সাজেক ভ্রমণ  বিস্তারিত

সুন্দর এই ছবিটি কালেক্ট করা

সাজেক ভ্রমণ  প্যাকেজ

মেঘের রাজ্য সাজেক।সাজেক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। চারপাশে মনোরম পাহাড় সারি,সাদা তুলোর মতো মেঘের ভ্যালি আপনাকে মুগ্ধ করবেই। সাজেক এমনই আশ্চর্য্যজনক  জায়গা যেখানে  একই দিনের প্রকৃতির তিন রকম রূপের সান্নিধ্য পাবেন।কখনো খুব গরম,তারপর হয়তো হটাৎ বৃষ্টি তে ভিজে যাবেন কিংবা চোখের পলকেই মেঘের ঘন কুয়াশা চাদরে ঢেকে যাবে আপনার চারপাশ। প্রাকৃতিক নিসর্গ আর তুলোর মত মেঘের পাহাড় থেকে পাহাড়ে উড়াউড়ির খেলা দেখতে সাজেক আদর্শ জায়গা। আর Sports Tourism Bangladesh চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।

গন্তব্য : সাজেক ভ্রমণ 

 

💠আমাদের কোন হিডেন চার্জ নেই। 

                                                                                                 

ভ্রমনের তারিখ 😕

**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।

💠সাজেক ভ্রমণ খরচ:

 

জনপ্রতি ৭০০০টাকা(নন এসি বাস, স্ট্যান্ডার্ড রুম)

 জনপ্রতি ৮৫০০টাকা (এসি বাস,প্রিমিয়াম রুম)

 

💠কাপল প্যাকেজ

প্রতি কাপল: ১৫,০০০টাকা (নন এসিবাস,স্ট্যান্ডার্ড কাপল রুম)

প্রতি কাপল:  ১৭৫০০ টাকা (এসি বাস,প্রিমিয়াম কাপল রুম)

💠সাজেক ভ্রমণ এর স্থান সমূহ :

🍁সাজেক ভ্যালি 🍁রিসাং ঝর্ণা  🍁 তারেং🍁 রুইলুই পাড়া🍁 কংলাক পাহাড়🍁 স্টোন গার্ডেন🍁 হ্যালিপেড🍁আলুটিলা গুহা 🍁ঝুলন্ত ব্রীজ 🍁আলুটিলা পাহাড়

🍁সাজেক ভ্যালি: সাজেক রুইলুইপাড়া, হামারিপাড়া এবং কংলাক পাড়া, এই তিনটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।সাজেক ভ্যালিকে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়। কারণ সাজেক ভ্যালি থেকে রাঙা,মাটির অনেকটা অংশই স্পষ্ট দেখা যাই। কর্ণফুলী নদী থেকে উদ্ভূত সাজেক নদী থেকে সাজেক ভ্যালির নাম এসেছে।সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া হচ্ছে কংলাক।

🍁রিসাং ঝর্ণা: রিসাং ঝর্ণা টি খাগড়াছড়ি জেলায় মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা গ্রামে অবস্থিত একটি পাহাড়ি ঝর্ণা। তাই এই ঝর্ণা কে অনেকে সাপমারা ঝর্ণা ও বলে থাকে। ১০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে নিচে গড়িয়ে পড়ে ঝর্ণার জলধারা। পানির গতিপথ ঢালু হওয়ায় প্রাকৃতিক ওয়াটার স্লাইডিং-এর সৃষ্টি হয়েছে, যা এই ঝর্ণার প্রধান আর্কষণ।

 

🍁 তারেং:  ত্রিপুরা ভাষায় ‘তারেং’ শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘উঁচু পাহাড়’। তারেং একটি পর্যটন কেন্দ্র। তারেং এ বসে থেকেই আপনি উপভোগ করতে পারবেন সারি সারি পাহাড় আর খাগড়াছড়ির বিকে বয়ে চলা চেঙ্গী নদী।

