সিকিম ভ্রমণ বিস্তারিত

সিকিম এর  সুন্দর ছবিটি কালেক্ট করা

সিকিম ভ্রমণ বিস্তারিত

বাংলাদেশে যখন উত্তপ্ত গরমে টেকা দায় ,তখন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি রাজ্য সিকিম সাদা তুলোর মতো বরফে ঢাকা। সাথে স্নোফল তো আছেই। সিকিম এর রাজধানী শহর গ্যাংটক ,সিকিম আয়তনে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম প্রদেশ। পূর্ব হিমালয় অঞ্চলের একটি অংশ সিকিম, আল্পাইন ও উপক্রান্তীয় জলবায়ুসহ সেখানকার জীব বৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত সিকিম।এখানেই অবস্থিত কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত। ভারতের সর্বোচ্চ ও পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শিখর এটি। সিকিম রাজ্যের প্রায় ৩৫% এলাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা জাতীয় উদ্যান দ্বারা আচ্ছাদিত।প্রতি বছর সিক্কিমে প্রচুর মানুষ ভ্রমণে আসে।

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ প্রেমিদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর Sports Tourism Bangadesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : সিকিম ভ্রমণ 

সিকিম প্রতিটি ভ্রমণ স্থান ই খুবই সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর। বাংলাদেশ থেকে সহজে ও কম খরচে ভ্রমণ করা যায় বলে সিকিম পর্যটকদের ভ্রমণের শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করে।

💠সিকিম ভ্রমনের স্থান সমূহ :

🍁সিকিম 🍁গ্যাংটক 🍁ইয়ামথাং ভ্যালি 🍁নামনাং ভিউ পয়েন্ট  🍁তাশি ভিউ পয়েন্ট 🍁ইঞ্চে মনেস্ট্রি  🍁টিবেটলজি 🍁বানজাগ্রি ওয়াটারফল 🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল 🍁নাগা ওয়াটারফল

 

🍁সিকিম:সিকিম আয়তনের দিক থেকে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য হলেও ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি জায়গা। ভারতের পূর্বে অবস্থিত সিকিমকে ঘিরে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ,নেপাল,ভুটান,তিব্বত।সিকিমের সৌন্দর্যকে বলা যায় স্বর্গীয় সৌন্দর্য্য।

🍁গ্যাংটক:গ্যাংটক সিকিম রাজ্যের রাজধানী এবং সব থেকে বড় শহর। গ্যাংটক এর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তাশি ভিউ পয়েন্ট থেকে কাঞ্চনঝঙ্গা ও আশেপাশের পাহাড় দেখা যায়। গ্যাংটক শহরটি পূর্ব হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত।হিমালয়ের উচ্চ শিখরের মধ্যে অবস্থিত হওয়ার পাশাপাশি সারা বছর ধরে মৃদু নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু থাকায় গ্যাংটক সিকিমের পর্যটন শিল্পের কেন্দ্রে রয়েছে।সিকিমে ঘুরার সব থেকে সহজ উপায় হলো গ্যাংটক কে কেন্দ্র করে ঘুরা।গ্যাংটক ও এর আশেপাশের পুরোটাই সুবিশাল ও দৃস্টিনন্দন পাহাড়ে ঘেরা। সহজভাবেই একজন প্রকৃতি প্রেমীর কাছে এটি স্বর্গরাজ্য।

🍁ইয়ামথাং ভ্যালি: ইয়ামথাং ভ্যালি সাধারণত ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ারস নামেও পরিচিত। ইয়ুমথাং উপত্যকা বা সিকিম ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ারস অভয়ারণ্য হল একটি প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য যেখানে নদী, উষ্ণ প্রস্রবণ, ইয়াক এবং ভারতের সিকিম রাজ্যের মাঙ্গান জেলার ইউমথাং – এর হিমালয় পর্বত দ্বারা বেষ্টিত ঘূর্ণায়মান তৃণভূমিতে চারণভূমি রয়েছে ।ফেব্রুয়ারী মাসের শেষ থেকে জুনের মধ্যে পর্যন্ত বিভিন্ন রঙের ফুলে পুরো ভ্যালি ঢেকে থাকে। এটি শিংবা রডোডেনড্রন অভয়ারণ্যের আবাসস্থল , যেখানে রাজ্যের ফুল রডোডেনড্রনের চব্বিশ প্রজাতি রয়েছে ।

🍁তাশি ভিউ পয়েন্ট:বিখ্যাত পর্যটক ভ্রমণ স্থান তাশি ভিউ পয়েন্ট গ্যাংটকের প্রধান শহর থেকে 10 কিমি দূরে অবস্থিত। এটি বেশিরভাগ সেরা সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্যের পাশাপাশি প্যানোরামিক মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং অন্যান্য তুষার আচ্ছাদিত চূড়াগুলির জন্য পরিচিত।এখান থেকে সূর্যোদয়ের রং বেরঙের দৃশ্য অবলোকন করা যায়।

🍁ইঞ্চে মনেস্ট্রি: উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের উপরে 1909 সালে এনচে মঠ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । এটি বজ্রযান বৌদ্ধধর্মের নিংমা আদেশের অন্তর্গত ।এখানকার জনগণ মনে করেন দেবতারা সর্বদা এখানে ভক্তদের ইচ্ছা পূরণ করেন।ইঞ্চে মনেস্ট্রি খুবই সুন্দর একটি জায়গা। সিকিম ভ্রমণের পর্যটক গণ এখানে এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন।

🍁সেভেন সিস্টার ওয়াটারফল: সেভেন সিস্টার হল একটি জনপ্রিয় জলপ্রপাত যা গ্যাংটক-লাচুং হাইওয়েতে অবস্থিত, গ্যাংটক থেকে প্রায় 32 কিলোমিটার দূরে। নাম থেকে বোঝা যায়, একটি বিস্তীর্ণ খাড়া পাহাড়ের পাশে সুরেলাভাবে সাজানো সাতটি ভিন্ন জলপ্রপাত দূর থেকে দেখলে স্বতন্ত্র বলে মনে হয়। বৃষ্টির পরে এটি গ্যাংটকের একটি দর্শনীয় স্থান হয়ে ওঠে, যখন জলপ্রপাতগুলি একটি ভয়ঙ্কর জীবনকে বিস্ময়কর দৃশ্য প্রদান করে। ঝরনার ঝরঝর জল ঝরঝরে সবুজ গাছপালা থেকে ছিটকে পড়ে, এবড়ো-খেবড়ো পাহাড়ের চূড়ার উপর দিয়ে গড়িয়ে পড়ে বজ্রধ্বনি।

🍁লাচুং:লাচুং হল ভারতের সিকিম প্রদেশে অবস্থিত একটি ছোট শহর এবং পাহাড়ি স্টেশন। লাচুং লাচেন নদী এবং লাচুং নদী থেকে প্রায় ৯,৬০০ ফুট (২,৯০০ মি) উচ্চতায় অবস্থিত। লাচেন ও লাচুং উভয় নদীই তিস্তা নদীতে গিয়ে পড়েছে। প্রকৃতির বুকে ছবির মতো মিশে আছে এই লাচুং গ্রাম। লাচুং থেকে ইয়ামথাং ভ্যালি যাওয়ার পথে পর্বে তিস্তার নীল জল,অপরূপ সব ঝর্ণা। সিক্কিমের সুইজারল্যান্ড খ্যাত কাটাও মিডেল পয়েন্ট থেকে সাদা বরফে ঢাকা পাহাড়ের সুন্দর ভিউ দেখা যায়।

🍁সাঙ্গু লেক:সাঙ্গু লেকটা হলো সিকিমের অন্যতম জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট স্পট । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২,৮০০ ফিট উপরে তাপমাত্রা ০৪ থেকে ০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস,চায়না বর্ডার ( নাথুলা ) এখান থেকে ১৬ কিঃমিঃ পূর্বে এবং নাথুলা পাশের উচ্চতা ১৭,৬০০। পূর্ব সিকিমে অবস্থিত সাঙ্গু লেক “Tsomgo Lake ” নামেও পরিচিত। সাঙ্গু লেকের প্রকৃত সৌন্দর্য্য কখনোই ভাষায় বা লিখে প্রকাশ করা যায় না। যত উপরে ওঠা হয় আবহাওয়া তত ই ঠান্ডা হতে থাকে। স্নো-ফল ও বরফ দিয়ে খেলার মজাও আলাদা।

সিকিম ভ্রমণের সেরা সময়

ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে মে এবং সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সিকিম ভ্রমণের আদর্শ সময়। যেহেতু সিকিম একটি পাহাড়ি এলাকা এবং এখানে প্রায় সারা বছর ই ধস নামে। শীতকালে সিকিমে অনেক সময় রাস্তা বরফে বন্ধ থাকার সম্ভাবনা থাকে।বর্ষায় সিক্কিমের অনেক জায়গায়ই যাওয়া যায় না।

সিকিম যাওয়ার উপায়

সিকিম যাওয়ার জন্য ঢাকা ট্রেন ও বাস দুইভাবেই যাওয়া যায়। তবে সব থেকে সহজ র সময়সাধ্য উপায় হচ্ছে ট্রেন এ করে যাওয়া। ট্রেন এ বর্ডারের ইমিগ্র্যাশন ঝামেলা পোহাতে হয়না। খুব সহজভাবেই ক্যান্টনমেন্ট থেকে নিউ জলপাইগুড়ির উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া মিতালী এক্সপ্রেসে করে NJP তে যাওয়া যায়। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা বাস এ করে গ্যাংটক।
বাসে করে যেতে ঢাকা থেকে চেংড়াবান্ধা হয়ে শিলিগুড়ি যেতে হবে। চেংড়াবান্ধায় ইমিগ্র্যাশন শেষ করে বর্ডার ক্রস করে শিলিগুড়ি যেতে হবে। শিলিগুড়ি থেকে ট্যাক্সি করে অথবা বাস এ গ্যাংটক যাওয়া যাবে। গ্যাংটক পৌঁছাতে রাত হবে। রাতেই গ্যাংটক থেকে সিকিমের জন্য অনুমতি ,গাইড ও গাড়ি ভাড়া করে নিতে হবে। সেই গাড়িতে করেই সিকিম ভ্রমণ করা যাবে। তবে সাঙ্গু লেক জিরো পয়েন্ট এর জন্য আলাদা গাড়ি ভাড়া করতে হবে। গ্যাংটকের গাড়ি ঐদিকে যাওয়ার অনুমতি নেই বা অনেকে যেতে চাই না।

 

💠সিকিম ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

প্রথম দিন  রাতে  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে ট্রেনে উঠে রওনা দিবো। 

দ্বিতীয় দিন ভোরে স্টেশন পৌঁছে জীপে সিকিমের  উদ্দেশ্যে রওনা করবো। সন্ধ্যার আগেই গ্যাংটকে হোটেলে চেক ইন।

তৃতীয় দিন সকালে নাস্তা শেষে রিজার্ভ জীপে আমরা সাইট সিন এর উদ্দেশ্যে বের হবো।এদিন আমরা গ্যাংটক ও এর চারপাশের দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখবো।

চতুর্থ দিন সকালের নাস্তা করে হোটেল থেকে চেক আউট করে আমরা রওনা করবো সিকিমের মূল আকর্ষণ লাচুং এর উদ্দেশ্যে।পথে গাড়ি থামিয়ে আমরা দেখে নিবো বরফ জমে যাওয়া একাধিক ঝর্ণা। বিকেলের মধ্যে লাচুং এর হোটেলে চেক ইন। দিনের বাকিটা সময় হোটেলের আশেপাশে বরফের রাজ্যে নিজেদের মতো সময় কাটাবো।

পঞ্চম দিন ব্রেকফাস্টের পর চলে যাবো ইয়ামথাং ভ্যালি ও জিরো পয়েন্টের উদ্দেশ্যে।সেখানে বরফের রাজ্যে দুই ঘন্টা কাটিয়ে আমরা আবার লাচুং ফিরে আসবো।এরপর দুপুরের  খাবার শেষে গ্যাংটকের উদ্দেশ্যে রওনা করবো।  রাতে গ্যাংটকে অবস্থান। 

ষষ্ঠ দিন ব্রেকফাস্টের পর শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করবো। শিলিগুড়ি হয়ে বাংলাদেশ বর্ডারে চলে আসবো। এরপর বর্ডার ক্রস করে বীর সিরাজুল ইসলাম স্টেশন থেকে ঢাকার ট্রেনে করে রওনা দিবো।  ইনশাআল্লাহ পরদিন ঢাকায় থাকবো।

 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠ভ্রমন খরচ:

 

জনপ্রতি ১৯,৯৯৯টাকা(ট্রেন +শেয়ারিং /ফ্যামিলি রুম)

 💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৫০,০০০টাকা

 

 

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

সিকিম  ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -সিকিম -ঢাকা ট্রেন টিকিট,জীপ সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠ভারত পৌছানোর পর প্রথম দিন রাতের খাবার থেকে শুরু করে আসার দিন দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔সিকিম  ট্যুর প্যাকেজে যা থাকছে না

 

💠ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার 

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

💠লাচুং থেকে জিরো পয়েন্ট যাওয়ার খরচ, এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না।জিরো পয়েন্ট যাওয়ার পারমিশন আগে থেকে পাওয়া যায় না।লাচুংয়ে উপস্থিত হয়ে পারমিশন নিতে হয়।পারমিশন পাওয়া আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। পারমিশন পাওয়া গেলে জিরো পয়েন্ট যাওয়ার খরচ জীপের সবাইকে ভাগ করে নিতে হবে। প্রতি জীপ সম্ভাব্য ৩০০০ রুপি।

 

কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠ভিসায় পোর্ট চ্যাংড়াবান্দা হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় চ্যাংড়াবান্দা না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

সিকিম  ট্যুর প্যাকেজে বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *