কিরগিজস্তান ভিসা বিস্তারিত

কিরগিজস্তান ভিসা

কিরগিজস্তান ভিসা বিস্তারিত

কিরগিজস্তান মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত একটি রাষ্ট্র। এর উত্তরে কাজাখস্তান, পূর্বে চীন, দক্ষিণে চীন ও তাজিকিস্তান এবং পশ্চিমে উজবেকিস্তান।দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো বিশকেক। কিরগিস্তান এর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। কিরগিজস্তানের পাহাড় এবং হ্রদ একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য। 2018 সালে, ব্রিটিশ ব্যাকপ্যাকার সোসাইটি কিরগিজস্তানকে পৃথিবীর পঞ্চম সেরা অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে স্থান দিয়েছে , “এই বলে যে দেশটি একটি অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল সিক্রেট যা “শীঘ্রই বেরিয়ে আসতে বাধ্য।” কিরগিজস্তানের শহরগুলিতে সোভিয়েত-শৈলীর অনেক ভবন, প্রশস্ত বাজার এবং রঙিন মসজিদ রয়েছে।

আপনি যদি কিরগিজস্তান যেতে চান আপনাকে অবশ্যই কিরগিজস্তানের একটি ভিসার প্রয়োজন হবে। কিরগিজস্তানে ভ্রমণের জন্য অনেক দেশের নাগরিকদের ই ভিসার প্রয়োজন হয় না আবার অনেকের ই ভিসা প্রয়োজন হয়। দেশ ভেদে ভিসার ধরণ ও ভিন্ন হয়।

কিরগিজস্তান এর ভিসার ধরণ ও প্রকারভেদ

কিরগিজস্তান এ ভিসা কয়েক ধরণের হয়ে থাকে। কিরগিজস্তানের জন্য সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ভিসা হল:

🍁ট্যুরিস্ট ভিসা: যারা পর্যটনের উদ্দেশ্যে অন্য কোনো দেশ থেকে অল্প সময়ের জন্য কিরগিজস্তান ভ্রমণে যেতে চান ট্যুরিস্ট ভিসা সাধারণত তাদেরকেই জারি করা হয় ।

🍁বিজনেস ভিসা: যারা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কিরগিজস্তানে প্রবেশ করতে চান, যেমন আলোচনার জন্য, একটি সম্মেলনে যোগদানের জন্য, বা কিরগিজ সংস্থা বা একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান দ্বারা আয়োজিত একটি ক্রীড়া ইভেন্টে তাদের জন্যই এই বিজনেস ভিসা জারি করা হয় ,এই ভিসা টি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।

🍁স্টাডি ভিসা: অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা কিরগিজস্তানে পড়াশুনা করার জন্য যেতে চায়। স্টাডি ভিসা একজন শিক্ষার্থীকে কিরগিজস্তানে থাকার অনুমতি দেয় যদি তারা কিরগিজ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নথিভুক্ত হয়।

🍁কাজের ভিসা: কিরগিজস্তানের কাজের ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে কিরগিজস্থানে কোনো চাকরি পেতে হবে বা ওয়ার্ক পারমিট পেতে হবে।আপনি যে কোম্পানিতে নিয়োগ নিবেন সেই কোম্পানির নিয়োগকর্তা আপনার জন্য এটির ব্যবস্থা করে দিবেন ।

🍁প্রাইভেট ভিসা : কিরগিজস্তানের জন্য একটি প্রাইভেট ভিসা বিদেশীদের জন্য জারি করা হয় যারা স্বল্পমেয়াদী উদ্দেশ্যে দেশে প্রবেশ করবে, যেমন আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে, চিকিৎসা নেওয়ার জন্য, এমনকি একজন কিরগিজ নাগরিককে বিয়ে করতে বা পারিবারিক পুনর্মিলনের জন্য। এই ধরনের ভিসা ধারককে কিরগিজস্তানে কাজ করার অনুমতি দেয় না।