 

🍁 রুইলুই পাড়া:  রুইলুই পাড়ায় জুড়ে মেঘের আনাগুনা। ভোরবেলায় রুইলুই পাড়াময় মেঘ ভাসে। সড়ক থেকে ফাঁক গলিয়ে মেঘ দেখাটা আসলেই মজাদার। মেঘবালিকারা মাঝরাত থেকে দুপুরের আগ পর্যন্ত প্রচণ্ড রকমের খেলা খেলে। রুইলুই পাড়ায় রিসোর্ট এর ফাঁকে ফাঁকে লাল সাদা ফুলের মাঝে মধ্যে ই মেঘ দেখা যাই

 

🍁 কংলাক পাহাড়:কংলাক পাহাড় বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি সাজেক ভ্যালির সর্বোচ্চ চূড়া। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা প্রায় ১৮০০ ফুট।চারদিকে সবুজ পাহাড় আর পাহাড়ের সঙ্গে মেঘের লুকোচুরি, কংলাক পাহাড়কে সাজেকের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করেছে।

 

🍁 স্টোন গার্ডেন:স্টোন গার্ডেন সাজেক ভ্যালির অন্যতম সুন্দর একটি জায়গা ।এখান থেকে দাড়িয়ে পর্যটকরা নিচে তাকালে পাহাড়ের অসাধারণ ভয়ংকর সৌন্দর্য উপভোগ করে।ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য মনে হয় একেই বলে।

 

🍁 হ্যালিপেড: সাজেকের হ্যালিপেড থেকে পুরো সাজেকের অসম্ভব সুন্দর ভিউ দেখা যায়। আপনারা চাইলে সাজেক কম সময়ে হেলিকপ্টারে করেও যেতে পারবেন সহজে। এখানে এসে সূর্যাস্ত দেখতে কিন্তু ভালোই লাগে

 

🍁আলুটিলা গুহা: এই গুহাটি খুবই অন্ধকার ও শীতল। কোন প্রকার সূর্যের আলো প্রবেশ করে না বলে টর্চের আলো বা মশাল নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়। সুড়ঙ্গের তলদেশ পিচ্ছিল এবং পাথুরে ও এর তলদেশে একটি ঝর্ণা প্রবহমান যেখানে অনেক শীতল পানি প্রবাহিত হয় । গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূ-গর্ভস্থ টানেলের মত যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট।মাঝে মধ্যে এর ভেতরে বাদুড়ের দেখা ও পাওয়া যায়।

 

🍁ঝুলন্ত ব্রীজ: আলুটিলা গুহা ছিল আলুটিলা পাহাড়ের একমাত্র সৌন্দর্য। কিন্তু বর্তমানে ঝুলন্ত সেতু, গোলচত্বর, নয়নাভিরাম হাঁটাপথ আর পাহাড়ে ধাপ কেটে তৈরি করা সিঁড়ি নিয়ে নতুন সাজে সেজেছে খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র। সেতু থেকে এখন পাহাড়ের অবিরাম সৌন্দর্য ও উপবাগ করা যাই।

 

🍁আলুটিলা পাহাড়: আলুটিলার পূর্বের নাম আরবারী পর্বত। এই পাহাড়ে অনেক বুনো আলু পাওয়া যেত এবং সেই আলু খেয়ে স্থানীয় মানুষ নিজেদের জীবন বাঁচিয়ে ছিল বলেই এই পাহাড়ের নাম আলুটিলা। আলুটিলা পাহাড় থেকে খাগড়াছড়ির গ্রামের দৃশ্য গুলো দেখতে খুবই সুন্দর। পাহাড়ে দাঁড়িয়ে মেঘের ছায়া পড়া সবুজ গ্রাম আর অভয়ারণ্য পর্যালোকন করা যায়। মনে অসম্ভব এক প্রশান্তি কাজ করে।

💠সাজেক ভ্রমণ এর পরিকল্পনা  :

সাজেক ভ্রমণ এর  জন্য

০দিনে রাতে কলাবাগান থেকে বাসে উঠে রওনা হবো খাগড়াছরির উদ্দেশ্যে।

 

প্রথম দিন সকালে খাগড়াছরিতে  বাস থেকে নেমে সকালের নাস্তা করে রিজার্ভ  চান্দের গাড়িতে করে রওনা করবো সাজেকের উদ্দেশ্যে।যাত্রাপথে পাহাড়ি রাস্তা ও জনপদের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পরিলোকন করতে করতে আমরা পৌঁছে যাবো আমাদের কাঙ্খিত গন্তব্য সাজেক ভ্যালি তে।দুপুরের মধ্যে সাজেক রিসোর্টে চেক ইন।

তারপর সারাদিন সাজেক আর তার আশেপাশের স্পট ভ্রমন এবং রাতে সাজেকে বার-বি-কিউ  ডিনার।

 দ্বিতীয় দিন সকালে নাস্তা শেষ করে মেঘের রাজ্য সাজেক থেকে রওনা করবো খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে।দুপুরের খাওয়ার শেষে,আমরা ঘুরে বেড়াবো রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, তারেং ও ঝুলন্ত ব্রিজ। সারাদিনের ভ্রমণ শেষে  সন্ধ্যায় খাগড়াছরিতে গ্রুপ ভিত্তিক রুমে ফ্রেশ হয়ে আমরা রাতের খাবার খাবো রাত ৮টায়। রাতের খাবার খেয়ে বাস স্ট্যান্ডে এসে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিবো ।

তৃতীয় দিন খুব সকালে আমরা ঢাকা থাকবো

কনফার্ম করার শেষ তারিখ : সিট খালি থাকা সাপেক্ষে।

 

 🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ৫,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে। 

🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।

খাবার:

সাজেক ভ্রমণ এর ১ম দিন 

সকালের নাস্তা: খিচুরি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম,চা 

দুপুরের খাবার : চিকেন, ভর্তা,ডাল,সবজি, ভাত

রাতের খাবার :বারবিকিউ /গ্রিলড চিকেন,পরোটা,সফট ড্রিংকস।

সাজেক ভ্রমণ এর দ্বিতীয় দিন 

সকালের নাস্তা :খিচুড়ি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম, চা

দুপুরের খাবার : সাজেকের ফেমাস ব্যাম্বু বিরিয়ানি

রাতের খাবার : খাগড়াছড়ির বিখয়াত মনটানায়

বিঃদ্রঃ অবশ্যই খাবারের মান মেইনটেইন করা হবে।

সাজেক ভ্রমণ প্যাকেজে যা যা থাকছে 

💠ঢাকা -খাগড়াছড়ি   -ঢাকা বাস।

💠দুই দিনের রিজার্ভ জীপ

💠 সাজেক ভ্যালী রাত্রি যাপনের জন্য কটেজ

💠খাগড়াছড়ি পৌছানোর পর থেকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার। 

💠খাগড়াছড়িতে ফ্রেশ হওয়ার জন্য হোটেল

⛔সাজেক ভ্রমণ প্যাকেজে যা থাকছে না

💠ঢাকা থেকে খাগড়াছড়িতে যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার

💠এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না এমন কোন খরচ।

 

কনফার্ম করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে –

 

💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে।  ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।

💠সব রুমে এটাচ বাথ  থাকবে। 

বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি 

 

**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)

**বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে করা যাবে।সেক্ষেত্রে খরচ সহ পাঠাতে হবে 

যোগাযোগ :  01820-109 109

সাজেক ভ্রমণ ছাড়া আরো অনেক ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য পেতে আমাদের পেজ ও ভিজিট করতে পারেন। পেজ লিংক : https://www.facebook.com/sportstourismbd
অথবা কল করুন : 01820-109 109

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *