
বাংলাদেশ থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রসেসসিং
মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র হলো উজবেকিস্তান।দেশটির রাজধানী তাশখন্দ।উজবেকিস্তান সীমান্তে পাঁচটি স্থলবেষ্টিত দেশ রয়েছে: উত্তরে কাজাখস্তান; উত্তরপূর্ব কিরগিজস্তান; দক্ষিণপূর্ব তাজিকিস্তান, দক্ষিণ আফগানিস্তান; এবং দক্ষিণ পশ্চিমে তুর্কমেনিস্তান।উজবেকিস্তান এর ২য় বৃহত্তম শহর সমরকন্দ রেশম পথের মধ্যস্থলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি। সমরকন্দের প্রধান আকর্ষণ রেগিস্তান নামের এলাকা, যার চারপাশ ঘিরে আছে অনেকগুলি প্রাচীন মাদ্রাসা।উজবেকিস্তান এর এ সকল সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতি বছর অনেক পর্যটন সেখানে ভ্রমণে যায়।
উজবেকিস্তান ভ্রমণের জন্য একটি ভিসা অবশ্যয় জরুরি। বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের কোনো দূতাবাস না থাকাই আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নয়া দিল্লি থেকে উজবেকিস্তান ভিসা প্রক্রিয়া করতে হয়।
উজবেকিস্তান ভিসা আবেদন এর প্রক্রিয়া
আপনার দেশটি যদি ভিসা-মুক্ত না হয়, তাহলে আপনি নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলির মধ্যে একটিতে উজবেকিস্তানের ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন:
অনলাইন: উজবেকিস্তান ই ভিসা সিস্টেমের মাধ্যমে 50 টিরও বেশি দেশের নাগরিকরা একটি ইভিসার জন্য আবেদন করতে পারে।
একটি উজবেক দূতাবাস বা কনস্যুলেটে: আপনি যদি ইভিসার জন্য যোগ্য না হন বা আপনি 30 দিনের বেশি থাকতে চান তবে আপনাকে উজবেকিস্তানের একটি কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।উজবেকিস্তানের ভিসা আবেদনের জন্য প্রথমে অনলাইন এ একটি ফরম ফিলাপ করতে হবে। সেখানে সমস্ত সঠিক তথ্য দিয়ে অবদান ফরমটি পূরণ করতে হবে। আবেদন ফর্মের হার্ড কপি ভারতের নয়াদিল্লির উজবেকিস্তান দূতাবাসে পাঠাতে হবে।
উজবেকিস্তান এর ভিসার ধরণ
উজবেকিস্তান সাধারণত ২ ধরণের ভিসা ইস্যু করে। যেমন :
১. বিজনেস ভিসা
২. ট্যুরিস্ট ভিসা
. বিজনেস ভিসা : বিজনেস ভিসা টি মূলত যারা ব্যবসা বা ব্যবসা সংক্রান্ত কাজের যেতে চায় তাদের জন্য এই বিজনেস ভিসা।
. ট্যুরিস্ট ভিসা: সাধারণত যারা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে উজবেকিস্তান যেতে চাই তাদের জন্য ই হলো ট্যুরিস্ট ভিসা।
উজবেকিস্তান ভিসা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
ই-ভিসার ক্ষেত্রে :
আপনার পাসপোর্টের ব্যক্তিগত ডেটা পৃষ্ঠার একটি স্ক্যান কপি
একটি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সহ একটি ছবি প্রয়োজন৷ ছবিটি .JPEG ফরম্যাটে হতে হবে।
আপনাকে ইভিসা ওয়েবসাইটে এগুলি সংযুক্ত করতে হবে।
খরচ: ইভিসার সিঙ্গেল এন্ট্রির জন্য ভিসা ফী $20,ডাবল এন্ট্রি:$৩৫ এবং মাল্টিপল এন্ট্রি:$৫০। যা আপনাকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করতে হবে।
ভিসার বৈধতা: উজবেক ইভিসা জারি হওয়ার পর থেকে 90 দিনের জন্য এই ভিসা বৈধ। আপনি সেই সময়সীমার মধ্যে দেশে প্রবেশ করতে পারেন এবং সর্বোচ্চ 30 দিন থাকতে পারেন।
আপনি একটি একক-প্রবেশ ভিসা বা একাধিক-প্রবেশ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।
দূতাবাসে উজবেকিস্তান এর ভিসার জন্য আবেদন করা
দূতাবাস/কনস্যুলেটে উজবেক ভিসার জন্য আবেদন দুটি অংশে রয়েছে:
1.এই ভিসাটির জন্য উজবেকিস্তানে একজন স্পনসরের প্রয়োজন যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আপনার পক্ষ থেকে ভিসা নিশ্চিতকরণ করবে। নিশ্চিতকরণের চিঠিটি আবেদন প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার স্পন্সর হতে পারে সেই ব্যক্তি/সংস্থা/কোম্পানী যারা আপনাকে উজবেকিস্তানে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে বা একটি সরকার অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি।
2.নিশ্চিতকরণের চিঠি পাওয়ার পর, আপনি দূতাবাস/কনস্যুলেটে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। নির্দিষ্ট কনস্যুলার অফিসের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে আপনি ব্যক্তিগতভাবে বা ডাকযোগে আবেদন করতে পারেন।
উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র
আপনার স্পনসর ভিসা নিশ্চিতকরণের জন্য আবেদন করে নিম্নলিখিত ডকুমেন্টস গুলো জমা দিতে হবে:
উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র । পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে উপলব্ধ।
যদি কোনো সংস্থা/কোম্পানী আপনাকে আমন্ত্রণ জানায়, ফর্মটি অবশ্যই কোম্পানির লেটারহেডে প্রিন্ট করতে হবে।
সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক ভিসা ফর্ম। এটি ইভিসার মতো নয়।
আপনার পাসপোর্টের কপি।
আপনার এয়ারলাইন টিকিটের কপি (যদি তাসখন্দ বিমানবন্দরে পৌঁছান)
স্পনসর যদি একজন ব্যক্তি হয়:
হোস্টের পাসপোর্টের কপি।
অতিথির সাথে সম্পর্কের প্রমাণ।
স্পনসর যদি একটি কোম্পানি/সংস্থা হয়:
কোম্পানীর প্রধানের পাসপোর্টের অনুলিপি বা আবেদন জমা দেওয়ার অনুমোদিত ব্যক্তির।
কোম্পানি/সংস্থার লাইসেন্স এবং সার্টিফিকেট।
অনুমোদিত ব্যক্তির জন্য “পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি” এর একটি অনুলিপি।
অতিথির চাকরির শংসাপত্র।
উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা নিশ্চিতকরণ জারি করার পরে, আপনাকে নিম্নলিখিত নথিগুলি নিকটস্থ উজবেক দূতাবাস/কনস্যুলেটে জমা দিতে হবে:
আপনার পাসপোর্ট(আগের পাসপোর্ট থাকলে সেগুলো সহ )
দুটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে ৩.৫*৪.৫ সেমি সাইজের)
দুটি সম্পূর্ণ উজবেকিস্তান ভিসা আবেদনপত্র
ডকুমেন্টসের ভাষা: সবগুলো ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজিতে সাবমিট করতে হবে। যে ডকুমেন্টগুলো বাংলায় রয়েছে সেগুলো ট্রান্সলেট করে নোটারি করে ইংরেজিতে করতে হবে।
বাংলাদেশের সেরা ভিসা কনসালটেন্ট?
আপনি Schengen ভিসা প্রক্রিয়ায় আটকে থাকলে Sports Tourism Bangladesh আপনার বিশ্বস্ত গাইড হতে পারে ।
Sports Tourism Bangladesh বাংলাদেশের সেরা সেনজেন ভিসা পরামর্শক/এজেন্সি।
আমাদের অভিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতাদের দল বাংলাদেশে সব ধরনের ভ্রমণ সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করতে পারে – দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে।
ভ্রমণের অনেক উটকো ঝামেলা এড়াতে ট্রাভেল এজেন্সীর মাদ্ধমে ভ্রমণ করতে দেশের সবচেয়ে ফিমেল ফ্রেন্ডলি ও বাজেট ফ্রেন্ডলি ট্রাভেল এজেন্সী Sports Tourism Bangladesh এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ,ভ্রমণকে সুন্দর ও আনন্দদায়ক করায় আমাদের প্রথম প্রতিশ্রুতি।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে ভিসা ও এয়ার টিকেট জানতে ও সহযোগিতার জন্য ভিজিট করুন আমাদের পেজ :https://www.facebook.com/sportstourismbd
এবং কল করুন : 01820-109 109