কিরগিজস্তান ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

কিরগিজস্তানে ভিসার আবেদন এর ধরণ সাধারণত ৩টি।

১. অন এরাইভাল : এই ভিসার আপনাকে মানস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেই দিবে। তবে এই ভিসাটি কিছু সংখক দেশের জন্য বরাদ্য।
২. অনলাইন :এই ভিসার জন্য আপনাকে সরকারী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
৩. বিদেশে কিরগিজস্তানের দূতাবাস বা কনস্যুলেটগুলির একটিতে

কিরগিজস্তান ভিসার জন্য অনলাইনে ইভিসা আবেদন করার নিয়ম

ই-ভিসা আবেদনের জন্য কিরগিজস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে হবে। নিচে প্রক্রিয়াটি উল্লেখ করা হলো:

১. কিরগিজস্তানের সরকারি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করুন

২.আপনি কিরগিজস্তান ইভিসার জন্য আবেদন করার যোগ্য কিনা তা পরীক্ষা করুন। তথ্য ট্যাবের অধীনে একটি “আমার কি ভিসা দরকার” বিভাগ রয়েছে। সাধারণত, আপনি যদি ভিসা-মুক্ত হন বা আগমনের ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে আপনি ইভিসার জন্যও আবেদন করতে পারেন।

৩.অ্যাপ্লিকেশন শুরু করুন। হোমপেজে “ভিসার জন্য আবেদন করুন” বোতামে ক্লিক করুন।
৪.আপনার পাসপোর্টের স্ক্যান কপি এবং একটি পাসপোর্ট আকারের ছবি সংযুক্ত করুন।
৫.আপনার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড দিয়ে eVisa ফি প্রদান করুন।
৬.ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি প্রায় এক সপ্তাহ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যে, আপনি আপনার ইমেলে একটি নিশ্চিতকরণ পাবেন, এবং আপনি আপনার ভিসা আবেদনের অবস্থাও পরীক্ষা করতে পারেন।

কিরগিজস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

কিরগিজস্তানের ভিসার প্রয়োজনীয়তাগুলি হল:

🍁পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পত্র।*
🍁পূরণকৃত ভিসা আবেদনপত্র।
🍁নিজের একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি যেটি ভিসা আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত থাকবে।
🍁 পাসপোর্ট : কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট যার ২ টি পৃষ্ঠা ফাঁকা থাকবে।
🍁কিরগিজস্তানের ভিসা ফি প্রদান: আপনার দেশ, আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং এটি একটি একক-প্রবেশ বা বহু-প্রবেশ ভিসা কিনা তার উপর নির্ভর করে ভিসা ফি পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, কিরগিজস্তানের ভিসা ফি হল:
এক মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য USD 40।
এক মাসের সিঙ্গেল-এন্ট্রি ব্যবসা, ব্যক্তিগত বা স্টাডি ভিসার জন্য USD 60।
এক মাসের মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার জন্য USD 70।

🍁ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রমাণ: কিরগিজস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য ডকুমেন্ট হিসেবে আপনার ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রমান ,যেমন আপনার ফ্লাইটের টিকিট এবং বাসস্থানের প্রমাণ দিতে হবে।

🍁আপনি যদি ডাকযোগে আবেদন করেন: একটি প্রি-পেইড স্ব-ঠিকানাযুক্ত খাম, যাতে দূতাবাস আপনার নথি ফেরত দিতে পারে।

*যারা ভিসার প্রয়োজনীয়তা থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত বা আগমনের ভিসার জন্য যোগ্য তাদের ভিসা অনুমোদন পত্রের প্রয়োজন নেই।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ভ্রমন

চাঁদপুরে এই সুন্দর ছবিটি সংগ্রহীত

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ভ্রমন

চাঁদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। উপজেলার সংখ্যানুসারে চাঁদপুর বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত জেলা। ইলিশ উদ্পাদনে ব্যাপকভাবে সমাদৃত চাঁদপুর জেলা। এজন্য এই জেলাকে “ইলিশের বাড়ি” বলা হয়ে থাকে। ইলিশ ছাড়াও চাঁদপুরে আছে পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিন নদীর মোহনা। চাঁদপুরে অনেক মানুষ ভ্রমণে যায় যারা এই মোহনা থেকে নৌকা নিয়ে পারি দেয় মেঘনা ও পদ্মার চর।তবে ইলিশের জন্য ই এখনো চাঁদপুর তার সুদীর্ঘ ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এই ইলিশের জন্যই চাঁদপুরে গড়ে উঠেছে তিন ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা।

💠চাঁদপুরে ভ্রমনের স্থান সমূহ

🔸 তিন নদীর মোহনা 🔸ইলিশ চত্বর  🔸রক্তধারা 🔸কালীবাড়ির “ওয়ান মিনিট আইসক্রিম ” 🔸বড় স্টেশন (মাছের আড়ত) 🔸মিনি কক্সবাজার বা মেঘনা পদ্মার চড়

🔸 তিন নদীর মোহনা ও মোলহেড:দৃষ্টিনন্দন এবং ঘুরে বেড়ানোর মতো আকর্ষণীয় একটি জায়গা হলো চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনা। এই জায়গাটি খুবই সুন্দর ও মনোরম। এখানে পদ্মা,মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিনটি নদী একসাথে মিলিত হয়।

🔸ইলিশ চত্বর :ইলিশ চত্বর হল চাঁদপুর জেলার চাঁদপুর শহরে সড়কের মাঝখানে ইলিশ আকৃতির তৈরিকৃত একটি চত্বর।সুস্বাদু ইলিশ মাছের জন্য বিখ্যাত চাঁদপুর জেলা। যার কারণেই ইলিশের বাড়ি বলা হয় চাঁদপুর জেলাকে।আর এই খ্যাতি ধরে রাখতে চাঁদপুর জেলার বাস স্ট্যান্ড এবং স্টেডিয়ামের সামনে সড়কের মাঝখানে তৈরি করা হয়েছে ইলিশ চত্বর নামের এই ভাস্কর্য। বর্ষা মৌসুমে চাঁদপুরের ইলিশ খাওয়ার জন্য এবং তাজা রূপালী ইলিশ একনজর দেখার জন্য দেশি বিদেশী পর্যটকদের ভিড় জমে চাঁদপুরে।

🔸রক্তধারা:রক্তধারা স্মৃতিসৌধ হলো বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে তৈরি করা একটি স্থাপনা বা স্মৃতিসৌধ। মুক্তিযুদ্ধে চাঁদপুরে অনেক স্বাধীনতাকামী গণহত্যার শিকার হন। তাদের স্মরণে ২০১১ সালে নির্মিত হয় এ স্মৃতিসৌধ।পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়ার মিলনস্থল চাঁদপুর বড় স্টেশনের মোলহেডে বধ্যভূমিতে অবস্থান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ’রক্তধারা’।রক্তধারা এক স্তম্ভ বিশিষ্ট এতে ৩টি রক্তের ফোঁটার প্রতিকৃতি দিয়ে বোঝানো হয়েছে রক্তের ধারা। টেরাকোটার মুর‍্যালে আঁকা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণসহ মুক্তিযুদ্ধের কয়েকটি ঘটনাবলীর চিত্র।

🔸কালীবাড়ির “ওয়ান মিনিট আইসক্রিম ” :কালীবাড়ির “ওয়ান মিনিট আইসক্রিম ” একটি ঐতিহ্যবাহী আইসক্রিম। এখানে ১মিনিটে আইসক্রিম তৈরি দেয় বলে এর নাম এ হয়ে যায় ওয়ান মিনিট আইসক্রিম। চাঁদপুরের কালীবাড়ির এই মিষ্টির দুকান টি অনেক পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী। চাঁদপুরে ভ্রমণকারী পর্যটকটরা এর আইসক্রিম এবং মিস্টি খেতে সেখানে যায়।

🔸বড় স্টেশন (মাছের আড়ত):চাঁদপুরে ইলিশ মাছের সবচেয়ে বড় আড়ত হলো বড় স্টেশন ইলিশঘাট। চাঁদপুরের মিঠাপানির রুপালি ইলিশ স্বাদ আর সুঘ্রানের জন্য সারাদেশ জুড়ে বিখ্যাত। এখানে বড় বড় ট্রলার নৌকা করে এখানে প্রতিদিন অনেক অনেক মাছ আসে। বর্ষার শুরুতে ইলিশের চাহিদায় অনেক মানুষ চাঁদপুরে ভ্রমণ আসে। আর এখন থেকে মাছ কিনে নিয়ে যায়।

🔸মিনি কক্সবাজার বা মেঘনা পদ্মার চড় :মিনি কক্সবাজার বা মেঘনা পদ্মার চড়ে যেতে হলে মোলহেড বা বড় স্টেশন থেকে নৌকা নিয়ে নদীতে নৌভ্রমণ করতে হবে। পদ্মা,মেঘনা ও ডাকাতিয়া এই তিন নদীর মোহনা পার করে চড়ে যেতে হয়। চড়ের পুরোটা জায়গা বালি ও অনেক ধরনের উদ্ভিদ থাকে। ভ্রমণ পিপাসুরা এখানে গিয়ে নদীতে নেমে গোসল ও খেলা ধুলা করে। এই চর দেখতে অনেকটা কক্সবাজারের বিচ এর মতো মনে হওয়ায় অনেকে এটিকে মিনি কক্সবাজার ও বলে।

💠 চাঁদপুরে যাওয়ার উপায়

ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন সকাল ৭ তা থেকে ১ ঘন্টা পর পর চাঁদপুরের উদ্দেশে লঞ্চ ছেড়ে যায়। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এম ভি সোনারতরী ,এম ভি বোগদাদিয়া ,এম ভি আল বোরাক ,এম ভি ঈগল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে ও চাঁদপুরের উদ্দেশে সকাল থেকে ই বাস ছেড়ে যাই। এছাড়াও ঢাকার কমলাপুর থেকে ট্রেনে করেও চাঁদপুরে যাওয়া যাই। এক্ষেত্রে ঢাকা থেকে লাকসাম ট্রেনে করে এবং সেখান থেকে সিএনজি বা অটো করে চাঁদপুর।

চাঁদপুরে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা

চাঁদপুরে থাকার জন্য মোটামোটি ধরণের কিছু হোটেল পাওযা যায়।
খাবারের জন্য চাঁদপুরে বেশ কিছু খাবার হোটেল পাওয়া যাই ,সেখানে ইলিশ কিনে এনে দিলে তাদের কাছ থেকে বাকি খাবার নিলে তারা ইলিশ ভেজে রানা করে খাওয়াই। বা তাদের কাছেও ইলিশ সহ বিভিন্ন ধরণের খাবার মেন্যু পাওয়া যায় সুলভ মূল্যে।

চাঁদপুরে ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা 

সকাল ৭ টায় ঢাকা থেকে লঞ্চে রওনা চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে। সকাল ১০:২০ এর মধ্যে চাঁদপুর নেমে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করেনা নিতে পারবেন
এরপর চলে যাবেন ইলিশ চত্বরে, ইলিশ চত্বর ঘুরে ওখান থেকে চলে যাবেন রক্তধারা, রক্তধারা ঘুরে রিজার্ভ বোটে করে চলে যাবেন মিনি কক্সবাজার। ওখান থেকে দুপুরে ব্যাক করে মিয়াজি বাড়ি মসজিদে নামাজ পরে গরম গরম ভাত, ইলিশ ভাজা, লেজ ভর্তা, মরিচ ভর্তা😋 দিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে তিন নদীর মোহনায় বসতে পারেন সূর্যাস্তের সৌন্দর্য উপভোগ করতে । চাইলে বিকালে ওয়ান মিনিট আইসক্রিম খেয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন ।আবার ও লঞ্চে করে রওনা দিয়ে রাত ৮ টার মধ্যে ঢাকাই থাকতে পারবেন।

💠চাঁদপুরে ভ্রমন খরচ ও ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে :

 

 ৭৯৯ টাকা (প্রতি জন) ,{চেয়ার কোচ নিলে আসা যাওয়া আরো ৩০০ টাকা যোগ করতে হবে}

🍁ঢাকা-চাঁদপুর -ঢাকা লঞ্চ এর ডেক ভাড়া

🍁ট্রলারের যাবতীয় খরচ (মিনি কক্সবাজার)

🍁সকালের নাস্তা

🍁দুপুরের খাবার (ইলিশের ভুরিভোজ)

🍁সকল ধরনের লোকাল ট্রান্সপোর্ট।

 

কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে-

১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।

২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।

৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে, স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।

৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

ইনটারন্যাশনাল ও ডোমেস্টিক যেকোনো ধরণের ভ্রমণ প্যাকেজ পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে।

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য

এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

যোগাযোগ:01820-109 109

তাজিকিস্তান ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান ভিসা

তাজিকিস্তান ভিসা প্রসেসিং প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান দক্ষিণ-পূর্ব মধ্য এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত প্রজাতন্ত্র। এর উত্তরে কিরগিজস্তান, উত্তরে ও পশ্চিমে উজবেকিস্তান, পূর্বে চীন এবং দক্ষিণে আফগানিস্তান।তাজিকিস্তান স্থলবেষ্টিত এবং আয়তনে মধ্য এশিয়ার সবচেয়ে ক্ষুদ্রত্তম রাষ্ট্র।তাজিকিস্তানের প্রায় ৯০% এর বেশি এলাকা প্রবতময়। পৃথিবীর ছাদ খ্যাত পামির মালভূমির অংশ ও এখানেই অবস্থিত। প্রতি বছর প্রায় অনেক পর্যটক এই দেশে ভ্রমণ করে থাকে। তাদের বিশেষ আকর্ষণ এই পামির মালভূমি সহ আরো কিছু পর্বতমালা রয়েছে যা তাজিকিস্তানে বা এর সংলগ্নে অবস্থান করে।
এই দেশে ভ্রমণের জন্য ভিসা অত্যন্ত জরুরি। কিছু সংখক দেশ বাদে বাকি দেশেরই ভিসা প্রয়োজন। বাংলাদেশিদের জন্য ও ভিসা আবশ্যক।

তাজিকিস্তান এর ভিসার ধরণ ও প্রকারভেদ

তাজিকিস্তান এর কয়েক ধরণের ভিসা দিয়ে থাকে। ভিসার প্রকারভেদ গুলো হলো :

🍁ট্যুরিস্ট ভিসা : ট্যুরিস্ট ভিসা সাধারণত ভ্রমণ পর্যটন বা চিত্ত বিনোদনের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করা বিদেশী নাগরিকদের দেয়া হয়ে থাকে। তাজিকিস্তানের ট্যুরিস্ট ভিসা অনলাইনে আবেদন করা যায় কোনো ধরণের আমন্ত্রণ পত্র ছাড়াই।

🍁স্টাডি/একাডেমিক ভিসা: এই ভিসাটি সাধারণত বিদেশী নাগরিক যারা তাজিকিস্তানের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা অর্থাৎ স্নাতকোত্তর, ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে চাই তাদের জন্য।

🍁বিজনেস ভিসা: ব্যবসা পরিচালনার উদ্দেশে বিদেশী নাগরিক যারা তাজিকিস্তান ভ্রমণ করতে চায় তাদের জন্য বিজনেস ভিসা জারি করা হয়। যেমন মিটিং, সম্মেলন, একটি সিম্পোজিয়াম, চুক্তি সমাপ্ত করা ইত্যাদি। তবে এই ক্ষেত্রে এই দেশের হোস্টিং কোম্পানি থেকে আমন্ত্রণ পত্র প্রয়োজন হয়।

🍁প্রাইভেট ভিসা:তাজিকিস্তানে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে দেখা করা বিদেশী নাগরিকদের জন্য ইস্যু করা, চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করা বা অন্যান্য স্বল্পমেয়াদী উদ্দেশ্যে এই প্রাইভেট ভিসা টি দেয়া হয়।

🍁ইনভেস্টমেন্ট ভিসা: ইনভেস্টমেন্ট ভিসাটি হলো এই দেশের কোনো সংস্থার বড় বিনিয়োগ কারী কোম্পানি বা সংস্থার প্রতিনিধি বা ওই সংস্থানের প্রধানদের পাশাপাশি প্রধান আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যদের কাছে ইস্যু করা হয়।

🍁কাজের ভিসা: তাজিকিস্তানে কাজের ভিসা চালু করা হয়েছে বিদেশী নাগরিকদের এই দেশ ভিত্তিক কর্মস্থল বা কোম্পানিতে চাকরি করার সুবিদার্থে।

