
বান্দরবান এর এই সুন্দর ছবিটি সংগ্রহকৃত
বান্দরবান ভ্রমণ বিস্তারিত
বান্দরবান জেলার নামকরণ নিয়ে একটি কিংবদন্তি রয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের প্রচলিত রূপকথায় আছে, এ এলাকায় একসময় অসংখ্য বানর বাস করত। আর এই বানরগুলো শহরের প্রবেশমুখে ছড়ার পাড়ে পাহাড়ে প্রতিনিয়ত লবণ খেতে আসত। এক সময় অনবরত বৃষ্টির কারণে ছড়ার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বানরের দল ছড়া পাড় হয়ে পাহাড়ে যেতে না পারায় একে অপরকে ধরে ধরে সারিবদ্ধভাবে ছড়া পার হয়। বানরের ছড়া পারাপারের এই দৃশ্য দেখতে পায় এই জনপদের মানুষ। এই সময় থেকে এই জায়গাটির পরিচিতি লাভ করে ম্যাঅকছি ছড়া নামে। অর্থাৎ মারমা ভাষায় ম্যাঅক অর্থ বানর আর ছি অর্থ বাঁধ। কালের প্রবাহে বাংলা ভাষাভাষির সাধারণ উচ্চারণে এই এলাকার নাম রুপ লাভ করে বান্দরবান হিসাবে। বর্তমানে সরকারি দলিল পত্রে বান্দরবান হিসাবে এই জেলার নাম স্থায়ী রূপ লাভ করেছে। তবে মারমা ভাষায় বান্দরবানের নাম রদ ক্যওচি ম্রো।
বান্দরবান কে বলা হয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রাজধানী।অপার প্রাকতিক পাহাড়ি সৌন্দর্যের লীলাভূমি হলো বান্দরবান। অসংখ্য পাহাড়,ঝিরি, পাহাড়ি নদী,মেঘের জীবন্ত ক্যানভাস যেন এই বান্দরবান।দেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান বান্দরবান ভ্রমণ প্যাকেজ অফার করছে।
কিন্ত স্পোর্টস ট্যুরিজম বাংলাদেশ চেষ্টা করে শ্রেষ্ঠ ট্যুর প্লান নিয়ে ভ্রমণ করতে। আমরা চেষ্টা করি প্রতিটা ট্যুরিস্টের বিশ্বাসের জায়গাটি পাকাপোক্ত ভাবে ধরে রাখতে।
গন্তব্য : বান্দরবান ভ্রমণ
💠বান্দরবান ভ্রমনের স্থান সমূহ :
বান্দরবান জেলার অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে ,এগুলোর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য রয়েছে:
🍁নীলগিরি 🍁নীলাচল 🍁 চিম্বুক পাহাড়🍁 শৈল প্রপাত 🍁 মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র🍁 স্বর্ণ মন্দির(অনুমতি সাপেক্ষে ) 🍁সাঙ্গু নদী ভ্রমন 🍁
🍁নীলগিরি:বাংলাদেশের দার্জিলিং খ্যাত নীলগিরি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড় এবং পর্যটন কেন্দ্র।এটি বাংলাদেশের সর্ব উঁচুতে অবস্থিত পর্যটন কেন্দ্র।নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণ হলো এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২০০ ফুট উচ্চে অবস্থানের কারণে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র সর্বদা মেঘমণ্ডিত থাকে। এই পুরো পর্যটন কেন্দ্রটিই প্রতিষ্ঠা করেছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং তারাই এর পরিচালনা করে থাকেন। নীলগিরি থেকে হাত দিয়ে মেঘ ছুঁতে পারার অনুভূতি অন্যরকম সুন্দর।
