বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত 

বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত

কে না চায় বিদেশ ভ্রমন করতে! ভ্রমণ পিপাসুদের একটাই লক্ষ পুরো পৃথিবী কে হাতের মুঠোয় দেখতে। আর বিদেশে ভ্রমণ করতে সবচেয়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সঠিক ট্যুর প্লান ও ট্যুর গাইড। আর Sports Tourism Bangladesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

দার্জিলিং হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি শহর ও পৌরসভা। দার্জিলিং হিমালয়ের শিবালিক পর্বতশ্রেণিতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬,৭০০ ফু (২,০৪২.২ মি) উচ্চতায় অবস্থিত।সুন্দর এই শহরের চারদিকে সবুজ চা বাগানে আবৃত পাহাড়। বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য ও ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের জন্য খ্যাত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।ঘুম রেলওয়ে স্টেশন দার্জিলিং এ অবস্থিত। দার্জিলিং হিমালয়ান রেল এই শহরকে সমতলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। ভারতের যে অল্প কয়েকটি বাষ্পচালিত ইঞ্জিন এখনও কার্যকরী, তার মধ্যে কয়েকটি এই রেলের অন্তর্গত।বিশেষ করে একজন পাহাড় প্রেমীর কাছে দার্জিলিং ভ্রমন  সব থেকে প্রিয় ভ্রমন গল্প হতে পারে।

আমাদের আজকের বিষয় হলো বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত সম্পর্কে।

 

গন্তব্য :বাংলাদেশ থেকে দার্জিলিং ভ্রমন 

যাত্রার তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠দার্জিলিং ভ্রমন বিস্তারিত  খরচ:

জনপ্রতি ১৪,৯৯৯টাকা(ট্রেন +শেয়ারিং /ফ্যামিলি রুম)

 💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ৩৫,০০০টাকা

 

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর স্থান সমূহ :

অপূর্ব সুন্দর ভ্রমণ স্থান হলো দার্জিলিং ভ্রমন। দার্জিলিং শহরের পুরোটাই ঘুরার জন্য উপযোক্ত। এর মধ্যে কিছু বিশেষ জায়গা রয়েছে। যেমনঃ

🍁দার্জিলিং 🍁টাইগার হিল 🍁ঘুম মনেস্ট্রি 🍁রক গার্ডেন 🍁রোপওয়ে 🍁মিরিক 🍁টি গার্ডেন /মল রোড 🍁হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট 🍁তেনজিং রক 🍁জাপানিজ টেম্পল 🍁জুওলজিক্যাল পার্ক

🍁দার্জিলিং: দার্জিলিংকে“পাহাড়ের রানী” নামে অভিহিত করা হয়। কেনোইবা করা হবে না ,এতো সুন্দর র বড় বড় পাহাড়ের অবস্থান এখানে। আকাশের উপরে চকচকে মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা ঘূর্ণায়মান পাহাড়গুলির মধ্যে অবস্থিত। যারা প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে চায় তাদের জন্য একটি নিখুঁত প্রবেশদ্বার হলো এই দার্জিলিং। অপূর্ব রূপের মহিমা নিয়ে এই দার্জিলিং।যে কেউ এর প্রেমে পড়তে বাধ্য।

🍁টাইগার হিল:টাইগার হিল জায়গাটি দার্জিলিং শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দার্জিলিং শহর থেকে এখানে জীপে করে যাওয়া যায়। এই জায়গাটি হল ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের উচ্চতম স্টেশন ঘুম শহরের সর্বোচ্চ বিন্দু। এখান থেকে মাউন্ট এভারেস্ট ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত-এর বিস্তারিত দৃশ্যপট খুব সহজেই উপভোগ করা যায়।টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়ের অপূর্ব দৃশ্য অবলোকন করা যায়।

🍁ঘুম মনেস্ট্রি: ওল্ড ঘূম মনাস্ট্রি ইগা চোয়েলিংয়ের জনপ্রিয় নাম। মঠটি গেলুকপা বা হলুদ হাট সম্প্রদায়ের অন্তর্গত এবং এটি মৈত্রেয় বুদ্ধের 15 ফুট (4.6 মিটার)-উচ্চ মূর্তির জন্য পরিচিত। ভবনটির বাহ্যিক কাঠামো 1850 সালে মঙ্গোলিয়ান জ্যোতিষী এবং সন্ন্যাসী সোকপো শেরাব গিয়াতসো দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যিনি 1905 সাল পর্যন্ত মঠের প্রধান ছিলেন।

🍁রক গার্ডেন:দার্জিলিং থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬.২ মা) দূরে রক গার্ডেন অবস্থিত।এটি দার্জিলিং এর অন্যতম একটি পর্যটন স্থান। ঘুম স্টেশনের পূর্বে ডানদিকে মোড় নিয়ে রক গার্ডেন যাওয়া যায়। রক গার্ডেনে অন্যতম বৈশিষ্ট্য পথের পার্শ্ববর্তী সৌন্দর্যস্থল যা কীনা বেশ খানিকটা কংক্রিট দিয়ে নির্মিত এবং চার দিকে অনেক ফুলের বাগান।