তাজিকিস্তান ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তানে মূলত ২ ধরণের ভিসা আবেদন করা যায়। যেমন :
১. অনলাইন: অফিসিয়াল তাজিকিস্তান ইভিসা পোর্টালের মাধ্যমে
২. দূতাবাস বা কনস্যুলেটে: আপনি যদি ইভিসার জন্য যোগ্য না হন

তাজিকিস্তান ইভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

তাজিকিস্তান সাধারণত ই-ভিসা ইস্যু করে থাকে। এই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাজিকিস্তান ইভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
এই ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া টি খুবই সহজ। এর জন্য আপনাকে নিম্ন বর্ণিত কাজ গুলো করতে হবে। যেমন:
🍁অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে।
🍁তাজিকিস্তান ইভিসা ফি প্রদান করতে হবে। (ফি অফেরতযোগ্য)
🍁ভিসা প্রসেস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি প্রায় দুই কার্যদিবস সময় নেয়। তাজিকিস্তান এর ই-ভিসাটি আপনি আপনার ইমেলে পাবেন।
🍁ভিসার প্রিন্ট আউট করুন এবং ভ্রমণের সময় এটি আপনার সাথে রাখতে হবে।

বিঃদ্রঃ এই ভিসা টি শুধু ট্যুরিস্ট বা পর্যটনের জন্য জারি করা হয়।

তাজিকিস্তান ট্যুরিস্ট ভিসা/ই-ভিসা ফি

তাজিকিস্তান ইভিসা ফি হল USD 50। যদি GBAO পারমিটের জন্য আবেদন করেন, তাহলে খরচ প্রায় USD 70। GBAO পারমিট ধারককে গর্নো-বাদাখশান স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে প্রবেশের অনুমতি দেয়।

ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:

১. কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ সম্পন্ন একটি পাসপোর্ট
২. ভিসা ফি প্রদানের জন্য অবশ্যই একটি বৈধ ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড থাকতে হবে।
৩.অবশ্যই ই-ভিসার জন্য যোগ্য দেশ গুলোর মধ্যে একটি হতে হবে।
৪. NID কার্ডের কপি।

দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া

আপনি যদি অনলাইন ভিসার জন্য যোগ্য না হোন তখন এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আপনি যে দেশে আবেদন করছেন তার উপর নির্ভর করে। আপনার একটি আমন্ত্রণ পত্রের প্রয়োজন হবে যা ঐ দেশের একটি ট্যুর এজেন্সি, একজন ব্যক্তি বা একটি হোস্ট কোম্পানি/সংস্থা থেকে নিতে হবে।দূতাবাসে তাজিকিস্তান ভিসার আবেদনের জন্য একটি অনলাইন আবেদন করতে হবে। প্রক্রিয়া টি হলো :

🍁MFA এর তাজিকিস্তান ভিসা ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করুন। এটি ইভিসার মত নয়!
🍁আপনার জাতীয়তা  এবং কোন দূতাবাসে আপনি আপনার ভিসা পাবেন নির্বাচন করুন। তাজিকিস্তানের কোনো কূটনৈতিক মিশন না থাকলে,             আপনার কাছে আগমনের ভিসা পাওয়ার বিকল্প রয়েছে।
🍁ভিসা ফর্মটি পূরণ করুন।
🍁প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আপনার পাসপোর্টের একটি স্ক্যান কপি, তাজিকিস্তানের একটি ট্যুর কোম্পানির একটি আমন্ত্রণপত্র এবং নিজের একটি 5×6 ছবি প্রয়োজন৷ ব্যবসার জন্য ভ্রমণ করলে, আপনাকে হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে আমন্ত্রণের একটি চিঠির প্রয়োজন।
🍁ভিসার জন্য অর্থ প্রদান: তাজিকিস্তান ভিসার জন্য ফি আপনার জাতীয়তার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
🍁ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। এটি সাধারণত প্রায় 5 কার্যদিবস সময় নেয়।
🍁আপনার ইমেল নিশ্চিতকরণ পাবেন।
🍁মুদ্রিত নিশ্চিতকরণ চিঠিটি তাজিকিস্তান দূতাবাসে নিয়ে যান যা আপনি আপনার ভিসা পাওয়ার জন্য নির্বাচন করেছেন বা আপনার নির্বাচনের          উপর নির্ভর করে আগমনের সময় আবেদন করতে আপনার সাথে নিয়ে যান।

তাজিকিস্তান ভিসার মেয়াদ

তাজিকিস্তানের সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ভিসা (ইভিসা) ইস্যু হওয়ার পর থেকে সর্বাধিক 90 দিনের জন্য বৈধ। এটি আপনাকে তাজিকিস্তানে এর বৈধতার মেয়াদের মধ্যে 60 দিন পর্যন্ত থাকতে দেয়।
আপনি নিকটস্থ তাজিকিস্তান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে ভিন্ন মেয়াদের বা ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করতে পারেন।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109

বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রসেসসিং

উজবেকিস্তান এর এই সুন্দর ছবিটি সংগৃহিত

বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রসেসসিং

মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র হলো উজবেকিস্তান।দেশটির রাজধানী তাশখন্দ।উজবেকিস্তান সীমান্তে পাঁচটি স্থলবেষ্টিত দেশ রয়েছে: উত্তরে কাজাখস্তান; উত্তরপূর্ব কিরগিজস্তান; দক্ষিণপূর্ব তাজিকিস্তান, দক্ষিণ আফগানিস্তান; এবং দক্ষিণ পশ্চিমে তুর্কমেনিস্তান।উজবেকিস্তান এর ২য় বৃহত্তম শহর সমরকন্দ রেশম পথের মধ্যস্থলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি। সমরকন্দের প্রধান আকর্ষণ রেগিস্তান নামের এলাকা, যার চারপাশ ঘিরে আছে অনেকগুলি প্রাচীন মাদ্রাসা।উজবেকিস্তান এর এ সকল সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর অনেক পর্যটন সেখানে ভ্রমণে যায়।

উজবেকিস্তান ভ্রমণের জন্য একটি ভিসা অবশ্যয় জরুরি। বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কোনো দূতাবাস না থাকাই আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নয়া দিল্লি থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রক্রিয়া করতে হয়।

উজবেকিস্তান  ভিসা আবেদন এর প্রক্রিয়া

আপনার দেশটি যদি ভিসা-মুক্ত না হয়, তাহলে আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলির মধ্যে একটিতে উজবেকিস্তানের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন:

অনলাইন: উজবেকিস্তান ই ভিসা সিস্টেমের মাধ্যমে 50 টিরও বেশি দেশের নাগরিকরা একটি ইভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।

একটি উজবেক দূতাবাস বা কনস্যুলেটে: আপনি যদি ইভিসার জন্য যোগ্য না হন বা আপনি 30 দিনের বেশি থাকতে চান তবে আপনাকে উজবেকিস্তানের একটি কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।উজবেকিস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য প্রথমে অনলাইন এ একটি ফরম ফিলাপ করতে হবে। সেখানে সমস্ত সঠিক তথ্য দিয়ে অবদান ফরমটি পূরণ করতে হবে। আবেদন ফর্মের হার্ড কপি ভারতের নয়াদিল্লির উজবেকিস্তান দূতাবাসে পাঠাতে হবে।

উজবেকিস্তান এর ভিসার ধরণ

উজবেকিস্তান সাধারণত ২ ধরণের ভিসা ইস্যু করে।  যেমন :
১. বিজনেস ভিসা
২. ট্যুরিস্ট ভিসা

🍁. বিজনেস ভিসা : বিজনেস ভিসা টি মূলত যারা ব্যবসা বা ব্যবসা সংক্রান্ত কাজের যেতে চায় তাদের জন্য এই বিজনেস ভিসা।
🍁. ট্যুরিস্ট ভিসা: সাধারণত যারা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে উজবেকিস্তান যেতে চাই তাদের জন্য ই হলো ট্যুরিস্ট ভিসা।

উজবেকিস্তান ভিসা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

ই-ভিসার ক্ষেত্রে :

🍁আপনার পাসপোর্টের ব্যক্তিগত ডেটা পৃষ্ঠার একটি স্ক্যান কপি
🍁একটি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সহ একটি ছবি প্রয়োজন৷ ছবিটি .JPEG ফরম্যাটে হতে হবে।
🍁আপনাকে ইভিসা ওয়েবসাইটে এগুলি সংযুক্ত করতে হবে।

🍁খরচ: ইভিসার সিঙ্গেল এন্ট্রির জন্য ভিসা ফী $20,ডাবল এন্ট্রি:$৩৫ এবং মাল্টিপল এন্ট্রি:$৫০। যা আপনাকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করতে হবে।
🍁ভিসার বৈধতা: উজবেক ইভিসা জারি হওয়ার পর থেকে 90 দিনের জন্য এই ভিসা বৈধ। আপনি সেই সময়সীমার মধ্যে দেশে প্রবেশ করতে পারেন এবং সর্বোচ্চ 30 দিন থাকতে পারেন।
আপনি একটি একক-প্রবেশ ভিসা বা একাধিক-প্রবেশ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

দূতাবাসে উজবেকিস্তান এর ভিসার জন্য আবেদন করা

দূতাবাস/কনস্যুলেটে উজবেক ভিসার জন্য আবেদন দুটি অংশে রয়েছে:

🍁1.এই ভিসাটির জন্য উজবেকিস্তানে একজন স্পনসরের প্রয়োজন যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আপনার পক্ষ থেকে ভিসা নিশ্চিতকরণ করবে। নিশ্চিতকরণের চিঠিটি আবেদন প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার স্পন্সর হতে পারে সেই ব্যক্তি/সংস্থা/কোম্পানী যারা আপনাকে উজবেকিস্তানে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বা একটি সরকার অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি।
🍁2.নিশ্চিতকরণের চিঠি পাওয়ার পর, আপনি দূতাবাস/কনস্যুলেটে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। নির্দিষ্ট কনস্যুলার অফিসের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনি ব্যক্তিগতভাবে বা ডাকযোগে আবেদন করতে পারেন।

উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র

আপনার স্পনসর ভিসা নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন করে নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস গুলো জমা দিতে হবে:

🍁উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র । পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে উপলব্ধ।
🍁যদি কোনো সংস্থা/কোম্পানী আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়, ফর্মটি অবশ্যই কোম্পানির লেটারহেডে প্রিন্ট করতে হবে।
🍁সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ভিসা ফর্ম। এটি ইভিসার মতো নয়।
🍁আপনার পাসপোর্টের কপি।
🍁আপনার এয়ারলাইন টিকিটের কপি (যদি তাসখন্দ বিমানবন্দরে পৌঁছান)

স্পনসর যদি একজন ব্যক্তি হয়:
🍁হোস্টের পাসপোর্টের কপি।
🍁অতিথির সাথে সম্পর্কের প্রমাণ।

স্পনসর যদি একটি কোম্পানি/সংস্থা হয়:
🍁কোম্পানীর প্রধানের পাসপোর্টের অনুলিপি বা আবেদন জমা দেওয়ার অনুমোদিত ব্যক্তির।
🍁কোম্পানি/সংস্থার লাইসেন্স এবং সার্টিফিকেট।
🍁অনুমোদিত ব্যক্তির জন্য “পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি” এর একটি অনুলিপি।
🍁অতিথির চাকরির শংসাপত্র।

উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা নিশ্চিতকরণ জারি করার পরে, আপনাকে নিম্নলিখিত নথিগুলি নিকটস্থ উজবেক দূতাবাস/কনস্যুলেটে জমা দিতে হবে:

🍁আপনার পাসপোর্ট(আগের পাসপোর্ট থাকলে সেগুলো সহ )
🍁দুটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ৩.৫*৪.৫ সেমি সাইজের)
🍁দুটি সম্পূর্ণ উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র
🍁ডকুমেন্টসের ভাষা: সবগুলো ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজিতে সাবমিট করতে হবে। যে ডকুমেন্টগুলো বাংলায় রয়েছে সেগুলো ট্রান্সলেট করে নোটারি করে ইংরেজিতে করতে হবে।

বাংলাদেশের সেরা  ভিসা কনসালটেন্ট?

আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।

Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।

আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।

ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109