🍁নীলাচল:নীলাচল বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এখানে নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলা প্রশাসনের তত্তাবধানে বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে টাইগারপাড়ার পাহাড়চূড়ায় গড়ে তোলা হয়েছে আকর্ষণীয় এই পর্যটন কেন্দ্র। নীলাচল থেকে পুরো বান্দরবান জেলা কে দেখা যায়। আকাশ,পাহাড়,আর মেঘের অভূতপূর্ব মিলনে ভরপুর এই নীলাচল। সকালে ও বিকালে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মেঘের সাথে অপূর্ব কিছু ল্যান্ডস্কেপ তৈরী করে। এ প্রকল্পে রয়েছে শুভ্রনীলা,‘ঝুলন্ত নীলা’, ‘নীহারিকা’ এবং ‘ভ্যালেন্টাইন পয়েন্ট’ নামে পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় বিশ্রামাগার।মেঘমুক্ত আকাশে কক্সবাজারর সমুদ্রসৈকতের অপুর্ব দৃশ্য নীলাচল থেকে উপভোগ করা যায় ।
🍁 চিম্বুক পাহাড়:দেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড় এবং ঐতিহাসিক স্থান হলো চিম্বুক পাহাড়।এই পাহাড়কে চিম্বুক পাহাড় বা চিম্বুক হিল বা কালা পাহাড় ও বলা হয়। এটি গড় সমুদ্র পৃষ্ট হতে প্রায় ২৫০০ ফুট উঁচু। এই পাহাড়কে বাংলাদেশের পাহাড়ী সৌন্দর্যের রানী বলা হয়। চিম্বুক পাহাড় এর চূড়া থেকে বর্ষাকালে মেঘের উড়াউড়ি দেখা যায়। এখানকার সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত যেকোনো পর্যটককে আকর্ষিত করে খুব সহজেই।
🍁 শৈল প্রপাত:শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবান জেলা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান-থানচি রোডের পাশে অবস্থিত। পর্যটন নগরী বান্দরবানের কাছে হওয়ায় সারা বছরই পর্যটক সমাগমে মুখরিত থাকে স্বচ্ছ ও ঠান্ডা পানির এই ঝর্ণাটি। শৈল প্রপাত ঝর্ণাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব এক সৃস্টি। এখানে বম উপজাতিদের কঠিনতম জীবন পরিচালনা লক্ষ্য করা যায়। রাস্তার পাশ ঘেঁষে ঝর্ণাটির অবস্থান হওয়ায় এখানে প্রচুর পর্যটকের আনাগুনা থাকে।
🍁 মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র: বান্দরবান শহর থেকে মেঘলার দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার। বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স। চিত্ত বিনোদনের জন্য বান্দরবানের অন্যতম একটি জায়গা হলো মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স।এখানে রয়েছে রয়েছে সাফারি পার্ক, শিশুপার্ক, চিড়িয়াখানা, উন্মুক্ত মঞ্চ, চা বাগান, কেবল কার ও প্যাডেল বোট। লেকের উপর আছে ২ টি ঝুলন্ত সেতু।
🍁 স্বর্ণ মন্দির:পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত সুদৃশ্য প্যাগোডা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থ স্থান হলো স্বর্ণ মন্দির। যদি ও এখানে কোনো স্থাপনায় স্বর্ণের তৈরী নয় তবে এই মন্দিরে সোনালী রঙের আধিক্যের কারণে এটিকে স্বর্ণ মন্দির নাম দেয়া হয়। এই মন্দিরটি মহাসুখ মন্দির বা বুদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির নামেও পরিচিত। বান্দরবানে বসবাসরত মারমা জাতিগোষ্ঠী হীনযান তথা থেরবাদ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। ২০০০ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশীয় ধাঁচে বার্মার স্থাপত্যবিদের তত্ত্বাবধানে জাদিটি নির্মিত হয়।
🍁সাঙ্গু নদী ভ্রমন:সাঙ্গু নদী বা শঙ্খ নদী, বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১৯ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। এই নদীটি সাপের মতো আঁকাবাঁকা ভাবে বান্দরবানের গহীনে বয়ে চলছে। বাংলাদেশের প্রধান কয়েকটি পাহাড়ি নদীর মধ্যে সাঙ্গু নদী অন্যতম। থানচি থেকে দক্ষিণের এলাকাগুলোতে যেতে হলে সাংগু নদীই একমাত্র ভরসা। পাহাড়ি উপজাতিদের কাছে এই সাঙ্গু নদী ঈশ্বর প্রদত্ত্ব আশীর্বাদ স্বরূপ।মারমা সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ এই নদীর উপর ই নির্ভরশীল। বান্দরবানের শঙ্খ-তীরবর্তী লোকজনের ৯০ শতাংশই মারমা। জীবন-জীবিকাসহ দৈনন্দিন কাজে এরা নদীটির ওপর নির্ভরশীল।
ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার উপায়
ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়ার জন্য সায়েদাবাদ,আরামবাগ,আব্দুল্লাহপুর ,কলাবাগান,কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে অনেক বাস সরাসরি বান্দরবান এর উদ্দেশে ছেড়ে যায়।ঢাকা থেকে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।
ট্রেনে করেও বান্দরবান যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে ঢাকা কমলাপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন এ উঠে সকালে চট্টগ্রাম নেমে ,সেখান থেকে বান্দরবানের জন্য বেশ কিছু বাস ছেড়ে যায়।
বান্দরবান এ থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা
বান্দরবানে অনেকগুলো রিসোর্ট,হোটেল,মোটেল ও রেস্ট হাউস রয়েছে। বিভিন্ন ম্যান ও দামের হয়ে থাকে সেগুলো। আপনার বাজেট মতো ও পছন্দ মতো যেকোনো টাতেই থাকতে পারেন। বান্দরবান শহরে খাবারের জন্য বেশ কিছু মাঝারি মানের খাবার হোটেল রয়েছে। সেখান থেকে নিজের পছন্দ মতো ৩ বেলায় খাবার খেতে পারেন। বাংলা খাবারের পাশাপাশি বিভিন্ন পাহাড়ি খাবারের ও অপসন থাকে। আবার চাইলে হোটেলে ও খাবারের ব্যবস্থা থাকে,তবে আগে থেকে জানিয়ে রাখতে হয়।
💠বান্দরবান ভ্রমণের পরিকল্পনা :
০দিনে রাতে কলাবাগান থেকে বাসে উঠে রওনা হবো বান্দরবানের উদ্দেশ্যে।
প্রথম দিন সকালে বান্দরবানে বাস থেকে নেমে হোটেলে চেক ইন।ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নিয়ে সকালের নাস্তা করে নিবো।এরপর রিজার্ভ জীপে করে মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সে চলে যাবো।কমপ্লেক্স পুরোটা ঘুরে দেখবো।দুপুরের খাবারের পর স্বর্ণ মন্দির পরিদর্শন শেষে বিকেলে মেঘ দেখতে আর বার্ডস আই ভিউতে বান্দরবান দেখতে রওনা দিবো নীলাচলে। সন্ধ্যায় ফিরে আসবো হোটেলে। সন্ধ্যার পর ব্যক্তিগত শপিং টাইম।
দ্বিতীয় দিন সকালে মেঘের রাজ্যে হারিয়ে যেতে আমরা চলে যাবো নীলগিরি। সেখান থেকে চলে যাবো চিম্বুক পাহাড়। দুপুরের খাবার শেষে বিকেলটা কাটিয়ে দেবো সাঙ্গু নদীতে নৌকা ভ্রমন করে।
সন্ধায় গ্রুপ ভিত্তিক রুমে ফ্রেশ হয়ে আমরা রাতের খাবার খাবো রাত ৮টায়। রাতের খাবার খেয়ে বাস স্ট্যান্ডে এসে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিবো ।
তৃতীয় দিন খুব সকালে আমরা ঢাকা থাকবো।
বান্দরবান ভ্রমনের তারিখ 😕
**নূন্যতম ৪জন হলে যেকোনো দিন প্রাইভেট ট্যুর এ্যারেঞ্জ করা যাবে।
💠বান্দরবান ভ্রমন খরচ:
জনপ্রতি ৬৮০০টাকা(নন এসি বাস, রুম)
জনপ্রতি ৯১০০টাকা (এসি রুম,বাস)
💠কাপল প্যাকেজ
প্রতি কাপল: ১২,৬০০টাকা
(নন এসিবাস,রুম)
প্রতি কাপল: ১৫৬০০ টাকা (এসি বাস,রুম)
কনফার্ম করার শেষ তারিখ : সিট খালি থাকা সাপেক্ষে।
🍂কনফার্ম করার জন্য প্রতিজন ৫,০০০ টাকা করে কনফার্মেশন মানি জমা দিতে হবে।
🍂চাইল্ড পলিসি : ০থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য ফ্রি এবং ৩+ থেকে ৮বছরের শিশুদের জন্য আলোচনা সাপেক্ষে চার্জ প্রযোজ্য হবে।
খাবার:
১ম দিন
সকালের নাস্তা: খিচুরি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম,চা
দুপুরের খাবার : চিকেন, ডাল,সালাদ, ভাত
রাতের খাবার :বারবিকিউ /গ্রিলড চিকেন,পরোটা,সফট ড্রিংকস।
দ্বিতীয় দিন
সকালের নাস্তা :খিচুড়ি/পরোটা, ডাল/ভাজি,ডিম, চা
দুপুরের খাবার : চিকেন বিরিয়ানি
রাতের খাবার : চিকেন ঝাল ফ্রাই, ডাল, সালাদ,ভাত
বিঃদ্রঃ অবশ্যই খাবারের মান মেইনটেইন করা হবে।
বান্দরবান ট্যুর প্যাকেজে যা যা থাকছে
💠ঢাকা -বান্দরবান -ঢাকা বাস।
💠দুই দিনের রিজার্ভ জীপ
💠 হোটেল
💠বান্দরবান পৌছানোর পর থেকে প্রতিদিন ৩ বেলা খাবার।
⛔বান্দরবান ট্যুর প্যাকেজে বান্দরবান যা থাকছে না
💠ঢাকা থেকে বান্দরবান যাওয়া আসার পথে যাত্রা বিরতি তে খাবার
💠এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত না এমন কোন খরচ।
কনফার্ম করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে –
💠হোটেলে এক রুমে চারজন করে থাকা। রুমে দুইটা করে বড় বেড থাকবে। ফ্যামিলি না হলে অবশ্যই মেয়েদের থাকার রুম আলাদা থাকবে।কাপলদের জন্য কাপল রুম থাকবে।
💠সব রুমে এটাচ বাথ থাকবে।
💠কোন হিডেন চার্জ নেই।
১. ভ্রমণের সময় যদি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হই নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করব।
২. অবস্থা পরিপেক্ষিতে যে কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে যেটা আমরা সকলে মিলে ঠিক করব।
৩. সবাইকে একটি বিষয় খুব ভাল ভাবে মনে রাখতে হবে যে স্পট গুলোতে কোনো রকম ময়লা ফেলা যাবে না। সাথে পলিথিন থাকবে, সেখানে ফেলতে হবে। পরে ডাস্টবিনে ফেলা হবে।
৪.স্থানীয় দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরন করা যাবে না।
৫.নিজের ব্যাগ নিজের বয়ে নিতে হবে। কেউ ব্যাগ টেনে নিবে এরকম মন মানসিকতা রাখা যাবেনা৷
বুকিং মানি জমা দেয়ার পদ্ধতি
ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109
**সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি জমা দেয়া যাবে।(১১৩ পশ্চিম ধানমন্ডি, আরমান খান গলি,ঢাকা ১২০৫)
**** ট্রিপের ৭ দিন আগে ক্যান্সেল করলে টাকা অফেরতযোগ্য
এছাড়া অন্য যেকোনো প্রশ্ন বা যোগাযোগের জন্য নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।
যোগাযোগ:01820-109 109