🍁রোপওয়ে: দার্জিলিং রোপওয়ে হল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং-এর একটি রোপওয়ে পরিবহন ব্যবস্থা। এটি দার্জিলিং ও সিংলাবাজার এর মধ্যে পরিসেবা প্রদান করে। এই রোপওয়ে পরিবহন দার্জিলিং-এর পর্যটন ক্ষেত্রে এক অন্যতম আকর্ষণ।দার্জিলিং ভ্রমণের পর্যটকগণ অবশ্যই এই রোপওয়ে তে ভ্রমণ করে থাকে। রোপওয়েতে যাত্রা দার্জিলিং এর চারপাশের পাহাড় এবং উপত্যকার সুন্দর দৃশ্য গুলো দেখায়।

🍁মিরিক:মিরিক দার্জিলিং এ অবস্থিত ছবির মতো সুন্দর একটি পর্যটন স্থান । মিরিক নামটি এসেছে লেপচা কথা মির-ইওক থেকে যার অর্থ “অগ্নিদগ্ধ স্থান”।মিরিক তার নিজস্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আবহাওয়ার দ্বারা পর্যটকদের তার নিজের কাছে টানে। সুমেন্দু লেক মিরিকের প্রধান আকর্ষণ এর একদিক বাগান এবং অন্যদিক পাইন জঙ্গল দিয়ে ঘেরা। পায়ে হাঁটা খিলান সাঁকো ইন্দ্রেনি পুল এদের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরী করেছে। লেকটিকে ঘিরে থাকা সাড়ে তিন কিমি লম্বা রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে সূদূর দিগন্তে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ ভ্রমণার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। লেকের জলে নৌকাবিহার এবং টাট্টু ঘোড়ায় চেপে লেকের চারপাশ প্রদক্ষিণ করায় আছে এক অনাবিল আনন্দ।

🍁হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট: পর্বতারোহণকে প্রোৎসাহন দেবার জন্য মূলত হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহ্‌রুর উদ্দীপনায় তৈরী করা হয়। এই ইনস্টিটিউটে নিয়মিত এডভেঞ্চার , বেসিক এবং উন্নত মাউন্টেনিয়ারিং কোর্সগুলি সঞ্চালন করা হয়।

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর সম্ভাব্য বর্ণনা :

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর প্রথম দিন  রাতে  ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে ইমিগ্রেশন ও সব ফর্মালিটি শেষ করে ট্রেনে উঠে রওনা দিবো।  দ্বিতীয় দিন ভোরে স্টেশন পৌঁছে জীপে দার্জিলিং উদ্দেশ্যে রওনা করবো।এবং হোটেলে উঠে রেস্ট নিবো 

তৃতীয় দিন: সকালে নাস্তা শেষে রিজার্ভ জীপে আমরা একে এক করে হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট, রক গার্ডেন, জুওলজিক্যাল পার্ক, রোপওয়ে,তেনজিং রক,চা বাগান, জাপানিজ টেম্পল ঘুরে দেখবো।

চতুর্থ দিন: ভোর চারটায় হোটেল থেকে বের হয়ে চলে যাবো টাইগার হিল। ওখান থেকে দেখবো পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত কাঞ্চনজঙ্ঘার গায়ে সূর্যোদয়। তারপর একে একে বাতাসিয়া লুপ,ঘুম মনেস্ট্রি, ঘুম ইস্টিশন দেখব।১০ টার মধ্যে আমাদের ঘুরাঘুরি শেষ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। এরপর দিনের বাকিটা সময় পার্সোনাল টাইম।কেউ চাইলে শপিং করতে পারেন। 

পঞ্চম দিন: ব্রেকফাস্ট শেষে রওনা করবো মিরিক এর উদ্দেশ্যে।হিমালয় কোল ঘেঁষে পাহাড়ি শহর মিরিক এর সৌন্দর্য উপভোগ করে আমরা দুপুরের মধ্যে চলে আসবো শিলিগুড়ি।  শিলিগুড়ি তে লাঞ্চ শেষে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিবো।

ষষ্ঠ দিন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশে থাকবো।

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর কনফার্ম করার ডেডলাইন :

যেহেতু দেশের বাহিরের ট্যুর,পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। 

বিঃদ্রঃ ভিসা না থাকলে কমপক্ষে ২০থেকে ৩০ দিন সময় হাতে রেখে যোগাযোগ করতে হবে। 

🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ১০,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

 

দার্জিলিং ভ্রমন প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -দার্জিলিং -ঢাকা ট্রেন টিকিট,জীপ সহ সকল যাতায়াত খরচ

💠৩রাত হোটেল একোমডেশন

💠দার্জিলিং পৌছানোর পর প্রথম দিন রাতের খাবার থেকে শুরু করে আসার দিন দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠দার্জিলিং ভ্রমণ এর সকল প্রকার হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ।

 

⛔দার্জিলিং ভ্রমন এ যা থাকছে না

 

💠ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার 

💠ট্রাভেল ট্যাক্স

💠বর্ডার স্পিড মানি

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর কনফার্ম করার আগে যে ব্যাপারগুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে 

💠দার্জিলিং ভ্রমন এর জন্য ভিসায় পোর্ট চ্যাংড়াবান্দা হলে এই ট্যুরে জয়েন করতে পারবেন। 

💠যদি ভিসায় চ্যাংড়াবান্দা না থাকে তবে খুব সহজেই এটি এড করে নিতে পারবেন।

💠যদি ভিসা না থাকে তবে ভিসা করানো অথবা পোর্ট এডের ক্ষেত্রে স্পোর্টস ট্যুরিজম সব রকম সহযোগিতা করবে।

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ ও গিজার থাকবে। 

💠কোন হিডেন চার্জ নেই। 

 

দার্জিলিং ভ্রমন এর বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে করা যাবে।

 

যোগাযোগ :  01820-109 109

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *