 

যেকোনো ধরণের ভ্রমণ সংক্রান্ত বিষয় ও ভিসা,এয়ার টিকেট এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে এবং ভিসিট করতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইট। সর্বোচ্চ সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে সেই প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ

বাংলাদেশী পাসপোর্টে শেনজেন ভিসা

বাংলাদেশী পাসপোর্টে শেনজেন ভিসায় ২৭+ দেশে ভিসা ফ্রি ভ্রমণ

শেঙ্গেন ভিসা বা শেনজেন ভিসা হলো সোনার হরিনের মতো।
শেঙ্গেন বা শেনজেন এর একটি ভিসা পাওয়া মানে ২৭+ দেশে ভিসা ফ্রি ভ্রমণ। প্রতিটি ভ্রমণ পিপাসু মানুষের স্বপ্ন থাকে একটি Shengen ভিসার। বাংলাদেশী পাসপোর্টে কিভাবে শেঙেন ভিসা বা শেনজেন ভিসা পাওয়া যাই তাই আজকের আলোচনা।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক শেনজেন এলাকা কী । Shengen এলাকা হল ইউরোপীয় দেশগুলির একটি গোষ্ঠী যার মধ্যে ভ্রমণকারীদের জন্য কোনও পাসপোর্ট বা ভিসার প্রয়োজনীয়তা নেই৷ অর্থাৎ শেনজেন তালিকা ভুক্ত যেকোনো একটি দেশের ভিসা আপনি পেয়ে গেলে বাকি দেশ গুলোতে ও ভিসা ছাড়াই ঘুরতে পারবেন। তার মানে বুঝতেই পারছেন একটি Shengen ভিসা পাওয়া মানে আপনার হাতে সোনার হরিণ পেয়ে যাওয়ার মতো।

তবে শেঙ্গেন ভিসা বা শেনজেন ভিসা পাওয়া টা একটু কঠিন ,তবে সব নিয়ম ও কাগজপত্র সঠিক থাকলে এই সোনার হরিণটি হতে পারে আপনার।

শেনজেন সদস্য রাষ্ট্র

শেনজেন দেশগুলির তালিকা হল : অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম , চেক প্রজাতন্ত্র , ডেনমার্ক , এস্তোনিয়া , ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স , জার্মানি , গ্রীস , হাঙ্গেরি , আইসল্যান্ড , ইতালি , লাটভিয়া, লিচেনস্টাইন, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা , নেদারল্যান্ডস , নরওয়ে পোর্টাল্যান্ড , পোর্টাকল্যান্ড , স্লোভেনিয়া, স্পেন , সুইডেন এবং সুইজারল্যান্ড ।
ক্রোয়েশিয়া শেনজেন তালিকায় একটি নতুন দেশ ।

50,000 কিমি দৈর্ঘ্য এবং 4,312,099 বর্গ কিমি ভূমি বেষ্টিত 419 মিলিয়ন নাগরিকের সাথে – সেনজেন জোন 80% জলাশয় এবং 20% ভূমি এলাকা নিয়ে গঠিত। এটি শত শত বিমানবন্দর এবং মেরিনা বন্দর এবং অনেক গ্রাউন্ড ক্রসিং নিয়ে গঠিত।
বর্তমানে শেনজেন এর 27টি দেশ রয়েছে এবং আরও অনেকগুলি শেনজেন সদস্য অঞ্চলের অনুমোদনের জন্য তালিকায় রয়েছে।

উপরন্তু, ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের বাইরে তাদের দূরবর্তী অবস্থান সত্ত্বেও আজোরস, মাদেইরা এবং ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ইইউ এবং শেনজেন জোনের অংশ।
রোমানিয়া, এবং বুলগেরিয়া -শীঘ্রই যোগ দিতে চাইছে।

মনে রাখবেন: মোনাকো, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি ভিসা-মুক্ত অঞ্চলের অংশ নয়। যাইহোক, তাদের সীমানা Schengen ভিসাধারীদের জন্য উন্মুক্ত।

সুতরাং, একবার আপনার শেনজেন ভিসা অনুমোদিত হলে আপনি এই দেশগুলিতে যেতে পারেন।

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার প্রকারভেদ

শেঙেন বা শেনজেন ভিসা সাধারণত অনেক ধরণের হয়ে থাকে। বাংলাদেশ থেকে শেনজেন এলাকা পরিদর্শনের কারণের উপর নির্ভর করে, আপনি এই ধরনের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন:

➣ট্রানজিট ভিসা
➣ট্রাভেল ভিসা
➣ভিসিট ভিসা
➣ব্যবসা ভিসা
➣সাংবাদিকদের জন্য ভিসা
➣সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য ভিসা
➣অফিসিয়াল ভিজিটের জন্য ভিসা
➣স্টাডি ভিসা
➣চিকিৎসার কারণে ভিসা

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসা ডকুমেন্টের প্রয়োজনীয়তা

প্রথমেই আমরা দেখে নিবো বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসার জন্য আমাদের কি কি ডকুমেন্ট লাগবে ?ডকুমেন্টগুলোকে ২ টি ভাগে ভাগ করবো।
*Compulsory Documents (যেটি অবশ্যই প্রয়োজনীয়)
*Supporting Documents(যেটি আপনার ফাইলটিকে শক্তিশালী করবে)

Compulsory Documents:

1.শেনজেন ভিসা আবেদনপত্র
2.পাসপোর্ট (নূন্যতম ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে,২ টি পেজ ফাঁকা থাকতে হবে)
3.পূর্বের কোনো পাসপোর্ট থাকলে সেটাও জমা দিতে হবে
4.শেনজেন ফটোগ্রাফ(সাইজ:৩৫mm*৪৫mm ১কপি)
5.কভার লেটার
6.ভ্রমণ ভ্রমণসূচী
7.ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স (৩০হাজার ইউরো)
8.অনুমোদিত বীমা কোম্পানি থেকে Schengen ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা।
9.ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট
10.এয়ারলাইন টিকিট যাত্রাপথ। প্রাথমিক বুকিং। একটি নিশ্চিত ক্রয় বাধ্যতামূলক নয়.
11.সিভিল ডকুমেন্টস (বিয়ের সার্টিফিকেট/শিশুর জন্ম সনদ/পাসপোর্ট কপি)
12.পুরো সময়ের জন্য হোটেল রিজার্ভেশন.
13.নিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য কর্মসংস্থান প্ৰশংসাপত্র
14.অনাপত্তি সার্টিফিকেট (এনওসি)
15.ব্যবসার মালিকদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স এবং অন্যান্য ব্যবসার নথি
16.ব্যক্তিগত আয়কর রিটার্ন সার্টিফিকেট/স্বীকৃতি কপি এবং গত 3 বছরের সার্টিফাইড অ্যাসেসমেন্ট কপি।
17.ব্যবসার মালিকদের জন্য কোম্পানির ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট

*Supporting Documents

১.এসোসিয়েশন মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট (ব্যবসায়ী হয়ে থাকলে এই সার্টিফিকেটটি খুবই কাজে দিবে )
২.TIN ,ইনকাম টেক্স সার্টিফিকেট ,রিটার্ন কপি / রিসিপ্টস (ট্রান্সলেটেড & নোটারিজড )
৩. FDR কপি
৪. ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট
৫.অ্যাসেট ভ্যালুয়েশন এফিডেভিট
৬.কার ওনারশিপ কপি
৭.মেম্বারশিপ অফ এনি রেনোয়ানড ক্লাব
৮.বেবি ,স্ত্রী NID ,প্যারেন্টস NID (ট্রান্সলেটেড & নোটারিজড )
৯.অন্নান্য ডকুমেন্ট

বাংলাদেশ থেকে শেনজেন ভিসা প্রসেসিং ফি সম্পর্কে

শেনজেন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ খরচ একাধিক কারণের উপর নির্ভর করে।

একটি সর্বজনীন শেনজেন ভিসা ফি 80 ইউরো। আপনি যদি এটিকে BDT-তে রূপান্তর করেন, বিনিময় হারের উপর নির্ভর করে, প্রায় 9500 BDT।

নাবালকদেরক্ষেত্রে :

ছয় থেকে বারো বছরের মধ্যে ছোট বাচ্চারা 40 ইউরোর একটি বিবেচিত ভিসা খরচ পাবে। ছয় বছরের কম বয়সীরা ভিসা ফি প্রদান থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত।

বায়োমেট্রিক এবং নথি প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রক্রিয়াকরণ/আবেদন কেন্দ্র (যেমন, ভিএফএস গ্লোবাল) থেকে অতিরিক্ত চার্জও রয়েছে। যার দাম 32000-42000 BDT এর মধ্যে। ভিএফএস গ্লোবাল সেন্টারে ভিআইপি পরিষেবাগুলি বেছে নেওয়ার জন্য আপনার আরও বেশি খরচ হবে, ভিএফএস গ্লোবাল সেন্টারের উপর নির্ভর করে।

এগুলো ছাড়াও… আপনার ভিসা প্রসেসিং খরচ আছে।

আমাদের শেনজেন ভিসা প্রসেসিং সার্ভিস চার্জ 12,000 টাকা। ডকুমেন্ট অনুবাদ এবং প্রস্তুতির জন্য আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হবে। যেহেতু Schengen-এর জন্য আপনাকে বাধ্যতামূলক ভ্রমণ বীমা ক্রয় করতে হবে, সেহেতু আপনি Schengen সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে কত দিন থাকতে চান তার উপর নির্ভর করে আপনার অতিরিক্ত BDT 1700-3000 খরচ হবে।

বাংলাদেশের সেরা শেনজেন ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভিসা ছাড়া বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮টি দেশে ভ্রমণ

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮ দেশে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন

আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন বাংলাদেশী পাসপোর্ট  নিয়ে বিদেশ ঘুরা একটু কঠিন। অনেক জায়গায় আমাদের ভিসা নেয়া লাগে।অনেক সময় দেখা যায় এই ভিসা নেয়ার ঝামেলা ঘুরার ঝামেলা থেকেও বেশি হয়। যেমন আপনি ভ্রমণে যাবেন ১/২ সপ্তাহের জন্য কিন্তু ভিসার জন্যই লেগে যাই ১ সপ্তাহ বা ১ মাসের ও বেশি সময় অনেক ক্ষেত্রে। তবে অনেকেই যেটা জানেনা বা অবগত না ,সেটা হচ্ছে বিশ্বের অনেক গুলো দেশ আছে যেখানে যেতে বাংলাদেশিদের ভিসা লাগে না ,বা On -Arrival ভিসা দিয়ে দেয়, অথবা আগে থেকে অনলাইনে ভিসা নেয়া যায় যেটা কে e-visa বলে। বাংলাদেশী পাসপোর্টে ৪৮ দেশে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন করা যায় 

 

আমাদের আজকের টপিকে খুব সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দেয়া হবে আপনি বাংলাদেশী পাসপোর্ট  নিয়ে কোন কোন দেশে যেতে পারবেন এবং কোন কোন দেশে যেতে পারবেন না। আজকের টপিক টি ৩ টি ভাগে লেখা হবে। 

১. কোন কোন দেশে  On -Arrival ভিসা  দেয়া হয় 

২.কোন কোন দেশে E -visa দেয়া হয়

৩. এমন অনেক দেশ আছে যেমন আমেরিকান ,ইউরোপিয়ান বা কানাডিয়ান (শেনজেন)ভিসা ইউজ করে ঐসব দেশ On -Arrival ভিসা  পাবেন। 

 

১. বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ কোন কোন দেশে  On -Arrival ভিসা  দেয়া হয়

আপনি যেই দেশে ভ্রমণ করবেন সেই দেশ গিয়ে আপনাকে দেখাতে হবে আপনার ফেরত যাওয়ার রিটার্ন টিকেট আছে ,আপনি ওই দেশে ফ্রট করে থাকতে যান নি ,আপনি নিজের দেশে আবার ব্যাক করবেন। আপনার ঐখানের হোটেল বুকিং ও দেখতে পারে। 

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ এদের মধ্যে বেশির ভাগ এ হচ্ছে এশিয়া ও ওশেনিয়া কন্টিনেন্ট। 

১. নেপাল 

২.ভুটান 

৩.মালদ্বীপ 

৪ শ্রীলংকা 

৫. ইন্দোনেশিয়া 

৬.টিমোর-লেস্তে 

৭.ফিজি 

৮.মাইক্রোনেশিয়া 

৯.সামোয়া 

১০. টুভালু 

১১. ভানুয়াটু

১২. ক্যারিবিয়ান 

 

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ -দক্ষিণ আমেরিকা  

১.জ্যামাইকা 

২.বাহামাস 

৩.হেইটি 

৪.গ্রেনাদা 

৫. সেন্ট কেট্স এন্ড  নেভিস 

৬.সেইন্ট ভিন্সেন্ট এন্ড গ্রেনেডাইন্স 

৭. বার্বাডোস 

৮. ডোমেনিকা 

৯. ট্রিনিডাড এন্ড টোবাগো 

বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ – আফ্রিকান 

১. রুয়ান্ডা 

২. উগান্ডা 

৩. মোরেতানিয়া 

৪. গাম্বিয়া 

৫. কোমোরোস 

৬. ম্যাডাগ্যাস্কার 

৭. সেচেলেস 

৮. কেপ ভার্দেস 

৯. মোজাম্বিক 

১০. গিনি বিসাও 

১১. টোগো  

২.বাংলাদেশী পাসপোর্টে ভিসা-ফ্রী ভ্রমন এ কোন কোন দেশে E -visa দেয়া হয় –

  E -visa এর জন্য আপনাকে আম্বাসি তে দৌড়াদৌড়ির ঝামেলা লাগবে না , শুধু অনলাইন এ একটি ফ্রম ফিলাপ করতে হবে। কিছু ডকুমেন্টস আপলোড করা লাগবে। 

 

তবে E-Visa এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন রকম রিকোয়ার্মেন্টস আছে। কিছু কিছু দেশে হয়তোবা অনলাইনে আপনার ডাইরেক্ট একটা পেমেন্ট করা লাগে।  আপনার পাসপোর্ট এর ছবি আপলোড করা লাগবে ,যা সব জায়গাতেই প্রয়োজন হয়। আরো কিছু ইনফরমেশন দেয়া লাগবে।  যেমন : 

আপনি ওই দেশে কবে যাচ্ছেন ,কেন যাচ্ছেন ,কি করছেন ,আইটিনারি কি ?সাধারণত দেয়া লাগে।  কিন্তু এতো কিছু দেয়া লাগলেও এটি একটি এম্বাসি যাওয়ার ঝামেলা থেকে অনেক সহজ। আপনার যদি এখন ৫দিন আপনার ইন্ডিয়া এম্বাসিতে যাওয়া লাগে  ইন্ডিয়া যাওয়ার জন্য ,তার চেয়ে মালয়েশিয়া অনলাইন আবেদন করা অনেক সহজ। 

E-Visa যেই যেই দেশে দেয়া হয় :

১.কেনিয়া 

২.লেসোথো 

৩.জিবুতি 

৪.আইভরি কোস্ট 

৫. ইথোপিয়া 

৬. গ্যাবন 

৭. জাম্বিয়া 

৮. জিম্বাবুয়ে 

৯. সাও তোমে প্রিন্সেপে 

১০. বেনিন 

১১. এন্টিগুয়া এন্ড বার্বাডোস 

১২. কাতার 

১৩. কিরগিস্তান 

১৪.উজবেকিস্তান 

১৫. মায়ানমার 

১৬. মালয়েশিয়া 

১৭. টার্কি 

৩. এমন অনেক দেশ আছে যেমন আমেরিকান ,ইউরোপিয়ান বা কানাডিয়ান (শেনজেন)ভিসা ইউজ করে ঐসব দেশ On -Arrival ভিসা  পাবেন:

অনেকেই আছে বাংলাদেশী -যারা আমেরিকায় ,কানাডা ,ইউরোপিয়ান কোনো দেশে ,অস্ট্রেলিয়া,নিউজিল্যান্ড এমন উন্নত দেশের ভিসা নিয়ে অনেক দেশেই অন-এরাইভাল ভিসা পেয়ে যেতে পারেন । 

কোন কোন দেশে যেতে পারবেন :

১.মেক্সিকো 

২.কোস্টারিকা 

৩. পেনামা 

৪. বেলি

৫. ডোমিনিকান রিপাবলিক 

৬. আরুবা 

৭.আলবেনিয়া 

৮.বসনিয়া এন্ড হারযেকবিনা 

৯. মন্টেনিগ্রো 

১০. সার্বিয়া এন্ড মেকেডোনিয়া বা মেসিডোনিয়া 

 

শেনজেন মাল্টিপল ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন :

১. ক্রোয়েশিয়া 

২. কসোভো 

৩. রোমানিয়া 

৪. বুলগেরিয়া 

৫. সাইপ্রাস 

 

আরো কয়েকটি টেরিটরি আছে যেগুলো আমাদের নিজেদের দেশ না যেখানে আপনি ইউএস  ভিসা কিংবা শেনজেন ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন। সেগুলো হচ্ছে : 

১.বারমুডা 

২.ব্রিটিশ ভার্জিং আইল্যান্ড 

৩.টার্কস এন্ড কাইকুস 

 

চাইনা তে যদি ২৪ ঘন্টার কম একটি লে -ওভার থাকে তাহলে আপনার ভিসা লাগবে না ট্রানসিট ভিসা দিয়ে ও আপনি ২৪ ঘন্টা ঘুরে বেড়াতে পারবেন। বেজিংয়ে 

 

ভিসা কি?

ভিসা কি?

ভিসা একটি অনুমতি পত্র যা একটি দেশ কোন বিদেশী নাগরিককে ঐ দেশে প্রবেশ ও অবস্থানের জন্য দিয়ে থাকে। ভিসা ছাড়া ভিন দেশে প্রবেশ ও অবস্থান অবৈধ অভিবাসন হিসাবে পরিগণিত। সাধারণত: পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পারমিটের কোন একটি পাতায় লিখে, সীল দিয়ে বা স্টিকার লাগিয়ে ভিসা প্রদান করা হয়। দেশের বিদেশস্থ দূতাবাসগুলি ভিসা দিয়ে থাকে। সাধারণত: ভিসা প্রদানের জন্য দূতাবাসে কনস্যুলার শাখা থাকে।

ভিসার প্রকারভেদ 

প্রতিটি দেশে সাধারণত বিভিন্ন নামে বিভিন্ন ধরণের ভিসা থাকে। ভিসার সবচেয়ে সাধারণ প্রকার এবং নামগুলির মধ্যে রয়েছে:

উদ্দেশ্য দ্বারা ভিসা

ট্রানজিট ভিসা

ইস্যু দেশের মধ্য দিয়ে সেই দেশের বাইরের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য। ট্রানজিট ভিসার বৈধতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদে সীমাবদ্ধ থাকে যেমন দেশের আকার বা একটি নির্দিষ্ট ট্রানজিট ভ্রমণপথের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে কয়েক ঘন্টা থেকে দশ দিন।

এয়ারসাইড ট্রানজিট ভিসা, পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণ না করেও কিছু দেশ তাদের বিমানবন্দর দিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়।

ক্রু সদস্য, স্টুয়ার্ড, বা ড্রাইভার ভিসা, বিমান, জাহাজ, ট্রেন, ট্রাক, বাস এবং আন্তর্জাতিক পরিবহনের অন্য কোনো উপায়ে বা আন্তর্জাতিক জলসীমায় মাছ ধরার জাহাজগুলিতে নিযুক্ত বা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জারি করা।

 

স্বল্পকালীন বা ভিজিটর ভিসা

পরিদর্শন দেশে সংক্ষিপ্ত পরিদর্শন জন্য. অনেক দেশ এই পরিদর্শনের জন্য বিভিন্ন কারণের মধ্যে পার্থক্য করে, যেমন:

ব্যক্তিগত ভিসা: পরিদর্শন করা দেশের বাসিন্দাদের আমন্ত্রণে ব্যক্তিগত পরিদর্শনের জন্য।

ট্যুরিস্ট ভিসা: অবসর ভ্রমণের সীমিত সময়ের জন্য, কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম অনুমোদিত নয়।

মেডিকেল ভিসা: পরিদর্শন করা দেশের হাসপাতাল বা অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধায় ডায়াগনস্টিকস বা চিকিত্সার কোর্স করার জন্য।

ব্যবসায়িক ভিসা: দেশে বাণিজ্যে জড়িত থাকার জন্য। এই ভিসাগুলি সাধারণত স্থায়ী কর্মসংস্থানকে বাধা দেয়, যার জন্য একটি কাজের ভিসার প্রয়োজন হবে।

ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা: কর্মরত ছুটির প্রোগ্রাম অফার করে এমন দেশগুলির মধ্যে ভ্রমণকারী ব্যক্তিদের জন্য, তরুণদের ভ্রমণের সময় অস্থায়ী কাজ করার অনুমতি দেয়।

অ্যাথলেটিক বা শৈল্পিক ভিসা: প্রতিযোগিতা, কনসার্ট, শো এবং অন্যান্য ইভেন্টে অভিনয়কারী ক্রীড়াবিদ এবং পারফর্মিং শিল্পী (এবং তাদের সহায়ক কর্মীদের) জারি করা হয়।

সাংস্কৃতিক বিনিময় ভিসা: সাধারণত ক্রীড়াবিদ এবং একটি সাংস্কৃতিক বিনিময় প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের জন্য জারি করা হয়।

উদ্বাস্তু ভিসা: নিপীড়ন, যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিপদ থেকে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের জারি করা।

তীর্থযাত্রা ভিসা: এই ধরনের ভিসা প্রধানত যারা ধর্মীয় গন্তব্যে যেতে এবং/অথবা বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইচ্ছুক তাদের জন্য জারি করা হয়। এই ধরনের ভিসা সাধারণত তুলনামূলকভাবে দ্রুত এবং কম খরচে পাওয়া যায়; যারা এগুলি ব্যবহার করে তাদের সাধারণত শুধুমাত্র একটি দল হিসাবে ভ্রমণ করার অনুমতি দেওয়া হয়। সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ সৌদি আরবের হজ ভিসা।

 

দীর্ঘস্থায়ী ভিসা

একটি নির্দিষ্ট সময়ের দীর্ঘমেয়াদী থাকার জন্য বৈধ ভিসা অন্তর্ভুক্ত:

স্টুডেন্ট ভিসা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে F-1): যা এর ধারককে ইস্যুকারী দেশে উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করতে দেয়। F-2 ভিসা ছাত্রের নির্ভরশীলদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সাথে যেতে দেয়।

রিসার্চ ভিসা: হোস্ট দেশে ফিল্ডওয়ার্ক করা শিক্ষার্থীদের জন্য।

➣অস্থায়ী কর্মী ভিসা: স্বাগতিক দেশে অনুমোদিত কর্মসংস্থানের জন্য। এগুলি সাধারণত প্রাপ্ত করা আরও কঠিন তবে একটি ব্যবসায়িক ভিসার চেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য বৈধ। এর উদাহরণ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের H-1B এবং L-1 ভিসা। একটি নির্দিষ্ট দেশের উপর নির্ভর করে, অস্থায়ী শ্রমিকের মর্যাদা স্থায়ী বাসিন্দা বা স্বাভাবিকীকরণের মর্যাদায় বিকশিত হতে পারে বা নাও হতে পারে।

সাংবাদিক ভিসা: যা কিছু দেশ তাদের নিজ নিজ সংবাদ সংস্থার জন্য ভ্রমণ করার সময় সেই পেশার লোকদের প্রয়োজন। যে দেশগুলি এর উপর জোর দেয় তাদের মধ্যে রয়েছে কিউবা, চীন, ইরান, জাপান, উত্তর কোরিয়া, সৌদি আরব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (আই-ভিসা) এবং জিম্বাবুয়ে।

আবাসিক ভিসা: যারা আয়োজক দেশে দীর্ঘমেয়াদী বসবাস প্রাপ্ত ব্যক্তিদের দেওয়া হয়। কিছু দেশে, যেমন নিউজিল্যান্ড, স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার জন্য দীর্ঘমেয়াদী বসবাস একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

অ্যাসাইলাম ভিসা: এমন লোকদের জারি করা হয়েছে যারা তাদের রাজনৈতিক কার্যকলাপ বা মতামত, বা বৈশিষ্ট্য, বা একটি সামাজিক গোষ্ঠীর সাথে যুক্ত থাকার কারণে তাদের নিজ দেশে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বা যুক্তিসঙ্গতভাবে ভয় পেয়েছেন; অথবা নিজ দেশ থেকে নির্বাসিত হয়েছে।

নির্ভরশীল ভিসা: যা কিছু নির্দিষ্ট অন্যান্য ধরণের দীর্ঘস্থায়ী ভিসা ধারকের পরিবারের সদস্যদের জন্য জারি করা হয় (যেমন, অস্থায়ী কর্মী ভিসাধারী একজন যোগ্য কর্মীর স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য)।

ডিজিটাল যাযাবর ভিসা: ডিজিটাল যাযাবরদের জন্য যারা দূরবর্তী কাজ করার সময় অস্থায়ীভাবে একটি দেশে থাকতে চায়। থাইল্যান্ড তার স্মার্ট ভিসা চালু করেছে, থাইল্যান্ডে দীর্ঘ সময় থাকার জন্য উচ্চ বিশেষজ্ঞ বিদেশী এবং উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য করে, ভিসার জন্য অনলাইন আবেদনগুলি 2018 সালের শেষের দিকে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এস্তোনিয়া একটি ডিজিটাল যাযাবর ভিসার পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে, তার ই চালু হওয়ার পর – রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম

 

অভিবাসী ভিসা

অভিবাসী ভিসা এমন একটি ভিসা যা নির্দিষ্ট অক্ষর/কোডের অনুমোদনের ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাস করার অধিকার দেয়। এই অভিবাসী ভিসা প্রণালীতে কিছু নীতি ও শর্ত অনুসরণ করে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রেই এই ভিসা প্রদান করা হয় যেখানে ব্যক্তিগত বা পরিবারের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বাস স্থাপন করা প্রয়োজন। এই ভিসা সহ নিম্নলিখিত বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:

 

  1. পত্নী ভিসা বা অংশীদার ভিসা: যে দেশের একজন নাগরিক বা বাসিন্দা তার স্বামী/স্ত্রী বা অংশীদারের জন্য স্থায়ী বাসস্থান স্থাপন করতে চায়, তাকে এই ভিসা প্রদান করা হয়। এই ভিসা প্রদানের শর্ত হলো একজন স্থায়ী নাগরিক বা বাসিন্দার পত্নী/অংশীদার হিসেবে প্রদত্ত হতে হবে।

 

  1. পরিবারের সদস্য ভিসা: এই ভিসা প্রদান করা হয় একজন স্থায়ী নাগরিক বা বাসিন্দার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য। এইটি সাধারণত পরিবারের যে সদস্যগুলি বৃদ্ধ, অস্বাস্থ্য বা সাহায্যকারী প্রয়োজনীয় তাদের কভার করে।

 

  1. বিবাহ ভিসা: উদ্দেশ্যমত বিয়ে বা আইনি জীবনসঙ্গীর উপর ভিত্তি করে একটি সীমিত সময়ের জন্য প্রদান করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি জার্মান মহিলা যে একজন আমেরিকান পুরুষের সাথে বিয়ে করতে চায়, তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য একটি ভাইয়েসি ভিসা (অন্য নামে কে-1 ভিসা) প্রাপ্ত হবে। একটি K1 ভাইয়েসি ভিসা তার অনুমোদনের তারিখ থেকে চার মাসের জন্য বৈধ।

 

  1. পেনশন ভিসা: এই ভিসা অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য প্রদান করা হয়, যারা বিদেশে আয় প্রদর্শন করতে পারেন এবং কাজ করতে ইচ্ছুক না। এই ভিসার অর্থনৈতিক সীমা সম্পর্কে কিছু শর্ত থাকে।

 

এই ভিসা অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী আবেদন করা হয়। অনুমোদিত হওয়ার পর, এই ভিসা একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য বৈধ থাক

অফিসিয়াল ভিসা

এগুলি তাদের সরকারের জন্য কাজ করছেন বা অন্যথায় কূটনৈতিক মিশনের কর্মীদের মতো আয়োজক দেশে তাদের দেশের প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়।

➣একটি নিয়মিত বা কূটনৈতিক পাসপোর্টের সাথে একত্রে একটি কূটনৈতিক ভিসা।

➣সৌজন্যমূলক ভিসা বিদেশী সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের জারি করা হয় যারা কূটনৈতিক মর্যাদার জন্য যোগ্য নয় কিন্তু যোগ্যতা ত্বরান্বিত, সৌজন্যমূলক আচরণ করে – এর একটি উদাহরণ হল অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ উদ্দেশ্য ভিসা।

 

ইস্যু পদ্ধতি দ্বারা ভিসা

সাধারণত ভিসা আবেদনগুলি কনস্যুলেট, দূতাবাস বা অন্যান্য কূটনৈতিক মিশনে তৈরি এবং সংগ্রহ করা হয়।

অন-অ্যারাইভাল ভিসা

ভিসা অন অ্যারাইভাল (VOA) নামেও পরিচিত, এগুলি প্রবেশের পোর্টে দেওয়া হয়। এটি ভিসা-মুক্ত প্রবেশের থেকে আলাদা, যেখানে কোনও ভিসার প্রয়োজন নেই, কারণ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার আগে ভিজিটরকে এখনও আগমনের ভিসা পেতে হবে।

➣প্রায় সব দেশই অপ্রত্যাশিত ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে আগত দর্শকের আগমনে ভিসা (অথবা একই প্রভাবের অন্য ডকুমেন্ট) ইস্যু করার কথা বিবেচনা করবে, উদাহরণস্বরূপ:

➣শেনজেন ভিসা কোডের অনুচ্ছেদ 35 এর বিধান অনুসারে, একটি সীমান্তে একটি ভিসা জারি করা যেতে পারে যেমন একটি ফ্লাইট ডাইভারশনের ফলে ট্রানজিটে থাকা বিমান যাত্রীরা একটির পরিবর্তে দুটি বা ততোধিক বিমানবন্দর দিয়ে যেতে পারে। 2010 সালে, আইসল্যান্ডের Eyjafjallajökull আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, সমগ্র ইউরোপ জুড়ে বিমান ভ্রমণের উল্লেখযোগ্য ব্যাঘাত ঘটায় এবং EU ঘোষণা করে যে এটি আটকে পড়া ভ্রমণকারীদের স্থল সীমান্তে ভিসা প্রদান করবে।

➣ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাচারালাইজেশন অ্যাক্টের ধারা 212(d)(4) এর অধীনে, জরুরী পরিস্থিতিতে বা অন্যান্য পরিস্থিতিতে প্রবেশের আমেরিকান বন্দরে আগত ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা মওকুফ জারি করা যেতে পারে।

➣রাশিয়ার কিছু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কনসাল অন-ডিউটি রয়েছে, যাদের ঘটনাস্থলে ভিসা দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

➣কিছু দেশ বিশেষ ক্যাটাগরির ভ্রমণকারীদের, যেমন নাবিক বা এয়ারক্রুদের আগমনে ভিসা দেয়।

➣কিছু দেশ নিয়মিত দর্শকদের জন্য তাদের ইস্যু করে; প্রায়ই বিধিনিষেধ আছে, উদাহরণস্বরূপ:

➣  বেলারুশ মিনস্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগমনের সময় ভিসা দেয় শুধুমাত্র সেইসব দেশের নাগরিকদের যেখানে বেলারুশের কোন কনস্যুলার প্রতিনিধিত্ব নেই।

➣  থাইল্যান্ড শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সীমান্ত চেকপয়েন্টে আগমনের সময় ভিসা দেয়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ক্রসিং যেখানে আগমনের সময় ভিসা জারি করা হয় না তা হল মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেনের জন্য পাদাং বেসার চেকপয়েন্ট।

ইলেকট্রনিক ভিসা

একটি ইলেকট্রনিক ভিসা (ই-ভিসা বা eVisa) একটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হয় এবং পাসপোর্ট নম্বরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাই ভ্রমণের আগে পাসপোর্টে কোনো লেবেল, স্টিকার বা স্ট্যাম্প রাখা হয় না। অ্যাপ্লিকেশনটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে করা হয়, এবং রসিদটি একটি ভিসা হিসাবে কাজ করে, যা একটি মোবাইল ডিভাইসে মুদ্রিত বা সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

প্রবেশ এবং সময়কাল

ভিসা একক-এন্ট্রিও হতে পারে, যার অর্থ ধারক দেশে প্রবেশ করার সাথে সাথেই ভিসা বাতিল হয়ে যায়; ডাবল-এন্ট্রি, বা মাল্টিপল-এন্ট্রি, যা একই ভিসা দিয়ে দেশে দ্বিগুণ বা একাধিক প্রবেশের অনুমতি দেয়। দেশগুলি পুনরায় প্রবেশের অনুমতিও ইস্যু করতে পারে যা ভিসা বাতিল না করে সাময়িকভাবে দেশ ত্যাগ করতে দেয়। এমনকি একটি ব্যবসায়িক ভিসা সাধারণত ধারককে অতিরিক্ত ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া হোস্ট দেশে কাজ করার অনুমতি দেয় না।একবার ইস্যু করা হলে, একটি ভিসা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।

কিছু দেশে, একটি ভিসার বৈধতা থাকার অনুমোদিত সময়ের মতো নয়। ভিসার বৈধতা তারপর সময়কাল নির্দেশ করে যখন দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ভিসা জারি করা হয় 1 জানুয়ারি থেকে শুরু হয় এবং 30 মার্চ মেয়াদ শেষ হয় এবং একটি দেশে থাকার সাধারণ অনুমোদিত সময়কাল 90 দিন হয়, তাহলে 90-দিনের অনুমোদিত অবস্থান শুরু হয় যেদিন যাত্রী প্রবেশ করেন দেশ (প্রবেশ 1 জানুয়ারি থেকে 30 মার্চের মধ্যে হতে হবে)। এইভাবে, ভ্রমণকারী যেটি ইস্যুকারী দেশে থাকতে পারে তা হল 1 জুলাই (যদি ভ্রমণকারী 30 মার্চ প্রবেশ করে)। ভিসার এই ব্যাখ্যা আমেরিকায় প্রচলিত।

একজন ব্যক্তি তাদের ভিসার বৈধতার মেয়াদের বাইরে থাকতে পারে না, যা সাধারণত তাদের পাসপোর্টের বৈধতার সময়ের মধ্যে সেট করা হয়। ভিসা বৈধতার সময়কালের মধ্যে প্রযোজ্য অঞ্চলে পরিদর্শক কত দিন কাটাতে পারে তাও সীমিত করতে পারে। ভিসার মেয়াদের এই ব্যাখ্যা ইউরোপে প্রচলিত।

 

ভিসা এক্সটেনশন

অনেক দেশে ভিসা ধারককে ভিসা বাড়ানোর জন্য আবেদন করার অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ডেনমার্কে, একজন ভিসাধারী দেশে আসার পর ডেনমার্কের অভিবাসন পরিষেবাতে আবাসিক অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারেন। ইউনাইটেড কিংডমে, ইউকে ভিসা এবং ইমিগ্রেশনের জন্য আবেদন করা যেতে পারে।

নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে, ভিসা ধারকের পক্ষে এটি করা অসম্ভব, কারণ হয় দেশটির ভিসা দীর্ঘায়িত করার ব্যবস্থা নেই বা সম্ভবত, কারণ ভিসা ধারক একটি স্বল্প থাকার ভিসা ব্যবহার করছেন দেশ

ভিসা প্রত্যাখ্যান

সাধারণভাবে, একজন আবেদনকারীকে ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে যদি তারা সেই দেশের অভিবাসন আইনের অধীনে ভর্তি বা প্রবেশের প্রয়োজনীয়তা পূরণ না করে। আরও নির্দিষ্টভাবে, ভিসা প্রত্যাখ্যান বা প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে যখন আবেদনকারী:

➣প্রতারণা, ধূর্ততা, বা তার বর্তমান আবেদনের পাশাপাশি পূর্ববর্তী আবেদনে ভুল বর্ণনা করেছেন

➣একটি ফৌজদারি রেকর্ড প্রাপ্ত হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বা ফৌজদারি অভিযোগ মুলতুবি আছে

➣জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত

➣একটি ভাল নৈতিক চরিত্র নেই

➣পূর্ববর্তী ভিসা/অভিবাসন লঙ্ঘন রয়েছে (এমনকি লঙ্ঘনগুলি যদি আবেদনকারী যে দেশে ভিসা চাইছেন সেখানে না ঘটে)

➣তাদের পূর্ববর্তী ভিসার আবেদন(গুলি) বা অভিবাসন সুবিধার জন্য আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং প্রমাণ করতে পারে না যে পূর্ববর্তী প্রত্যাখ্যানের কারণগুলি আর বিদ্যমান নেই বা আর প্রযোজ্য নয় (এমনকি যদি প্রত্যাখ্যানটি আগে যে দেশে না ঘটে থাকে আবেদনকারী জন্য ভিসা)

➣তাদের বর্তমান দেশের জাতীয়তা বা বসবাসের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে বলে প্রমাণ করতে পারে না (যারা অস্থায়ী বা অ-অভিবাসী ভিসার জন্য আবেদন করছেন তাদের জন্য)

➣অভিবাসী বা কাজের ভিসার জন্য আবেদন না করলে তিনি যে দেশে যাবেন সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস বা কাজ করতে চান

➣ফিরে আসার অভিপ্রায় প্রদর্শন করতে ব্যর্থ (অ-অভিবাসীদের জন্য)

➣চাওয়া ভিসার জন্য যোগ্যতা প্রমাণ করার জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ/নথিপত্র সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়

➣যাত্রার কোনো বৈধ কারণ নেই

➣নিজের বা পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার পর্যাপ্ত উপায় নেই

➣পর্যাপ্ত চিকিৎসা বীমা নেই, বিশেষ করে যদি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কার্যকলাপে (যেমন রক ক্লাইম্বিং, স্কিইং ইত্যাদি) জড়িত থাকে

➣গন্তব্য দেশে ভ্রমণের ব্যবস্থা (অর্থাৎ পরিবহন এবং থাকার) নেই

➣গন্তব্য এবং থাকার সময়কালের জন্য বৈধ স্বাস্থ্য/ভ্রমণ বীমা নেই

➣এমন একটি দেশের নাগরিক যার গন্তব্য দেশটি শত্রু বা যুদ্ধে লিপ্ত

➣পূর্বে পরিদর্শন করেছেন, বা পরিদর্শন করতে চান, এমন একটি দেশ যেখানে গন্তব্য দেশটি প্রতিকূল

➣একটি সংক্রামক রোগ আছে, যেমন যক্ষ্মা বা ইবোলা, বা যৌনবাহিত রোগ

➣একটি পাসপোর্ট আছে যার মেয়াদ খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়

এমনকি যদি একজন ভ্রমণকারীর ভিসার প্রয়োজন নাও হয়, তবে উল্লিখিত মানদণ্ডগুলি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা প্রশ্নবিদ্ধ দেশে ভ্রমণকারীর প্রবেশকে প্রত্যাখ্যান করতে ব্যবহার করতে পারেন।

 

সাধারণ ভিসা

সাধারণত, ভিসা শুধুমাত্র ভিসা জারি করা দেশে প্রবেশের জন্য বৈধ। যে দেশগুলো আঞ্চলিক সংগঠনের সদস্য বা আঞ্চলিক চুক্তির পক্ষ তারা, তবে, সংগঠন বা চুক্তির কিছু বা সমস্ত সদস্য রাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য বৈধ ভিসা ইস্যু করতে পারে:

 

শেনজেন ভিসা হল শেনজেন এলাকার জন্য একটি ভিসা, যা বেশিরভাগ ইউরোপীয় অর্থনৈতিক এলাকা এবং অন্যান্য পার্শ্ববর্তী দেশ নিয়ে গঠিত। ভিসা দর্শকদের 180 দিনের সময়ের মধ্যে 90 দিন পর্যন্ত শেনজেন এলাকায় থাকার অনুমতি দেয়। ভিসা পর্যটন, পারিবারিক পরিদর্শন এবং ব্যবসার জন্য বৈধ।

 

সেন্ট্রাল আমেরিকান সিঙ্গেল ভিসা (ভিসা Única Centroamericana) হল গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, হন্ডুরাস এবং নিকারাগুয়ার জন্য একটি ভিসা। এটি CA-4 চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছিল। এটি সেই চারটি দেশের নাগরিকদের অন্যান্য সদস্য দেশগুলিতে বিনামূল্যে প্রবেশের অনুমতি দেয়। এটি যেকোনো সদস্য দেশের দর্শকদের অন্য ভিসা ছাড়াই অন্য সদস্য দেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়।