
প্রাচীন শহর কুমিল্লা ভ্রমণ বিস্তারিত
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলি ও বাংলাদেশের প্রত্নস্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রাচীন শহর কুমিল্লা যা প্রাচীনকালে সমতট জনপদের অন্তর্গত ছিল এবং পরবর্তীতে ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ হয়।প্রাচীন বাংলার শহরগুলোর মধ্যে কুমিল্লা ছিলো অন্যতম। কুমিল্লা শহর একসময় ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী ছিল। কুমিল্লা শহরের ডুলিপাড়া এলাকায় রয়েছে কুমিল্লা বিমানবন্দর। কুমিল্লাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর ও ওয়ার সেমেট্রি রয়েছে। বতর্মানে রাজশে পুর ইকোপার্ক এবং তদসংলগ্ন বিরাহিম পুরের সীমান্তবর্তী শাল বন পর্যটন স্পট হিসেবে ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
স্পোর্টস ট্যুরিজম বাংলাদেশ এবার যাচ্ছে খাদি কাপড় ও মাতৃভান্ডার রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতির শহর কুমিল্লাতে যার ময়নামতিতে রয়েছে লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন ৷ আরো রয়েছে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি সহ আরো অনেক ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন৷
💠কুমিল্লা ভ্রমনের স্থান সমূহ :
কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু জায়গা হলো:
🍁 শালবন বিহার,🍁 কুটিলা মুড়া, 🍁চন্দ্রমুড়া, 🍁রূপবন মুড়া, 🍁ইটাখোলা মুড়া, 🍁সতের রত্নমুড়া, 🍁রাণীর বাংলার পাহাড়, 🍁 আনন্দ বিহার, 🍁ভোজ রাজদের প্রাসাদ, 🍁চন্ডীমুড়া,🍁ময়নামতি জাদুঘর
🍁 শালবন বিহার:শালবন বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম। কুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি প্রত্নস্থলের অসংখ্য প্রাচীন স্থাপনাগুলোর একটি এই বৌদ্ধ বিহার । এটি ১২শ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা হিসেবে চিহ্নিত।কোটবাড়িতে বার্ডের কাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান। বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার। প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রোঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে। এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।
🍁 কুটিলা মুড়া:কোটিলা মুড়া হচ্ছে কুমিল্লার ময়নামতী সেনানিবাস এলাকার একটি প্রত্নস্থান। ঢাকা-কুমিল্লা মহাসড়ক থেকে প্রায় দুই মাইল দক্ষিণে এবং শালবন বিহার থেকে প্রায় তিন মাইল উত্তরে এর অবস্থান। লালমাই পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থাপনাগুলোর মধ্যে কোটিলা মুড়া অন্যতম। এ স্থানের মাটি খনন করার পর এখানে তিনটি স্তুপ আবিষ্কৃত হয়।
🍁রূপবন মুড়া:এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার বার্ড নামক স্থানে অবস্থিত। নব্বই দশকের দিকে এটি খনন করা হয়।এটি খনন করার পরে একটি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ এখানে পাওয়া যায়। এছাড়া মুড়োটির পূর্ব পাশের প্রকৌষ্ঠ থেকে বেলে পাথরের কারুকাজ করা বৃহদাকার ১টি বৌদ্ধ মূর্তি পাওয়া যায়। ধারণা করা হয় মূর্তিটি ৭ম থেকে ১২শ শতাব্দীর।৯০ দশকে কুমিল্লা কালিবাজার সড়কের কাছে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাসের এক অন্যতম এই নিদর্শনটি খনন করা হয়। কথিত আছে রহিম ও রূপবানের ভালোবাসার এক অন্যতম নিদর্শন এই স্থান। রূপবন মুড়ার উঁচু বিহারের উপর দাঁড়ালে সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
🍁ইটাখোলা মুড়া:ইটাখোলা মুড়া বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ময়নামতী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সৌধস্থল। এটি কুমিল্লা সদর উপজেলার হতে পশ্চিম দিকে ৮ কিমি দূরে কোটবাড়ি সড়কের ওপারে রূপবান মুড়ার উল্টোদিকে অবস্থিত।এই প্রত্নস্থান পাহাড়ের গায়ের তিনটি স্তরে বিদ্যমান। প্রাচীনকাল থেকেই এই স্থানটি ইট পোড়ানোর খনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এজন্যই এর এরকম নামকরণ করা হয়েছে।এই স্থানের মূল আকর্ষণ বিস্তীর্ণ স্তূপ কমপ্লেক্স। ১৩.১ বর্গমিটার ভিতের উপর অবস্থিত এই স্তূপটি নিরেটভাবে নির্মিত।ইটাখোলা মুড়ার প্রবেশ পথ ধরে উপরে উঠলে আয়তাকার ক্ষেত্রের মাঝখানে এই বিহারের মূল মন্দিরটি দেখতে পাওয়া যায়। এই মন্দিরের প্রধান উপাস্য হলেন ধ্যানী বুদ্ধ অক্ষোভ্য।
🍁সতের রত্নমুড়া: ৪০০ বছরের প্রাচীন মন্দির সতেরো রত্নমুড়া বা সতেরো রত্ন মন্দির কুমিল্লা নগরী সংলগ্ন আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের খামার কৃষ্ণপুর গ্রামে অবস্থিত। কারো মতে সতেরোটি রত্ন এখানে স্থান পাওয়ায় এরকম নামকরণ আবার কারো মতে ১৭টি চূড়ার কারণে এই নাম।সতেরো রত্ন মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ত্রিপুরার মহারাজ দ্বিতীয় রত্ন মানিক্য বাহাদুর।ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত মন্দিরটি বাংলার টেরাকোটা স্থাপত্যের নিদর্শন বহন করে। অষ্টকোণ আকৃতির স্থাপত্য পরিকল্পনার মন্দিরটি সতেরো চূড়া বিশিষ্ট হলেও বর্তমানে অধিকাংশ চূড়া ধ্বংস হয়ে গেছে। মন্দিরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় আটটি করে ১৬টিসহ চূড়ার সংখ্যা ১৭টি ছিল।
🍁রাণীর বাংলোর পাহাড়:কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পূর্ব পাশে অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাণী ময়নামতির প্রাসাদ। এই প্রত্নতত্ত্ব কেন্দ্রটি লালমাই-ময়নামতি পাহাড় শ্রেণীর সর্ব উত্তর প্রান্তে বিচ্ছিন্ন একটি পাহাড়ের চুড়ায় অবস্থিত।স্থানীয়ভাবে এটি রানী ‘ময়নামতি প্রাসাদ’ নামে পরিচিত। ১৯৮৮ সালে এখানে খননকাজ শুরু করা হয়। খননের ফলে একটি বৌদ্ধ মন্দিরের চারটি নির্মাণ যুগের স্থাপত্য কাঠামো উন্মোচিত হয়েছে।হাজার বছর পূর্বে এই এলাকায় এক রাজার বসবাস ছিল। আর তার স্ত্রী অর্থাৎ তার রাণীর নাম ছিল ময়নামতি। তৎকালীন আমলে রাণী ময়নামতির আরাম আয়েশের বাংলো ছিল এটি। রাণী ময়নামতির নামে এলাকার নামকরণ করা হয় ময়নামতি।
🍁 আনন্দ বিহার:কুমিল্লা জেলা সদরের কোটবাড়ির ময়নামতিতে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য আনন্দ বিহার। ময়নামতির অন্যান্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মন্দির উপমহাদেশের শেষ বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল।কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত আনন্দ বিহারটি শ্রী আনন্দ দেব নির্মাণ করেছিলেন বলে জানা যায়।
🍁 ভোজ রাজার প্রাসাদ: ভোজ রাজার বিহার চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার আনন্দ বিহারের পাশে অবস্থিত। আনন্দ বিহারের কিছু দক্ষিণে অবস্থিত এই বিহারটি স্থানীয়ভাবে ভোজ রাজার বাড়ী নামে পরিচিত।বিহারের অভ্যন্তরে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে প্রায় ১০০টির বেশি পোড়া মাটির ফলক পাওয়া গিয়েছে।এছাড়া বিহারের ভিতর থেকে মিশ্র ধাতুর ভাস্কর্যের খন্ডাংশ, দু’টি বুদ্ধ ভাস্কর্য, হরিকেল রৌপ্য মুদ্রা ইত্যাদি জিনিস উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
🍁চন্ডীমুড়া:চন্ডী মুড়া কুমিল্লা জেলা সদরে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। এটি জেলা সদর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।চন্ডী মুড়ার উচুঁ ঢিবির উপর অবস্থিত। এ মন্দিরের প্রবেশ পথে রয়েছে ১৪২টি সিঁড়ি। সিঁড়ির শেষ মাথায় মন্দিরের প্রধান প্রবেশপথ। স্থানীয় জনশ্রুতি থেকে জানা যায়, সপ্তম শতাব্দীতে রাজা দেব খড়গ তার স্ত্রী প্রতীভা দেবীর অনুরোধে তার স্মৃতিকে অমর করে রাখতে এখানে চন্ডী মন্দির ও এর পাশে আরও একটি শিব মন্দির নির্মাণ করেন। এর মধ্যে চন্ডী মন্দিরে স্বরসতী ও শিব মন্দিরে শিবকে স্থাপন করে দুজনের আলাদা আলাদা পূজা আর্চনা করা হত।
🍁ময়নামতি জাদুঘর:শ্রীভবদের মহাবিহার, কোটিলা মুড়া, চারপত্র মুড়া, রূপবানমুড়া, ইটাখোলা মুড়া, আনন্দ বিহার, রানীর বাংলা, ও ভোজ রাজার বাড়ি বিহার খননকালে অনেক মুল্যবান পুরাসামগ্রী খুঁজে পাওয়া যায়। এসব পুরাবস্তু সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য ১৯৬৫ সালে কুমিল্লা কোটবাড়ির শালবন বিহারের দক্ষিণ পাশে শালবনকে সামনে রেখে পশ্চিমমুখী একটি জাদুঘর স্থাপন করা হয়।যার নাম ময়নামতি জাদুঘর।প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা হিসেবে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান কুমিল্লার ময়নামতি জাদুঘর।প্রাচীন নিদর্শনগুলোর মধ্যে ব্রোঞ্জ ও পাথরের ছোট বড় মূর্তি ,ব্রোঞ্জের বিশাল ঘন্টা ,স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ,মাটির ফলক,ব্রোঞ্জ,তামা,লোহার সামগ্রী খেলনা,মৃৎশিল্প নিদর্শন ও প্রাচীন হস্তশিল্পের পাণ্ডুলিপি উল্লেখযোগ্য।
কুমিল্লা যাওয়ার উপায়
ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে কুমিল্লার উদ্দেশে প্রতিদিন অনেক বাস ছেড়ে যায়। আবার চট্টগ্রাম গামী বাস গুলো দিয়ে ও কুমিল্লা যাওয়া যায়। কমলাপুর থেকে চিটাগাং বা নোয়াখালী গামী উপকূল সহ আরো ট্রেন কুমিল্লা হয়ে যায়। কুমিল্লা স্টেশন থেকে নেমে যেকোনো সিএনজি বা অটো দিয়ে কুমিল্লার ময়নামতি এবং সবগুলো দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখা যায়।
কুমিল্লা তে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা
কুমিল্লায় রাত্রি যাপনের জন্য কান্দিরপাড় ,শাসনগাছা ও স্টেশন রোডে বিভিন্ন মানের ও দামের হোটেল রয়েছে।আবাসিক -অনাবাসিক সব ধরণের হোটেল এ রয়েছে।
নিত্যদিনের খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য কুমিল্লাতে বিভিন্ন মানের খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট আছে। সেগুলোতে সকালের নাস্তা থেকে সুর করে সব ধরণের খাবার এ পাওয়া যায়। তাছাড়াও কুমিল্লার মনোহরপুর অবস্থিত আসল মাতৃভান্ডারের বিখ্যাত রসমলাই,রসগুল্লা ,ভগবতীর পেরা ও মিঠাই এর মালাইচপ এবং মাতৃভূমির মালাইকারির স্বাদ নিতে পারেন।
কুমিল্লা ভ্রমণের সম্ভাব্য বর্ণনা :
খুব ভোরে বের হয়ে পূর্ব নির্ধারিত লোকেশন থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো আমরা ৷ কুমিল্লা পৌঁছে সকালের নাস্তা করে প্রথমেই যাবো ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি তে ৷ (খোলা থাকা সাপেক্ষে ) ৷
সেখান থেকে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি,শালবন বিহার,ময়নামতি জাদুঘর,বৌদ্ধ মন্দির বা নব শালবন বিহার,রূপবান মুড়া
একে একে সব স্পট ঘুরব। দুপুরে বিরতী নিয়ে লাঞ্চ করে নিব।
সন্ধ্যা নাগাদ রওনা দিয়ে রাতের মধ্যেই ঢাকা থাকব ইনশাআল্লাহ ।
সেন্টমার্টিন ভ্রমন খরচ:
ইভেন্ট ফি :২৯০০ টাকা
বুকিং মানিঃ ২৯৬০ (টাকা বিকাশ খরচ সহ)
ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ২৯৬০ টাকা বিকাশ করে, আপনার নাম,ফোন নাম্বার এবং বিকাশ নাম্বারের শেষ ৪ টি ডিজিট বিকাশ নাম্বারে মেসেজ দিয়ে আপনার সিট কনফার্ম করুন।
বিকাশ নাম্বার: 01909040979
ইভেন্ট খরচে যা যা খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকছে:
💠ঢাকা-কুমিল্লা-ঢাকা যাতায়াত খরচ (এসি ট্রান্সপোর্টেশন)
💠সকালের নাস্তা এবং দুপুরের খাবার
💠বিকেলে হাল্কা নাস্তা
যা যা অন্তর্ভুক্ত নয়:
⭕কোনো ব্যক্তিগত খরচ
⭕উপরে উল্লেখিত খাবার বাদে অন্যকোনো খাবার খরচ।
কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে-
১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।
২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।
৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে, স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।
৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।
বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি
ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109
ইনটারন্যাশনাল ও ডোমেস্টিক যেকোনো ধরণের ভ্রমণ প্যাকেজ পেয়ে যাবেন আমাদের কাছে।
**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)
**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য
এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।
যোগাযোগ:01820-109 109